@wasatchpop: Buying Rare Funko Pops for $0 (PART 68) #funkopop #collectibles #challenge #collection

Wasatch Pop
Wasatch Pop
Open In TikTok:
Region: US
Saturday 05 September 2026 19:00:54 GMT
15095
837
13
12

Music

Download

Comments

chicharo_vera
chicharo_vera :
Just started getting into Funko
2026-09-06 00:43:30
5
carsonmiller419
Silent07 :
I need Him to fine the plant vs zombies pops 😭✌️
2026-09-06 03:12:23
1
originhebrew
Peak :
I have that conehead I didn’t know it was rare
2026-09-05 20:46:37
13
208_gonzaga24
208_gonzaga24 :
I don’t have a single rare pop😔✌️
2026-09-06 01:50:36
1
thatfunkodude
TheDisneyDad8907 :
I know where an Indiana Jones is for around $200.
2026-09-06 15:48:44
0
hey_marom
Hey_marom :
Seeing those Funko pops from not in the us hit hard as a collector
2026-09-06 11:10:51
0
day_anfleur
Day :
how does one know if it's fake😭I'm new to this
2026-09-07 01:28:04
0
mia_bick
Mia :
I seen the jafar and sully both in a shop in Brooklyn NY if you could get there
2026-09-05 20:09:51
0
fifagabrieles
gabrielnimwegen :
love this serie man
2026-09-05 19:03:36
2
To see more videos from user @wasatchpop, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মা-বাবাকে সম্মান করা কি মানে তাদের সব আচরণ চুপচাপ সহ্য করা? এই প্রশ্নটা অনেকেই মুখে বলেন না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে বছরের পর বছর বহন করেন। হয়তো ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছেন, “ওরা তোমার মা-বাবা।” তাই অপমান হলেও চুপ থেকেছেন। আপনার সিদ্ধান্তগুলো বারবার নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, অনুভূতিকে তুচ্ছ করা হয়েছে, অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, guilt দেওয়া হয়েছে, এমন কথাও বলা হয়েছে যেগুলো বহু বছর পরও মনে পড়লে বুক ভারী হয়ে যায়। তবুও নিজেকেই বোঝান, “মা-বাবা তো… সহ্য করতেই হবে।” কিন্তু ইসলাম মা-বাবার প্রতি ইহসান শিখিয়েছে, অন্যায়কে সঠিক বলে মেনে নিতে শেখায়নি। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা তিনি ছাড়া আর কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।” এমনকি তাঁদের সামনে বিরক্তিসূচক শব্দ উচ্চারণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। [সূরা আল-ইসরা ১৭:২৩]  আল্লাহ তাআলা মা-বাবার আনুগত্যকেও সীমাহীন করেননি। তাঁরা যদি আল্লাহর অবাধ্যতার দিকে চাপ দেন, তখন তাঁদের কথা মানতে নিষেধ করা হয়েছে, অথচ একই আয়াতে তাঁদের সঙ্গে দুনিয়াবি জীবনে ভালোভাবে চলতে বলা হয়েছে। [সূরা লুকমান ৩১:১৫]  খেয়াল করুন, এখানে দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখা হয়েছে: কিছু বিষয়ে আনুগত্য না করা এবং তবুও সদাচরণ বজায় রাখা। অর্থাৎ “না” বলা সবসময় বেয়াদবি নয়। সীমা টানা সবসময় সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া নয়। নিজের নিরাপত্তা রক্ষা করা মানেই মা-বাবাকে অসম্মান করা নয়। হয়তো আপনার সমস্যাটাও এখানেই। আপনি জানেন কোনো আচরণ আপনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে, তবুও ভয় পান, “আমি যদি আর এটা মেনে না নিই, তাহলে কি আমি খারাপ সন্তান হয়ে যাব?” কোনো দাবি, চাপ বা আচরণ যদি সত্যিই আপনার দ্বীন, শারীরিক বা মানসিক নিরাপত্তা কিংবা শরিয়তসম্মত অধিকারকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে সম্মান বজায় রেখেও সেই জায়গায় সীমা নির্ধারণ করা যায়। কারণ ইসলাম ন্যায়বিচারের প্রশ্নেও আত্মীয়তার কারণে সত্যকে বদলে দিতে বলেনি। আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ন্যায়ের ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো… যদিও তা তোমাদের নিজেদের, মা-বাবা বা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে যায়।” [সূরা আন-নিসা ৪:১৩৫]  তাই মা-বাবা ভুল করতে পারেন। অন্যায়ও করতে পারেন। কখনো তাঁদের কোনো আচরণ সন্তানের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে। তাঁদের মা-বাবা হওয়া সেই অন্যায়কে সঠিক বানিয়ে দেয় না। আবার তাঁদের অন্যায়ের কারণে সন্তানও গালি, অপমান, প্রতিশোধ বা ইচ্ছাকৃত বেয়াদবির পথে যেতে পারে না। এখানেই ইসলামের সৌন্দর্য: অন্যায়ের বিরুদ্ধে সীমা থাকবে, কিন্তু চরিত্রও থাকবে। তবে আরেকটা বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার। প্রতিটি কঠোর কথা, মতভেদ, শাসন বা আপনার পছন্দের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকে বলা ঠিক নয়। মা-বাবা আপনার সঙ্গে সব বিষয়ে একমত না হলেই তাঁরা নির্যাতনকারী হয়ে যান না। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অপমান করা, ভয় দেখানো, মারধর করা, অস্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়া, হুমকি দেওয়া কিংবা ধর্মের নাম ব্যবহার করে অন্যায় চাপিয়ে দেওয়া সাধারণ পারিবারিক মতভেদও নয়। এমন পরিস্থিতিতে boundary কেমন হতে পারে? কারও ক্ষেত্রে হয়তো নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আর তর্কে না যাওয়া। কারও ক্ষেত্রে অপমান শুরু হলে শান্তভাবে কথোপকথন শেষ করা। কারও ক্ষেত্রে দেখা বা ফোনের সময় সীমিত করা। কারও ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত আত্মীয়, অভিজ্ঞ আলেম বা উপযুক্ত পেশাদার কাউকে মাঝখানে আনা। পরিস্থিতির মাত্রা অনুযায়ী ব্যবস্থা আলাদা হতে পারে। আর যদি বিষয়টি শারীরিক নি র্যা তন, যৌ ন নি র্যা তন, গুরুতর হুমকি বা বাস্তব নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পৌঁছে যায়, তখন শুধু “সহ্য করুন” বলে বসে থাকা সমাধান নয়। নিরাপদ জায়গায় যাওয়া, বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল মানুষের সাহায্য নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা পেশাদার সহায়তা নেওয়াও প্রয়োজন হতে পারে। সবরকেও এখানে ভুলভাবে বোঝা ঠিক নয়। সবর কখনো জুলুমকে বৈধ বানিয়ে দেয় না। সবর হলো আল্লাহর সীমা না ভেঙে, রাগে নিজেও অন্যায় না করে, হিকমাহর সঙ্গে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া। আর ক্ষমা করলেও একটা বিষয় মনে রাখা দরকার। ক্ষমা করা আর কাউকে আবার আগের মতো আপনার জীবনের সব জায়গায় access দেওয়া এক জিনিস নয়। কেউ সত্যিই পরিবর্তিত হলে, বিশ্বাস ধীরে ধীরে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু একই ক্ষতিকর আচরণ চলতেই থাকলে শুধু “আমি তো ক্ষমা করেছি” ভেবে সব সীমা তুলে দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে সীমা নির্ধারণের মধ্যেও মা-বাবার হক একেবারে হারিয়ে যায় না। পরিস্থিতি যতটা অনুমতি দেয়, ততটা সম্মানজনক ভাষা, প্রয়োজনীয় খোঁজখবর, দোয়া এবং দায়িত্ব বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রতিশোধ নয়, অন্যায় কমানো এবং সম্পর্ককে যতটা সম্ভব সুস্থ পথে রাখা। হয়তো আপনাকে আজই সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে না। হয়তো শুধু একটি পরিষ্কার সীমা দরকার। হয়তো একটি শান্ত “না” দরকার। হয়তো বহুদিনের অপরাধবোধটাকে নতুন করে যাচাই করা দরকার। #AmazingStory #creatorsearchinsights #fyp  #foryoupage
মা-বাবাকে সম্মান করা কি মানে তাদের সব আচরণ চুপচাপ সহ্য করা? এই প্রশ্নটা অনেকেই মুখে বলেন না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে বছরের পর বছর বহন করেন। হয়তো ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছেন, “ওরা তোমার মা-বাবা।” তাই অপমান হলেও চুপ থেকেছেন। আপনার সিদ্ধান্তগুলো বারবার নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, অনুভূতিকে তুচ্ছ করা হয়েছে, অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, guilt দেওয়া হয়েছে, এমন কথাও বলা হয়েছে যেগুলো বহু বছর পরও মনে পড়লে বুক ভারী হয়ে যায়। তবুও নিজেকেই বোঝান, “মা-বাবা তো… সহ্য করতেই হবে।” কিন্তু ইসলাম মা-বাবার প্রতি ইহসান শিখিয়েছে, অন্যায়কে সঠিক বলে মেনে নিতে শেখায়নি। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা তিনি ছাড়া আর কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।” এমনকি তাঁদের সামনে বিরক্তিসূচক শব্দ উচ্চারণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। [সূরা আল-ইসরা ১৭:২৩] আল্লাহ তাআলা মা-বাবার আনুগত্যকেও সীমাহীন করেননি। তাঁরা যদি আল্লাহর অবাধ্যতার দিকে চাপ দেন, তখন তাঁদের কথা মানতে নিষেধ করা হয়েছে, অথচ একই আয়াতে তাঁদের সঙ্গে দুনিয়াবি জীবনে ভালোভাবে চলতে বলা হয়েছে। [সূরা লুকমান ৩১:১৫] খেয়াল করুন, এখানে দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখা হয়েছে: কিছু বিষয়ে আনুগত্য না করা এবং তবুও সদাচরণ বজায় রাখা। অর্থাৎ “না” বলা সবসময় বেয়াদবি নয়। সীমা টানা সবসময় সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া নয়। নিজের নিরাপত্তা রক্ষা করা মানেই মা-বাবাকে অসম্মান করা নয়। হয়তো আপনার সমস্যাটাও এখানেই। আপনি জানেন কোনো আচরণ আপনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে, তবুও ভয় পান, “আমি যদি আর এটা মেনে না নিই, তাহলে কি আমি খারাপ সন্তান হয়ে যাব?” কোনো দাবি, চাপ বা আচরণ যদি সত্যিই আপনার দ্বীন, শারীরিক বা মানসিক নিরাপত্তা কিংবা শরিয়তসম্মত অধিকারকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে সম্মান বজায় রেখেও সেই জায়গায় সীমা নির্ধারণ করা যায়। কারণ ইসলাম ন্যায়বিচারের প্রশ্নেও আত্মীয়তার কারণে সত্যকে বদলে দিতে বলেনি। আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ন্যায়ের ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো… যদিও তা তোমাদের নিজেদের, মা-বাবা বা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে যায়।” [সূরা আন-নিসা ৪:১৩৫] তাই মা-বাবা ভুল করতে পারেন। অন্যায়ও করতে পারেন। কখনো তাঁদের কোনো আচরণ সন্তানের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে। তাঁদের মা-বাবা হওয়া সেই অন্যায়কে সঠিক বানিয়ে দেয় না। আবার তাঁদের অন্যায়ের কারণে সন্তানও গালি, অপমান, প্রতিশোধ বা ইচ্ছাকৃত বেয়াদবির পথে যেতে পারে না। এখানেই ইসলামের সৌন্দর্য: অন্যায়ের বিরুদ্ধে সীমা থাকবে, কিন্তু চরিত্রও থাকবে। তবে আরেকটা বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার। প্রতিটি কঠোর কথা, মতভেদ, শাসন বা আপনার পছন্দের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকে বলা ঠিক নয়। মা-বাবা আপনার সঙ্গে সব বিষয়ে একমত না হলেই তাঁরা নির্যাতনকারী হয়ে যান না। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অপমান করা, ভয় দেখানো, মারধর করা, অস্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়া, হুমকি দেওয়া কিংবা ধর্মের নাম ব্যবহার করে অন্যায় চাপিয়ে দেওয়া সাধারণ পারিবারিক মতভেদও নয়। এমন পরিস্থিতিতে boundary কেমন হতে পারে? কারও ক্ষেত্রে হয়তো নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আর তর্কে না যাওয়া। কারও ক্ষেত্রে অপমান শুরু হলে শান্তভাবে কথোপকথন শেষ করা। কারও ক্ষেত্রে দেখা বা ফোনের সময় সীমিত করা। কারও ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত আত্মীয়, অভিজ্ঞ আলেম বা উপযুক্ত পেশাদার কাউকে মাঝখানে আনা। পরিস্থিতির মাত্রা অনুযায়ী ব্যবস্থা আলাদা হতে পারে। আর যদি বিষয়টি শারীরিক নি র্যা তন, যৌ ন নি র্যা তন, গুরুতর হুমকি বা বাস্তব নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পৌঁছে যায়, তখন শুধু “সহ্য করুন” বলে বসে থাকা সমাধান নয়। নিরাপদ জায়গায় যাওয়া, বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল মানুষের সাহায্য নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা পেশাদার সহায়তা নেওয়াও প্রয়োজন হতে পারে। সবরকেও এখানে ভুলভাবে বোঝা ঠিক নয়। সবর কখনো জুলুমকে বৈধ বানিয়ে দেয় না। সবর হলো আল্লাহর সীমা না ভেঙে, রাগে নিজেও অন্যায় না করে, হিকমাহর সঙ্গে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া। আর ক্ষমা করলেও একটা বিষয় মনে রাখা দরকার। ক্ষমা করা আর কাউকে আবার আগের মতো আপনার জীবনের সব জায়গায় access দেওয়া এক জিনিস নয়। কেউ সত্যিই পরিবর্তিত হলে, বিশ্বাস ধীরে ধীরে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু একই ক্ষতিকর আচরণ চলতেই থাকলে শুধু “আমি তো ক্ষমা করেছি” ভেবে সব সীমা তুলে দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে সীমা নির্ধারণের মধ্যেও মা-বাবার হক একেবারে হারিয়ে যায় না। পরিস্থিতি যতটা অনুমতি দেয়, ততটা সম্মানজনক ভাষা, প্রয়োজনীয় খোঁজখবর, দোয়া এবং দায়িত্ব বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রতিশোধ নয়, অন্যায় কমানো এবং সম্পর্ককে যতটা সম্ভব সুস্থ পথে রাখা। হয়তো আপনাকে আজই সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে না। হয়তো শুধু একটি পরিষ্কার সীমা দরকার। হয়তো একটি শান্ত “না” দরকার। হয়তো বহুদিনের অপরাধবোধটাকে নতুন করে যাচাই করা দরকার। #AmazingStory #creatorsearchinsights #fyp #foryoupage

About