@genzsandal: Đẹp quá ae #deppuma #puma #depnamdep #dep

Genz Sandal
Genz Sandal
Open In TikTok:
Region: VN
Saturday 12 September 2026 02:46:41 GMT
277
3
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @genzsandal, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#part_349 #villain_can_be_lover  #methuburi_মিথুবুড়ি  এই নৈঃশব্দ্য ভয় জাগাচ্ছে কারণ তারা জানে রিচার্ডের রাগ কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এবং যা আশঙ্কা করেছিল, সেটাই ঘটল। কোমলতা মুহূর্তেই গড়িয়ে পড়ল হিংস্রতায়। বিদ্যুৎবেগে উঠে দাঁড়িয়ে রিচার্ড এক ঝটকায় ওর কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে বলল,
#part_349 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি এই নৈঃশব্দ্য ভয় জাগাচ্ছে কারণ তারা জানে রিচার্ডের রাগ কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এবং যা আশঙ্কা করেছিল, সেটাই ঘটল। কোমলতা মুহূর্তেই গড়িয়ে পড়ল হিংস্রতায়। বিদ্যুৎবেগে উঠে দাঁড়িয়ে রিচার্ড এক ঝটকায় ওর কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে বলল, "আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিও না। আবারও বলছি, চেষ্টাও করো না।" 'এবার এলিজাবেথ মাথা তুলে তাকাল ওর দিকে। ঠোঁট কামড়ে কান্না আটকে রাখল। ধীরে ধীরে হাতে কলম তুলল। রিচার্ডের চোখে চোখ রেখেই অবিলম্বে আওড়ালো, "কবুল।" "কবুল।" "আলহামদুলিল্লাহ, কবুল।" 'তারপর নিঃশব্দে কাবিননামায় সাইন করে দিল। সেই সাথে মনে মনে অঙ্গিকার ব্যক্ত করল, "এই তিনটে শব্দের মাধ্যমে বিলিয়ে দিলাম না নিজেকে। বরং ছিনিয়ে নিলাম আপনাকে। এবার হয় গড়ব, নয় ধ্বংস করে ফেলব। মি. কায়নাত, ভালোবাসা নামক সুখের নেশায় পুড়বেন আপনি আজ থেকে। কথা দিচ্ছি প্রতিনিয়ত পুড়বেন।" 'সকলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। কাজি তো এক মুহূর্তও দেরি না করে প্রায় ছুটে পালালেন। রিচার্ড একটু অবাক হলো। সে ভেবেছিল এলিজাবেথ হয়তো কাঁদবে কিংবা তার দিকে ঘৃণিত চোখে তাকাবে। কিন্তু কিছুই হলো না। হঠাৎ এলিজাবেথ উঠে দাঁড়াল। মাথা থেকে দোপাট্টা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে রিচার্ডের চোখে চোখ রেখে দাঁতে দাঁত পিষে বলল "ফাক ইউ।" একটুও দেরি না করে রিচার্ডও পাল্টা বলল,"ফাক ইউ টু।" "ওয়েলকাম টু দ্য হেল মি.কায়নাত।" বক্র হাসি খেলে গেল তার অধর কোণে,"ওয়েলকাম টু মাই ডার্ক সাইড, মাই ফা'কিং ডার্ক রেড।" 'বিষধর সাপের মতো রিচার্ডের দিকে চেয়ে আছে এলিজাবেথ।ঠোঁটে একটুখানি ব্যঙ্গের ছায়া। রিচার্ডের ফোনে আচমকা একটা এলার্ট ভেসে উঠল। সে ঠাণ্ডা ভঙ্গিতে ফোনটা হাতে নিল। এক ঝলকে দেখে বাঁকা হাসল, তারপর দ্রুত কিছু টাইপ করে ফোনটা আবারও পকেটে ঢুকিয়ে দিল। ঠিক তখনই দরজায় এক হট্টগোল৷ লাড়া ছুটে আসে। হাঁপাতে হাঁপাতে চিৎকার করল, "রিদ! রিদ!" 'সবার দৃষ্টি ঘুরল দরজার দিকে। যথারীতি উঁচু হিল আর ছোট পোশাকে লাড়া। রিচার্ড চোখে ইশারা করতেই ভিতরের সকল গার্ডরা নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল। এলিজাবেথ ধীরগতিতে ঘুরল। চিবুক শক্ত হয়ে উঠল ওর, কিন্তু স্বর? বরফের মতো ঠান্ডা। লাড়ার পথ আগলে দাঁড়াল সে, "কোথায় যাচ্ছো?" 'লাড়া কাঁপছে ক্রোধে, অপমানে,"সরো! আমি রিচার্ডের কাছে যাবো!" "বাইরের কোনো মেয়ে আমার স্বামীকে নাম ধরে ডাকবে, সেটা আমি একদমই পছন্দ করব না।" "বাইরের মেয়ে? তুই কাকে বাইরের মেয়ে বলছিস?" 'এলিজাবেথ এক পলকে ওকে মেপে নিল,"তোমাকে।" "তোর মতো চরিত্রহীন মেয়ের সাহস হয় কী করে আমাকে বাইরের মেয়ে বলার? বিচ!" 'এবার সত্যিকারের হাসল এলিজাবেথ। ধীরে ধীরে এক পা এগিয়ে এল। লাড়ার দিকে ঝুঁকে ফিসফিস করল, "আর কী যেন বললে? দুসচরিত্রা?" 'এক চুলও পিছু হটল না, বরং আরও গাঢ় স্বরে বলল, "আমার স্বামী কে, সেটা নিশ্চয়ই খুব ভালো করে জানো। তার জীবনের প্রথম নারী আমি, যাকে সে স্পর্শ করেছে, যাকে সে গভীরভাবে কাছে টেনেছে। আর ভবিষ্যতেও সেটাই হবে, কারণ? সে আমার স্বামী। যদি আমি চরিত্রহীন হতাম, তাহলে সে এতোকিছুর পরেও আমায় নিজের ঘরে তুলত না পুরো দুনিয়ার সাথে লড়ে।" 'অপমান, ঘৃণা, লজ্জায় লাড়ার চোখ জলে ভরে উঠল। সে এক পলক এলিজাবেথের দিকে তাকিয়ে থাকল কঠিন দৃষ্টিতে। পরপরই ক্রোধে কাঁপতে কাঁপতে পিছনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা রিচার্ডের দিকে তাকিয়ে কান্নামিশ্রিত স্বরে চেঁচিয়ে উঠল, "রিচার্ড! তুমি এই মেয়ের রূপে পাগল হয়েছো? যদি রূপের কথা বল, তবে আমি কোন দিক দিয়ে কম?" 'মুখের কথা কেড়ে নিল এলিজাবেথ, "সুন্দর তো পল্লীপাড়ার মেয়েরাও হয়। তাদের ঘরে তোলে ক'জন? ঘরের সৌন্দর্য রূপে নয়, পবিত্রতায়।" 'থেমে, এলিজাবেথ আবারও বলল, "স্বামীর সামনে স্বতীত্ব নিয়ে দাঁড়াতে যোগ্যতা লাগে যেটা সবার মধ্যে থাকেনা।" 'সারা ঘর স্তব্ধ। এলিজাবেথের কথায় সবাই হতভম্ব।চোয়াল ফাঁক হয়ে গেছে উপস্থিত প্রত্যেকের। শুধু একজন স্বাভাবিক,সে রিচার্ড। তার ঠোঁটের কোণে সেই চিরচেনা বাঁকা হাসি। যেন এই মুহূর্তটাই সে চেয়েছিল। প্রতিটি শব্দ সে চুপচাপ শুনছে।ঠোঁটের হাসি একচুলও কমছে না। তার চোখ বলে দিচ্ছে—সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। তার কঠোরতা ফল পেতে শুরু করেছে। এলিজাবেথ লাজুক হেসে তাকাল লাড়ার দিকে। হেসে হিসহিসিয়ে বলল, "I see it "I like it "I want it "I got it. 'হঠাৎ করেই লাড়া হাসল। এলিজাবেথের কানের কাছে মুখ নিয়ে গভীর গলায় আওড়ালো, "ভিলেন নায়ক, ভিলেন হিরো—এসব তো পুরনো কিসসা। আমি তো সোজা ভিলেন নায়িকা হয়ে এলাম, যে একটু ব্যতিক্রমী হতে জানে।" "এই গল্পে ভিলেন নায়কের অস্তিত্ব থাকলেও পরনারীর কোনো অস্তিত্ব নেই।" 'লাড়া নিয়ন্ত্রণ হারাল। হাত তুলল সরাসরি এলিজাবেথের দিকে। রিচার্ড ছুটে আসার আগেই এলিজাবেথ খপ করে ধরে ফেলল ওর হাত। একটানে ওর হাত মুচড়ে ধরল তারপর কোনো দ্বিধা ছাড়াই লাড়াকে ছিটকে ফেলে দিল মেঝেতে। রিচার্ড এবার সত্যিই অবাক হল। লাড়া ধপ করে পড়ল মেঝেতে। (next part Kal dupure na hole rate🙃) continue_ #fyp #bdtiktokofficial

About