@esmail.surchi12: #hamazirak #hamazirakofficnal #حەمەزیرەک

𝚉𝚒𝚛𝚊𝚔 𝚂𝚞𝚛𝚌𝚑𝚒
𝚉𝚒𝚛𝚊𝚔 𝚂𝚞𝚛𝚌𝚑𝚒
Open In TikTok:
Region: IQ
Wednesday 09 September 2026 19:30:15 GMT
57140
3596
12
329

Music

Download

Comments

muna_gardi1
MUNA 🤍. :
2026-09-28 20:17:21
1
user9717390487333
𝒵ℯ𝒾𝓃𝒶 ℳℴ𝒽𝒶𝓂𝓂ℯ𝒹 :
زور جوانه
2026-09-15 18:20:57
1
aramhawlery487
Aram Hawlery487 :
🥰🥰🥰🥰
2026-09-12 07:43:21
1
fa_mo_51_
ضوء القمر :
2026-09-14 19:42:05
1
s..a..r..a09
𓆩𝓢𝓐𝓡𝓐𓆪 :
2026-09-14 20:04:25
1
mahroz_surchi
Mahroz"_"surchi :
🖤🖤🖤
2026-09-09 23:12:56
3
muhamdsaman1
muhamdsaman1 :
🌹🌹🌹
2026-09-09 19:32:24
3
ramyar.jamil1
Ramyar_J_Namiq :
❤️❤️❤️
2026-09-09 19:31:41
2
sa784288
❤❤❤A :
❤️❤️❤️
2026-09-20 18:10:09
1
dastandlshad68
بةرگدورى سيدرا :
🤲🤲🤲🤲
2026-09-14 21:23:13
1
alimosuly7
علي الموصلي :
😭😭😭
2026-09-14 20:45:45
1
sangarsorani
Sangar soran :
❤️❤️
2026-09-18 17:18:11
1
To see more videos from user @esmail.surchi12, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ভাবুন তো, একজন মা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই সময়ে যার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন একটু বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার আর একটা নিরাপদ পরিবেশ, তিনি তীব্র গরমের মধ্যে ঢাকার ফুটপাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন! না, কোনো শখে নয়, কেবল বেঁচে থাকার তাগিদে। বলছি  ছবিতে থাকা মেয়েটার কথা। নাম তার শেফালি.... তার বাস্তবতার গল্পটা যেকোনো সিনেমার চেয়েও নির্মম। শেফালির স্বামী জলিল একসময় রিক্সা চালিয়ে টেনেটুনে সংসার চালাতেন। কিন্তু নিয়তির পরিহাসে কয়েক মাস আগে তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে। যে মানুষটা একসময় পরিবারের মুখে অন্ন জোগাতে দিনরাত রাস্তায় ছুটতেন, আজ তিনি সম্পূর্ণ বিছানায় শয্যাশায়ী। এই দম্পতির দুনিয়াতে আপন বলতে আর কেউ নেই, তারা দুজনই দুজনের একমাত্র ভরসা। একদিকে ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসার খরচ, ঘরে ছোট্ট একটা মেয়ের খাবার জোগানো, আর অন্যদিকে পেটে অনগত সন্তান, সব মিলিয়ে শেফালির পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। অভাব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বেশ কয়েক মাস ধরে তাদের ঘরে ঠিকমতো চুলাও জ্বলে না। কখনো একবেলা খাবার জোটে, তো কখনো তাও অনিশ্চিত। কোনো উপায় না পেয়ে, এক দয়াবান মানুষের দেওয়া একটা ওজন মাপার মেশিন নিয়ে শেফালি এখন রাস্তায় বসেন। ফুটপাতে দাঁড়িয়ে মানুষের ওজন মাপেন তিনি। কেউ ১০-২০ টাকা দিলে তা দিয়ে কোনোমতে চাল কিনে বাচ্চার মুখে তুলে দেন। ডেলিভারির আর মাত্র ৩ মাস বাকি, অথচ এই অসহায় মা বলছেন,
ভাবুন তো, একজন মা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই সময়ে যার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন একটু বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার আর একটা নিরাপদ পরিবেশ, তিনি তীব্র গরমের মধ্যে ঢাকার ফুটপাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন! না, কোনো শখে নয়, কেবল বেঁচে থাকার তাগিদে। বলছি ছবিতে থাকা মেয়েটার কথা। নাম তার শেফালি.... তার বাস্তবতার গল্পটা যেকোনো সিনেমার চেয়েও নির্মম। শেফালির স্বামী জলিল একসময় রিক্সা চালিয়ে টেনেটুনে সংসার চালাতেন। কিন্তু নিয়তির পরিহাসে কয়েক মাস আগে তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে। যে মানুষটা একসময় পরিবারের মুখে অন্ন জোগাতে দিনরাত রাস্তায় ছুটতেন, আজ তিনি সম্পূর্ণ বিছানায় শয্যাশায়ী। এই দম্পতির দুনিয়াতে আপন বলতে আর কেউ নেই, তারা দুজনই দুজনের একমাত্র ভরসা। একদিকে ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসার খরচ, ঘরে ছোট্ট একটা মেয়ের খাবার জোগানো, আর অন্যদিকে পেটে অনগত সন্তান, সব মিলিয়ে শেফালির পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। অভাব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বেশ কয়েক মাস ধরে তাদের ঘরে ঠিকমতো চুলাও জ্বলে না। কখনো একবেলা খাবার জোটে, তো কখনো তাও অনিশ্চিত। কোনো উপায় না পেয়ে, এক দয়াবান মানুষের দেওয়া একটা ওজন মাপার মেশিন নিয়ে শেফালি এখন রাস্তায় বসেন। ফুটপাতে দাঁড়িয়ে মানুষের ওজন মাপেন তিনি। কেউ ১০-২০ টাকা দিলে তা দিয়ে কোনোমতে চাল কিনে বাচ্চার মুখে তুলে দেন। ডেলিভারির আর মাত্র ৩ মাস বাকি, অথচ এই অসহায় মা বলছেন," এখন আমি কোন দিকে যাবো? কি করবো? কার কাছে যাবো? আমার কোন কিছু বলার নাই।" অন্যদিকে বিছানায় শুয়ে স্বামী জলিলও কাঁদছেন, "আমার বউয়ের ডেলিভারি হইবো, পোলাপানের মুখে কী দিমু? আমার চিকিৎসার খরচ কেমনে করামু?" ঢাকার এই ব্যস্ত রাস্তায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসে-যায়। কেউ হয়তো কয়েক মিনিটের জন্য থামেন, ওজন মেপে কয়েকটা টাকা দিয়ে আবার শহরের ভিড়ে হারিয়ে যান। কিন্তু শেফালির জীবন আটকে আছে ফুটপাতের ওই কয়েক বর্গফুট জায়গাতেই। এখানেই তার কাজ, এখানেই তার অপেক্ষা। আমরা জানি না এই করুণ গল্পের শেষটা কোথায়। তবে আমাদের একটুখানি সহানুভূতি আর সহযোগিতা হয়তো শেফালির জীবনের পরের অধ্যায়টা বদলে দিতে পারে। আসুন, যে যার জায়গা থেকে এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াই। #diaryofshe #viralnews

About