@__unemployed__: VS Recon reload cancel OP --------------------------------------------#modernwarfare #callofduty #mw4 #fyp #sniping #quality #bo7 #editing #cc #davinci

Unemployed
Unemployed
Open In TikTok:
Region: GB
Friday 11 September 2026 20:25:57 GMT
4406
235
30
8

Music

Download

Comments

mikieua
゚゚゚ :
You’re so good 😍
2026-09-11 20:27:05
1
plugsunny
PlugSunny :
Na this tuff
2026-09-11 23:02:58
1
im.chlxe
𝒄𝒉𝒍𝒐𝒆́🎀𝐱 :
Well done bbg👅
2026-09-11 21:06:31
1
_wvffles_
9N9 WVFFLES :
w quality
2026-09-16 22:02:11
1
mrsarabellaxo
MrsArabellaxo :
🔥👀He knows he better
2026-09-11 20:29:37
1
vtxkaos
𝚅𝚃𝚇 𝙺𝚊𝚘𝚜 :
This too tuff goat
2026-09-11 23:35:24
1
.d1aimer
🇻 ᶻ 𝗓 𐰁 .ᐟ :
Jake. Wa the frick dude
2026-09-11 20:47:38
1
okacod
@oka :
W
2026-09-11 21:02:57
3
drownsniping
9N9 drownmw :
I see ya
2026-09-12 21:25:36
0
vtxvern
𝙫𝙧𝙣 :
Alr I turned my phone for the vid
2026-09-11 20:36:45
1
_alphak
♠ 𝐀𝐥𝐩𝐡𝐚 :
bigggg W
2026-09-11 21:29:15
1
acce_n
Ace :
Put me on 🙏🔥
2026-09-11 21:02:34
1
9n9nswag
9N9 NSWAG :
Tufff👑👑
2026-09-12 04:17:58
0
vtxvern
𝙫𝙧𝙣 :
I ain’t turning my phone bro this ain’t YouTube
2026-09-11 20:36:39
1
d0m4her
𖤐 𝕊Ø𝔹Λ𝔻ℤ 𖤐 :
🔥🔥🔥
2026-09-11 20:28:04
1
jxsko.m8
Jxsko :
😳🔥
2026-09-12 11:58:13
0
To see more videos from user @__unemployed__, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

দীর্ঘদিন কিছু খেলে খাবারটি চেনা যায়, কিন্তু কোনো খাবার জিহ্বা তে টেস্ট লাগলেই, বুঝতে পারবেন জিনিস টি ড্যাম নাকি ভালো,  অথচ দীর্ঘদিন একসাথে থেকেও, ঐ মার্বেল আকৃতির চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে মানুষ চেনা যায় না। 🤣 আমি কখনো চাই না, আমার জন্য একটা মানুষের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হোক, যতটুকু পারি মানুষের উপকার করি, উপকার করতে না পারি, কিন্তু ক্ষতি হোক এমন কিছু করি না। তবে...... কেউ যদি আমাকে বাধ্য করে তার দিকে আঙ্গুল তুলতে, তখন আমি তার অস্তিত্ব বিলিন না করা অব্দি থামি না। আমি প্রচুর সাধারণ এবং নম্র, এর মাঝে আমি বেইমানদের মানুষ বানাতে, আমার ভূমিকা থাকে অসাধারণ। আমি সব সহ্য করতে পারি কিন্তু..... মিথ্যাবাদী, বাটপারি, চিটারি, প্রতারণা সহ্য করতে পারি না। আমি মানুষকে বুঝি,  বুঝতে চাই, কিন্তু মনুষ্যত্বহীন,বিবেকহীন মানুষের সাথে খাতির করি না। আমরা এখন আর ভুল করতে ভয় পাই না… আমরা ভয় পাই, মানুষ কী বলবে। এই একটা ভয় কত স্বপ্ন থামিয়ে দেয় জানেন? কেউ ব্যবসা শুরু করতে পারে না। কেউ ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারে না। কেউ নিজের পছন্দের পোশাক পরতে পারে না। কেউ নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে না। মজার বিষয় হলো… যাদের কথা ভেবে আমরা এত সিদ্ধান্ত বদলাই, তাদের বেশিরভাগই কয়েকদিন পর, সেই ঘটনাটাই ভুলে যায়। শুধু আমরা ভুলতে পারি না… কারণ আমরা নিজের জীবনটা নিজের চোখে নয়, অন্যের চোখে বাঁচতে শুরু করি। হয়তো স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হলো, যেদিন অন্যের মতামতের চেয়ে, নিজের বিবেককে বেশি গুরুত্ব দিতে শিখব, সেদিনই সত্যিকারের নিজের মতো করে বাঁচা শুরু হবে। সময় যাচ্ছে তার নিয়ম করে......  মানুষ অদলবদল হচ্ছে.....  তিনি সে হবে, সে তিনি হবে!  এভাবেই বদলাবে মানুষ, সময়, পরিস্থিতি। মাঝ পথে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি!  একদল হাসবে, একদল কষ্ট পাবে, কেউ রাত জেগে আকাশ এর সাথে কথা বলবে, কেউই না গড়বে টাকার পাহাড়, আবার হয়তো কেউ হাসতে ভুলে যাবে, কেউ ঘৃণার দাবানলে পুড়বে.. ওই যে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি 🙂🙂 অথচ তবুও মেনে নিতেই হয়,  তোমাকে ভালোবাসার আজন্মকাল কলঙ্কিত শব্দ।  আমি দেখি কে জানি আমার পবিত্র কা'বারে স্পর্শ করে।  স্পর্শ করে আমার মন মন্দিরে মক্কারে, নমরুদের মতো করে। অথচ সে জানে না,  বিভোর রাইত কত অসহায় যন্ত্রারে লইয়া।  আমার ভোর ভাঙা ঘুমের মৃত্যু হয়,  সে জানে না,  তার স্পর্শের কথারে ভাইবা, আমি জীবন্ত পুষা পাখির মতোই,  ডানা ভাইঙ্গা ছটফট কইরা পরি,  এই বন, বৃক্ষ সমতলে।  অথচ তবুও তোমার দেওয়া নির্মল মৃত্যুরে, আমি বুক পকেটে নিয়া বাঁচি, তোমার লগে দেহা সপ্নরে,  খোদার আরসে হাত পাইতা পূর্ণজন্ম বইলা বাঁচি।  অথচ আমি এসব নরগ বুকে লইয়াও,  তোমার সুখে সরর্গ বইলা হাসি, তোমার হারিয়ে ফেলা দুঃখরে,  আমি আজও সরর্গ বলেই বাঁচি।  অথচ এই শহরের যেই নোমরুদ,  বেবাক জাই'নাও।  আমাদের জীবন্ত মৃত্যুরে চাইলো,  যারা আমাদের বাঁইচা থাকে সর্বসুখে, কাফেরের মত পাষাণ হইয়া আইলো,  তাঁদের জানি আমার ওই খোদা,  এমন জীবন্ত মৃত্যুরে একবার ভাবায়। তোমাকে আজ দিব্যই মানিয়ে নিতে শিখেছি,  মানিয়ে নিতে শিখেছি কলঙ্কিত সেই শব্দ,  পূর্ণজন্ম সরর্গ সুখ বইলা।  মানুষ যত্ন পেলেই  বাঁচতে শিখে,  দুঃখ পেলেই....... মৃত্যু লেখে বুক ভরে..।  একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করি আপনাদের সঙ্গে,  -------------- বন্যা তো এর আগেও হয়েছে, এর চেয়ে বড় বন্যাও আমরা দেখেছি। কিন্তু ঢাকা শহরে ফ্লাইওভার পর্যন্ত ডুবে যাওয়ার মতো, এমন ভয়ংকর জলাবদ্ধতা তো আগে কখনো দেখি নাই! রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু করে ধানমন্ডি, কেরানীগঞ্জ টু আব্দুল্লাহপুর, বসিলা টু রামপুরা, সবকিছুই এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি কেন নিষ্কাশন হচ্ছে না, এর পেছনের আসল কারণটা কী জানেন? গণভবনের চুরির দৃশ্য তো আমরা সবাই দেখেছি, কিন্তু নগরীর জমাট পানি নিষ্কাশনের সকল পাম্পগুলো খুলে, পাইপ আর যন্ত্রাংশসহ সবকিছু যে চুরি করে, বেচে দেওয়া হয়েছে, সেটা তো এখন টের পাচ্ছি! ভাবা যায়?...... প্রায় সাত হাজার পাম্প এবং তার পাইপ, মেশিন, যন্ত্রাংশ, সবকিছুই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে! আর গত দুই বছরে সেগুলো একবারের জন্যও  সেটা আর পুনস্থাপন করা হয়নি। ঠিক এই কারণেই জলাবদ্ধতার পানি এত দ্রুত সরছে না, এখন বিপদে পড়ে তাড়াহুড়ো করে, নতুন করে সব লাগাতে হচ্ছে। আর এই তাড়াহুড়ো করে কাজ সারার কারণে, অন্তত আরও দু-চার দিন ঢাকা শহর, এভাবেই পানির নিচে তলিয়ে থাকবে। সবাইকে মহান সৃষ্টিকর্তা হেফাজতে রাখুক।  বন্যার্তদের জন্য যে যেভাবে পারেন এগিয়ে আসুন,  ওনাদের অবস্থা শোচনীয়।  আসুন আমরা সব্বাই যে যার মতো করে, বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে পাশে দাঁড়াই।
দীর্ঘদিন কিছু খেলে খাবারটি চেনা যায়, কিন্তু কোনো খাবার জিহ্বা তে টেস্ট লাগলেই, বুঝতে পারবেন জিনিস টি ড্যাম নাকি ভালো, অথচ দীর্ঘদিন একসাথে থেকেও, ঐ মার্বেল আকৃতির চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে মানুষ চেনা যায় না। 🤣 আমি কখনো চাই না, আমার জন্য একটা মানুষের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হোক, যতটুকু পারি মানুষের উপকার করি, উপকার করতে না পারি, কিন্তু ক্ষতি হোক এমন কিছু করি না। তবে...... কেউ যদি আমাকে বাধ্য করে তার দিকে আঙ্গুল তুলতে, তখন আমি তার অস্তিত্ব বিলিন না করা অব্দি থামি না। আমি প্রচুর সাধারণ এবং নম্র, এর মাঝে আমি বেইমানদের মানুষ বানাতে, আমার ভূমিকা থাকে অসাধারণ। আমি সব সহ্য করতে পারি কিন্তু..... মিথ্যাবাদী, বাটপারি, চিটারি, প্রতারণা সহ্য করতে পারি না। আমি মানুষকে বুঝি, বুঝতে চাই, কিন্তু মনুষ্যত্বহীন,বিবেকহীন মানুষের সাথে খাতির করি না। আমরা এখন আর ভুল করতে ভয় পাই না… আমরা ভয় পাই, মানুষ কী বলবে। এই একটা ভয় কত স্বপ্ন থামিয়ে দেয় জানেন? কেউ ব্যবসা শুরু করতে পারে না। কেউ ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারে না। কেউ নিজের পছন্দের পোশাক পরতে পারে না। কেউ নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে না। মজার বিষয় হলো… যাদের কথা ভেবে আমরা এত সিদ্ধান্ত বদলাই, তাদের বেশিরভাগই কয়েকদিন পর, সেই ঘটনাটাই ভুলে যায়। শুধু আমরা ভুলতে পারি না… কারণ আমরা নিজের জীবনটা নিজের চোখে নয়, অন্যের চোখে বাঁচতে শুরু করি। হয়তো স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হলো, যেদিন অন্যের মতামতের চেয়ে, নিজের বিবেককে বেশি গুরুত্ব দিতে শিখব, সেদিনই সত্যিকারের নিজের মতো করে বাঁচা শুরু হবে। সময় যাচ্ছে তার নিয়ম করে...... মানুষ অদলবদল হচ্ছে..... তিনি সে হবে, সে তিনি হবে! এভাবেই বদলাবে মানুষ, সময়, পরিস্থিতি। মাঝ পথে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি! একদল হাসবে, একদল কষ্ট পাবে, কেউ রাত জেগে আকাশ এর সাথে কথা বলবে, কেউই না গড়বে টাকার পাহাড়, আবার হয়তো কেউ হাসতে ভুলে যাবে, কেউ ঘৃণার দাবানলে পুড়বে.. ওই যে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি 🙂🙂 অথচ তবুও মেনে নিতেই হয়, তোমাকে ভালোবাসার আজন্মকাল কলঙ্কিত শব্দ। আমি দেখি কে জানি আমার পবিত্র কা'বারে স্পর্শ করে। স্পর্শ করে আমার মন মন্দিরে মক্কারে, নমরুদের মতো করে। অথচ সে জানে না, বিভোর রাইত কত অসহায় যন্ত্রারে লইয়া। আমার ভোর ভাঙা ঘুমের মৃত্যু হয়, সে জানে না, তার স্পর্শের কথারে ভাইবা, আমি জীবন্ত পুষা পাখির মতোই, ডানা ভাইঙ্গা ছটফট কইরা পরি, এই বন, বৃক্ষ সমতলে। অথচ তবুও তোমার দেওয়া নির্মল মৃত্যুরে, আমি বুক পকেটে নিয়া বাঁচি, তোমার লগে দেহা সপ্নরে, খোদার আরসে হাত পাইতা পূর্ণজন্ম বইলা বাঁচি। অথচ আমি এসব নরগ বুকে লইয়াও, তোমার সুখে সরর্গ বইলা হাসি, তোমার হারিয়ে ফেলা দুঃখরে, আমি আজও সরর্গ বলেই বাঁচি। অথচ এই শহরের যেই নোমরুদ, বেবাক জাই'নাও। আমাদের জীবন্ত মৃত্যুরে চাইলো, যারা আমাদের বাঁইচা থাকে সর্বসুখে, কাফেরের মত পাষাণ হইয়া আইলো, তাঁদের জানি আমার ওই খোদা, এমন জীবন্ত মৃত্যুরে একবার ভাবায়। তোমাকে আজ দিব্যই মানিয়ে নিতে শিখেছি, মানিয়ে নিতে শিখেছি কলঙ্কিত সেই শব্দ, পূর্ণজন্ম সরর্গ সুখ বইলা। মানুষ যত্ন পেলেই বাঁচতে শিখে, দুঃখ পেলেই....... মৃত্যু লেখে বুক ভরে..। একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করি আপনাদের সঙ্গে, -------------- বন্যা তো এর আগেও হয়েছে, এর চেয়ে বড় বন্যাও আমরা দেখেছি। কিন্তু ঢাকা শহরে ফ্লাইওভার পর্যন্ত ডুবে যাওয়ার মতো, এমন ভয়ংকর জলাবদ্ধতা তো আগে কখনো দেখি নাই! রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু করে ধানমন্ডি, কেরানীগঞ্জ টু আব্দুল্লাহপুর, বসিলা টু রামপুরা, সবকিছুই এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি কেন নিষ্কাশন হচ্ছে না, এর পেছনের আসল কারণটা কী জানেন? গণভবনের চুরির দৃশ্য তো আমরা সবাই দেখেছি, কিন্তু নগরীর জমাট পানি নিষ্কাশনের সকল পাম্পগুলো খুলে, পাইপ আর যন্ত্রাংশসহ সবকিছু যে চুরি করে, বেচে দেওয়া হয়েছে, সেটা তো এখন টের পাচ্ছি! ভাবা যায়?...... প্রায় সাত হাজার পাম্প এবং তার পাইপ, মেশিন, যন্ত্রাংশ, সবকিছুই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে! আর গত দুই বছরে সেগুলো একবারের জন্যও সেটা আর পুনস্থাপন করা হয়নি। ঠিক এই কারণেই জলাবদ্ধতার পানি এত দ্রুত সরছে না, এখন বিপদে পড়ে তাড়াহুড়ো করে, নতুন করে সব লাগাতে হচ্ছে। আর এই তাড়াহুড়ো করে কাজ সারার কারণে, অন্তত আরও দু-চার দিন ঢাকা শহর, এভাবেই পানির নিচে তলিয়ে থাকবে। সবাইকে মহান সৃষ্টিকর্তা হেফাজতে রাখুক। বন্যার্তদের জন্য যে যেভাবে পারেন এগিয়ে আসুন, ওনাদের অবস্থা শোচনীয়। আসুন আমরা সব্বাই যে যার মতো করে, বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে পাশে দাঁড়াই।

About