@jjefsaputri:

Jef Saputri
Jef Saputri
Open In TikTok:
Region: ID
Monday 07 September 2026 19:12:52 GMT
211
1
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @jjefsaputri, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#Part_51 #villain_can_be_lover  #methuburi_মিথুবুড়ি  চাচি সেটা দেখত তাই মাঝে মাঝে আমাকে পড়ার সুযোগ দিত। তবে সেটা শর্তসাপেক্ষ ছিল শুধু যদি সব কাজ শেষ করতে পারি তবেই পড়ার সময় পেতাম। 'পড়ার প্রতি আগ্রহ ছিল আমার ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু কাজের জন্য কখনোই পড়ার সময় পেতাম না। সব কাজ শেষ করে রাতে রান্নাঘরের এক কোণায় মোমবাতি জ্বালিয়ে পড়তাম। চাচা তা দেখে চুপ করে চোখের পানি ফেলত কিন্তু কিছু বলতে পারত না চাচির জন্য। কারণ চাচি  কিছু বললেই মরে যাওয়ার ভয় দেখাত। চাচা সবসময় আড়ালে কাঁদত কিন্তু মুখে কিছু বলত না। 'চাচির অসংখ্য কটু কথা, বোনের অপমানজনক কথাবার্তা, ভাইয়ের অশুচি দৃষ্টি—সবকিছু সহ্য করেও আমি বেঁচে ছিলাম একমাত্র আশায় মম একদিন ফিরে আসবে। মম তো আমাকে কথা দিয়েছিল। তাই আমি নিজেকে শক্ত করে ধারণ করেছিলাম কারণ মমের ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি ছিল আমার জীবনের একমাত্র আলো। কিন্তু দিন গড়িয়ে রাত হলো, মাসের পর মাস, বছর চলে গেল, তবুও মম ফিরে আসেনি। বারবার হতাশ হয়েও আমার মনের কোণে সুপ্ত আশার আলো জ্বলছিল।মম আসবে, কারণ সে কথা দিয়েছিল। 'এভাবেই এসব সংগ্রামে আমার মনটা ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে উঠল। নিজের হাতে খেতে না পারা আমি কাটা হাত দিয়েও রান্না করেছি, এক কাপড়ে দিন পার করেছি, মেঝেতে শুয়ে শুয়ে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিয়েছি। এই সমস্ত কষ্টের মধ্যে, একদিন আমি অনুভব করলাম, আমার বুকের ভেতরে সমুদ্র সমান আফসোস জমে উঠেছে। এই আফসোস যখন প্রশ্রয় পেলে তা আমাকে ধীরে ধীরে তলিয়ে নিয়ে যাবে, নিঃশেষ করে দিবে। তাই আমি কান্না করা বন্ধ করে দিলাম। বাইরের আলো দেখার আর কোনো আশা আমার মধ্যে ছিল না। রাজকন্যা থেকে আমি একসময় নিজেকে চাকরানীর মতো এক জায়গায় মানিয়ে নিয়েছিলাম। 'সেদিন থেকে আমি না পাওয়া আফসোেসকে উড়িয়ে দিলাম। ভেবে নিলাম সুখ হয়তো আমার জন্য না, আমি বিধ্বংসী এক অস্তিত্ব। যেগুলো আমি পাইনি সেগুলো যদি পেতাম তাহলে আরও বেশি কষ্ট পেতে হতো। সেদিনের পর থেকে আমি আত্মহত্যার চিন্তাগুলো মাথা থেকে মুছে দিলাম। হয়তো একদিন কেউ আসবে আমার জীবনে সুখের আলো নিয়ে, ড্যাডের মতো রাজকুমার, আর মমের মতো আমি হতে পারব ত্যাগী। মম আমাকে দু-হাত ভরে দোয়া দিবে আমরা সবকিছু ভুলে শুধুমাত্র একে অপরকে চাইব। এটাই হয়তো এক মিথ্যা শান্তনা কিন্তু যে মিথ্যা আমাকে ভালো থাকতে দেয়, সে মিথ্যাকে আমি চোখ বুজে ভালোবাসি কারণ তা আমার নিয়তির মতো। এলিজাবেথের ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠে শেষের কথাগুলো বলার সময়। রেশমা ঠোঁট কামড়ে কান্না থামানোর চেষ্টা করছিল। ঠিক তখনই পায়ের শব্দ শোনা যায়। একজন দ্রুত পায়ে এগিয়ে আসছে। সবাই ভয়াকাতুরে চোখে পেছনে ফিরে তাকায় দেখতে পায় রিচার্ডকে, পিছনে ন্যাসো। ন্যাসোর হাতে ল্যাপটপ,  ঠান্ডা ও স্থিরভাবে এগিয়ে আসছে রিচার্ড। এলিজাবেথের শরীরে শিউরে ওঠে রিচার্ডকে দেখে।  রিচার্ডের মুখে কোনো পরিবর্তন নেই,অভিব্যক্তি একদমই স্বাভাবিক, শান্ত। লুকাস ভয়ে গভীর শ্বাস ফেলে।গর্জনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল কিন্তু রিচার্ডের আচরণ তার সব চিন্তা ভুল প্রমাণ করে দেয়। রিচার্ড কিছু না বলেই এগিয়ে সিঁড়ির দিকে যেতে থাকে।   হঠাৎ থেমে যায় রিচার্ড, পেছনে ফিরে না তাকিয়েই, শুধু এক শব্দে এলিজাবেথ কে ডাকল।
#Part_51 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি চাচি সেটা দেখত তাই মাঝে মাঝে আমাকে পড়ার সুযোগ দিত। তবে সেটা শর্তসাপেক্ষ ছিল শুধু যদি সব কাজ শেষ করতে পারি তবেই পড়ার সময় পেতাম। 'পড়ার প্রতি আগ্রহ ছিল আমার ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু কাজের জন্য কখনোই পড়ার সময় পেতাম না। সব কাজ শেষ করে রাতে রান্নাঘরের এক কোণায় মোমবাতি জ্বালিয়ে পড়তাম। চাচা তা দেখে চুপ করে চোখের পানি ফেলত কিন্তু কিছু বলতে পারত না চাচির জন্য। কারণ চাচি কিছু বললেই মরে যাওয়ার ভয় দেখাত। চাচা সবসময় আড়ালে কাঁদত কিন্তু মুখে কিছু বলত না। 'চাচির অসংখ্য কটু কথা, বোনের অপমানজনক কথাবার্তা, ভাইয়ের অশুচি দৃষ্টি—সবকিছু সহ্য করেও আমি বেঁচে ছিলাম একমাত্র আশায় মম একদিন ফিরে আসবে। মম তো আমাকে কথা দিয়েছিল। তাই আমি নিজেকে শক্ত করে ধারণ করেছিলাম কারণ মমের ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি ছিল আমার জীবনের একমাত্র আলো। কিন্তু দিন গড়িয়ে রাত হলো, মাসের পর মাস, বছর চলে গেল, তবুও মম ফিরে আসেনি। বারবার হতাশ হয়েও আমার মনের কোণে সুপ্ত আশার আলো জ্বলছিল।মম আসবে, কারণ সে কথা দিয়েছিল। 'এভাবেই এসব সংগ্রামে আমার মনটা ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে উঠল। নিজের হাতে খেতে না পারা আমি কাটা হাত দিয়েও রান্না করেছি, এক কাপড়ে দিন পার করেছি, মেঝেতে শুয়ে শুয়ে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিয়েছি। এই সমস্ত কষ্টের মধ্যে, একদিন আমি অনুভব করলাম, আমার বুকের ভেতরে সমুদ্র সমান আফসোস জমে উঠেছে। এই আফসোস যখন প্রশ্রয় পেলে তা আমাকে ধীরে ধীরে তলিয়ে নিয়ে যাবে, নিঃশেষ করে দিবে। তাই আমি কান্না করা বন্ধ করে দিলাম। বাইরের আলো দেখার আর কোনো আশা আমার মধ্যে ছিল না। রাজকন্যা থেকে আমি একসময় নিজেকে চাকরানীর মতো এক জায়গায় মানিয়ে নিয়েছিলাম। 'সেদিন থেকে আমি না পাওয়া আফসোেসকে উড়িয়ে দিলাম। ভেবে নিলাম সুখ হয়তো আমার জন্য না, আমি বিধ্বংসী এক অস্তিত্ব। যেগুলো আমি পাইনি সেগুলো যদি পেতাম তাহলে আরও বেশি কষ্ট পেতে হতো। সেদিনের পর থেকে আমি আত্মহত্যার চিন্তাগুলো মাথা থেকে মুছে দিলাম। হয়তো একদিন কেউ আসবে আমার জীবনে সুখের আলো নিয়ে, ড্যাডের মতো রাজকুমার, আর মমের মতো আমি হতে পারব ত্যাগী। মম আমাকে দু-হাত ভরে দোয়া দিবে আমরা সবকিছু ভুলে শুধুমাত্র একে অপরকে চাইব। এটাই হয়তো এক মিথ্যা শান্তনা কিন্তু যে মিথ্যা আমাকে ভালো থাকতে দেয়, সে মিথ্যাকে আমি চোখ বুজে ভালোবাসি কারণ তা আমার নিয়তির মতো। এলিজাবেথের ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠে শেষের কথাগুলো বলার সময়। রেশমা ঠোঁট কামড়ে কান্না থামানোর চেষ্টা করছিল। ঠিক তখনই পায়ের শব্দ শোনা যায়। একজন দ্রুত পায়ে এগিয়ে আসছে। সবাই ভয়াকাতুরে চোখে পেছনে ফিরে তাকায় দেখতে পায় রিচার্ডকে, পিছনে ন্যাসো। ন্যাসোর হাতে ল্যাপটপ, ঠান্ডা ও স্থিরভাবে এগিয়ে আসছে রিচার্ড। এলিজাবেথের শরীরে শিউরে ওঠে রিচার্ডকে দেখে। রিচার্ডের মুখে কোনো পরিবর্তন নেই,অভিব্যক্তি একদমই স্বাভাবিক, শান্ত। লুকাস ভয়ে গভীর শ্বাস ফেলে।গর্জনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল কিন্তু রিচার্ডের আচরণ তার সব চিন্তা ভুল প্রমাণ করে দেয়। রিচার্ড কিছু না বলেই এগিয়ে সিঁড়ির দিকে যেতে থাকে। হঠাৎ থেমে যায় রিচার্ড, পেছনে ফিরে না তাকিয়েই, শুধু এক শব্দে এলিজাবেথ কে ডাকল। "রেড।" এলিজাবেথের উত্তরের অপেক্ষা করল না রিচার্ড। রুষ্ট গলায় বলল, "ইফ লাইফ ফা'কস ইউ হার্ড, জাস্ট মোন।" সাথে সাথেই রিচার্ড সিঁড়ি বেয়ে উপরে চলে গেল যেন কিছুই হয়নি। ন্যাসো থতমত খেয়ে গিয়ে কোন দিকে না তাকিয়ে সরাসরি গেস্ট হাউজে চলে গেল। এলিজাবেথের চোখের পানি অচেনা এক গতিতে শুকিয়ে গিয়েছিল। কান থেকে গরম ধোঁয়া বের হচ্ছে। তপ্ত শ্বাস ফেলে এলিজাবেথ বাকি খাবারগুলো শেষ করল৷ এলিজাবেথ হাত ধুয়ে টেবিলে বসতে যাবে তার আগেই রিচার্ড ঝড়ের মতো এসে ওকে কোলে তুলে নিল। আচরণে এলিজাবেথের চোখ ছানাবড়া হয়ে এক মুহূর্তে দম আটকে আসে। রিচার্ড সরাসরি এলিজাবেথ কে রুমে নিয়ে চলে গেল। ঠান্ডা ঢোক গিলতে থাকে এলিজাবেথ। একেবারে রুমে নিয়েই নামালো রিচার্ড। রিচার্ডের পরণে এখনো সেই কালো শার্ট। উপর থেকে শুধু কোট টা খুলে ফেলেছে। হঠাৎ গলায় ঠান্ডা কিছুর স্পর্শ পেয়ে সম্বিত ফিরে পায় এলিজাবেথ। এতোক্ষণ চোখমুখ খিঁচে রেখেছিল ভয়ে । রিচার্ডের গরম নিশ্বাস আঁচড়ে পড়ছে এলিজাবেথ কাঁধে। একদম খুব নিকটে এসে কাঁধের উপর ঝুঁকে গলায় কিছু পরিয়ে দিচ্ছে রিচার্ড। অজান্তেই এলিজাবেথের হাত চলে যায় গলায়। রসগোল্লার মতো গোল গোল চোখগুলো বেরিয়ে আসার উপক্রম। রিচার্ড এলিজাবেথের কানের লতির কাছে মুখ নিয়ে হাস্কি স্বরে অস্পষ্ট ভাবে আওড়ায়, ''বি এ গুড গার্ল অ্যান্ড ইউ উইল শিউরলি গেট এভরিথিং ইউ ডিজায়ার।" বলে তৎক্ষনাৎ ওয়াশরুমে চলে যায় রিচার্ড। এলিজাবেথের চোখ থেকে এখনও বিস্ময়তা কাটছে না। কুটিল হাতে এখনো ধরে রেখেছে গলায় মধ্যে লেপ্টে থাকা সরু চিকন চেইন, যেটার মধ্যে ঝুলানো রিচার্ডের সেই রিংটা। চলবে_ [ব্যস্ততার কারণে পার্ট দিতে একটু লেট হয়েছে] #fyp #bdtiktokofficial🇧🇩

About