@abo.badi: #حركة_اكسبلورر🙏🙏🙏 #ابوبادي_الشمري #فضلا_وليس_امرا_وشكرا_للجميع___🙂💚

ابوبادي الشمري
ابوبادي الشمري
Open In TikTok:
Region: SA
Tuesday 15 September 2026 04:47:14 GMT
428
9
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @abo.badi, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পশ্চিম আকাশে চাঁদ ও শুক্রের অপূর্ব মিলন: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও সামাজিক ভাবনা ​বিশেষ প্রতিবেদক: সম্প্রতি সন্ধ্যার পর পশ্চিম আকাশে সরু একফালি চাঁদের কাছে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহের উপস্থিতি এক মনোরম দৃশ্য তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিপুল উদ্দীপনার পাশাপাশি তৈরি হয়েছে নানা রকম আলোচনা ও মতভেদ। ​বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ঘটনাটি কী? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, মহাকাশের এই ঘটনাকে বলা হয় ‘কনজাংকশন’ বা মহাজাগতিক সংযোগ। এটি একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। ​চাঁদ ও শুক্র গ্রহ নিজ নিজ কক্ষপথে ঘোরার সময় মাঝে মাঝে পৃথিবীর সাপেক্ষে এমন এক সরলরেখায় আসে, যার ফলে পৃথিবী থেকে এদের খুব কাছাকাছি দেখা যায়। ​এটি কোনো দুর্যোগ, সংকেত বা অলৌকিক কিছু নয়; বরং মহাবিশ্বের সুনির্দিষ্ট নিয়মেরই একটি রূপ। ​সামাজিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এই দৃশ্যটিকে স্রষ্টার অপরূপ সৃষ্টির নিদর্শন হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের একটি অংশ মনে করেন, প্রকৃতির এমন যেকোনো বিরল দৃশ্য মানুষকে নিজের কাজ ও জীবন নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সুযোগ দেয়। ​তবে ধর্মীয় চিন্তাবিদ ও গবেষকদের মতে, ইসলামের দৃষ্টিতে চাঁদ, সূর্য বা গ্রহ-নক্ষত্রের এসব পরিবর্তন স্রষ্টার অসীম ক্ষমতার নিদর্শন। মহানবী (সা.) স্পষ্ট করেছেন যে, চাঁদ বা সূর্যগ্রহণ এবং গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান কারো জীবন, মৃত্যু, শুভ বা অশুভের সংকেত বহন করে না। তাই এগুলো দেখে আতঙ্কিত না হয়ে বা ভিত্তিহীন গুজবে কান না দিয়ে মহাবিশ্বের সৌন্দর্য উপভোগ করা এবং স্রষ্টার কৃপা প্রার্থনা করাই সমীচীন। ​প্রকৃতির এই রূপ যেমন একদিকে বিজ্ঞানের কৌতূহল বাড়ায়, অন্যদিকে মানুষকে বিনয়ী হয়ে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করার শিক্ষা দেয়। #ঈদগাঁও_খবর #Bangladesh #coxsbazar
পশ্চিম আকাশে চাঁদ ও শুক্রের অপূর্ব মিলন: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও সামাজিক ভাবনা ​বিশেষ প্রতিবেদক: সম্প্রতি সন্ধ্যার পর পশ্চিম আকাশে সরু একফালি চাঁদের কাছে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহের উপস্থিতি এক মনোরম দৃশ্য তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিপুল উদ্দীপনার পাশাপাশি তৈরি হয়েছে নানা রকম আলোচনা ও মতভেদ। ​বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ঘটনাটি কী? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, মহাকাশের এই ঘটনাকে বলা হয় ‘কনজাংকশন’ বা মহাজাগতিক সংযোগ। এটি একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। ​চাঁদ ও শুক্র গ্রহ নিজ নিজ কক্ষপথে ঘোরার সময় মাঝে মাঝে পৃথিবীর সাপেক্ষে এমন এক সরলরেখায় আসে, যার ফলে পৃথিবী থেকে এদের খুব কাছাকাছি দেখা যায়। ​এটি কোনো দুর্যোগ, সংকেত বা অলৌকিক কিছু নয়; বরং মহাবিশ্বের সুনির্দিষ্ট নিয়মেরই একটি রূপ। ​সামাজিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এই দৃশ্যটিকে স্রষ্টার অপরূপ সৃষ্টির নিদর্শন হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের একটি অংশ মনে করেন, প্রকৃতির এমন যেকোনো বিরল দৃশ্য মানুষকে নিজের কাজ ও জীবন নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সুযোগ দেয়। ​তবে ধর্মীয় চিন্তাবিদ ও গবেষকদের মতে, ইসলামের দৃষ্টিতে চাঁদ, সূর্য বা গ্রহ-নক্ষত্রের এসব পরিবর্তন স্রষ্টার অসীম ক্ষমতার নিদর্শন। মহানবী (সা.) স্পষ্ট করেছেন যে, চাঁদ বা সূর্যগ্রহণ এবং গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান কারো জীবন, মৃত্যু, শুভ বা অশুভের সংকেত বহন করে না। তাই এগুলো দেখে আতঙ্কিত না হয়ে বা ভিত্তিহীন গুজবে কান না দিয়ে মহাবিশ্বের সৌন্দর্য উপভোগ করা এবং স্রষ্টার কৃপা প্রার্থনা করাই সমীচীন। ​প্রকৃতির এই রূপ যেমন একদিকে বিজ্ঞানের কৌতূহল বাড়ায়, অন্যদিকে মানুষকে বিনয়ী হয়ে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করার শিক্ষা দেয়। #ঈদগাঁও_খবর #Bangladesh #coxsbazar

About