@ainsleyrt:

Ainsley
Ainsley
Open In TikTok:
Region: US
Monday 07 September 2026 05:11:25 GMT
603
103
2
7

Music

Download

Comments

To see more videos from user @ainsleyrt, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

চকচকে অবকাঠামো আর বহু বছর স্থায়িত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাত্রা শুরু করা মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। পৌনে চার বছরের মাথায় এই মেগাস্ট্রাকচারের পিলারে দেখা গেছে ফাটল। ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে প্রতি চারটি বেয়ারিং প্যাডের একটি। আদালতের নির্দেশে গঠিত সেফটি অডিট কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। আদ্দীন সজীবের রিপোর্ট। ক্যামেরায় ছিলেন ফাহাদ আল কাদরী ও সুকান্ত সরকার। ২৬ অক্টোবর ২০১৫। মেট্রোরেলের ফার্মগেট অংশে ভারী বেয়ারিং প্যাড ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পথচারী আবুল কালাম আজাদ। সেই মৃত্যুই ওলটপালট করে দেয় ঢাকা মেট্রোরেলের নিরাপত্তার পুরো সমীকরণ। এরপর থেকেই ঝকঝকে এই যাত্রার পেছনে যেন তাড়া করে ফিরছে অদৃশ্য এক আতঙ্ক। আদালতের নির্দেশে গঠিত সেফটি অডিট টিমের প্রতিবেদন বলছে, উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ৩ হাজার ১৩৫টি বেয়ারিং প্যাডের ২৩.২৮ ভাগই ত্রুটিপূর্ণ, সংখ্যায় যা ৭৩০টি। এর মধ্যে ৯৮টি মারাত্মক ঝুঁকিতে। তবে টেকসই সমাধানের পথে না হেঁটে তড়িঘড়ি করে বেয়ারিং প্যাডের চারপাশে কেবল স্টিল অ্যাঙ্গেল ব্র্যাকেট বসানো হয়েছে। ফলে অন্তত ১০টি স্পটে ট্রেনের গতি কমিয়ে চালাতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক ড. শামসুল হক (সদস্য, সেফটি অডিট কমিটি) বলেন,
চকচকে অবকাঠামো আর বহু বছর স্থায়িত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাত্রা শুরু করা মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। পৌনে চার বছরের মাথায় এই মেগাস্ট্রাকচারের পিলারে দেখা গেছে ফাটল। ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে প্রতি চারটি বেয়ারিং প্যাডের একটি। আদালতের নির্দেশে গঠিত সেফটি অডিট কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। আদ্দীন সজীবের রিপোর্ট। ক্যামেরায় ছিলেন ফাহাদ আল কাদরী ও সুকান্ত সরকার। ২৬ অক্টোবর ২০১৫। মেট্রোরেলের ফার্মগেট অংশে ভারী বেয়ারিং প্যাড ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পথচারী আবুল কালাম আজাদ। সেই মৃত্যুই ওলটপালট করে দেয় ঢাকা মেট্রোরেলের নিরাপত্তার পুরো সমীকরণ। এরপর থেকেই ঝকঝকে এই যাত্রার পেছনে যেন তাড়া করে ফিরছে অদৃশ্য এক আতঙ্ক। আদালতের নির্দেশে গঠিত সেফটি অডিট টিমের প্রতিবেদন বলছে, উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ৩ হাজার ১৩৫টি বেয়ারিং প্যাডের ২৩.২৮ ভাগই ত্রুটিপূর্ণ, সংখ্যায় যা ৭৩০টি। এর মধ্যে ৯৮টি মারাত্মক ঝুঁকিতে। তবে টেকসই সমাধানের পথে না হেঁটে তড়িঘড়ি করে বেয়ারিং প্যাডের চারপাশে কেবল স্টিল অ্যাঙ্গেল ব্র্যাকেট বসানো হয়েছে। ফলে অন্তত ১০টি স্পটে ট্রেনের গতি কমিয়ে চালাতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক ড. শামসুল হক (সদস্য, সেফটি অডিট কমিটি) বলেন, "ট্রেন কোনো কোনো জায়গা দিয়ে যাওয়ার সময় একটু গতি বাড়ালেই তার একটা কম্পন হয়। এবং কম্পনটা অ্যাকসেপ্টেবল লিমিটের বাইরে চলে যায়। এটার থেকে আমরা ইনফার করেছি, ফাউন্ডেশনে সামথিং রং এবং ডিজাইনে সামথিং রং।" কেবল বেয়ারিং প্যাড নয়, অডিট রিপোর্টে উন্মোচিত হয়েছে কাঠামোগত ঝুঁকিও। অসম লোড ও ট্রেনের অতিরিক্ত কম্পনের ফলে ৪৬টি পিলারের মাথায় এবং ২০টি স্থানে ভায়াডাক্টের বক্স গার্ডারে দেখা দিয়েছে ফাটল। অডিট রিপোর্টে দেখা যায়, মেট্রোরেলে কিছু ক্ষেত্রে মানা হয়নি বিল্ডিং কোড। রয়েছে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিকলসহ শর্ট সার্কিটের ঝুঁকি, দিয়াবাড়ি ডিপোতে পানি জমে ভূগর্ভস্থ ধস এবং জরুরি প্রয়োজনে সুনির্দিষ্ট উদ্ধার ব্যবস্থার অপ্রতুলতা। প্রকাশ পেয়েছে আন্তর্জাতিক তৃতীয় পক্ষের বৈধ ছাড়পত্র ছাড়াই ট্রেন চালু করার নজিরবিহীন অনিয়মও।

About