@cali_clipzz2: #zavala #yera #zavalahimself #amandasolis #zava

cali_clipzz2
cali_clipzz2
Open In TikTok:
Region: US
Wednesday 16 September 2026 04:34:17 GMT
9205
262
1
14

Music

Download

Comments

coolbrusoo
coolbrusoo :
2026-09-16 04:43:06
2
To see more videos from user @cali_clipzz2, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ইতিহাসের রাজনৈতিক ব্যবহার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ সালে, ৭১ বছর বয়সে পাকিস্তানের করাচিতে মৃত্যুবরণ করেন। অথচ আজ তাকে নিয়েও ইতিহাসের নামে নোংরামি, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হচ্ছে। যে ব্যক্তি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রায় সাড়ে তিন বছর আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন, তাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলির সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে দেওয়া হয়, যেন তিনি সেই সময়ের ঘটনাগুলোর প্রত্যক্ষ অংশীদার ছিলেন। এটা ইতিহাসের নিরপেক্ষ পাঠ নয়; বরং ইতিহাসকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের একটি উদাহরণ। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয় এবং পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈষম্য, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম হয়। তাই ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়কে তার নিজস্ব সময়, প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতার আলোকে বিচার করা উচিত। ১৯৪৭-এর ইতিহাসকে ১৯৫২ কিংবা ১৯৭১-এর ঘটনাবলির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে একজন ব্যক্তিকে দায়ী করা ইতিহাসচর্চা নয়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু তাকে মূল্যায়ন করতে হলে তার সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা, দ্বিজাতিতত্ত্ব, ভারতীয় উপমহাদেশের বিভাজন এবং পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট—সবকিছুকেই বিবেচনায় নিতে হবে। একটি বিষয় অবশ্যই ইতিহাসের ধারাবাহিকতার অংশ—১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি না হলে পূর্ব পাকিস্তান নামের রাজনৈতিক ভূখণ্ডও সৃষ্টি হতো না; আর পূর্ব পাকিস্তানের ইতিহাস না থাকলে ১৯৭১-এর বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথটিও একই রকম থাকত না। তাই জিন্নাহকে কেউ ভালোবাসবেন, কেউ সমালোচনা করবেন—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ইতিহাসকে নিজের রাজনৈতিক প্রয়োজন অনুযায়ী টেনে-হিঁচড়ে একজন মানুষকে এমন সব ঘটনার সঙ্গে জড়ানো, যেগুলোর সময় তিনি পৃথিবীতেই ছিলেন না—এটা ইতিহাসের প্রতি অন্যায়। বাংলাদেশের ইতিহাস বুঝতে হলে ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ ও ১৯৭১—প্রতিটি অধ্যায়কে তার নিজস্ব প্রেক্ষাপটে বুঝতে হবে। ইতিহাস কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ইতিহাসকে সম্মান করতে হলে সত্য, প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতাকে সম্মান করতে হবে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে আপনি সমর্থন করুন কিংবা সমালোচনা করুন—কিন্তু তাকে ইতিহাসের প্রকৃত প্রেক্ষাপটেই মূল্যায়ন করুন। ইতিহাসকে বিকৃত নয়, ইতিহাসকে জানতে হবে, শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করলেই হবে না।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ইতিহাসের রাজনৈতিক ব্যবহার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ সালে, ৭১ বছর বয়সে পাকিস্তানের করাচিতে মৃত্যুবরণ করেন। অথচ আজ তাকে নিয়েও ইতিহাসের নামে নোংরামি, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হচ্ছে। যে ব্যক্তি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রায় সাড়ে তিন বছর আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন, তাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলির সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে দেওয়া হয়, যেন তিনি সেই সময়ের ঘটনাগুলোর প্রত্যক্ষ অংশীদার ছিলেন। এটা ইতিহাসের নিরপেক্ষ পাঠ নয়; বরং ইতিহাসকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের একটি উদাহরণ। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয় এবং পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৈষম্য, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম হয়। তাই ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়কে তার নিজস্ব সময়, প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতার আলোকে বিচার করা উচিত। ১৯৪৭-এর ইতিহাসকে ১৯৫২ কিংবা ১৯৭১-এর ঘটনাবলির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে একজন ব্যক্তিকে দায়ী করা ইতিহাসচর্চা নয়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু তাকে মূল্যায়ন করতে হলে তার সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা, দ্বিজাতিতত্ত্ব, ভারতীয় উপমহাদেশের বিভাজন এবং পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট—সবকিছুকেই বিবেচনায় নিতে হবে। একটি বিষয় অবশ্যই ইতিহাসের ধারাবাহিকতার অংশ—১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি না হলে পূর্ব পাকিস্তান নামের রাজনৈতিক ভূখণ্ডও সৃষ্টি হতো না; আর পূর্ব পাকিস্তানের ইতিহাস না থাকলে ১৯৭১-এর বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথটিও একই রকম থাকত না। তাই জিন্নাহকে কেউ ভালোবাসবেন, কেউ সমালোচনা করবেন—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ইতিহাসকে নিজের রাজনৈতিক প্রয়োজন অনুযায়ী টেনে-হিঁচড়ে একজন মানুষকে এমন সব ঘটনার সঙ্গে জড়ানো, যেগুলোর সময় তিনি পৃথিবীতেই ছিলেন না—এটা ইতিহাসের প্রতি অন্যায়। বাংলাদেশের ইতিহাস বুঝতে হলে ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ ও ১৯৭১—প্রতিটি অধ্যায়কে তার নিজস্ব প্রেক্ষাপটে বুঝতে হবে। ইতিহাস কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ইতিহাসকে সম্মান করতে হলে সত্য, প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতাকে সম্মান করতে হবে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে আপনি সমর্থন করুন কিংবা সমালোচনা করুন—কিন্তু তাকে ইতিহাসের প্রকৃত প্রেক্ষাপটেই মূল্যায়ন করুন। ইতিহাসকে বিকৃত নয়, ইতিহাসকে জানতে হবে, শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করলেই হবে না।

About