𝖒𝖆𝖍𝖋𝖚𝖟 𝖆𝖍𝖒𝖊𝖉 :
যার বুকের মানুষ হারাইলো,
সেই কেবল বুকের ভেতর টের পায়, যন্ত্রণা কারে কয়, ব্যথার ঔষধ কতটা ভারী,কেমন কইরা খামচি মারে স্মৃতি ঘুণপোকায়।
এই যে আমি তোমারে হারাইলাম, আমার বুকই কেবল বুঝে সাই-সাই কইরা সকাল সন্ধ্যা ছুইট্টা চলে যন্ত্রণা এক্সপ্রেস।
একখান স্টেশন, যেখানে সব ট্রেন থামে,
তয়,যাত্রী নাইমতে ভুইলা যায় ।
তোমারে হারানো মানে,আঙুরগাছ থেইকা সবুজ পাতা ছিঁড়ে নেওয়া,গাছটা তখনও দাঁড়ায় থাহে, তয় ফলের আশায় নাই।
তুমি ছাড়া জীবনটা হইলো,
একটা জ্বলন্ত প্রদীপের ভেতর থেইকা সলতে টেনে নেওয়া,আলো নিভে যায়, তয় ধোঁয়া পাক খাইতে খাইতে বুক ভরায়।
তোমারে হারানো মানে,মাটির নিচে বীজ পইড়া রইলো,
তয় আর কোনকালেই অঙ্কুর গজায় নাই,
শুকনা মাটি শুধু ভেতর ভেতর কাঁইন্দা ম|রে।
তুমি নাই মানে,শুকনো কুয়োয় বালতি নামাইলে খালি প্রতিধ্বনি ফিরে আহে, পানি আহে না।
তোমারে হারানো মানে,
বুকের ভেতর গান আছে, কিন্তু কোন সুর নাই,
শব্দ আছে, তয় উচ্চারণের শক্তি নাই।
অথচ তুমি ছাড়া আমার বুকটা হইলো
একটা কবরে শুইয়া থাকা জীবিত মানুষ,
যার নিশ্বাসও শবযাত্রার মতো ভারী,
যার রক্তও কেবল অনুপস্থিতির স্রোতে বইয়া যায়।
ইশ তোমারে ছাইড়া থাকনের মতোন,যদি দুঃখ গুলা ছাইড়া দিতে পারতাম!
অথচ,আমার কোন দুঃখই নাই তুমি ছাড়া।
2026-09-04 19:37:07