@huynguyen_254:

ng việt cu tây
ng việt cu tây
Open In TikTok:
Region: VN
Friday 18 September 2026 11:50:38 GMT
192
5
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @huynguyen_254, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#Part_534  #villain_can_be_lover  #methuburi_মিথুবুড়ি  তবে এটুকু স্বীকার করতেই হবে তোমার স্বামীর ভালোবাসায় ছিল এক রকমের তীব্রতা, ছিল এমন কিছু, যা হয়ত আমার ভালোবাসার থেকেও বেশি শক্তিশালী ছিল। না হলে, তুমি তো তার প্রেমে পড়তে না। এই জন্মে আমি সবচেয়ে গভীর শিক্ষা পেয়েছি একটাই—সম্পর্কে তৃতীয় কারও কোনো স্থান নেই। আর সেই সত্যটা তোমার স্বামী আমায় নির্মম স্পষ্টতায় শিখিয়ে দিয়েছে। 'চিঠির শেষ প্রান্তে এসে এই বেহায়া আমি, আজও নিলজ্জের মতো আবারও বলছি,
#Part_534 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি তবে এটুকু স্বীকার করতেই হবে তোমার স্বামীর ভালোবাসায় ছিল এক রকমের তীব্রতা, ছিল এমন কিছু, যা হয়ত আমার ভালোবাসার থেকেও বেশি শক্তিশালী ছিল। না হলে, তুমি তো তার প্রেমে পড়তে না। এই জন্মে আমি সবচেয়ে গভীর শিক্ষা পেয়েছি একটাই—সম্পর্কে তৃতীয় কারও কোনো স্থান নেই। আর সেই সত্যটা তোমার স্বামী আমায় নির্মম স্পষ্টতায় শিখিয়ে দিয়েছে। 'চিঠির শেষ প্রান্তে এসে এই বেহায়া আমি, আজও নিলজ্জের মতো আবারও বলছি,"ভালোবেসেছি, ভালোবাসি, ভালোবেসে যাবো"। হ্যাঁ, আমি ভালোবাসি তোমাকে৷ ঠিক যতটা তুমি তোমার স্বামীকে ভালোবাসো, ততটাই গভীর, নিখাদ আমার ভালোবাসাও তোমার প্রতি।তোমার ভালোবাসায় যদি খাদ না থাকে, তবে তাকবীর দেওয়ানের ভালোবাসাতেও এক বিন্দু খাদ নেই। শেষ অনুরোধ 'ঘৃণা করো, তবু মনে রেখো আমায়। ভুলে যেও না আমায়, যেমন করে আমরা সুখের দিনে সৃষ্টিকর্তার কৃপা ভুলে যায়। তুমি যখন এই চিঠিটা পড়বে, তখন হয়ত আমি আর থাকব না। অপ্রত্যাশিত জীবনের প্রত্যাশিত মৃত্যুকে আমি সাদরে গ্রহণ করলাম। আর বলব না, এলোকেশী বাঁচাও! আমাকে বাঁচাও তুমি! বুক জ্বলে যাচ্ছে, পুড়ে যাচ্ছে। আমাকে বাঁচাও তুমি,,,আর বলব না। অতঃপর, ❝খোদা কি তোমার, আমার মিলন লিখতে পারত না?❞ ইতি, ব্যর্থ পুরুষ, 'রিচার্ড স্তব্ধ, শান্তমূর্তির মতো বসে রইল কিছুক্ষণ। লোকটা কি সত্যিই তাকে ভাই বলে মেনে নিয়েছিল শেষ সময়ে? বুকটা হঠাৎই ভরে উঠল এক অজানা উষ্ণতায়। কিন্তু সেই আনন্দেই হঠাৎ ধাক্কা দেয় এক নিষ্ঠুর স্মৃতি। লোকটার শেষ ইচ্ছেগুলো অপূর্ণই রয়ে গেল। তার কবরও দেওয়া হয়নি বাবা-মায়ের পাশে। জানাজাও হয়নি। এই ব্যস্ত শহরে কে-ই বা সময় করে তার জানাজা পড়াবে? ন্যাসো আর লুকাস তখন ব্যস্ত হসপিটালে দৌড়াদৌড়িতে। তাদের কাছে তাকবীর দেওয়ান শুধু একটা দায়িত্বহীন বোঝা। কোনোরকমে মাটিচাপা দিয়ে শরীরের পচন ঠেকানোর জন্য। 'এই প্রথম রিচার্ড বোবা হয়ে যায়। কিছু বলার মতো শব্দ খুঁজে পায় না। শুধু বুকের ভেতর জমে উঠছে এক অসম্ভব অস্থিরতা। যেটা কেবল অনুভব করা যায়, প্রকাশ নয়। হঠাৎ রিচার্ড ওঠে দাঁড়াল। ঝুঁকল এলিজাবেথের ওপর। তার রুক্ষ নাক ঠেকল এলিজাবেথের কপালে। মেপে মেপে কথা বলা লোকটা আজ হঠাৎ করেই ফুঁপিয়ে উঠল কথার শুরুতেই। এলিজাবেথকে নিজের পেশল শক্ত বাহুবেস্টনে আঁকড়ে ধরে দলা পাকানো কণ্ঠে বলে উঠল, "এলিজান, আমার জান, প্লিজ উঠে পড়ো। এই জানোয়ারটা বাঁচবে না তোমায় ছাড়া। হ্যাঁ, আজ বলছি, নিজেকে ভেঙেচুরে বলছি—আমি তোকে ছাড়া বাঁচব না এলিজান। বেঁচে থাকার জন্য তোমাকে আমার খুব প্রয়োজন। এতো অভিমান করে না রে জান। একটু চোখ খুলে দেখ না, একটা মানুষ কিভাবে তিলে, তিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাকে আরেকটা সুযোগ দাও, রেড প্লিজ। আমি নতুন, সুন্দর একটা জীবন চাই। আমাদের প্রেম হয়েছে, সংসার হয়নি মিসেস কায়নাত। এভাবে সবটা শুরুর আগে শেষ হতে দিও না।" 'টপ করে দু’ফোঁটা শীতল অশ্রু গড়িয়ে পড়ল এলিজাবেথের চোখের পাতায়। হ্যাঁ, রিচার্ড কায়নাত কাঁদছে আজ এতো বছর পর। অস্বাভাবিকভাবে চিৎকার না করে কাঁদছে এক ভয়াবহ নিঃশব্দে। জীবনের বারবারের ধাক্কায় যে হৃদয়টা একসময় পাথরে পরিণত হয়েছিল, আজ সেই পাথর গলে জল হয়ে যাচ্ছে। সেই হৃদয়ে একদিন রুশরমণীর কোমল ছোঁয়ায় ফুটেছিল প্রেমের প্রথম ফুল। আর আজ, সেই প্রেমই যখন তাকে নির্বাক নিঃসঙ্গতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তখন রিচার্ড আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। ভেঙে চুরে, নিজেকে তুলে ধরল এক ছিন্নভিন্ন বাস্তবতায়। নিঃশেষ শরীরটা শক্ত করে চেপে ধরে বুকের সঙ্গে আর ফোঁপাতে ফোঁপাতে কাঁপা গলায় বলে যেতে লাগল ক্রন্দনরত স্বরে, "তুই ছাড়া আমার ক্ষতগুলো দেখানোর মতো কেউ নেই রে এলিজান। প্লিজ উঠ না। কষ্ট হচ্ছে রে জান… খুব কষ্ট।" 'অভিমানী কন্যা তবুও নড়ল না একচুল। রিচার্ড ছুটে গেল ওর পেটের কাছে। যদিও এখনো ভেতরে প্রাণের নাড়াচাড়া টের পাওয়ার মতো হয়নি, তবুও সে কান পাতল পেটের ওপর। চুমু বর্ষিত হতে থাকল কাঁপতে থাকা ঠোঁট থেকে। পেটে কাত হয়ে মাথা রেখে এলিজাবেথের দিকে তাকিয়ে ভাঙা স্বরে বলতে লাগল, "আমার এরিদ, রিস্কা, ইস্কা তোর এখানে আছে জান। তুই চোখ খোল এলিজান। আমি একটা খুব সাধারণ, খুব সুন্দর সংসার চাই। তুই কি খুব রাগ করে আছিস? এতটা অভিমান? রিচার্ড কায়নাতকে কষ্ট দিতে চাইছিস তুই? ঠিক আছে, ওদের লাগবে না। আমি বাপ হতে চাই না… আমি শুধু তোকে চাই এলিজান। শুধু তোকে..." 'রিচার্ড আজ ছন্নছাড়া। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সে আবারও ছুটে গেল এলিজাবেথের কাছে। পুরো মুখে পাগলের মতে চুমু খেতে, খেতে বলতে থাকে, "আই রিয়েলি লাভ ইউ, রেড৷ অনেক ভালোবাসি আমার এলিজান। জান রে, এভাবে আমাকে শেষ করে দিস না। চোখ খোল, আমার সাথে রাগ কর। তবুও এভাবে ঘুমিয়ে থাকিস না। ভেতরে যে কি হচ্ছে, তা বোঝাতে আমি ব্যর্থ। তুই না বোঝলে আর কে বুঝবে, বল?" continue_ #fyp #bdtiktokofficial

About