@azertac_aze: Media nümayəndələri Qubadlı şəhərində həyata keçirilən bərpa-quruculuq işləri ilə tanış olublar. #Qubadlı #bina #quruculuq #iş

AZƏRTAC
AZƏRTAC
Open In TikTok:
Region: AZ
Monday 21 September 2026 11:26:42 GMT
7008
302
8
41

Music

Download

Comments

ilqar.esedov40
İlqar Esedov :
qubadli seheri basqa erazide tikilir?
2026-09-21 12:40:16
0
elmeddin..039
Elmeddin Huseynov 039 :
ZilANLİni tikdilər qaldı qubadli
2026-09-21 16:39:41
1
alina.777_1
Alina :
yorulmasınlar İnşellah Sağ Salamat Yaşasınlar kim getse yaşamağa👍❤️😍😍❤️
2026-09-22 06:14:00
0
rza.mirzade
Rza Mirzade :
Xeyirli olsun. Darısı Laçın kəndlərinin başına
2026-09-21 15:30:43
0
tv39qubadli
1- İncisen Qubadli :
Hərşey deyillər ama demirler ki orada iş yerləri açılacaq ya yox ?İs yeri olmayan yerde yaşayışın olmağı heçde real görülmür.İs yerleri olmalıdı.
2026-09-21 18:11:02
0
daglarda_2
şanslı kadın... :
Birgatlı tikin
2026-09-21 11:59:32
0
daglarda_2
şanslı kadın... :
Kendin adı ne?
2026-09-21 11:59:51
0
To see more videos from user @azertac_aze, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আজ ১১ রবিউস সানি ও  পবিত্র ফাতেহা ই ইয়াজদাহম  হযরত সাইয়েদ আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আব্দুল কাদের জিলানী রহিমাহুল্লাহ এর ৮৮৭ তম ইন্তেকাল বার্ষিকী  মাহবুবে সুবহানী কুতুবে রব্বানী পীরানে পীর দস্তগীর হযরত সাইয়েদ আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আব্দুল কাদের জিলানী রহিমাহুল্লাহ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী  🌸জন্ম ও বংশপরিচয়🌸 আব্দুল কাদের জিলানী হিজরি ৪৭১ অথবা ৪৭০ হিজরী সনে বাগদাদ নগরের জিলান শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। কথিত আছে, তিনি তাঁর মাতা এবং পিতা উভয় দিক থেকে মহানবী মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বংশধর। তিনি তার পিতার দিক থেকে হাসানী এবং তার মায়ের দিক থেকে হোসাইনী। তার পিতার নাম আবু সালেহ মুসা জঙ্গী এবং মাতার নাম উম্মুল খায়ের ফাতেমা । তার পিতা ছিলেন ইমাম হাসান ইবনে আলীর বংশধর ও মাতা ছিলেন ইমাম হোসাইন ইবনে আলীর বংশধর। তবে বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য মত হলো, তিনি আলী ইবনু আবি তালিব এর বংশোদ্ভূত। এই মতের পক্ষে ইতিহাসবিদের সংখ্যাও বেশি এবং তাদের দলিল-প্রমাণ শক্তিশালী। 🌸শিক্ষা🌸 জিলানী তার জন্মের প্রদেশ গিলানে তার প্রাথমিক জীবন কাটিয়েছেন। ১০৯৫ সালে আঠারো বছর বয়সে তিনি বাগদাদে যান। সেখানে তিনি আবু সাঈদ মুবারক মাখযুমী এবং ইবনে আকিলের অধীনে হাম্বলী মাযহাব অধ্যয়ন করেন। তিনি আবু মুহাম্মদ জাফর আল-সাররাজের কাছে হাদিস অধ্যয়ন করেন। শিক্ষা শেষ করে জিলানী বাগদাদ ত্যাগ করেন। তিনি ইরাকের মরুভূমিতে পঁচিশ বছর তপস্যা করেন। 🌸ধর্ম প্রচার🌸 শিক্ষা-দীক্ষায় পূর্ণতা অর্জনের পর তিনি নিজেকে পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচারের কাজে নিয়োজিত করেন। ইতিহাসবিদের অভিমত হলো, আবদুল কাদের জিলানি তার দাওয়াতি কাজ শুরু করেন ১১২৭ খ্রিস্টাব্দ (৫২১ হিজরী)।ভিন্ন মাহফিলে তিনি ইসলামের আদর্শ যুক্তিপূর্ণ ভাষায় বর্ণনা করতেন। তার মহফিলে শুধু মুসলমান নয়, অনেক অমুসলিমও অংশগ্রহণ করতো। তার বক্তব্য শুনে অনেক অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। 🌸কাদেরিয়া তরিকা (সুফি তরিকা)🌸 তিনি কাদেরিয়া তরিকা প্রতিষ্ঠা করেন, এর অনেকগুলি শাখার সাথে বিস্তৃত, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে এবং এছাড়াও এটি যুক্তরাজ্য, আফ্রিকা, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, বলকান, রাশিয়া, ফিলিস্তিন, চীন,এবং পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকায়। 🌸বই🌸 তিনি কাব্য, সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, ভূগোল ইত্যাদি বিষয়ের পণ্ডিত ছিলেন। তার রচিত বহু গ্রন্থ রয়েছে। এসব গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কিতাব সিরর আল-আসরার ওয়া মাযহার আল-আনওয়ার[২০](রহস্যের গোপন বই এবং আলোর প্রকাশ) ফুতুহ আল গাইব (অদৃশ্যের রহস্য) গুনিয়াতুত তালেবীন (অন্বেষকদের ধন) غنیہ الطالیبین আল-ফুয়ুদাত আল-রব্বানিয়া (প্রভুর অনুগ্রহের প্রকাশ) পনেরোটি চিঠি: খামসাতা 'আশারা মাকতুবান কিবরিয়াত এ আহমার জান্নাত ও জাহান্নামের সংক্ষিপ্ত বিবরণ মহিমান্বিত প্রতিভাস (আল-ফাতহ আর-রব্বানী) 🌸মৃত্যু ও সমাধি🌸 হিজরী ৫৬১ সালের ১১ রবিউসসানী আব্দুল কাদের পরলোক গমন করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তার ওফাত দিবস সারা বিশ্বের সূফীরা প্রতি বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকেন এবং তার মৃত্যুবার্ষিকী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহাম হিসেবে পরিচিত। প্রতি আরবি মাসের ১০ তারিখ দিবাগত রাত গেয়ারভী শরীফ পালন হয়।
আজ ১১ রবিউস সানি ও পবিত্র ফাতেহা ই ইয়াজদাহম হযরত সাইয়েদ আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আব্দুল কাদের জিলানী রহিমাহুল্লাহ এর ৮৮৭ তম ইন্তেকাল বার্ষিকী মাহবুবে সুবহানী কুতুবে রব্বানী পীরানে পীর দস্তগীর হযরত সাইয়েদ আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আব্দুল কাদের জিলানী রহিমাহুল্লাহ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী 🌸জন্ম ও বংশপরিচয়🌸 আব্দুল কাদের জিলানী হিজরি ৪৭১ অথবা ৪৭০ হিজরী সনে বাগদাদ নগরের জিলান শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। কথিত আছে, তিনি তাঁর মাতা এবং পিতা উভয় দিক থেকে মহানবী মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বংশধর। তিনি তার পিতার দিক থেকে হাসানী এবং তার মায়ের দিক থেকে হোসাইনী। তার পিতার নাম আবু সালেহ মুসা জঙ্গী এবং মাতার নাম উম্মুল খায়ের ফাতেমা । তার পিতা ছিলেন ইমাম হাসান ইবনে আলীর বংশধর ও মাতা ছিলেন ইমাম হোসাইন ইবনে আলীর বংশধর। তবে বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য মত হলো, তিনি আলী ইবনু আবি তালিব এর বংশোদ্ভূত। এই মতের পক্ষে ইতিহাসবিদের সংখ্যাও বেশি এবং তাদের দলিল-প্রমাণ শক্তিশালী। 🌸শিক্ষা🌸 জিলানী তার জন্মের প্রদেশ গিলানে তার প্রাথমিক জীবন কাটিয়েছেন। ১০৯৫ সালে আঠারো বছর বয়সে তিনি বাগদাদে যান। সেখানে তিনি আবু সাঈদ মুবারক মাখযুমী এবং ইবনে আকিলের অধীনে হাম্বলী মাযহাব অধ্যয়ন করেন। তিনি আবু মুহাম্মদ জাফর আল-সাররাজের কাছে হাদিস অধ্যয়ন করেন। শিক্ষা শেষ করে জিলানী বাগদাদ ত্যাগ করেন। তিনি ইরাকের মরুভূমিতে পঁচিশ বছর তপস্যা করেন। 🌸ধর্ম প্রচার🌸 শিক্ষা-দীক্ষায় পূর্ণতা অর্জনের পর তিনি নিজেকে পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচারের কাজে নিয়োজিত করেন। ইতিহাসবিদের অভিমত হলো, আবদুল কাদের জিলানি তার দাওয়াতি কাজ শুরু করেন ১১২৭ খ্রিস্টাব্দ (৫২১ হিজরী)।ভিন্ন মাহফিলে তিনি ইসলামের আদর্শ যুক্তিপূর্ণ ভাষায় বর্ণনা করতেন। তার মহফিলে শুধু মুসলমান নয়, অনেক অমুসলিমও অংশগ্রহণ করতো। তার বক্তব্য শুনে অনেক অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। 🌸কাদেরিয়া তরিকা (সুফি তরিকা)🌸 তিনি কাদেরিয়া তরিকা প্রতিষ্ঠা করেন, এর অনেকগুলি শাখার সাথে বিস্তৃত, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে এবং এছাড়াও এটি যুক্তরাজ্য, আফ্রিকা, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, বলকান, রাশিয়া, ফিলিস্তিন, চীন,এবং পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকায়। 🌸বই🌸 তিনি কাব্য, সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, ভূগোল ইত্যাদি বিষয়ের পণ্ডিত ছিলেন। তার রচিত বহু গ্রন্থ রয়েছে। এসব গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কিতাব সিরর আল-আসরার ওয়া মাযহার আল-আনওয়ার[২০](রহস্যের গোপন বই এবং আলোর প্রকাশ) ফুতুহ আল গাইব (অদৃশ্যের রহস্য) গুনিয়াতুত তালেবীন (অন্বেষকদের ধন) غنیہ الطالیبین আল-ফুয়ুদাত আল-রব্বানিয়া (প্রভুর অনুগ্রহের প্রকাশ) পনেরোটি চিঠি: খামসাতা 'আশারা মাকতুবান কিবরিয়াত এ আহমার জান্নাত ও জাহান্নামের সংক্ষিপ্ত বিবরণ মহিমান্বিত প্রতিভাস (আল-ফাতহ আর-রব্বানী) 🌸মৃত্যু ও সমাধি🌸 হিজরী ৫৬১ সালের ১১ রবিউসসানী আব্দুল কাদের পরলোক গমন করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তার ওফাত দিবস সারা বিশ্বের সূফীরা প্রতি বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকেন এবং তার মৃত্যুবার্ষিকী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহাম হিসেবে পরিচিত। প্রতি আরবি মাসের ১০ তারিখ দিবাগত রাত গেয়ারভী শরীফ পালন হয়।

About