@sumangc933: जापानमा छालाको समस्या हुँदा चाहिने शब्दहरू 🏥👇 あせも: घमौरा たむし: दाद しみ: चायापोतो にきび: डन्डीफोर みずぼうそう: ठेउला じんましん: एलर्जी しっしん: डाबर そばかす: डाम かゆみ: चिलाउने できもの: खटिरा はれ: सुन्निने いぼ: मुसा #learnjapaneselangauge #jlptn4n5jftbasic #japaneseinnepali #tranding #goviraltiktok

japanesewithsuman
japanesewithsuman
Open In TikTok:
Region: NP
Friday 11 September 2026 00:27:56 GMT
3221
92
0
13

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @sumangc933, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

💎 অভাবী ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসায় জান্নাতী সুসংবাদ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি অত্যন্ত ক্ষুধার্ত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক স্ত্রীর কাছে সংবাদ পাঠালেন যে, তোমার কাছে কি খাবার কিছু আছে? তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমার কাছে পানি ছাড়া আর কিছুই নেই। এরপর তিনি অন্য আরেক স্ত্রীর কাছে পাঠালেন, তিনিও একই কথা বললেন। এমনকি এভাবে সকল স্ত্রীর কাছেই বার্তা পাঠালেন এবং সকলেই একই উত্তর দিলেন যে, আমাদের কাছে পানি ছাড়া আর কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বললেন, কে আজ রাতে এই মেহমানকে নিজের মেহমান হিসেবে গ্রহণ করবে? আল্লাহ তাকে রহম করবেন। তখন আনসারদের মধ্য থেকে আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি প্রস্তুত। তিনি লোকটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন এবং স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের কাছে কি কিছু আছে? স্ত্রী বললেন, শুধু বাচ্চাদের খাবারটুকু আছে। আবু তালহা বললেন, বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে দাও, আর তুমি বাতি নিভিয়ে দাও। আমরা মেহমানের সামনে খাবার পেশ করব এবং আমরা নিজেরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় মেহমানের সাথে বসার ভান করব যাতে সে পেট ভরে খেতে পারে। এরপর খাবার আনা হলো এবং তারা সকলে মিলে মেহমানকে আপ্যায়ন করলেন। মেহমান তৃপ্তি সহকারে খেলেন এবং তারা রাতের বেলা ক্ষুধার্ত অবস্থায়ই কাটিয়ে দিলেন। পরদিন সকালে যখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলেন, তখন তিনি মুচকি হেসে বললেন, আল্লাহ তাআলা আজ রাতে তোমাদের দুজনের কাজে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াত নাযিল করেন, তারা নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও অন্যের প্রয়োজনকে নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয়। ✧ নিজের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও অন্য মুমিনের অভাব দূর করার চেষ্টাই হলো ইষার বা প্রকৃত আত্মত্যাগ, যা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয়। ✧ দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে রাতে যখন মানুষ বিশ্রামের প্রস্তুতি নেয়, তখনও অন্যের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া মুমিনের ঈমানের উচ্চতর স্তর। ✧ সাহাবায়ে কেরামের এই ত্যাগের মহিমা কুরআন কারীমের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত, যা আজও আমাদের জন্য নিঃস্বার্থ ভ্রাতৃত্বের শ্রেষ্ঠ আদর্শ।#uae🇦🇪
💎 অভাবী ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসায় জান্নাতী সুসংবাদ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি অত্যন্ত ক্ষুধার্ত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক স্ত্রীর কাছে সংবাদ পাঠালেন যে, তোমার কাছে কি খাবার কিছু আছে? তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমার কাছে পানি ছাড়া আর কিছুই নেই। এরপর তিনি অন্য আরেক স্ত্রীর কাছে পাঠালেন, তিনিও একই কথা বললেন। এমনকি এভাবে সকল স্ত্রীর কাছেই বার্তা পাঠালেন এবং সকলেই একই উত্তর দিলেন যে, আমাদের কাছে পানি ছাড়া আর কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপস্থিত সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বললেন, কে আজ রাতে এই মেহমানকে নিজের মেহমান হিসেবে গ্রহণ করবে? আল্লাহ তাকে রহম করবেন। তখন আনসারদের মধ্য থেকে আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি প্রস্তুত। তিনি লোকটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন এবং স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের কাছে কি কিছু আছে? স্ত্রী বললেন, শুধু বাচ্চাদের খাবারটুকু আছে। আবু তালহা বললেন, বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে দাও, আর তুমি বাতি নিভিয়ে দাও। আমরা মেহমানের সামনে খাবার পেশ করব এবং আমরা নিজেরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় মেহমানের সাথে বসার ভান করব যাতে সে পেট ভরে খেতে পারে। এরপর খাবার আনা হলো এবং তারা সকলে মিলে মেহমানকে আপ্যায়ন করলেন। মেহমান তৃপ্তি সহকারে খেলেন এবং তারা রাতের বেলা ক্ষুধার্ত অবস্থায়ই কাটিয়ে দিলেন। পরদিন সকালে যখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলেন, তখন তিনি মুচকি হেসে বললেন, আল্লাহ তাআলা আজ রাতে তোমাদের দুজনের কাজে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াত নাযিল করেন, তারা নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও অন্যের প্রয়োজনকে নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয়। ✧ নিজের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও অন্য মুমিনের অভাব দূর করার চেষ্টাই হলো ইষার বা প্রকৃত আত্মত্যাগ, যা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয়। ✧ দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে রাতে যখন মানুষ বিশ্রামের প্রস্তুতি নেয়, তখনও অন্যের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া মুমিনের ঈমানের উচ্চতর স্তর। ✧ সাহাবায়ে কেরামের এই ত্যাগের মহিমা কুরআন কারীমের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত, যা আজও আমাদের জন্য নিঃস্বার্থ ভ্রাতৃত্বের শ্রেষ্ঠ আদর্শ।#uae🇦🇪

About