যুক্তির পরমত্ব: "ঈশ্বর যুক্তির নিয়ম মানতে বাধ্য"—এটি ধর্ম স্বীকার করতে চায় না, কারণ এতে যুক্তি ঈশ্বরের চেয়ে বড় পরম সত্তা হয়ে যায়। আবার "ঈশ্বর নিজের তৈরি যুক্তি ভেঙে চারকোনা বৃত্ত বানাতে বা অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন"—আকস্মিক সংকটে পড়লে এটাও তারা স্বীকার করতে চায় না।
সর্বব্যাপিতা (Omnipresence): ঈশ্বরের সংজ্ঞায় থাকা 'সর্বব্যাপিতা' গুণটি তারা তর্কের সময় সুবিধাজনকভাবে ছেঁটে ফেলে। ঈশ্বরকে বস্তুজগতের বাইরে থাকা একজন সত্তা এবং পাথরকে একটি ভিন্ন বস্তু বানিয়ে তারা কৃত্রিম "স্রষ্টা বনাম পাথর" দ্বৈততা তৈরি করে।
অদ্বৈত বাস্তবতার পূর্ণ সর্বব্যাপিতা: পরম সর্বব্যাপিতাকে সমীকরণে ফিরিয়ে আনলেই সব সংঘাতের অবসান ঘটে। কারণ ঈশ্বর যদি সর্বত্র বিরাজমান হন, তবে পাথর, স্থান ও মাধ্যাকর্ষণ—সবই পরম বাস্তবতার রূপ। সমগ্র সত্তা কখনো নিজের অংশ থেকে পৃথক হতে পারে না, ফলে "স্রষ্টা পাথর তুলছেন কি না"—এই বাহ্যিক তর্কের প্রশ্নটাই আর টিকে থাকে না।😅