@mose.le.serviteur: LA PROMESSE ACCORDÉE PAR LA FOI. PARTIE 03. #religion #conseil #astuce

MOÏSE LE SERVITEUR
MOÏSE LE SERVITEUR
Open In TikTok:
Region: CI
Monday 31 August 2026 22:35:53 GMT
156
26
3
4

Music

Download

Comments

mose.le.serviteur
MOÏSE LE SERVITEUR :
Abonnez-vous, likez, commentez et partagez pour sauver d’autres vies.
2026-08-31 22:45:21
0
To see more videos from user @mose.le.serviteur, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ক্যাপশন না পড়লে কিছুই আপনারা বুঝতে পারবেন না তিনি কোন ধরনের রাজনীতি করেন তাতে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন  যত দোষ নন্দ ঘোষ! ইসলামের ইতিহাস ও উপমহাদেশের রাজনীতিতে এমন বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক ঐক্য করা হয়েছে, কিন্তু কখনোই তা আকিদাগত ঐক্য হিসেবে গণ্য করা হয়নি। পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম ও রাজনীতিবিদ মাওলানা ফজলুর রহমান বিভিন্ন সময়ে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী ও সংসদীয় জোট গঠন করেছেন। একই সঙ্গে ভিন্ন মতাদর্শের দলগুলোর সঙ্গেও রাজনৈতিক সমঝোতা করেছেন। কিন্তু কোনো আলেম এ কথা বলেননি যে, এর মাধ্যমে তিনি তাদের সব আকিদা-বিশ্বাস গ্রহণ করেছেন। বরং এটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। একইভাবে শাইখুল হিন্দ হযরত মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী (রহ.) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতার পথ গ্রহণ করেছিলেন। ইতিহাসে তাঁর সংগ্রাম আমাদের শিক্ষা দেয় যে, রাজনৈতিক সহযোগিতা আর আকিদাগত একমত হওয়া এক বিষয় নয়। সুতরাং আজ যদি কোনো ইসলামী দল বা আলেম নির্বাচনী ঐক্য করেন, তাহলে শুধু সেই কারণেই তাঁর আকিদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা তাঁকে অন্য দলের আকিদার অনুসারী বলে প্রচার করা ইনসাফের দাবি পূরণ করে না। আপনি যদি কোনো ভালো কাজ করতে চান, তাহলে সেই ভালো কাজের পথে বাধা দেওয়ার জন্য অসংখ্য মানুষকে পাবেন। কিন্তু আপনি যদি কোনো খারাপ কাজ করতে চান, তাহলে সেই কাজে সমর্থন দেওয়ার লোকেরও অভাব হবে না। এটাই দুনিয়ার বাস্তবতা। সাম্প্রতিক সময়ে আল্লামা মামুনুল হককে ঘিরে যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তা দেখে আমার মনে হয়, অনেকেই যেকোনো বিষয়েই তাঁকেই দোষারোপ করার প্রবণতা দেখাচ্ছেন। অথচ তিনি বারবার বলেছেন,
ক্যাপশন না পড়লে কিছুই আপনারা বুঝতে পারবেন না তিনি কোন ধরনের রাজনীতি করেন তাতে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যত দোষ নন্দ ঘোষ! ইসলামের ইতিহাস ও উপমহাদেশের রাজনীতিতে এমন বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক ঐক্য করা হয়েছে, কিন্তু কখনোই তা আকিদাগত ঐক্য হিসেবে গণ্য করা হয়নি। পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম ও রাজনীতিবিদ মাওলানা ফজলুর রহমান বিভিন্ন সময়ে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী ও সংসদীয় জোট গঠন করেছেন। একই সঙ্গে ভিন্ন মতাদর্শের দলগুলোর সঙ্গেও রাজনৈতিক সমঝোতা করেছেন। কিন্তু কোনো আলেম এ কথা বলেননি যে, এর মাধ্যমে তিনি তাদের সব আকিদা-বিশ্বাস গ্রহণ করেছেন। বরং এটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। একইভাবে শাইখুল হিন্দ হযরত মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী (রহ.) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতার পথ গ্রহণ করেছিলেন। ইতিহাসে তাঁর সংগ্রাম আমাদের শিক্ষা দেয় যে, রাজনৈতিক সহযোগিতা আর আকিদাগত একমত হওয়া এক বিষয় নয়। সুতরাং আজ যদি কোনো ইসলামী দল বা আলেম নির্বাচনী ঐক্য করেন, তাহলে শুধু সেই কারণেই তাঁর আকিদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা তাঁকে অন্য দলের আকিদার অনুসারী বলে প্রচার করা ইনসাফের দাবি পূরণ করে না। আপনি যদি কোনো ভালো কাজ করতে চান, তাহলে সেই ভালো কাজের পথে বাধা দেওয়ার জন্য অসংখ্য মানুষকে পাবেন। কিন্তু আপনি যদি কোনো খারাপ কাজ করতে চান, তাহলে সেই কাজে সমর্থন দেওয়ার লোকেরও অভাব হবে না। এটাই দুনিয়ার বাস্তবতা। সাম্প্রতিক সময়ে আল্লামা মামুনুল হককে ঘিরে যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তা দেখে আমার মনে হয়, অনেকেই যেকোনো বিষয়েই তাঁকেই দোষারোপ করার প্রবণতা দেখাচ্ছেন। অথচ তিনি বারবার বলেছেন, "নির্বাচনী ঐক্য আকিদাগত ঐক্য নয়।" রাজনৈতিক সমঝোতা মানেই অন্য দলের আকিদা গ্রহণ করা নয়। আমার পর্যবেক্ষণে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল্লামা মামুনুল হককে নিয়ে সমালোচনা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চরমোনাই-সমর্থক কিছু ব্যক্তি এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কিছু সমর্থক তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা করে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট, ভিডিও ও বক্তব্য প্রকাশ করছেন। তবে এ ধরনের সমালোচনাকে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রত্যেক ব্যক্তি বা পুরো সংগঠনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে ধরে নেওয়া সঠিক হবে না। মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু মতভেদ যেন ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমান, গালি-গালাজ, বিদ্বেষ কিংবা ভিত্তিহীন অভিযোগে পরিণত না হয়। ইসলামী আদবের দাবি হলো—সমালোচনা হবে দলিল, প্রমাণ ও ইনসাফের ভিত্তিতে। কোনো রাজনৈতিক জোট বা নির্বাচনী সমঝোতার কারণে একজন আলেমের আকিদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, তাঁকে অন্য দলের আকিদার অনুসারী বলে প্রচার করা, কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো সঠিক পদ্ধতি নয়। নির্বাচনী ঐক্য ও আকিদাগত ঐক্য এক বিষয় নয়—এ পার্থক্য বোঝা এবং বোঝানো সবার দায়িত্ব। আমরা যদি সত্যিই ইসলামের কল্যাণ, উলামায়ে কেরামের মর্যাদা এবং উম্মাহর ঐক্য কামনা করি, তাহলে ব্যক্তি বিদ্বেষ নয়; বরং দলিল, ইনসাফ ও উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে মতভেদ প্রকাশ করা উচিত। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হক বুঝার, হকের ওপর অটল থাকার, ইনসাফের সঙ্গে কথা বলার এবং মতভেদের মধ্যেও ইসলামী আদব বজায় রাখার তাওফিক দান করুন। আমীন।

About