@borsi___: ultimamente stiamo troppo tempo in giro insieme, non so cosa mi stia succedendo… 😵‍💫💕 @Viola Silvi

Cristiano🌓
Cristiano🌓
Open In TikTok:
Region: IT
Sunday 13 September 2026 11:58:17 GMT
579136
68400
415
632

Music

Download

Comments

violasilvii
Viola Silvi :
lo sai anche tu che ti fa bene uscire con me 😁💕
2026-09-13 12:00:32
2103
opss___03
crievio💕 :
borsi mi sa che non resisterá ancora per tanto
2026-09-13 12:09:43
32
giorgia.mottola4
Giorgia Mottola :
E CONTINUANO COSI CRIIII, AVANTI TUTTA
2026-09-13 13:13:07
25
giulia.ermenegildi
giulia🌟 :
MAMMA E PAPÀ TORNATEEE🥹❤️‍🩹
2026-09-13 12:25:04
41
giulia.ermenegildi
giulia🌟 :
basta loro sono LA COPPIAAAAA😍💕
2026-09-13 12:21:04
16
carolspamm18
𝖼𝖺𝗋𝗈𝗅⭐️ :
sto con la mia baddie in giro
2026-09-13 12:00:37
16
giorgia.mottola4
Giorgia Mottola :
A NOI PIACE QUESTA COSAA
2026-09-13 12:11:24
20
mumi6916
Mely_Verabaddie💋🩷🖤 :
AAAAAA VI AMO😍😭
2026-09-13 12:00:43
9
io.spammm_014
💎 :
Pensacola che viola gli dasse un bacio(ci ho sperato) (gli rivoglio assiemeee)
2026-09-13 12:05:13
9
eleninaa1
elena🇧🇷 :
il video che mi è uscito prima
2026-09-13 12:09:56
7
giorgia.mottola4
Giorgia Mottola :
LA DOMENICA È DIVENTATA LA MIA GIORNATA PREFERITA, i video più belli escono sempre di domenica
2026-09-13 12:56:23
6
To see more videos from user @borsi___, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

যাদের আগে কখনো বাবু হয়নি, এবারই প্রথম— বাবুটাকে কীভাবে পৃথিবীতে আনবেন, ভাবলেই তো বুকের ভেতর কেমন একটা ভয় কাজ করে, তাই না? প্রসবের ব্যথা (Labour Pain) আসলে কেমন? ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ সত্যি বলতে, এটা নিজে অনুভব করার আগে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, একবার সেই ব্যথা পেরিয়ে আসার পরও মানুষ হয়তো ঠিক সেই অনুভূতিটা আর কখনো আগের মতো মনে করতে পারে না। তবুও... আজ একটু উঁকি মেরে দেখি— একজন মা কীভাবে ধীরে ধীরে তাঁর ছোট্ট মানুষটার কাছে পৌঁছে যান। হুট করে কি একদিন প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হবে, আর তারপরই বাবু হয়ে যাবে? না। পুরো প্রসবের সময়টা আসলে একটা দীর্ঘ, অদ্ভুত, কষ্টের; তবুও অসম্ভব সুন্দর এক যাত্রা। শুরুতে ব্যথাটা অনেক সময় একদম মাসিকের ব্যথার মতো মনে হতে পারে। তলপেটটা একটু একটু করে টান ধরছে, মোচড় দিচ্ছে,  আবার কিছুক্ষণ পর কমে যাচ্ছে। তারপর আবার আসছে। আবার কমছে। আবার আসছে... শুরুর দিকে হয়তো আপনি স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে পারবেন, গোসল করতে পারবেন, হালকা কিছু খেতে পারবেন। এমনকি প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে গল্পও করতে পারবেন। কিন্তু ধীরে ধীরে... ব্যথার তীব্রতা বাড়তে থাকবে। ব্যথা আসার ঘনত্ব বাড়তে থাকবে। একসময় সেই ব্যথা আর শুধু ব্যথা থাকবে না— মনে হবে, ঢেউয়ের মতো পুরো শরীরের ওপর দিয়ে কিছু একটা বয়ে যাচ্ছে। তীব্র থেকে তীব্রতর... একটা সময় এসে কথা বলাও কঠিন হয়ে যাবে। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে হয়তো উত্তর দিতে ইচ্ছে করবে না। চোখ বন্ধ করে শুধু একটা সংকোচন শেষ হওয়ার অপেক্ষা করবেন। ব্যথাটা কমলেই আবার একটু স্বস্তি... আবার কয়েক মুহূর্তের জন্য মনে হবে— “আচ্ছা, আমি পারব...” তারপর আবার ব্যথা। কেউ হাঁটতে থাকেন। কেউ সামনে ঝুঁকে থাকেন। কেউ দেয়ালে হাত রেখে চাপ দেন। কেউ আবার শক্ত করে কোনো কিছু ধরে থাকেন। শরীর তখন নিজেই এমন একটা ভঙ্গি (Position) খুঁজতে থাকে, যেটাতে সামান্য হলেও আরাম পাওয়া যায়। আর মা? তিনি শুধু অপেক্ষা করেন... “আর কতক্ষণ?” তারপর আসে “ট্রানজিশন ফেজ” ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ প্রসবের সবচেয়ে তীব্র সময়গুলোর একটি। এতক্ষণ যে ব্যথাটা একটা নির্দিষ্ট ছন্দে আসছিল, এবার সেটা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। হঠাৎ মনে হতে পারে— “শরীরের ভেতরে কিছু একটা বদলে যাচ্ছে...” একটা অদ্ভুত অনুভূতি। অপরিচিত একটা অনুভূতি। অনেক মায়ের এই সময় ভয় বা আতঙ্ক হতে পারে। কারণ, ব্যথাটা তখন এতটাই তীব্র মনে হতে পারে যে মনে হয়— “আমি আর পারছি না...” একেকটা সংকোচনের সময় মনে হতে পারে, সহ্যক্ষমতার একেবারে শেষ সীমায় চলে এসেছেন। তলপেট থেকে কোমর, পিঠ, সবকিছু জুড়ে তীব্র ব্যথা ও চাপ... চারপাশে কী হচ্ছে, কে কী বলছে; কিছুই যেন তখন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না। শুধু মনে হয়— “এই ব্যথাটা কখন শেষ হবে?” শুনে ভয় লাগছে? ভয় পাবেন না। কারণ, এই কঠিন সময়টাও চিরস্থায়ী নয়। এই সময় কেউ হয়তো বলে ফেলেন— ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ “এক্ষুণি সিজার করে ফেলেন...” “এপিডিউরাল (Epidural—ব্যথা কমানোর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি) দেন, আমি আর পারছি না...” কেউ কাঁদেন। কেউ চুপ হয়ে যান। কেউ বারবার বলেন, “আমি পারছি না...” কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার কী জানেন? তিনি পারছেন। যে নারী কিছুক্ষণ আগেও ভাবছিলেন— “আমি আর পারব না...” সেই নারীই আবার পরের সংকোচনটা পার করে দেন। তারপর আরেকটা... তারপর আরেকটা... এভাবেই এগিয়ে চলেন তিনি। কারণ, তাঁর সামনে তখন শুধু একটা লক্ষ্য— নিজের সন্তানকে একবার দেখা।🤍 এরপর তীব্র ব্যথা ও চাপের মধ্য দিয়ে জরায়ুমুখ ধীরে ধীরে সম্পূর্ণভাবে খুলে যাবে। তারপর আসবে পুশ করার তাগিদ (Pushing Urge)। শরীরের ভেতর থেকে এমন প্রবল চাপ আসতে পারে যে মনে হবে— “এখন আমাকে চাপ দিতেই হবে...” প্রতিটি পুশের সঙ্গে আবারও আসবে তীব্র সংকোচন। ব্যথা থাকবে... কষ্ট থাকবে... কিন্তু সেই কষ্টের মাঝেও মা জানবেন— “আমার বাবু আসছে...” আর এই একটা কথাই হয়তো তাঁকে আবারও শক্তি দেবে। অবশেষে— ▬▬▬▬▬☞ সব অপেক্ষা শেষ হবে। সব ভয়... সব কান্না... সব কষ্ট... সব অসহ্য মুহূর্ত... হঠাৎ করেই যেন থেমে যাবে। আর তারপর— একটা ছোট্ট কান্নার শব্দ। আপনার বাবু পৃথিবীতে এসেছে। যে ছোট্ট মানুষটাকে এতদিন শুধু অনুভব করেছেন, যার নড়াচড়া পেটের ভেতর থেকে টের পেয়েছেন, যার জন্য কত রাত নির্ঘুম কেটেছে... আজ সে আপনার সামনে। এক মুহূর্তে মনে হবে— এই তো... আমার বাবু! আর তখন হয়তো মনে হবে, এতক্ষণ যে কষ্টটা সহ্য করছিলেন, তার প্রতিটি মুহূর্তের মূল্য ছিল। কারণ, একজন মা শুধু সন্তান জন্ম দেন না... তিনি নিজের ভেতর থেকে একটি নতুন পৃথিবীকে পৃথিবীতে নিয়ে আসেন। তাই প্রসবের সেই কষ্টের গল্পটা শুধু ব্যথার গল্প নয়। এটা একজন মায়ের সাহসের গল্প। এটা অপেক্ষার গল্প। এটা ভালোবাসার গল্প। এটা একজন নারীর অসীম শক্তির গল্প। আর সবশেষে— ▬▬▬▬▬▬▬☞ যখন ছোট্ট মানুষটার প্রথম কান্নার শব্দ ভেসে আসে, তখন মনে হয়... আলহামদুলিল্লাহ! 🤍 এই তো সেই মুহূর্ত, যার জন্য এতদিন অপেক্ষা... একজন মা আর তাঁর সন্তানের প্রথম দেখা। ইংশাআল্লাহ। 🤍 #pregnant #ma #islam #viral #foryou
যাদের আগে কখনো বাবু হয়নি, এবারই প্রথম— বাবুটাকে কীভাবে পৃথিবীতে আনবেন, ভাবলেই তো বুকের ভেতর কেমন একটা ভয় কাজ করে, তাই না? প্রসবের ব্যথা (Labour Pain) আসলে কেমন? ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ সত্যি বলতে, এটা নিজে অনুভব করার আগে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, একবার সেই ব্যথা পেরিয়ে আসার পরও মানুষ হয়তো ঠিক সেই অনুভূতিটা আর কখনো আগের মতো মনে করতে পারে না। তবুও... আজ একটু উঁকি মেরে দেখি— একজন মা কীভাবে ধীরে ধীরে তাঁর ছোট্ট মানুষটার কাছে পৌঁছে যান। হুট করে কি একদিন প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হবে, আর তারপরই বাবু হয়ে যাবে? না। পুরো প্রসবের সময়টা আসলে একটা দীর্ঘ, অদ্ভুত, কষ্টের; তবুও অসম্ভব সুন্দর এক যাত্রা। শুরুতে ব্যথাটা অনেক সময় একদম মাসিকের ব্যথার মতো মনে হতে পারে। তলপেটটা একটু একটু করে টান ধরছে, মোচড় দিচ্ছে, আবার কিছুক্ষণ পর কমে যাচ্ছে। তারপর আবার আসছে। আবার কমছে। আবার আসছে... শুরুর দিকে হয়তো আপনি স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে পারবেন, গোসল করতে পারবেন, হালকা কিছু খেতে পারবেন। এমনকি প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে গল্পও করতে পারবেন। কিন্তু ধীরে ধীরে... ব্যথার তীব্রতা বাড়তে থাকবে। ব্যথা আসার ঘনত্ব বাড়তে থাকবে। একসময় সেই ব্যথা আর শুধু ব্যথা থাকবে না— মনে হবে, ঢেউয়ের মতো পুরো শরীরের ওপর দিয়ে কিছু একটা বয়ে যাচ্ছে। তীব্র থেকে তীব্রতর... একটা সময় এসে কথা বলাও কঠিন হয়ে যাবে। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে হয়তো উত্তর দিতে ইচ্ছে করবে না। চোখ বন্ধ করে শুধু একটা সংকোচন শেষ হওয়ার অপেক্ষা করবেন। ব্যথাটা কমলেই আবার একটু স্বস্তি... আবার কয়েক মুহূর্তের জন্য মনে হবে— “আচ্ছা, আমি পারব...” তারপর আবার ব্যথা। কেউ হাঁটতে থাকেন। কেউ সামনে ঝুঁকে থাকেন। কেউ দেয়ালে হাত রেখে চাপ দেন। কেউ আবার শক্ত করে কোনো কিছু ধরে থাকেন। শরীর তখন নিজেই এমন একটা ভঙ্গি (Position) খুঁজতে থাকে, যেটাতে সামান্য হলেও আরাম পাওয়া যায়। আর মা? তিনি শুধু অপেক্ষা করেন... “আর কতক্ষণ?” তারপর আসে “ট্রানজিশন ফেজ” ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ প্রসবের সবচেয়ে তীব্র সময়গুলোর একটি। এতক্ষণ যে ব্যথাটা একটা নির্দিষ্ট ছন্দে আসছিল, এবার সেটা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। হঠাৎ মনে হতে পারে— “শরীরের ভেতরে কিছু একটা বদলে যাচ্ছে...” একটা অদ্ভুত অনুভূতি। অপরিচিত একটা অনুভূতি। অনেক মায়ের এই সময় ভয় বা আতঙ্ক হতে পারে। কারণ, ব্যথাটা তখন এতটাই তীব্র মনে হতে পারে যে মনে হয়— “আমি আর পারছি না...” একেকটা সংকোচনের সময় মনে হতে পারে, সহ্যক্ষমতার একেবারে শেষ সীমায় চলে এসেছেন। তলপেট থেকে কোমর, পিঠ, সবকিছু জুড়ে তীব্র ব্যথা ও চাপ... চারপাশে কী হচ্ছে, কে কী বলছে; কিছুই যেন তখন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না। শুধু মনে হয়— “এই ব্যথাটা কখন শেষ হবে?” শুনে ভয় লাগছে? ভয় পাবেন না। কারণ, এই কঠিন সময়টাও চিরস্থায়ী নয়। এই সময় কেউ হয়তো বলে ফেলেন— ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ “এক্ষুণি সিজার করে ফেলেন...” “এপিডিউরাল (Epidural—ব্যথা কমানোর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি) দেন, আমি আর পারছি না...” কেউ কাঁদেন। কেউ চুপ হয়ে যান। কেউ বারবার বলেন, “আমি পারছি না...” কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার কী জানেন? তিনি পারছেন। যে নারী কিছুক্ষণ আগেও ভাবছিলেন— “আমি আর পারব না...” সেই নারীই আবার পরের সংকোচনটা পার করে দেন। তারপর আরেকটা... তারপর আরেকটা... এভাবেই এগিয়ে চলেন তিনি। কারণ, তাঁর সামনে তখন শুধু একটা লক্ষ্য— নিজের সন্তানকে একবার দেখা।🤍 এরপর তীব্র ব্যথা ও চাপের মধ্য দিয়ে জরায়ুমুখ ধীরে ধীরে সম্পূর্ণভাবে খুলে যাবে। তারপর আসবে পুশ করার তাগিদ (Pushing Urge)। শরীরের ভেতর থেকে এমন প্রবল চাপ আসতে পারে যে মনে হবে— “এখন আমাকে চাপ দিতেই হবে...” প্রতিটি পুশের সঙ্গে আবারও আসবে তীব্র সংকোচন। ব্যথা থাকবে... কষ্ট থাকবে... কিন্তু সেই কষ্টের মাঝেও মা জানবেন— “আমার বাবু আসছে...” আর এই একটা কথাই হয়তো তাঁকে আবারও শক্তি দেবে। অবশেষে— ▬▬▬▬▬☞ সব অপেক্ষা শেষ হবে। সব ভয়... সব কান্না... সব কষ্ট... সব অসহ্য মুহূর্ত... হঠাৎ করেই যেন থেমে যাবে। আর তারপর— একটা ছোট্ট কান্নার শব্দ। আপনার বাবু পৃথিবীতে এসেছে। যে ছোট্ট মানুষটাকে এতদিন শুধু অনুভব করেছেন, যার নড়াচড়া পেটের ভেতর থেকে টের পেয়েছেন, যার জন্য কত রাত নির্ঘুম কেটেছে... আজ সে আপনার সামনে। এক মুহূর্তে মনে হবে— এই তো... আমার বাবু! আর তখন হয়তো মনে হবে, এতক্ষণ যে কষ্টটা সহ্য করছিলেন, তার প্রতিটি মুহূর্তের মূল্য ছিল। কারণ, একজন মা শুধু সন্তান জন্ম দেন না... তিনি নিজের ভেতর থেকে একটি নতুন পৃথিবীকে পৃথিবীতে নিয়ে আসেন। তাই প্রসবের সেই কষ্টের গল্পটা শুধু ব্যথার গল্প নয়। এটা একজন মায়ের সাহসের গল্প। এটা অপেক্ষার গল্প। এটা ভালোবাসার গল্প। এটা একজন নারীর অসীম শক্তির গল্প। আর সবশেষে— ▬▬▬▬▬▬▬☞ যখন ছোট্ট মানুষটার প্রথম কান্নার শব্দ ভেসে আসে, তখন মনে হয়... আলহামদুলিল্লাহ! 🤍 এই তো সেই মুহূর্ত, যার জন্য এতদিন অপেক্ষা... একজন মা আর তাঁর সন্তানের প্রথম দেখা। ইংশাআল্লাহ। 🤍 #pregnant #ma #islam #viral #foryou

About