@zagodoa7:

ُ
ُ
Open In TikTok:
Region: DZ
Friday 11 September 2026 21:15:10 GMT
1141
130
7
13

Music

Download

Comments

abliltam4
𝕒𝕓𝕝𝕚𝕝𝕥𝕒𝕞21 :
🥰🥰🥰
2026-09-12 18:48:17
0
.wan.tamtak
.wan.tamtak😘✌️ :
🥰🥰🥰
2026-09-11 22:42:41
0
.a____k____iotiktok.com3
س͓̽و͓̽ر͓̽ي͓̽ ا͓̽ل͓̽ي͓̽ض͓̽🌹 :
💔💔💔
2026-09-11 22:41:41
0
silvaroma626
Bajan tiniri :
🥰🥰🥰
2026-09-11 22:11:10
0
user8599652062168
مسيس نواراع ✌ :
🥰🥰🥰
2026-09-11 21:50:55
0
user2969574760038
المونباطح :
[مؤثر][مؤثر][مؤثر]
2026-09-11 21:33:28
0
user2609680447161
لياض انازواد حور♥💛💙🤍✌ :
✌✌✌
2026-09-13 13:58:46
0
To see more videos from user @zagodoa7, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

জাহিন লাগেজ প্যাক করছিল তাড়াহুড়ো করে। যা দেখে পেছন থেকে কেউ একজন শান্ত স্বরে বলে উঠল
জাহিন লাগেজ প্যাক করছিল তাড়াহুড়ো করে। যা দেখে পেছন থেকে কেউ একজন শান্ত স্বরে বলে উঠল " —হঠাৎ লাগেজ প্যাক করছিস কেন? পেছনের ব্যাক্তিটির এহেন কথা শুনে জাহিন খানিক ঘাবড়ে গেল। তারপরও নিজেকে সামলে পেছন ফিরে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে উত্তর দিল " —দেশে যাচ্ছি। খুব আর্জেন্ট একটা কাজ আছে ইমিডিয়েটলি বাসায় যেতে হবে। " —এত আর্জেন্ট কি এমন কাজ পড়ে গেল যে রাতের মধ্যে দেশে যেতে হবে? তাহলে আমিও যাব তোর সাথে। জাহিন এবার ঘামতে শুরু করল। রয়েসয়ে কিছুক্ষণ চুপ থেকে কিছু একটা ভেবে বলল "—Tae এখন গিয়ে কি করবি? আমি দু'দিনের মধ্যে লন্ডনে আবারও ব্যাক করব। Tae দাঁত দিয়ে নখ খুঁটতে খুঁটতে খটকা লাগহিত চোখে তাকাল জাহিনের দিকে। কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থেকে সন্দিহান কণ্ঠে বলল " —জাস্ট দু'দিনেরই তো ব্যাপার। আমি গেলে সমস্যা কোথায়? জাহিন নিজেকে শান্ত করল। কোন মতই হাইপার হওয়া যাবে না। ঠাণ্ডা মাথায় কিছুটা সময় নিয়ে ভেবে বলল " —ওকে চল তাহলে, দেরি করা যাবেনা তুই রেডি হয়ে নে, আমি অনলাইনে তোর জন্য টিকিট কেটে দিচ্ছি। Tae কেমন জানি যেতে ইচ্ছে করছে। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে নিজের লাগেজ প্যাক করার জন্য এগোলো যা দেখে জাহিন বহু কষ্টে ফাঁপা ভোগ গিলল। কপালে ঘাম ছুটে গেছে ইতিমধ্যে। Tae লাগেজের কাছে এসে ধরতে গিয়ে আর ধরল না। হাত পিছিয়ে নিয়ে আসল। যা দেখে জাহিন হাঁপ ছেড়ে বাঁচল। যাক বাবা ভয় পেয়ে গিয়েছিল। আরেকটু বাজিয়ে দোখার জন্য তাড়া দিয়ে বলল " —কিরে দাঁড়িয়ে গেলি কেন? তাড়াতাড়ি কর। Tae মনে মনে কি যেন ভেবে নিঃশব্দে মুচকি হাসল। জাহিনের দিকে ফিরে নিজের বেডে ফট করে গা হেলিয়ে আরাম করে শুয়ে পড়ল। মাথার পেছনে দু'হাত রেখে দৃষ্টি সিলিংয়ের দিকে তাক করে আনমনে বলল " —কথা অনুযায়ী যখন তিন বছর অপেক্ষার প্রহর গুনে কাটিয়ে দিতে পেরেছি, তাহলে আর একটা বছরও পারব। এটুকু বলে চোখ বন্ধ করে নিল। ঠোটের কোনে মুচকি হাসিটা তখনো লেগে ছিল। জাহিন হাত মুঠো বন্দী করে নিয়ে তার দিকে আহত দৃষ্টিতে তাকিয়ে মনে মনে আওড়াল " —ক্ষমা করে দিস ভাই। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য। জাহিন চোখের কোনে ঝমে উঠা অশ্রুর কণা বুড়ো আঙুল দিয়ে মুছে নিল। সপ সম্পূর্ণ রেডি হতে Tae উঠে নিজেও হালকা রেডি হতে হতে বলল " —তোকে এগিয়ে দিয়ে আসি। " —দরকার নিই। আমি একাই যেতে পারব। তুই বিশ্রাম নেয়। " —আরে আরাম পরে। আগে তোকে এয়ারপোর্টে দিয়ে আসি। জাহিনের কোন কথাই সে শুনল না। তাকে সোজা এয়ারপোর্টে নিয়ে গেল। জাহিন প্লেনে উঠার সময় বারবার Tae তার দিকে তাকাচ্ছিল। এবং সে বের হয়ে আসার সময় বুকে প্রচন্ড চিন চিন ব্যাথা অনুভব করল। হঠাৎ কেন তার এত খারাপ লাগছে? কিছুতে বুঝতে পারছেনা। তার মন টানছে বাসায় যাওয়ার। নিজেকে কোনমতে সামলে বেরিয়ে আসল। সামা মুনা মিলে Yn-কে হলুদ শাড়ি পড়িয়ে সিম্পলের মধ্যে গাধা আর গোলাপ ফুলের গহনা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছে। মুখে হালকা সাজ। এতে Yn-কে পরীর মত লাগছে হলদে ফর্সা গায়ে। শাড়ির সাথে তরতাজা কাচা ফুলের গহনা বেশ মানিয়েছে। তবে তার মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া নিই। চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে সে। সামা মুনা পুরোপুরি সাজিয়ে দিয়ে রুম থেকে বের হলো তাকে নিয়ে। লিভিংয়ে যাওয়ার সময় সিঁড়ির কাছে থেকে জেঠিমায়ের গলা কানে ভেসে আসল " —বাবা কেমন আছিস? " —ভালো আছি আম্মা। কখন থেকে ফোন দিচ্ছি ধরছো না কেন? ছেলের এমন উতলা কন্ঠ শুনে সুফিয়া খান শান্ত থাকার চেষ্টা করে উত্তর দিলেন " —আমি নিচে ছিলাম তো। তাই ফোন ধরতে পারিনি। " —ওহ্ আচ্ছা। পরপর খানিক সিরিয়াস ভঙ্গিতে " —আম্মা জাহিন হঠাৎ বাসায় যাচ্ছে কেন? কি এমন আর্জেন্ট কাজ পড়ে গেল যে রাতের মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে? ওদিকে সব ঠিকঠাক আছে তো? সুফিয়া খান এবার আঁচলে মুখ গুঁজে দিলেন। নিঃশ্বদে কাঁদছেন তিনি। মিনিট খানেকের মধ্যে নিজেকে সামলে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে বললেন " —সব ঠিক আছে বাবা টেনশন করো না। তোমার বাবা চাচ্চুদের কোন জরুরী কাজ আছে হয়তো। সে জন্য বোধহয় জাহিন দেশে আসছে। Yn জেঠিমায়ের কথা শুনে বেশ চমকাল। ফোনের লাউড ফুল থাকায় সে সবই শুনেছে। ধীরে ধীরে লিভিংয়ের দিকে যেতে যেতে মনে মনে আওড়াল " —Tae ভাইয়া কি কিছু জানেন না? আর বড় আম্মুই বা কেন সত্যি কথাটা লুকালেন? সে বেশ ভাবনায় পড়ে গেল। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে তাকে নিয়ে স্টেজে বসিয়ে দিয়েছে সেই খেয়াল মেয়েটার নিই। বাসার সব অত্বীয় স্বজন ইতিমধ্যে লিভিং রুমে উপস্তিত। বাইরের একটা মানুষও নিই। কেউ হয়তো জানেই না আজ মজিব খানের বড় মেয়ের হলুদ সন্ধা। বিয়েটা ব্যাক্তিগত ভাবে হচ্ছে। এমন না যে খান বংশের সামর্থ্য নিই। ওলি গলিতে খান বংশের নাম ডাক ক্ষেতি অনেক। সিলেট শহরে তাদের বড় বড় বিজন্যাস আছে। এমন কি দেশের বাহিরেও। তবে বড় অনুষ্টান না করার পেছনেও হয়তো বা কোন কারণ আছে। মজিব খান নিজেও মেয়েকে এত অল্প বয়সে বিয়ে দিতে ইচ্ছুক নন। তাহলে কেনই বা দিচ্ছেন? Yn বসে আছে এক ধেনে। 𝐋𝐀𝐅𝐀𝐍𝐆𝐀 𝐉𝐔𝐍𝐆𝐊𝐎𝐎𝐊 𝐒𝐇𝐈𝐊𝐃𝐀𝐑—𝐏𝐀𝐑𝐓 || 7 ||

About