@baramboupelectron:

baramboupelectronics
baramboupelectronics
Open In TikTok:
Region: SN
Thursday 10 September 2026 13:40:34 GMT
174
20
1
2

Music

Download

Comments

pape61974
pape lô :
prix
2026-09-12 18:19:40
0
To see more videos from user @baramboupelectron, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

🌒⭐ মেঘের মায়াজাল এবং এক রূপকথার সন্ধ্যা ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে এক দিগন্তবিস্তৃত সবুজ ধানের খেত, যার বুক চিরে চলে গেছে একটি সরু মাটির পথ। মাথার ওপর নীল আকাশ, আর দূর দিগন্তে গোধূলির শেষ আলোয় রাঙানো এক মেঘের ভেলা। কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করলে ডানদিকের মেঘের অবয়বটিতে এক জাদুকরী দৃশ্য ভেসে ওঠে—মনে হয় যেন কোনো এক সাধু বা মুনি ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বসে আছেন, অথবা এক নিঃসঙ্গ পথিকের অবয়ব, যে আকাশের পটে একাকী শান্ত হয়ে বসে কোনো ধ্যানে লীন। এই অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্যটি নিয়ে একটি ছোট আকর্ষণীয় গল্প নিচে দেওয়া হলো: নীলফামারীর এক প্রত্যন্ত গ্রামের নাম সুবর্ণপুর। গ্রামের শেষ মাথায় যেখানে মাইলের পর মাইল সবুজ ধানের খেত মিশে গেছে আকাশের সীমানায়, সেখানকার মানুষরা এক অদ্ভুত লোককথা বিশ্বাস করত। তারা বলত, এই খেতের ওপর দিয়ে যে মাটির পথটি দিগন্তে হারিয়ে গেছে, সেটি সাধারণ কোনো পথ নয়। এটি হলো
🌒⭐ মেঘের মায়াজাল এবং এক রূপকথার সন্ধ্যা ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে এক দিগন্তবিস্তৃত সবুজ ধানের খেত, যার বুক চিরে চলে গেছে একটি সরু মাটির পথ। মাথার ওপর নীল আকাশ, আর দূর দিগন্তে গোধূলির শেষ আলোয় রাঙানো এক মেঘের ভেলা। কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করলে ডানদিকের মেঘের অবয়বটিতে এক জাদুকরী দৃশ্য ভেসে ওঠে—মনে হয় যেন কোনো এক সাধু বা মুনি ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বসে আছেন, অথবা এক নিঃসঙ্গ পথিকের অবয়ব, যে আকাশের পটে একাকী শান্ত হয়ে বসে কোনো ধ্যানে লীন। এই অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্যটি নিয়ে একটি ছোট আকর্ষণীয় গল্প নিচে দেওয়া হলো: নীলফামারীর এক প্রত্যন্ত গ্রামের নাম সুবর্ণপুর। গ্রামের শেষ মাথায় যেখানে মাইলের পর মাইল সবুজ ধানের খেত মিশে গেছে আকাশের সীমানায়, সেখানকার মানুষরা এক অদ্ভুত লোককথা বিশ্বাস করত। তারা বলত, এই খেতের ওপর দিয়ে যে মাটির পথটি দিগন্তে হারিয়ে গেছে, সেটি সাধারণ কোনো পথ নয়। এটি হলো "মেঘ-দেওয়ের" পথ। বহু বছর আগে এই গ্রামে এক দয়ালু বৃদ্ধ সাধু থাকতেন, যিনি অবাধ্য প্রকৃতির সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। খরা হলে তিনি আকাশের দিকে চেয়ে হাত তুলতেন, আর মেঘেরা ছুটে এসে বৃষ্টি ঝরিয়ে যেত। গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবেসে "মেঘ-দাদু" বলে ডাকত। মৃত্যুর আগে তিনি গ্রামবাসীকে বলেছিলেন, "যখনই এই গাঁয়ে কোনো বড় বিপদ আসবে, আমি মেঘের বেশে ফিরে আসব।" আজ অনেক বছর পর গ্রামে তীব্র খরা। ধানের খেতগুলো শুকিয়ে চৌচির হওয়ার উপক্রম। গ্রামের তরুণ কৃষক রাতুল হতাশ হয়ে সেই মেঠো পথের ধারে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। সূর্য তখন অস্তাচলে, আকাশের এক কোণে গোধূলির লালচে-গোলাপি আভা। হতাশ রাতুল মনে মনে মেঘ-দাদুকে স্মরণ করল। ঠিক তখনই অলৌকিকভাবে আকাশের এক কোণে কালো মেঘ জমতে শুরু করল। বাতাস থমকে গেল। রাতুল চোখ বড় বড় করে দেখল, মেঘগুলো অদ্ভুতভাবে জোড়াতালি লেগে ঠিক যেন এক ধ্যানমগ্ন সাধুর অবয়ব ধারণ করল! ঠিক যেমনটা মেঘ-দাদু বেঁচে থাকতে ধ্যানে বসতেন। সেই মেঘরূপী সাধুর হাত থেকে যেন এক অদৃশ্য আশীর্বাদ ঝরে পড়ল। মুহূর্তের মধ্যে চারিদিক শীতল করে ধানের খেতে নেমে এলো এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি। রাতুল বুঝতে পারল, প্রকৃতি কখনো তার সন্তানদের ভুলে যায় না, আর মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই রক্ষাকর্তা আজও সুবর্ণপুরকে আগলে রেখেছেন।

About