@viva_1205: Một bài nhạc buồn viết cho ta ...#viva

Viva Đặng
Viva Đặng
Open In TikTok:
Region: VN
Thursday 17 September 2026 15:11:17 GMT
1449
75
7
1

Music

Download

Comments

phuongtue140295
phuongtue140295 :
đúng ..kkk
2026-09-18 01:45:19
1
docamtu.2411
docamtu.2411 :
Giờ này đọc ba cái thông báo chị ơi ... deadline dí 😂😂😂
2026-09-17 15:16:11
1
ngothanhanhtu
ngothanhanhtu :
🥰🥰
2026-09-17 21:34:39
1
To see more videos from user @viva_1205, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বৃষভানু ও তাঁর পত্নী কীর্তিদার রাধারানী প্রাপ্তি ,  একদা যখন বৃষভানু যমুনার জলে নিমজ্জিত হয়ে ভগবানের ধ্যান করছিলেন।  সে সময় একটি সহস্রদল পদ্মফুল জলপ্রবাহে ভাসতে ভাসতে তার দিকে এসে তার শরীরে স্পর্শ করল। তিনি চোখ মেলে তাকিয়ে অতি বিস্মিত হয়ে লক্ষ্য করলেন যে, একটি সহস্রদল পদ্মফুলের মধ্যে এক অপরূপ মাধুর্যময় শিশু কন্যা শায়িত রয়েছে এবং হাত-পা সঞ্চালন করছে। তাঁর স্বর্ণাভ অঙ্গকান্তি চতুর্দিকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে। ভগবান শ্রীরামচন্দ্র প্রকটিত হয়ে সেই ক্ষুদ্র বালিকা শিশুটিকে বৃষভানুর হস্তে অর্পন করলেন। যেহেতু রাজার কোনো সন্তান ছিল না, সেজন্য এই কন্যাকে পেয়ে তিনি অত্যন্ত খুশী হলেন। তিনি সেই শিশু কন্যাটিকে তাঁর গৃহে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে তাঁর প্রিয়পত্নী কীর্তিদার হাতে তুলে দিলেন।  এইভাবে শ্রীমতী রাধারাণী তার নিত্য মাতা-পিতা কীর্তিদা সুন্দরী ও মহারাজ বৃষভানুর ভুলোকের গৃহে আবির্ভূতা হয়েছিলেন। তাঁদের হৃদয় আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেল কিন্তু এর সঙ্গে দুঃখও মিশ্রিত ছিল। কারণ শিশুটি তার চক্ষু খুলল না, তবে সে কি অন্ধ? সে কোন শব্দও করছে না, তবে সে কি মূক? সে কোন শব্দেরও প্রতিক্রিয়া করছে না। সে কি বধির? তারা বিভ্ৰান্ত হয়ে গেলেন। হয়তো সময় মতো সত্য প্রকাশিত হবে। সেই সময়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো। দেবতারা নন্দনকাননজাত পুষ্প বর্ষণ করতে লাগলেন। নদী সমূহে নির্মল জল প্রবাহিত হয়েছিলো। পদ্মফুলের গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিলো। মৃদুমন্দ সুস্নিগ্ধ বাতাস বইতে লাগলো । বৃষভানু পত্নী কলাবতী শরৎকালের শতচন্দ্রকান্তি পরম মনোরমা কন্যাকে দর্শন করে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। প্রীতমনে সত্ত্বর অত বিধান পূর্বক দুই লক্ষ গাভী ব্রাহ্মণদেরকে দান করলেন। উজ্জ্বল রত্নখচিত চন্দন লিপ্ত সোনার দোলনায় শিশুকন্যা রাধা অন্যান্য গোপীদের দ্বারা আন্দোলিত হয়ে দিনে দিনে শশীকলার মতো বাড়তে লাগলো। ব্রহ্মা শিব প্রমুখ মহান দেবতারা সহজে যাঁর দর্শন পান না, কোটি কোটি যুগ ধরে যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেও যার দর্শন লাভ হয় না, ব্রজের লোকেরা সেই তাকেই আজ বৃষভানু ভবনে ছোট্ট শিশুরূপে দর্শন করতে লাগলেন । বৃষভানুকুমারীকে দর্শনের জন্য অন্তরীক্ষে সমাগত হলেন ব্রহ্মা, শিব, বিশ্বদেব, অশ্বিনীকুমার, গ্রহ-নক্ষত্র, মরুতগণ, পিতৃগণ। আকাশে সমাগত হলেন দেব দানব গন্ধর্ব রাক্ষস প্রভৃতি। বিদ্যাধর, সিদ্ধ, সাধ্য, ভৈরব, কিন্নর এমনকি পক্ষী পিশাচ দৈত্য নাগ প্রভৃতি হিংস্র জীবেরাও সমাগত হলো। সমস্ত ঋষি, সমস্ত মনু, চারি বেদ, সবাই দিব্য রথে আরোহণ করে আকাশ মণ্ডলে উপস্থিত হলেন। সূর্যের শুভ উদয়ে গন্ধবগণ মধুর বাদ্য বাজাতে লাগলেন। অপ্সরাগণ গান ও নৃত্য করতে লাগলেন। মুনি ঋষিগণ শ্রীরাধা-কৃষ্ণের স্তব করতে লাগলেন। সাধুগণের মন প্রসন্ন হলো । শ্রীরাধার অঙ্গকান্তি রক্তবর্ণ বিদ্যুতের মতো অর্থাৎ তপ্তকাঞ্চনবর্ণী, ময়ূর হার, মুকুট প্রভৃতি অলংকারে সুদীপ্তা । সর্ব সৌভাগ্য বর্ধিনী রাধা জননীর কোলে বিরাজ করতে লাগলেন। কোটি সূর্যের মতো অঙ্গ প্রভা সবার মন ও নয়নের আনন্দ বর্ধন করে। মাতা কলাবতী অর্থাৎ কীর্তিদা অনুমান করলেন, এই কন্যা সাধারণ নয়। এ বহু তপস্যার ফল। সর্ব জগতের প্রণম্য। যাঁর পাদপদ্ম সবাই বন্দনা করে থাকেন। শিশু কন্যার দর্শন উদ্দেশ্যে জানা অজানা অসংখ্য নরনারীর ভীড় হলো। সেই দর্শনার্থীদের সকলে বসন ভূষণে সুন্দরভাবে সজ্জিত ছিলেন। বৃদ্ধগণ, বৃদ্ধাগণ, যুবকগণ, যুবতীগণ, বাচ্চারা নিজ নিজ বহু দল করে মহানন্দে নৃত্য গীত করতে লাগলো। বাড়ীর থেকে, উঠোনে, বাইরে, পথে ঘাটে লোক দুধ দুই ননী ঘি, দুর্বা, হলুদগুঁড়ো, নানা রঙের আবীর প্রভৃতি ছড়িয়ে পরস্পরকে নিক্ষেপ করে এক পরমানন্দময় পরিবেশ গড়ে তুললো । বৃষভানু মহারাজ সমস্ত সমাগত ব্যক্তিদের আদর আপ্যায়ণ করে ভোজন করালেন, সবাইকে বসনভূষণ দান করলেন। শিশুকন্যা রাধা ও তাঁর মা বাবা সহ সকলের মঙ্গলসূচক বন্দনা এবং আশীর্বাদ উচ্চারণ করতে করতে লোকেরা সানন্দে প্রস্থান করলো। ইতিমধ্যে নারদমুনি বুঝতে পারলেন যে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই জগতে অবতীর্ণ হয়েছেন। তাই পরমেশ্বরী, সৌভাগ্যের ভগবতী শ্রীমতী রাধারানী হয়তো আবির্ভূতা হয়েছেন। তিনি ব্রজভূমিতে শ্রীমতী রাধারানীর অন্বেষণ করছিলেন এবং তাঁর পরমজ্ঞানের দ্বারা তিনি বৃষভানু মহারাজের গৃহে আগমন করলেন। তিনি প্রবল আগ্রহের সঙ্গে শিশুটিকে দর্শন করতে চাইলেন। বৃষভানু মহারাজ ভাবলেন যে, মহামুনি নারদ যদি শিশুটিকে আশীর্বাদ প্রদান করলে  হয়তো সে তাঁর চোখ খুলবে এবং দেখবে। যখন নারদমুনি এই অপরূপ শিশুটিকে দর্শন করলেন, তাঁর হৃদয় প্রেমভক্তিতে বিগলিত হয়ে গেল। তিনি অনুভব করলেন যে, সমস্ত প্রেমভক্তির পরম আধার সেই শিশু। তিনি সেই শিশুটির সহিত একান্তে থাকার জন্য অনুরোধ করলেন। যখন তিনি একান্তে সেই বালিকা শিশুর কাছে ছিলেন, তিনি তাঁর পূজা করলেন, তাঁকে প্রদক্ষিণ করলেন এবং প্রার্থনা করলেন যে, তিনি যেন তাঁর পারমার্থিক জগতের চিন্ময়রূপ দর্শন করতে পারেন।
বৃষভানু ও তাঁর পত্নী কীর্তিদার রাধারানী প্রাপ্তি , একদা যখন বৃষভানু যমুনার জলে নিমজ্জিত হয়ে ভগবানের ধ্যান করছিলেন। সে সময় একটি সহস্রদল পদ্মফুল জলপ্রবাহে ভাসতে ভাসতে তার দিকে এসে তার শরীরে স্পর্শ করল। তিনি চোখ মেলে তাকিয়ে অতি বিস্মিত হয়ে লক্ষ্য করলেন যে, একটি সহস্রদল পদ্মফুলের মধ্যে এক অপরূপ মাধুর্যময় শিশু কন্যা শায়িত রয়েছে এবং হাত-পা সঞ্চালন করছে। তাঁর স্বর্ণাভ অঙ্গকান্তি চতুর্দিকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে। ভগবান শ্রীরামচন্দ্র প্রকটিত হয়ে সেই ক্ষুদ্র বালিকা শিশুটিকে বৃষভানুর হস্তে অর্পন করলেন। যেহেতু রাজার কোনো সন্তান ছিল না, সেজন্য এই কন্যাকে পেয়ে তিনি অত্যন্ত খুশী হলেন। তিনি সেই শিশু কন্যাটিকে তাঁর গৃহে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে তাঁর প্রিয়পত্নী কীর্তিদার হাতে তুলে দিলেন। এইভাবে শ্রীমতী রাধারাণী তার নিত্য মাতা-পিতা কীর্তিদা সুন্দরী ও মহারাজ বৃষভানুর ভুলোকের গৃহে আবির্ভূতা হয়েছিলেন। তাঁদের হৃদয় আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেল কিন্তু এর সঙ্গে দুঃখও মিশ্রিত ছিল। কারণ শিশুটি তার চক্ষু খুলল না, তবে সে কি অন্ধ? সে কোন শব্দও করছে না, তবে সে কি মূক? সে কোন শব্দেরও প্রতিক্রিয়া করছে না। সে কি বধির? তারা বিভ্ৰান্ত হয়ে গেলেন। হয়তো সময় মতো সত্য প্রকাশিত হবে। সেই সময়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো। দেবতারা নন্দনকাননজাত পুষ্প বর্ষণ করতে লাগলেন। নদী সমূহে নির্মল জল প্রবাহিত হয়েছিলো। পদ্মফুলের গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিলো। মৃদুমন্দ সুস্নিগ্ধ বাতাস বইতে লাগলো । বৃষভানু পত্নী কলাবতী শরৎকালের শতচন্দ্রকান্তি পরম মনোরমা কন্যাকে দর্শন করে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। প্রীতমনে সত্ত্বর অত বিধান পূর্বক দুই লক্ষ গাভী ব্রাহ্মণদেরকে দান করলেন। উজ্জ্বল রত্নখচিত চন্দন লিপ্ত সোনার দোলনায় শিশুকন্যা রাধা অন্যান্য গোপীদের দ্বারা আন্দোলিত হয়ে দিনে দিনে শশীকলার মতো বাড়তে লাগলো। ব্রহ্মা শিব প্রমুখ মহান দেবতারা সহজে যাঁর দর্শন পান না, কোটি কোটি যুগ ধরে যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেও যার দর্শন লাভ হয় না, ব্রজের লোকেরা সেই তাকেই আজ বৃষভানু ভবনে ছোট্ট শিশুরূপে দর্শন করতে লাগলেন । বৃষভানুকুমারীকে দর্শনের জন্য অন্তরীক্ষে সমাগত হলেন ব্রহ্মা, শিব, বিশ্বদেব, অশ্বিনীকুমার, গ্রহ-নক্ষত্র, মরুতগণ, পিতৃগণ। আকাশে সমাগত হলেন দেব দানব গন্ধর্ব রাক্ষস প্রভৃতি। বিদ্যাধর, সিদ্ধ, সাধ্য, ভৈরব, কিন্নর এমনকি পক্ষী পিশাচ দৈত্য নাগ প্রভৃতি হিংস্র জীবেরাও সমাগত হলো। সমস্ত ঋষি, সমস্ত মনু, চারি বেদ, সবাই দিব্য রথে আরোহণ করে আকাশ মণ্ডলে উপস্থিত হলেন। সূর্যের শুভ উদয়ে গন্ধবগণ মধুর বাদ্য বাজাতে লাগলেন। অপ্সরাগণ গান ও নৃত্য করতে লাগলেন। মুনি ঋষিগণ শ্রীরাধা-কৃষ্ণের স্তব করতে লাগলেন। সাধুগণের মন প্রসন্ন হলো । শ্রীরাধার অঙ্গকান্তি রক্তবর্ণ বিদ্যুতের মতো অর্থাৎ তপ্তকাঞ্চনবর্ণী, ময়ূর হার, মুকুট প্রভৃতি অলংকারে সুদীপ্তা । সর্ব সৌভাগ্য বর্ধিনী রাধা জননীর কোলে বিরাজ করতে লাগলেন। কোটি সূর্যের মতো অঙ্গ প্রভা সবার মন ও নয়নের আনন্দ বর্ধন করে। মাতা কলাবতী অর্থাৎ কীর্তিদা অনুমান করলেন, এই কন্যা সাধারণ নয়। এ বহু তপস্যার ফল। সর্ব জগতের প্রণম্য। যাঁর পাদপদ্ম সবাই বন্দনা করে থাকেন। শিশু কন্যার দর্শন উদ্দেশ্যে জানা অজানা অসংখ্য নরনারীর ভীড় হলো। সেই দর্শনার্থীদের সকলে বসন ভূষণে সুন্দরভাবে সজ্জিত ছিলেন। বৃদ্ধগণ, বৃদ্ধাগণ, যুবকগণ, যুবতীগণ, বাচ্চারা নিজ নিজ বহু দল করে মহানন্দে নৃত্য গীত করতে লাগলো। বাড়ীর থেকে, উঠোনে, বাইরে, পথে ঘাটে লোক দুধ দুই ননী ঘি, দুর্বা, হলুদগুঁড়ো, নানা রঙের আবীর প্রভৃতি ছড়িয়ে পরস্পরকে নিক্ষেপ করে এক পরমানন্দময় পরিবেশ গড়ে তুললো । বৃষভানু মহারাজ সমস্ত সমাগত ব্যক্তিদের আদর আপ্যায়ণ করে ভোজন করালেন, সবাইকে বসনভূষণ দান করলেন। শিশুকন্যা রাধা ও তাঁর মা বাবা সহ সকলের মঙ্গলসূচক বন্দনা এবং আশীর্বাদ উচ্চারণ করতে করতে লোকেরা সানন্দে প্রস্থান করলো। ইতিমধ্যে নারদমুনি বুঝতে পারলেন যে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই জগতে অবতীর্ণ হয়েছেন। তাই পরমেশ্বরী, সৌভাগ্যের ভগবতী শ্রীমতী রাধারানী হয়তো আবির্ভূতা হয়েছেন। তিনি ব্রজভূমিতে শ্রীমতী রাধারানীর অন্বেষণ করছিলেন এবং তাঁর পরমজ্ঞানের দ্বারা তিনি বৃষভানু মহারাজের গৃহে আগমন করলেন। তিনি প্রবল আগ্রহের সঙ্গে শিশুটিকে দর্শন করতে চাইলেন। বৃষভানু মহারাজ ভাবলেন যে, মহামুনি নারদ যদি শিশুটিকে আশীর্বাদ প্রদান করলে হয়তো সে তাঁর চোখ খুলবে এবং দেখবে। যখন নারদমুনি এই অপরূপ শিশুটিকে দর্শন করলেন, তাঁর হৃদয় প্রেমভক্তিতে বিগলিত হয়ে গেল। তিনি অনুভব করলেন যে, সমস্ত প্রেমভক্তির পরম আধার সেই শিশু। তিনি সেই শিশুটির সহিত একান্তে থাকার জন্য অনুরোধ করলেন। যখন তিনি একান্তে সেই বালিকা শিশুর কাছে ছিলেন, তিনি তাঁর পূজা করলেন, তাঁকে প্রদক্ষিণ করলেন এবং প্রার্থনা করলেন যে, তিনি যেন তাঁর পারমার্থিক জগতের চিন্ময়রূপ দর্শন করতে পারেন।

About