@estheryesu256:

yesu dogs family foundation
yesu dogs family foundation
Open In TikTok:
Region: UG
Thursday 10 September 2026 22:34:15 GMT
153
51
2
5

Music

Download

Comments

noeeliaa.a._
Noelia Gonzalez⚡ :
❤️❤️❤️
2026-09-11 02:35:14
1
brendabelen16
𝔟𝔯𝔢𝔫𝔡𝔦𝔱𝔞 :
.
2026-09-11 02:48:52
0
To see more videos from user @estheryesu256, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#Part_254 #villain_can_be_lover  #methuburi_মিথুবুড়ি  এভাবে দুলতে দুলতে কণ্ঠ ছেড়ে সুর তুলল। Mujhe tum chupke chupke  se jab aise dakhti ho  Achchi lagti ho. kabhi zulfon se kabhi Aanchal se jab khelti ho,achchi lagti ho.  'রিচার্ডের ঠোঁটে চাপা হাসির ছায়া। থামানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু চোখের গভীরে এক অন্যরকম উষ্ণতা ফুটে উঠেছে অজান্তেই। এলিজাবেথ যেন এক শিশুর মতো পাগলামি করছিল। পুরো কক্ষ জুড়ে নাচছে আর গাইছে মনের আনন্দে। রিচার্ডের দৃষ্টি আরও গভীর হলো। গ্যাংস্টার বসের সেই কঠিন হৃদয়ে এক ঝলক আবেগ ছুঁয়ে গেল। লজ্জা, বিস্ময়—সব মিলিয়ে এক অনিশ্চিত অভিব্যক্তি। হরহামেশাই হাত চলে গেল থুতনির নিচে। এলিজাবেথ ছুটে গিয়ে টেবিলের উপর রাখা ছোট পুতুলটা তুলে নিল। পুতুলটিকে মুখের কাছে বারবার নিয়ে উৎফুল্ল কণ্ঠে আবার গাইল: Mujhe dekhke jab tum Yuh thandi aahein bharte ho, Achchi lagti ho. Mujhko jab lagta hai Tum mujh par hi marte ho, Achchi lagti ho. 'রিচার্ডের দৃষ্টি এক মুহূর্তের জন্যও সরেনি এলিজাবেথের ওপর থেকে। এই উন্মুক্ত খুশির ঝর্ণাধারা যেন তার শক্ত-হৃদয়ের মধ্যে এক প্রবল ধাক্কা দিয়ে যাচ্ছে। এক চিলতে হাসি ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল স্পষ্টত। তবে সেই হাসি দীর্ঘস্থায়ী হলো না। মুহূর্তেই নিজেকে ফের কঠিন খোলসে মুড়ে নিল রিচার্ড। এটাই তার জন্য সঠিক। এই হাসি ভয়ংকর, এমন ভয়ংকর যা তরুণী হৃদয়ের জন্য ছুরি থেকেও ধারালো।  'ভাগ্যিস এলিজাবেথ সেই দুঃসহ হাসি দেখতে পায়নি। এটাই বোধহয় তার জন্য মঙ্গল। নাহয় এতো ঘৃণা করত কিভাবে?এলিজাবেথ ক্লান্ত হলো। ধপাস করে গিয়ে শুয়ে পড়ল৷ অকস্মাৎ সিলিংয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে গলা ছাড়ল।
#Part_254 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি এভাবে দুলতে দুলতে কণ্ঠ ছেড়ে সুর তুলল। Mujhe tum chupke chupke se jab aise dakhti ho Achchi lagti ho. kabhi zulfon se kabhi Aanchal se jab khelti ho,achchi lagti ho. 'রিচার্ডের ঠোঁটে চাপা হাসির ছায়া। থামানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু চোখের গভীরে এক অন্যরকম উষ্ণতা ফুটে উঠেছে অজান্তেই। এলিজাবেথ যেন এক শিশুর মতো পাগলামি করছিল। পুরো কক্ষ জুড়ে নাচছে আর গাইছে মনের আনন্দে। রিচার্ডের দৃষ্টি আরও গভীর হলো। গ্যাংস্টার বসের সেই কঠিন হৃদয়ে এক ঝলক আবেগ ছুঁয়ে গেল। লজ্জা, বিস্ময়—সব মিলিয়ে এক অনিশ্চিত অভিব্যক্তি। হরহামেশাই হাত চলে গেল থুতনির নিচে। এলিজাবেথ ছুটে গিয়ে টেবিলের উপর রাখা ছোট পুতুলটা তুলে নিল। পুতুলটিকে মুখের কাছে বারবার নিয়ে উৎফুল্ল কণ্ঠে আবার গাইল: Mujhe dekhke jab tum Yuh thandi aahein bharte ho, Achchi lagti ho. Mujhko jab lagta hai Tum mujh par hi marte ho, Achchi lagti ho. 'রিচার্ডের দৃষ্টি এক মুহূর্তের জন্যও সরেনি এলিজাবেথের ওপর থেকে। এই উন্মুক্ত খুশির ঝর্ণাধারা যেন তার শক্ত-হৃদয়ের মধ্যে এক প্রবল ধাক্কা দিয়ে যাচ্ছে। এক চিলতে হাসি ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল স্পষ্টত। তবে সেই হাসি দীর্ঘস্থায়ী হলো না। মুহূর্তেই নিজেকে ফের কঠিন খোলসে মুড়ে নিল রিচার্ড। এটাই তার জন্য সঠিক। এই হাসি ভয়ংকর, এমন ভয়ংকর যা তরুণী হৃদয়ের জন্য ছুরি থেকেও ধারালো। 'ভাগ্যিস এলিজাবেথ সেই দুঃসহ হাসি দেখতে পায়নি। এটাই বোধহয় তার জন্য মঙ্গল। নাহয় এতো ঘৃণা করত কিভাবে?এলিজাবেথ ক্লান্ত হলো। ধপাস করে গিয়ে শুয়ে পড়ল৷ অকস্মাৎ সিলিংয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে গলা ছাড়ল। "ওহে স্টকার। আমি সমুদ্রের পারে শঙ্খচিলের মাঝে উড়তে চাই। পারবে কি তুমি আমার উড়িয়ে নিয়ে যেতে?" ___ 'বাতাসের ঝাপটা কানে ভেসে এলো। বড় বড় চাকার কর্কশ শব্দ ঘুমের ওপর হাতুড়ির আঘাত তুলল। ঘাড়ে হালকা ব্যথা অনুভবে ধীরে ধীরে চোখ খুলল। প্রথমেই নজরে এলো নীলচে স্বচ্ছ আকাশ। খানিকক্ষণ অস্পষ্টভাবে তাকিয়ে রইল। তারপর বাম দিকে তাকিয়ে দেখল সাদা আর নীলের মাঝখানে যেন পৃথিবী হারিয়ে গেছে। চারপাশে কোনো দৃশ্যমান ভূমি নেই। ডান দিকে চোখ ফেরাতেই রিচার্ড। 'রিচার্ডের উপস্থিতি দেখে তেমন অবাক হলো না এলিজাবেথ তবে যেটা দেখে অবাক হলো রিচার্ডের হাতে থাকা হেলিকপ্টারের নিয়ন্ত্রণ। ঠান্ডা, স্থির চোখে রিচার্ড চারপাশে মেঘহীন আকাশের সীমানা চষে বেড়াচ্ছে। এলিজাবেথ কিছু বলতে চাইল কিন্তু শব্দগুলো কণ্ঠে আটকে আসছে। নীরবতায় হেলিকপ্টারের প্রপেলারের একটানা শব্দ ভরাট করছিল তাদের চারপাশ। বাস্তব আর অবাস্তবের মাঝের এই স্তব্ধতাই হয়তো তাদের একসাথে ধরে রেখেছে। 'এলিজাবেথ এবার নিশ্চিত হলো—স্টকার রিচার্ডই। ফোঁস করে নিশ্বাস ফেলল। মনে জমে থাকা সন্দেহ এবার সত্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কীভাবে সে রিচার্ডকে আটকাবে? কীভাবে নিজেকে তার থেকে দূরে রাখবে? এই কঠিন প্রশ্নগুলো ভেতরে প্রতিবারের মতোই অশান্ত ঢেউ তোলে। "আপনি হেলিকপ্টারও চালাতে পারেন?" 'রিচার্ড ঘুরল না এলিজাবেথের দিকে। নিজ কাজে স্থির থেকে ভারি গলায় বলল, "পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর বাহিনী হলো কমান্ডো ফোর্স। তবুও তাদের প্রশিক্ষণ হয় মাত্র তেরো সপ্তাহ। আর সেই জায়গায় আমি বারো বছর যাবত প্রশিক্ষণ নিয়েছি। আমি কি পারি না—শুধু সেটা জানতে চাও।" "আপনি ট্রেনিং নিয়েছেন! কিসের ট্রেনিং ?" "নাথিং। জাস্ট এনজয় দ্য ভিউ।" 'রিচার্ডের নির্লিপ্ত কণ্ঠে এলিজাবেথ আরও বিস্মিত। ওর চোখ এখনও আটকে আছে রিচার্ডের ট্যাটু-খচিত মসৃণ হাতগুলোতে। অবিশ্বাস্য দক্ষতায় হেলিকপ্টার চালাচ্ছে রিচার্ড। "আমরা কোথায় যাচ্ছি?" 'এলিজাবেথের প্রশ্নে সামান্যতম বিচলিত হলো না রিচার্ড। শুধু বলল, "সমুদ্রে।" "হুহ!"—কিছুটা হতচকিয়ে গ্লাস পেরিয়ে নিচের দিকে তাকাল এলিজাবেথ। নিচে নীল সমুদ্রের বিস্তৃতি, উতালপাতাল ঢেউ। চোখে ভর করল এক অপার্থিব মোহ, সাথে বিস্ময়ের মুগ্ধতা। পাহাড় আর সমুদ্র এলিজাবেথের চিরকালীন দুর্বলতা। "এটা কোথায়?" "সেন্টমার্টিন।" "কীহ্!"—চমকে উঠে চিৎকার করল এলিজাবেথ। ছোট জায়গার প্রতিধ্বনি ছুটে গিয়ে বিঁধল রিচার্ডের কানে। অবশেষে মাথা ঘোরাল রিচার্ড। চোয়াল শক্ত, ঠোঁটে অমোঘ হুমকি।,,"একদম নিচে ফেলে দেবো, আর একবার জোরে শব্দ করলে।" 'এলিজাবেথ শুকনো ঢোক গিলল। এই লোক যা বলে তাই করতে পারে। এতে সন্দেহের কোনো জায়গা নেই। নিজের দিকে চোখ যেতেই এলিজাবেথের মনটা আরও ছোট হয়ে গেল। রাতের নাইট স্যুট এখনো গায়ে। "এটা পরে সমুদ্রে যাবো আমি?" 'ওর বিষণ্ণ কণ্ঠের জবাবে রিচার্ডের কটাক্ষমাখা সুর, "তুমি কি চাইছিলে ঘুমের মধ্যে আমি তোমার জামা চেঞ্জ করে নিয়ে আসি?" "অসভ্য! একদম অসভ্য!" মনে মনে গজগজ করতে করতে কয়েকটা রঙিন গালি ছুড়ে দিল এলিজাবেথ। কিন্তু তাতেও মনে শান্তি মিলল না। মুখটা মলিনই থেকে গেল। continue_ #fyp #bdtiktokofficial

About