@savadxmss: Vegas

savadxmss
savadxmss
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 06 September 2026 02:49:56 GMT
561
42
1
1

Music

Download

Comments

solshine_____
sol ☀️ :
Girl you look GOOD
2026-09-06 04:31:42
0
To see more videos from user @savadxmss, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

‎◆ মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই? — হৃদয় ভাঙা এক বাস্তব গল্প ‎ ‎◆ বাবা দরজায় দাঁড়িয়ে… ‎দরজার ঘণ্টা বাজতেই খুলে দেখি— ‎আমার জন্মদাতা বাবা দাঁড়িয়ে আছে। ‎মুখে সেই চিরচেনা হাসি, ‎আর হাতে ছোট্ট একটা বক্স। ‎ ‎আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললাম— ‎“বাবা, ভিতরে আসো…” ‎ ‎ভিতরে এসে বক্সটা বাড়িয়ে দিয়ে বাবা বললো— ‎“এই নে মা, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস। তোর মা বানিয়েছে। তোকে না খাইয়ে আমরা কীভাবে খাবো?” ‎ ‎আমি অবাক হয়ে বললাম— ‎“এসব দিতে ৬০ কিলোমিটার পথ আসলে?” ‎বাবা আবারো হাসলো। ‎একটা অদ্ভুত, শান্ত, ক্লান্ত হাসি। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির আচরণ… ‎ঠিক তখনই রুমের ভেতর থেকে শ্বাশুড়ির ডাক— ‎“বউমা, কে এসেছে?” ‎ ‎বাবা এগিয়ে গিয়ে ভদ্রভাবে বললো— ‎“কেমন আছেন বেয়ান সাব?” ‎শ্বাশুড়ি একবার তাকিয়ে কোনো উত্তর না দিয়েই ‎রুমে চলে গেলেন। ‎সেই নীরবতাই ছিল বাবার প্রতি তার প্রথম অপমান। ‎ ‎◆ বাবাকে থাকতে দিতে পারলাম না… ‎বাবা বললো— ‎“মা, আজ থাকি একদিন? তোমাদের সাথে একটু সময় কাটাই।” ‎ ‎আমি কান্না চেপে রাখতে রাখতে বললাম— ‎“না বাবা… দুপুরের পর চলে যাও।” ‎আমার নিজের মুখের কথায় ‎যেন বুকের ভেতর কাঁচ ভেঙে গেলো। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির রাগ—“তোমার বাপের লজ্জা নাই!” ‎আমি শ্বাশুড়ির রুমে গিয়ে বললাম— ‎“মা, খাসির মাংসটা বের করি? বাবা খেয়ে যাবে…” ‎ ‎তিনি রাগী গলায় বললেন— ‎“এত আপ্যায়ন লাগবে না! তোমার বাপ তো রোজ রোজ এসে পড়ে! তার জন্য আবার খাসি রান্না করতে হবে? ‎লোকটার লজ্জা নেই নাকি?” ‎ ‎আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম— ‎“মা, পাশের রুমে বাবা আছে… দয়া করে এসব বলবেন না।” ‎আমি সরে আসলাম। ‎চোখের পানি থামাতে পারলাম না। ‎ ‎◆ জামাইয়ের অপমান—বাজারের ব্যাগ হাতে তুলে দেওয়া… ‎একবার স্বামী বাজারের ব্যাগ দিয়ে বাবাকে বলেছিল— ‎“আপনি তো ফ্রি আছেন, বাজারটা করে নিয়ে আসুন।” ‎একজন শ্বশুরের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কী হতে পারে? ‎ ‎কিন্তু বাবা কিছুই বুঝলো না। ‎হাসিমুখে বাজারে চলে গেলো। ‎ ‎◆ দুপুরের খাবার—মাছের মাথাটাও বাবাকে দিতে পারলাম না… খাওয়া পরিবেশন করতে গিয়ে ‎মাছের মাথাটা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম বাবার প্লেটে। ‎ ‎হঠাৎ শ্বাশুড়ি এসে বললেন— ‎“এটা আমার ছেলের জন্য! নিজের বাপকে মাছের মাথা দিচ্ছো কেন?” ‎বাবা চুপচাপ ঝোল মেখে খেতে লাগলো। ‎বললো— ‎ ‎“তুই এত ভালো রান্না করিস! বাড়ি গিয়ে তোর মাকে শেখাবি একদিন।” ‎বাবার সরল কথাগুলো তখন ছুরি হয়ে বিঁধলো আমার মনে। ‎ ‎◆ অবশেষে বাবাকে নিষেধ করলাম… ‎খাওয়া শেষে বাবা উঠতেই ‎আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম। ‎ ‎বললাম— ‎“বাবা, প্লিজ… আর আসবে না এই বাড়িতে। ‎তোমাকে বারবার অপমান করতে আমার খারাপ লাগে!” ‎ ‎বাবা কিছু বললো না। ‎শুধু আমার মাথায় হাত রেখে ‎হাসিমুখে চলে গেলো। ‎সেই দিনের পর বাবা আর কখনো আমাদের বাড়ি আসেনি। ‎ ‎◆ অথচ বিপদের সময়ে সবার পাশে ছিল বাবা… ‎শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো, ‎স্বামীর ব্যবসা খারাপ হলো— ‎সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল আমার বাবা। ‎কিন্তু তবুও… ‎কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। ‎ ‎◆ দুই বছর পর—আমি মা হলাম ‎মেয়ে হওয়ার পর ‎আমার স্বামী বদলে গেলো। ‎ ‎রাতে ঘুম না হলে ‎ঘন্টার পর ঘন্টা কোলে নিয়ে হাঁটে। ‎মেয়ে আধো গলায় ‎“বাবা…” ‎বলে ডাকলে ‎স্বামী খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ‎ ‎একদিন মেয়েকে বুকে নিয়ে বললো— ‎“আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দেবো না! সারাজীবন রাখবো!” ‎ ‎আমি শান্তভাবে বললাম— ‎“আমার বাবাও আমাকে ঠিক এভাবেই ভালোবাসতো। ‎তবুও আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ‎আর যখন আমি বিয়ার পর তোমার বাসায় এলাম— ‎প্রতিবার অপমানিত হয়েও বাবা আসতো… ‎শুধু আমাকে এক নজর দেখার জন্য।” ‎ ‎স্বামী চুপ করে গেলো। ‎ ‎◆ স্বামীর উপলব্ধি—
‎◆ মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই? — হৃদয় ভাঙা এক বাস্তব গল্প ‎ ‎◆ বাবা দরজায় দাঁড়িয়ে… ‎দরজার ঘণ্টা বাজতেই খুলে দেখি— ‎আমার জন্মদাতা বাবা দাঁড়িয়ে আছে। ‎মুখে সেই চিরচেনা হাসি, ‎আর হাতে ছোট্ট একটা বক্স। ‎ ‎আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললাম— ‎“বাবা, ভিতরে আসো…” ‎ ‎ভিতরে এসে বক্সটা বাড়িয়ে দিয়ে বাবা বললো— ‎“এই নে মা, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস। তোর মা বানিয়েছে। তোকে না খাইয়ে আমরা কীভাবে খাবো?” ‎ ‎আমি অবাক হয়ে বললাম— ‎“এসব দিতে ৬০ কিলোমিটার পথ আসলে?” ‎বাবা আবারো হাসলো। ‎একটা অদ্ভুত, শান্ত, ক্লান্ত হাসি। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির আচরণ… ‎ঠিক তখনই রুমের ভেতর থেকে শ্বাশুড়ির ডাক— ‎“বউমা, কে এসেছে?” ‎ ‎বাবা এগিয়ে গিয়ে ভদ্রভাবে বললো— ‎“কেমন আছেন বেয়ান সাব?” ‎শ্বাশুড়ি একবার তাকিয়ে কোনো উত্তর না দিয়েই ‎রুমে চলে গেলেন। ‎সেই নীরবতাই ছিল বাবার প্রতি তার প্রথম অপমান। ‎ ‎◆ বাবাকে থাকতে দিতে পারলাম না… ‎বাবা বললো— ‎“মা, আজ থাকি একদিন? তোমাদের সাথে একটু সময় কাটাই।” ‎ ‎আমি কান্না চেপে রাখতে রাখতে বললাম— ‎“না বাবা… দুপুরের পর চলে যাও।” ‎আমার নিজের মুখের কথায় ‎যেন বুকের ভেতর কাঁচ ভেঙে গেলো। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির রাগ—“তোমার বাপের লজ্জা নাই!” ‎আমি শ্বাশুড়ির রুমে গিয়ে বললাম— ‎“মা, খাসির মাংসটা বের করি? বাবা খেয়ে যাবে…” ‎ ‎তিনি রাগী গলায় বললেন— ‎“এত আপ্যায়ন লাগবে না! তোমার বাপ তো রোজ রোজ এসে পড়ে! তার জন্য আবার খাসি রান্না করতে হবে? ‎লোকটার লজ্জা নেই নাকি?” ‎ ‎আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম— ‎“মা, পাশের রুমে বাবা আছে… দয়া করে এসব বলবেন না।” ‎আমি সরে আসলাম। ‎চোখের পানি থামাতে পারলাম না। ‎ ‎◆ জামাইয়ের অপমান—বাজারের ব্যাগ হাতে তুলে দেওয়া… ‎একবার স্বামী বাজারের ব্যাগ দিয়ে বাবাকে বলেছিল— ‎“আপনি তো ফ্রি আছেন, বাজারটা করে নিয়ে আসুন।” ‎একজন শ্বশুরের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কী হতে পারে? ‎ ‎কিন্তু বাবা কিছুই বুঝলো না। ‎হাসিমুখে বাজারে চলে গেলো। ‎ ‎◆ দুপুরের খাবার—মাছের মাথাটাও বাবাকে দিতে পারলাম না… খাওয়া পরিবেশন করতে গিয়ে ‎মাছের মাথাটা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম বাবার প্লেটে। ‎ ‎হঠাৎ শ্বাশুড়ি এসে বললেন— ‎“এটা আমার ছেলের জন্য! নিজের বাপকে মাছের মাথা দিচ্ছো কেন?” ‎বাবা চুপচাপ ঝোল মেখে খেতে লাগলো। ‎বললো— ‎ ‎“তুই এত ভালো রান্না করিস! বাড়ি গিয়ে তোর মাকে শেখাবি একদিন।” ‎বাবার সরল কথাগুলো তখন ছুরি হয়ে বিঁধলো আমার মনে। ‎ ‎◆ অবশেষে বাবাকে নিষেধ করলাম… ‎খাওয়া শেষে বাবা উঠতেই ‎আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম। ‎ ‎বললাম— ‎“বাবা, প্লিজ… আর আসবে না এই বাড়িতে। ‎তোমাকে বারবার অপমান করতে আমার খারাপ লাগে!” ‎ ‎বাবা কিছু বললো না। ‎শুধু আমার মাথায় হাত রেখে ‎হাসিমুখে চলে গেলো। ‎সেই দিনের পর বাবা আর কখনো আমাদের বাড়ি আসেনি। ‎ ‎◆ অথচ বিপদের সময়ে সবার পাশে ছিল বাবা… ‎শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো, ‎স্বামীর ব্যবসা খারাপ হলো— ‎সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল আমার বাবা। ‎কিন্তু তবুও… ‎কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। ‎ ‎◆ দুই বছর পর—আমি মা হলাম ‎মেয়ে হওয়ার পর ‎আমার স্বামী বদলে গেলো। ‎ ‎রাতে ঘুম না হলে ‎ঘন্টার পর ঘন্টা কোলে নিয়ে হাঁটে। ‎মেয়ে আধো গলায় ‎“বাবা…” ‎বলে ডাকলে ‎স্বামী খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ‎ ‎একদিন মেয়েকে বুকে নিয়ে বললো— ‎“আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দেবো না! সারাজীবন রাখবো!” ‎ ‎আমি শান্তভাবে বললাম— ‎“আমার বাবাও আমাকে ঠিক এভাবেই ভালোবাসতো। ‎তবুও আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ‎আর যখন আমি বিয়ার পর তোমার বাসায় এলাম— ‎প্রতিবার অপমানিত হয়েও বাবা আসতো… ‎শুধু আমাকে এক নজর দেখার জন্য।” ‎ ‎স্বামী চুপ করে গেলো। ‎ ‎◆ স্বামীর উপলব্ধি—"মেয়ের বাবা হলে লজ্জা থাকতে নেই" ‎পরদিন সকালে দেখি স্বামী ল্যাগেজ গুছিয়ে বসে আছে। ‎ ‎বললাম— ‎“কোথায় যাবে?” ‎স্বামী মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললো— ‎ ‎“মেয়ের বাবা হিসেবে দায়িত্ব শিখতে… ‎তোমার বাবার কাছে যাচ্ছি। ‎কারণ ওনার মতো সহ্যশক্তি আমার নেই। ‎আমিও শিখতে চাই— ‎মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই কেন।” ‎ ‎আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম। ‎একজন ত্রিশোর্ধ মানুষ ‎নিজের ভুলের জন্য ‎এতোটা অনুতপ্ত হতে পারে— ‎সেটা প্রথমবার দেখলাম। ‎ ‎সেদিনের পর স্বামীর প্রতি ‎আমার কোনো অভিযোগই আর রইলো না। ‎ ‎◆ কারণ সত্যিটা শুধু একটাই… ‎একজন বাবা যতটা ভালোবাসে মেয়েকে, ‎তার তুলনা পৃথিবীর কোনো বন্ধনেই নেই। ‎ ‎মেয়ের জন্য বাবারা ‎নির্লজ্জ হয়, ‎অপমান সহ্য করে, ‎দূরত্ব পাড়ি দেয়, ‎আর বারবার ভেঙে পড়ে— ‎শুধু মেয়ের হাসিটা দেখার জন্য।

About