@kobitarguru._roni_: ছাড়িয়া এই দুনিয়াদাড়ী হইলাম তোমার প্রেম ভিখারি! ছাড়িয়া দুনিয়ার সুখ, তোমার প্রেমেই পুড়ল বুক! সবকিছু হইলো পর, তোমার মায়ায় হইলাম কাতর! দুনিয়ার মায়া ছাড়ি, তোমার প্রেমের হইলাম ভিখারি! আপনজন সব গেল হারাইয়া, তোমার দুয়ারে রইলাম দাঁড়াইয়া! রাজ্য-সিংহাসন চাই না আর, তোমার ভালোবাসাই আমার দরকার! সুখের আশায় ঘর ছাড়ি, তোমার দুঃখের হইলাম ভিখারি! হাসির দুনিয়া ছাড়িয়া, তোমার কান্নায় গেলাম হারাইয়া! তোমার মায়ায় পড়ে, নিজেকেই হারাইলাম শেষে! ভালোবাসার আশায় আইলাম, বিনিময়ে শুধু কান্না পাইলাম! তোমার প্রেমে এমন মাতি, নিজের সুখও দিলাম মাটি! তোমার মায়ায় বাঁধা পড়ি, আজও প্রেমের ভিখারি! দুনিয়ার কাছে হইলাম পর, তোমার কাছেই ছিলাম ঘর! তোমার জন্য সবই হারাই, তবুও তোমার মন না পাই! বুকের ভেতর তোমার বাড়ি, তবুও আমি প্রেমের ভিখারি! জীবন দিলাম তোমার তরে, তুমি রইলা অন্যের ঘরে! তোমার প্রেমে সর্বহারা, তবুও তোমাকেই চাই গো সারা! 💔 দুনিয়ার মায়া ছাড়িয়া, তোমার মায়ায় গেলাম হারাইয়া! ছাড়িয়া সুখের কারবার, তোমার প্রেমেই হইলাম নিঃস্ব বারবার! আপন ভুবন দিলাম ছাড়ি, তোমার দুয়ারে প্রেমের ভিখারি! সব হারানোর পরেও তুমি, আমার শেষ চাওয়া—শেষ আশ্রয়ভূমি! দুনিয়া দিল যতই দুঃখ, তোমার নামেই শান্ত হইতো বুক! তোমার লাগি সব হারাইলাম, শেষে তোমার কাছেই পর হইলাম! প্রেমের নেশায় হইলাম মাতাল, তুমি ছাড়া জীবনটা কেবলই জঞ্জাল! তোমার মায়ায় এমন পড়ি, আজও তোমার প্রেমের ভিখারি! ছাড়িয়া আপন ঘর-সংসার, তোমার ভালোবাসা চাইলাম বারবার! তোমার প্রেমে দিলাম প্রাণ, তুমি দিলা না একটু সম্মান! বুকের রক্তে লিখলাম নাম, তবুও তোমার হলাম না আমি একটুখানিও! তোমার জন্য কাঁদে আঁখি, তুমি তো আর আমার নও, তবুও তোমার পথেই থাকি! দুনিয়ার কাছে কিছু চাই না, তোমার মায়া ছাড়া কিছুই মানি না! ভালোবাসার ঝুলি নিয়া, তোমার দুয়ারে আইলাম কাঁদিয়া! তোমার প্রেমে নিঃস্ব হইয়া, নিজের কাছেই গেলাম হারাইয়া! মনের দুয়ার খুলে দিলাম, তুমি আসবা ভেবে সারাজীবন রইলাম! তুমি দিলে মায়ার ছায়া, আমি দিলাম জীবন খানা!💔 লেখক: কবিতার-গুরু_🖋️ #কবিতারগুরু #foryou #trending #viralvideo #রিপোষ্ট_করে_আপনার_প্রিয়_মানুষের_কাছে_পৌছে_দিতে_সাহায্য_করুন_

কবিতার-গুরু_🖋️✍️
কবিতার-গুরু_🖋️✍️
Open In TikTok:
Region: BD
Monday 07 September 2026 05:46:55 GMT
3809
299
6
41

Music

Download

Comments

md.shahin.ahmed948
Md Shahin Ahmed :
কেমন আছেন ভাই
2026-09-07 05:55:04
1
manik920429312
জীবন মানে যন্ত্রণা :
চমৎকার পোস্ট
2026-09-07 16:02:14
0
user714035924
Sabbir Ahmed :
🥰🥰🥰
2026-09-07 13:20:24
0
md.saifu28
MD saifu :
😂😂😂
2026-09-07 11:11:19
0
user840805083
MD HASAN :
🥰🥰🥰
2026-09-07 14:29:58
0
To see more videos from user @kobitarguru._roni_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

এক ভুয়া কফিল দম্পতি আর আমাদের দেশের এক বাঙালি বোনকে নিয়ে যে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি হয়েছিলাম—তা মনে হলে এখনো আমার হাত-পা কাঁপে। ভদ্রতার মুখোশ পরে অন্য দেশের মানুষ যে কত বড় জল্লাদ হতে পারে, সেদিন নিজের চোখে দেখেছি। রাত দুপুর প্রায় ১২টা। হাঙ্গারস্টেশনে একটা কফি আর বার্গারের অর্ডার আসলো। লোকেশন অনুযায়ী এক কফিলের ভিলার সামনে গিয়ে আমি কল দিতেই সৌদির ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা এক লোক নিজে এসে গেট খুলল। লোকটা যখন টাকা বের করায় ব্যস্ত, তখন পেছন থেকে ঘরের ভেতরে থাকা এক বাঙালি মেয়ে কফির কাপ নেওয়ার জন্য সামনে আসলো। মেয়েটার চেহারা দেখেই আমার খটকা লাগল—চোখ দুটো ফোলা, চুলে জট পাকানো আর মুখে এক চরম আতঙ্কের ছাপ! মেয়েটা কফির প্যাকেট নেওয়ার বাহানায় আমার দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কাঁপিয়ে ফিসফিস করে বাংলায় শুধু একটা লাইন বলল,
এক ভুয়া কফিল দম্পতি আর আমাদের দেশের এক বাঙালি বোনকে নিয়ে যে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি হয়েছিলাম—তা মনে হলে এখনো আমার হাত-পা কাঁপে। ভদ্রতার মুখোশ পরে অন্য দেশের মানুষ যে কত বড় জল্লাদ হতে পারে, সেদিন নিজের চোখে দেখেছি। রাত দুপুর প্রায় ১২টা। হাঙ্গারস্টেশনে একটা কফি আর বার্গারের অর্ডার আসলো। লোকেশন অনুযায়ী এক কফিলের ভিলার সামনে গিয়ে আমি কল দিতেই সৌদির ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা এক লোক নিজে এসে গেট খুলল। লোকটা যখন টাকা বের করায় ব্যস্ত, তখন পেছন থেকে ঘরের ভেতরে থাকা এক বাঙালি মেয়ে কফির কাপ নেওয়ার জন্য সামনে আসলো। মেয়েটার চেহারা দেখেই আমার খটকা লাগল—চোখ দুটো ফোলা, চুলে জট পাকানো আর মুখে এক চরম আতঙ্কের ছাপ! মেয়েটা কফির প্যাকেট নেওয়ার বাহানায় আমার দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কাঁপিয়ে ফিসফিস করে বাংলায় শুধু একটা লাইন বলল, "ভাই, আমি বাংলাদেশি। আমাকে বাঁচান, এরা কফিল না—এরা অন্য দেশের জল্লাদ, আমাকে এই রুমের ভেতর জ্যান্ত মেরে ফেলবে!" লোকটা টাকাটা আমার হাতে দিয়ে মেয়েটাকে ধমক দিয়ে ভেতরে পাঠিয়ে দিল আর গেটটা ঠাস করে বন্ধ করে দিল। আমি বাইকে এসে বসলাম, কিন্তু আমার মন কিছুতেই মানছিল না। নিজের ভেতরের রক্তের টান আর দেশপ্রেম যেন আমাকে ওখান থেকে নড়তে দিচ্ছিল না। আমি ভাবলাম, ঘরের ভেতরে যে মেয়েটা কাঁদছে ও তো অন্য কেউ না, আমার দেশেরই এক বোন! আজ যদি আমি বাঙালি হয়ে আরেকটা বাঙালির এই চরম বিপদে পাশে না দাঁড়াই, তবে আমার এই দেশপ্রেমের কোনো মূল্য নেই। আমি এক সেকেন্ডও নষ্ট না করে ভিলার একটু দূরে বাইক থামিয়ে আমাদের বাংলাদেশ embassy আর সৌদি পুলিশের ইমার্জেন্সি নাম্বারে কল দিয়ে লাইভ লোকেশন শেয়ার করলাম। কফিলের নাম আর লোকেশন আমার হাঙ্গারস্টেশন অ্যাপে থাকায় পুলিশের আসতে সুবিধা হলো। এর ঠিক আধা ঘণ্টার মধ্যে সৌদি পুলিশের একটা টিম ওই ভিলার সামনে এসে হাজির হয়। police যখন জোর করে ঘরের ভেতর ঢোকে, তখন যে ভয়ঙ্কর সত্যটা সামনে আসে তা শুনে আমার পুরো মাথা ঘুরে গিয়েছিল! পুলিশের তদন্তে বের হয়ে আসলো—যে লোক আর মহিলা নিজেদের সৌদি কফিল পরিচয় দিয়ে ওই আলিশান ভিলা ভাড়া করে থাকছিল, ওরা আসলে সৌদি আরবের নাগরিকই না! ওরা অন্য একটা দেশের নাগরিক, যারা সৌদির পোশাক আর ভাষার ছদ্মবেশ ধরে নিজেদের বড় কফিল সাজিয়ে এই ভয়ার্ত চক্র চালাচ্ছিল। পরবর্তীতে ওই বোনটার সাথে যখন আমার কথা হয়, ও কাঁদতে কাঁদতে আমাকে যে অমানুষিক নির্যাতনের কথা জানায় তা শুনলে যে কোনো মানুষের বুক ফেটে যাবে। মেয়েটা মূলত এক নারী দালালের চক্করে পড়ে ভালো কাজের আশায় কোম্পানিতে সৌদি আরব এসেছিল। কিন্তু ওই দালালেরা তাকে এখানে এনে কোনো কাজ না দিয়ে একটা নোংরা যৌন ব্যবসার চক্রে জোর করে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখান থেকে ওই বোনটা নিজের জীবন বাজি রেখে এক রাতে পালিয়ে রাস্তায় চলে আসে। ঠিক তখনই রাস্তায় তার সাথে দেখা হয় সৌদি পোশাক পরা এই ভুয়ো কফিল আর তার স্ত্রীর। কফিলের সাথে তার বউকে দেখে মেয়েটা ভাবলো এরা হয়তো ভালো সৌদির ফ্যামিলি, তাকে সাহায্য করবে। ওই মহিলা নিজ মুখে মিষ্টি করে মেয়েটাকে বলল, "তুমি কোনো চিন্তা করো না, তুমি আমাদের সাথে চলো। আমার বাসায় কাজের লোক লাগবে, আমি তোমাকে ভালো বেতন দেবো আর আকামাও করে দেবো।" কোনো আশ্রয় না পেয়ে নিরুপায় হয়ে মেয়েটা ওদের ভদ্রতার মুখোশ দেখে ওদের গাড়িতে উঠে পড়ে। কিন্তু বাসায় আনার পর থেকেই ওদের আসল রূপ বের হয়। ওরা মেয়েটাকে ঘরের ভেতর বন্দি করে ফেলে। প্রথম দিনই জোর করে মেয়েটার পাসপোর্ট, আকামা আর সব কাগজপত্র কেড়ে নেয়। মেয়েটা যখন ওদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে চলে আসতে চাইতো, তখন ওরা ওরে আসতে দিত না। পাসপোর্ট-আকামা কিছুই ফেরত দিত না। উল্টো মেয়েটাকে চরম ভয়ভীতি দেখাতো এবং প্রচণ্ড মানসিক নির্যাতন করতো। শুধু তাই না, মেয়েটার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তার সাথে অনৈতিক কাজ করা হতো। মেয়েটা যখন বলতো আমি পুলিশে যাবো, তখন ওরা একপ্রকার ভয় ধরায় রাখছিল যে—"তুই যদি এখান থেকে চলে যাস বা পুলিশে জানাস, তবে তোর আকামার উপরে বড় কেস (হুরুব বা মামলা) দিয়ে দেবো, তোকে অনেক টাকা জরিমানা দিতে হবে এবং তোর সারাজীবনের জন্য সৌদি আরবে জেল খাটতে হবে।" এই আকামা আর জেলের ভয় দেখিয়ে মেয়েটাকে পুরো জ্যান্ত লাশ বানিয়ে রেখেছিল ওই চার দেয়ালের ভেতর। ওই রাতে মেয়েটা কফি অর্ডারের সুযোগ নিয়ে আমাকে কথাটা না বললে, হয়তো আর কয়েকদিনের মধ্যে ওই ভুয়ো কফিল দম্পতির পিটুনি আর অনৈতিক অত্যাচারের কারণে মেয়েটার লাশ ওই ঘর থেকে বের হতো। পুলিশ ওই প্রতারক ও অত্যাচারী চক্রকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায় আর আমাদের দেশের ওই বোনটাকে উদ্ধার করে সেফ হোমে পাঠায়। প্রবাসে আমরা শুধু টাকা কামাতে আসি নাই ভাই, নিজের দেশের মানুষের প্রতি টান আর দেশপ্রেমটা পকেটে রেখে চললে অনেক বড় বিপদ থেকে একটা জীবন বাঁচানো যায়। কি বলেন আপনারা? কমেন্টে জানান! 🇧🇩❤️🇸🇦

About