@jessdb01: Does anyone have photos of the two-toned Navy/Green Mott? The photo on Amazon looks black. Thanks ♥️

CoachLLGirly
CoachLLGirly
Open In TikTok:
Region: US
Friday 28 August 2026 15:12:08 GMT
256
5
7
0

Music

Download

Comments

victorywithlove
🫯🪐Virgo830⚡️💥 :
I’ve seen them in several groups on Facebook. A guy bought one while in London.
2026-08-28 19:17:09
1
cultivatelove365
cultivatelove365 :
It’s terrible on Amazon!
2026-08-28 19:29:14
1
gramaticallyincorrect
gramaticallyincorrect :
I got you friend, check you dm I sent you a couple 💯
2026-08-28 20:36:35
0
gregory_routt
gregory_routt :
2026-08-28 19:23:27
0
To see more videos from user @jessdb01, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Part - 64। দুই_পৃথিবী 🕊️ দিন রাত দুটোই পাল্লা দিয়ে চলছে। সেইদিন রাতে Tae নিজের গন্তব্যে ফিরে গেলেও হসপিটালের সাদা বেডে শরীর মেলে দিতে হয়েছে জাংকুক এর। Tae এর ছুরির প্রতিটা আঘাত গাঢ় আর তীব্র ছিল। পিঠে ছুরিটা হয়তো বেশি লেগেছে, তাই ক্ষতটাও মাত্রা ছাড়িয়েছে! সেইদিন রাতে জেগে জাংকুক এর অপেক্ষায় ছিল Yn। পুরোটা রাত কাটিয়েছিল আকাশের তারা গুণে। সেই রাত পেরিয়ে যাওয়ার পর আজ দুইদিন হতে চলল। সেইজে Yn কে জমিদার বাড়িতে রেখে বেরিয়েছিল আর আসেনি জাংকুক। Yn এর দিন কেটেছে জাংকুক এর অপেক্ষায় থেকে।  শত চেষ্টা করেও একচুল পরিমাণ খোঁজ পায়নি জাংকুক এর। নীল ও জমিদার বাড়িতে পা রাখেনি দুইদিন যাবত। পুরো জমিদার বাড়ির মানুষ খোঁজ করেছে জাংকুক এর, তবে কোনো খবর পায়নি। একরাশ হতাশা বুকে চেপে দিন গুনেছে Yn। তার বিশ্বাস আছে তার জমিদার সাহেব আসবেই! সকাল গড়িয়ে দুপুরের রাজত্ব চলছে। Yn নিজের মতো গোসল সেরে মনমরা হয়ে বারান্দায় এসে বসলো। জাংকুক এর ঘরের বারান্দা থেকে জমিদার বাড়ির গেইট স্পষ্ট দেখা যায়। Yn সেদিকে বিষাদ চোখে চেয়ে রইলো। অপেক্ষা পুষে রইলো কখন এই গেইট দিয়ে জাংকুক এর কালো গাড়িটা ঢুকবে। সময় পেরোলো। বিকেল গড়ালো তবুও Yn বারান্দা ছেড়ে উঠলো না। ঘোরের মাঝে আচমকা একটা বাইক ঢুকলো জমিদার বাড়ির গেইট পেরিয়ে। Yn সূক্ষ্ম চোখে চেয়ে বুঝল বাইকে বসে থাকা লোকটা নীল! জান প্রান হাতে নিয়ে দৌড়ে নিচে নামলো Yn। লিভিং রুম পেরিয়ে সদর দরজা পেরিয়ে উঠোনে পা রাখলো। নীলকে দেখলো বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে। Yn ঢোক গিলে নীলের উদ্দেশে বলল, Yn: জমিদার সাহেব কোথায়? থেমে গেলো নীলের চলতি পা জোড়া। সময় নিয়ে ঘুরে Yn এর দিকে চাইলো। জোরপূর্বক বড় করে হাসি দিয়ে বলল, নীল: ভাবি সালাম সালাম! কেমন আছেন বলুন তো? Yn এর রাগ হচ্ছে এখন। নিজেকে সামলে নিয়ে আবারো প্রশ্ন করলো, Yn: জমিদার সাহেব কোথায়? গত দুইদিন ধরে তার কোনো খবর নেই কেনো? নীলের হাটু কাপছে। জাংকুক এর কড়া আদেশ আছে Yn কে যেন তার এই করুন অবস্থার কথা কোনোভাবেই জানানো না হয়। নীল এসেছিল মূলত জাংকুক এর প্রয়োজনীয় কিছু ফাইল আর জামাকাপড় নিতে। ভেবেছিল চোরের মত ঢুকবে আর জিনিস পত্র নিয়ে বেরিয়ে যাবে। তবে শেষমেশ Yn এর প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই হলো।  নীল: স্যার একটা কাজে আছে! Yn: কোন কাজ? কি এমন বিশেষ কাজ যেইটার জন্য বাড়ি ফিরতে পারছে না! নীল ঢোক গিললো। Yn এর কঠিন প্রশ্নে নিজেকে আসামি মনে হচ্ছে। ইনিয়ে বিনিয়ে কোনমতে বলল, নীল: একটা সিক্রেট কাজ ভাবি, স্যার কাউকে বলতে না করেছে! Yn কাঠ কাঠ গলায় বলল, Yn: কোনো কাজ নেই আমি জানি সব মিথ্যে। কি হয়েছে সত্যিটা বলো? নীল মাথা নিচু করে নিলো। পরাজিত সৈনিকের মত গরগর করে বলল, নীল: Kim Taehyung হামলা করেছে স্যারের ওপর। ঝামেলার মাঝে স্যারকে অনেকটা আঘাত করা হয়েছে। স্যার হসপিটালে ভর্তি! Yn এর মাথাটা ঘুরে উঠলো। ঢোক গিলে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করলো। সময় নিয়ে ঠোঁট চেপে ধরে বলল, Yn: আমি দেখা করতে চাই তার সঙ্গে প্লিজ! নীল আর না করলো না। গ্যারেজ থেকে গাড়ি বের করে Yn কে উঠতে বলল। নিজে ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি স্টার্ট দিলো।  .. কেবিনের কাচের দরজা ঠেলে দাড়ালো Yn। শুকনো মুখে ভিতরের দিকে চাইতেই কলিজা ছিঁড়ে আসতে চাইলো। সাদা বেডে খালি গায়ে উপুর হয়ে শুয়ে আছে জাংকুক। পিঠের দিকে চোখ পরলে দেখলো পুরো পিঠ জুড়ে সাদা ব্যান্ডেজ পেঁচানো। Yn দুই কদম এগিয়ে যেয়ে হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে ফুপিয়ে উঠলো।  কারোর কান্নার শব্দে জাংকুক এর কপালে ভাজ পড়ল। সবে চোখটা লেগে এসেছিল। পিটপিট করে চোখ মেলে সামনে দিকে তাকাতেই Yn কে দেখে হতভম্ব হয়ে গেলো। অবাক গলায় বলল, জাংকুক: পদ্মফুল তুমি.. Yn এগিয়ে এসে বেডের পাশের চেয়ারে বসলো। ফোঁপাতে ফোঁপাতে নিজের হাতটা জাংকুক এর গালের ওপর রাখলো। আবেশে চোখ বন্ধ করে নিলো জাংকুক। এতক্ষণের ব্যথা যেনো ভুলেছে সে এই হাতের ছোঁয়া পেয়ে। Yn হেঁচকি তুলতে তুলতে বলল, Yn: কেনো আমায় কিছু জানাননি এতদিন? আপনি জানেন আমি আপনার জন্য কতটা অপেক্ষা করেছি! জাংকুক হাসলো। চোখ বন্ধ রেখেই বলল, জাংকুক: সরি জান, আর এমনটা হবে না। এইবার কান্না থামাও! .. 200+cp lnk নেক্সট পার্ট চাও তো কপি লিংক ডান করো! #foryoupage #fyppppppppppppppppppppppp #Rimjem7
Part - 64। দুই_পৃথিবী 🕊️ দিন রাত দুটোই পাল্লা দিয়ে চলছে। সেইদিন রাতে Tae নিজের গন্তব্যে ফিরে গেলেও হসপিটালের সাদা বেডে শরীর মেলে দিতে হয়েছে জাংকুক এর। Tae এর ছুরির প্রতিটা আঘাত গাঢ় আর তীব্র ছিল। পিঠে ছুরিটা হয়তো বেশি লেগেছে, তাই ক্ষতটাও মাত্রা ছাড়িয়েছে! সেইদিন রাতে জেগে জাংকুক এর অপেক্ষায় ছিল Yn। পুরোটা রাত কাটিয়েছিল আকাশের তারা গুণে। সেই রাত পেরিয়ে যাওয়ার পর আজ দুইদিন হতে চলল। সেইজে Yn কে জমিদার বাড়িতে রেখে বেরিয়েছিল আর আসেনি জাংকুক। Yn এর দিন কেটেছে জাংকুক এর অপেক্ষায় থেকে। শত চেষ্টা করেও একচুল পরিমাণ খোঁজ পায়নি জাংকুক এর। নীল ও জমিদার বাড়িতে পা রাখেনি দুইদিন যাবত। পুরো জমিদার বাড়ির মানুষ খোঁজ করেছে জাংকুক এর, তবে কোনো খবর পায়নি। একরাশ হতাশা বুকে চেপে দিন গুনেছে Yn। তার বিশ্বাস আছে তার জমিদার সাহেব আসবেই! সকাল গড়িয়ে দুপুরের রাজত্ব চলছে। Yn নিজের মতো গোসল সেরে মনমরা হয়ে বারান্দায় এসে বসলো। জাংকুক এর ঘরের বারান্দা থেকে জমিদার বাড়ির গেইট স্পষ্ট দেখা যায়। Yn সেদিকে বিষাদ চোখে চেয়ে রইলো। অপেক্ষা পুষে রইলো কখন এই গেইট দিয়ে জাংকুক এর কালো গাড়িটা ঢুকবে। সময় পেরোলো। বিকেল গড়ালো তবুও Yn বারান্দা ছেড়ে উঠলো না। ঘোরের মাঝে আচমকা একটা বাইক ঢুকলো জমিদার বাড়ির গেইট পেরিয়ে। Yn সূক্ষ্ম চোখে চেয়ে বুঝল বাইকে বসে থাকা লোকটা নীল! জান প্রান হাতে নিয়ে দৌড়ে নিচে নামলো Yn। লিভিং রুম পেরিয়ে সদর দরজা পেরিয়ে উঠোনে পা রাখলো। নীলকে দেখলো বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে। Yn ঢোক গিলে নীলের উদ্দেশে বলল, Yn: জমিদার সাহেব কোথায়? থেমে গেলো নীলের চলতি পা জোড়া। সময় নিয়ে ঘুরে Yn এর দিকে চাইলো। জোরপূর্বক বড় করে হাসি দিয়ে বলল, নীল: ভাবি সালাম সালাম! কেমন আছেন বলুন তো? Yn এর রাগ হচ্ছে এখন। নিজেকে সামলে নিয়ে আবারো প্রশ্ন করলো, Yn: জমিদার সাহেব কোথায়? গত দুইদিন ধরে তার কোনো খবর নেই কেনো? নীলের হাটু কাপছে। জাংকুক এর কড়া আদেশ আছে Yn কে যেন তার এই করুন অবস্থার কথা কোনোভাবেই জানানো না হয়। নীল এসেছিল মূলত জাংকুক এর প্রয়োজনীয় কিছু ফাইল আর জামাকাপড় নিতে। ভেবেছিল চোরের মত ঢুকবে আর জিনিস পত্র নিয়ে বেরিয়ে যাবে। তবে শেষমেশ Yn এর প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই হলো। নীল: স্যার একটা কাজে আছে! Yn: কোন কাজ? কি এমন বিশেষ কাজ যেইটার জন্য বাড়ি ফিরতে পারছে না! নীল ঢোক গিললো। Yn এর কঠিন প্রশ্নে নিজেকে আসামি মনে হচ্ছে। ইনিয়ে বিনিয়ে কোনমতে বলল, নীল: একটা সিক্রেট কাজ ভাবি, স্যার কাউকে বলতে না করেছে! Yn কাঠ কাঠ গলায় বলল, Yn: কোনো কাজ নেই আমি জানি সব মিথ্যে। কি হয়েছে সত্যিটা বলো? নীল মাথা নিচু করে নিলো। পরাজিত সৈনিকের মত গরগর করে বলল, নীল: Kim Taehyung হামলা করেছে স্যারের ওপর। ঝামেলার মাঝে স্যারকে অনেকটা আঘাত করা হয়েছে। স্যার হসপিটালে ভর্তি! Yn এর মাথাটা ঘুরে উঠলো। ঢোক গিলে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করলো। সময় নিয়ে ঠোঁট চেপে ধরে বলল, Yn: আমি দেখা করতে চাই তার সঙ্গে প্লিজ! নীল আর না করলো না। গ্যারেজ থেকে গাড়ি বের করে Yn কে উঠতে বলল। নিজে ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি স্টার্ট দিলো। .. কেবিনের কাচের দরজা ঠেলে দাড়ালো Yn। শুকনো মুখে ভিতরের দিকে চাইতেই কলিজা ছিঁড়ে আসতে চাইলো। সাদা বেডে খালি গায়ে উপুর হয়ে শুয়ে আছে জাংকুক। পিঠের দিকে চোখ পরলে দেখলো পুরো পিঠ জুড়ে সাদা ব্যান্ডেজ পেঁচানো। Yn দুই কদম এগিয়ে যেয়ে হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে ফুপিয়ে উঠলো। কারোর কান্নার শব্দে জাংকুক এর কপালে ভাজ পড়ল। সবে চোখটা লেগে এসেছিল। পিটপিট করে চোখ মেলে সামনে দিকে তাকাতেই Yn কে দেখে হতভম্ব হয়ে গেলো। অবাক গলায় বলল, জাংকুক: পদ্মফুল তুমি.. Yn এগিয়ে এসে বেডের পাশের চেয়ারে বসলো। ফোঁপাতে ফোঁপাতে নিজের হাতটা জাংকুক এর গালের ওপর রাখলো। আবেশে চোখ বন্ধ করে নিলো জাংকুক। এতক্ষণের ব্যথা যেনো ভুলেছে সে এই হাতের ছোঁয়া পেয়ে। Yn হেঁচকি তুলতে তুলতে বলল, Yn: কেনো আমায় কিছু জানাননি এতদিন? আপনি জানেন আমি আপনার জন্য কতটা অপেক্ষা করেছি! জাংকুক হাসলো। চোখ বন্ধ রেখেই বলল, জাংকুক: সরি জান, আর এমনটা হবে না। এইবার কান্না থামাও! .. 200+cp lnk নেক্সট পার্ট চাও তো কপি লিংক ডান করো! #foryoupage #fyppppppppppppppppppppppp #Rimjem7

About