@larathevampira: cuz me and my friends are acc so funny

LARA
LARA
Open In TikTok:
Region: CA
Saturday 19 September 2026 22:38:29 GMT
6983
564
4
10

Music

Download

Comments

username20034656
✨ :
Queen where’s this top from
2026-09-19 23:22:30
1
theogmariam_
Mariam :
Queennn how do u clean up ur brows like that?🙏🏽🙏🏽
2026-09-19 23:54:55
0
food.discovery0
Food Discovery :
and you still haven't replied 🥱
2026-09-19 22:45:00
0
stvknix
stvknix :
Holy she’s gorgeous
2026-09-20 00:58:06
0
To see more videos from user @larathevampira, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন,🤔 এই পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি সবার শেষে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র চেহারা মোবারক দেখার সৌভাগ্য পেয়েছিলেন? যখন মদীনার আকাশ-বাতাস শোকে স্তব্ধ, সাহাবীদের চোখে অশ্রুর বন্যা—ঠিক সেই মুহূর্তে এক মহান ব্যক্তি এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছিলেন। তার পরিচয় এবং তার দীর্ঘ জীবনের গল্প শুনলে আপনার গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে! রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাতের পর বহু সাহাবী একে একে পরলোকগমন করেন। কিন্তু সবার শেষে কে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিলেন? তিনি ছিলেন প্রখ্যাত সাহাবী আবু তোফায়েল আমির ইবনে ওয়াসিলা আল-লাইসি (রা.)। ইতিহাসবিদদের মতে, তিনি ছিলেন সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যিনি রাসূল (সা.)-কে স্বচক্ষে দেখেছিলেন এবং সাহাবীদের কাফেলার মধ্যে সবার শেষে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। আবু তোফায়েল (রা.) কেবল শেষ সাহাবীই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন দীর্ঘায়ু পাওয়া অন্যতম এক ব্যক্তিত্ব। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বর্ণনা অনুযায়ী: * তিনি হিজরতের বছর বা তার সামান্য আগে জন্মগ্রহণ করেন। * রাসূল (সা.)-এর ওফাতের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ৮ থেকে ১০ বছর। * তিনি ১০০ হিজরির পর (প্রায় ১১০ হিজরি পর্যন্ত) বেঁচে ছিলেন। অর্থাৎ, তিনি ১০০ বছরেরও বেশি সময় এই পৃথিবীতে ইসলামের আলো ছড়িয়েছেন। ভাবুন তো, যে মানুষটি শৈশবে নবিজিকে (সা.) দেখেছিলেন, তিনি ১০০ বছর পরও সেই স্মৃতিগুলো মানুষের কাছে বর্ণনা করতেন! সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় পাওয়া যায়, আবু তোফায়েল (রা.) নিজেই বলতেন,
আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন,🤔 এই পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি সবার শেষে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র চেহারা মোবারক দেখার সৌভাগ্য পেয়েছিলেন? যখন মদীনার আকাশ-বাতাস শোকে স্তব্ধ, সাহাবীদের চোখে অশ্রুর বন্যা—ঠিক সেই মুহূর্তে এক মহান ব্যক্তি এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছিলেন। তার পরিচয় এবং তার দীর্ঘ জীবনের গল্প শুনলে আপনার গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে! রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাতের পর বহু সাহাবী একে একে পরলোকগমন করেন। কিন্তু সবার শেষে কে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিলেন? তিনি ছিলেন প্রখ্যাত সাহাবী আবু তোফায়েল আমির ইবনে ওয়াসিলা আল-লাইসি (রা.)। ইতিহাসবিদদের মতে, তিনি ছিলেন সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যিনি রাসূল (সা.)-কে স্বচক্ষে দেখেছিলেন এবং সাহাবীদের কাফেলার মধ্যে সবার শেষে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। আবু তোফায়েল (রা.) কেবল শেষ সাহাবীই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন দীর্ঘায়ু পাওয়া অন্যতম এক ব্যক্তিত্ব। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বর্ণনা অনুযায়ী: * তিনি হিজরতের বছর বা তার সামান্য আগে জন্মগ্রহণ করেন। * রাসূল (সা.)-এর ওফাতের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ৮ থেকে ১০ বছর। * তিনি ১০০ হিজরির পর (প্রায় ১১০ হিজরি পর্যন্ত) বেঁচে ছিলেন। অর্থাৎ, তিনি ১০০ বছরেরও বেশি সময় এই পৃথিবীতে ইসলামের আলো ছড়িয়েছেন। ভাবুন তো, যে মানুষটি শৈশবে নবিজিকে (সা.) দেখেছিলেন, তিনি ১০০ বছর পরও সেই স্মৃতিগুলো মানুষের কাছে বর্ণনা করতেন! সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় পাওয়া যায়, আবু তোফায়েল (রা.) নিজেই বলতেন, "বর্তমানে পৃথিবীতে আমি ছাড়া এমন আর কেউ অবশিষ্ট নেই, যে রাসূল (সা.)-কে সরাসরি দেখেছে।" তিনি যখন কথা বলতেন, মানুষ মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনত। কারণ তার কণ্ঠেই ছিল নবিজিকে (সা.) দেখার শেষ জীবন্ত সাক্ষ্য। তার মৃত্যুর মাধ্যমেই সাহাবীদের সোনালী যুগের সেই প্রত্যক্ষ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। #copy post #foryou #trending #আলোর_পথে_ #ইসলামিক_পোস্ট🤲🕋🤲সবাই_সাপোর্ট_করবেন

About