@rafaya.izma: # এরেন্জমেরেজ # part2 ইশান চোখ তুলে তাকাতেই তার চোখ দুটো থমকে গেল। সে যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য চোখের পলক পেলতে ভুলেই গেল। তাকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে ইশানি তাকে কুনুই দিয়ে খোচা মেরে বলে উঠে ইশানি:কিরে ভাইয়া তোমার তো দেখছি ভাবির উপর থেকে চোখই সরছে না 😁 ইশানির কথায় ইশান তাকে চোখ পাকায়। তাদের দুই ভাই-বোনের কথার মাঝে আজমা বেগম ইরাকে ডেকে তার পাশে বসান। ইরাকে আজ অসম্ভব সুন্দর লাগছে। ইরার পড়নে একটি নীল রঙের শাড়ি। ইরাকে দেখে মনে হচ্ছে আকাশের এক টুকরো মেঘ তাকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। আজমা বেগম ইরার খুব প্রসংশা করলেন। তাদের সকলের তো আগে থেকেই ইরাকে পছন্দ।ইকবাল হোসেন এবার হারুন সাহেবকে বলে উঠলেন ইকবাল হোসেন: হারুন ইরা মাকে তো আমাদের আগে থেকেই পছন্দ করা আছে। শুধু ছেলে মেয়ের পছন্দ করা বাকি। বলছি কি ইশান আর ইরা একটু আলাদা ভাবে কথা বলে আসলে কোনো সমস্যা হবে নাতো? হারুন সাহেব: সে কি তাতে সমস্যা হবে কেনো? এতো আরো ভালো। ওরা দুজন একটু আলাদা ভাবে কথা বললে নিজেদের আরো ভালো ভাবে জানতে পারবে। হারুন সাহেব এবার ইরাকে উদ্দেশ্য করে বললেন হারুন সাহেব: ইরা মা তুই ইশানকে নিয়ে ছাদে যা। ছাদে গিয়ে তোরা একটু আলাদা ভাবে কথা বলে আয় যা। ইরা বাবার কথা মতো উঠে ছাদের উদ্দেশ্যে পা বাড়াল। ইশান ও তার পিছু পিছু গেল। ছাদে এসে ইরা পিছনে ফিরে তাকাতেই ইশানকে দেখলো। সে মাত্রই ইশানকে দেখেছে। নিচে একবার এর জন্য ও সে ইশানের দিকে তাকায়নি।এখন ইশানের দিকে তাকাতেই তারা চোখাচোখি হয়ে যায়। ইরা লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলে। কিছু সময় পার হয় তারা কোনো কথা বলে না। ইশান এবার গলা পরিষ্কার করে নিজেই বলে ইশান: আমি আরাফ হোসেন ইশান। আপনি? ইরা: আমি সাবরিনা নূর ইরা। ইশান: কিসে পড়াশোনা করছেন? ইরা: ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে। ইশান:আরে তুমি তো ইশানির সাথে দেখছি... ইশান কথাটা বলেই থতমত খায়। সে তড়াতাড়ি করে বলে ইশান: সরি তুমি করে... ইরা: কোনো সমস্যা নেই। তুমি করে বলতে পারেন। ইশান: আচ্ছা আমার বিষয়ে কিছু জানার নেই? ইরা:না.. ইশান তার কথা শুনে একটু অবাকই হয়। তাদের বিয়ের কথা চলছে আর এই মেয়ে তার সম্পর্কে কিছুই জানতে চায় না। এমন কি হয়?? ইশান: তোমার আর আমার বিয়ে ঠিক হতে যাচ্ছে আর তোমার আমার বিষয়ে কিছুই জানার নেই? তুমি কি এ বিয়েতে রাজি নও? ইরা: আসলে আমার বাবা-মা যা করবেন আমার ভালোর জন্যই করবেন। তারা যেহেতু আমার জন্য আপনাকে পছন্দ করেছে তাহলে অবশ্যই আপনি ভালো। তাই আপনাকে প্রশ্ন করার মতো কিছু নেই। ইশান: কিছু জানার নেই যাতে চল নিচে চলে যাই। ইরা: হুম চলুন। ইরা আর ইশান নিচে আসতেই ইকবাল হোসেন বলে উঠেন ইকবাল হোসেন: এতো ওরা চলে এসেছে। তা এবার বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা যাক। কি বলিস হারুন? হারুন সাহেব: হ্যাঁ।আমাদের কোনো আপত্তি নেই। ইকবাল হোসেন: আচ্ছা তাহলে সমনের সাপ্তাহের বৃহস্পতিবার হলুদ আর শুক্রবার বিয়ের দিন ঠিক করি। কি বলিস হারুন? হারুন সাহেব: ঠিক আছে। খুব ভালো একটা দিন ঠিক করলি বিয়ের জন্য। আমরা হাতে সময় ও পাব এবং সকল আত্মীয় স্বজনরাও আসতে পারবে বিয়েতে। ইকবাল হোসেন: তাহলে এ ডেটই ফাইনাল রইল। হারুন সাহেব: হ্যাঁ। এবার মিষ্টি মুখ করি আমরা বেয়াই-বেয়াইন হতে যাচ্ছি। হা হা হা... এ বলে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে। সকলে খুশির খবর এ মিষ্টি মুখ করে। ইশান এর ফাঁকে কয়েকবার ইরার দিকে তাকিয়েছে। এবার এর যাত্রায় ইরার সাথে চোখাচোখি হয়ে গিয়েছে। ইরার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গিয়েছে। ———————— রাতে... ইরা তার রুমে শুয়ে আছে। সে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময় তার ফোনে কল আসে। রাত তখন ১১:৩৭। সে চিন্তা করে এ সময় কে তাকে কল দিবে? সে তার ফোন হাতে নিতেই অবাক হয়ে যায়.... <আচ্ছা তোমাদের কি এ গল্পটা ভালো লাগতেছে? না মানে এতো বেশি রেসপন্স দেখতেছি না আবার কারো কমেন্ট ও দেখতেছি না। যারা গল্পটা পড়তেছ তারা একটু কমেন্ট কর। তাহলে একটু ভালো লাগবে গল্প লিখতে 😮💨> #fouryoupage #copylink #fypシ #fouryoupage