@roblox_earny2: #creatorsearchinsights #рекомендации#robux #rbxearny #roblox

Roblox_earny
Roblox_earny
Open In TikTok:
Region: KZ
Saturday 26 September 2026 17:33:56 GMT
550
6
5
10

Music

Download

Comments

malybaby2
🐱 :
тутор
2026-09-26 18:02:47
2
druggies_nova
novastarlight :
survey.gg сайт лучше я там 400 робуха получил опросы делал
2026-10-02 07:00:35
0
user6761676152
𝑨𝒊𝒔 :
Можно тутор
2026-09-26 18:38:15
1
tatarama6
Ж0ЛтЫй к0т :
нет
2026-09-26 19:20:56
1
To see more videos from user @roblox_earny2, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

(আমৃত্যু তুই শুধু আমার)লেখিকা:জেনিফা মাহি পর্ব215 ক্যাটাগরি(মাফিয়া*ডার্ক রোমান্টিক*সাইকো) ক অস্তিত্ব,,আবিরের কাছাকাছি থাকার এক অদৃশ্য অনুভূতি।   মাহি আস্তে করে ঘাড়টা ঘুরিয়ে তাকালো জানালার দিকে। কাঁচের জানালার ওপাশে তাকাতেই থমকে গেল। আহা! কী সুন্দর! বৃষ্টির পরের পৃথিবীটা যেন একেবারে নতুন করে সেজেছে। তবে কাঁচের জানালায় জমে থাকা অসংখ্য জলবিন্দুর কারণে বাইরের দৃশ্যটা কেমন ধোঁয়াশা লাগছে। মনে হচ্ছে, কোনো এক শিল্পী ইচ্ছে করে জলরঙে আঁকা ছবির ওপর কয়েক ফোঁটা জল ছিটিয়ে দিয়েছে।   মাহি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল! তার আর নিজেকে ঘরের মধ্যে আটকে রাখতে ইচ্ছে করছে না। বাইরের প্রাকৃতিক যেন তাকে টানছে! সে বিছানা থেকে ওঠে ধীরে ধীরে দরজা খুলে ব্যালকনিতে গিয়ে দাড়ায়।   ব্যালকনিতে দাড়াতেই এক ঝলক ঠান্ডা বাতাস এসে মাহির মুখ ছুঁয়ে যায়। মাহি চোখ বন্ধ করে ফেলল সাথে সাথে। বৃষ্টিভেজা বাতাসের এই মিষ্টি গন্ধটা বুক ভরে টেনে নিল সে। কী যে ভালো লাগছে! মাহি চোখ খুলে তাকালো সামনে,,,   বাগানের প্রতিটি গাছ যেন বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে আরও সতেজ হয়ে উঠেছে। পাতাগুলোতে জমে থাকা জলকণাগুলো সকালের ম্লান আলোয় চিকচিক করছে। ছোট ছোট ফুলগুলোও যেন বৃষ্টির স্পর্শে আরও বেশি সজীব হয়ে ফুটে আছে। মাহি ধীরে ধীরে চারপাশে চোখ বোলাল। তার চোখে আজ পৃথিবীটাকে অন্যরকম সুন্দর লাগছে। হঠাৎ তার দৃষ্টি গিয়ে থামল বাগানের হাসনাহেনা ফুলগাছটার দিকে।   সেখানে পাশাপাশি বসে আছে একজোড়া পাখি। মাহি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। পাখি দুটো যেন নিজেদের ছোট্ট একটা পৃথিবী বানিয়ে বসে আছে। একজন আরেকজনের একদম কাছে। মাঝেমধ্যে একজন তার মাথাটা অন্যজনের দিকে বাড়িয়ে দিচ্ছে, আর অন্যজনও যেন মিষ্টি অভিমানে মাথা দিয়ে তাকে আলতো করে গুঁতো দিচ্ছে। সেই দৃশ্যটা দেখে মাহির ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠে। কী অদ্ভুত সুন্দর!   মাহি বেশ কিছুক্ষণ পাখি দুটির দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর হঠাৎ মনে হলো—এই দৃশ্যটা যদি ক্যামেরাবন্দি করা যায়! ভাবনাটা মাথায় আসতেই আর এক মুহূর্ত দেরি করল না মাহি। দ্রুত রুমের ভেতর চলে গেল সে।   কিছুক্ষণ পর হাতে ফোন নিয়ে আবার ফিরে এলো ব্যালকনিতে। ফোনের ক্যামেরা অন করার জন্য স্ক্রিনে হাত রাখতেই—একটি নোটিফিকেশন ভেসে উঠল! মাহির আঙুল থেমে গেল। কৌতূহলী চোখে স্ক্রিনের দিকে তাকাল সে।   তাকাতেই তার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। মাহির চোখের সামনে থেকে মুহূর্তেই হারিয়ে গেল বাগানের পাখি দুটো। কয়েক সেকেন্ড আগেও যে মেয়েটার মুখে হাসি ছিল, সেই মুখের হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল। কী ছবি আপলোড করেছে আবির ভাই?   কেন জানি ছবিটা দেখার আগেই মাহির বুকের ভেতরটা অস্বস্তিতে ভরে উঠছে। তবুও কাঁপা কাঁপা আঙুলে নোটিফিকেশনটায় চাপ দিল সে। চাপ দিতেই স্ক্রিনে ছবিটা ভেসে উঠল। মাহি তাকিয়ে রইল। একটা মেয়ে। তবে মেয়েটার মুখ দেখা যাচ্ছে না। পেছন দিক থেকে ছবিটা তোলা। মনে হচ্ছে, মেয়েটা রাস্তার পাশে কোনো একজন মানুষকে সাহায্য করছে। ছবিটা আবার কার্টুন অ্যানিমেশন করা। মাহি কিছুই বুঝতে পারছে না।   কে এই মেয়েটা?   কেন আবির ভাই এই মেয়েটার ছবি পোস্ট করেছে?   ভাবনার মাঝেই ছবির উপরের ক্যাপশনের দিকে চোখ গেল মাহির। সে পড়তে শুরু করে। এক লাইন,দুই লাইন, পড়া শেষে তার চোখ আটকে গেল একটি নামের ওপর। মেঘের পরী,,,   মাহির বুকের ভেতরটা ধক করে ওঠে। মনে হচ্ছে কেউ যেন আচমকা তার বুকের ভেতর একটা পাথর ছুড়ে মেরেছে।   মেঘের পরী,,,   এই নামটা তো সে চেনে! এই নামের সম্মুখীন এর আগেও কয়েকবার হয়ছে সে!   মাহির চোখের সামনে মুহূর্তেই ভেসে উঠে সেই ডায়েরির পাতায় লেখা গুলো। আবির ভাইয়ের ডায়েরি, আর এই নামটা ডায়েরি তেই লেখা ছিলো।   মাহির ঠোঁট শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেল। তার মাথার ভেতরটা কেমন শূন্য হয়ে আসছে। চারপাশের পৃথিবীটা যেন হঠাৎ দুলে উঠল। মাহি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা করল, পারল না। সে দু পা পিছিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে ঠেস দিয়ে দাড়াল।  #উপন্যাস_আমৃত্যু_তুই_শুধু_আমার  #uponnash_lover  #লেখিকা_জেনিফা_মাহি  #foryo
(আমৃত্যু তুই শুধু আমার)লেখিকা:জেনিফা মাহি পর্ব215 ক্যাটাগরি(মাফিয়া*ডার্ক রোমান্টিক*সাইকো) ক অস্তিত্ব,,আবিরের কাছাকাছি থাকার এক অদৃশ্য অনুভূতি। মাহি আস্তে করে ঘাড়টা ঘুরিয়ে তাকালো জানালার দিকে। কাঁচের জানালার ওপাশে তাকাতেই থমকে গেল। আহা! কী সুন্দর! বৃষ্টির পরের পৃথিবীটা যেন একেবারে নতুন করে সেজেছে। তবে কাঁচের জানালায় জমে থাকা অসংখ্য জলবিন্দুর কারণে বাইরের দৃশ্যটা কেমন ধোঁয়াশা লাগছে। মনে হচ্ছে, কোনো এক শিল্পী ইচ্ছে করে জলরঙে আঁকা ছবির ওপর কয়েক ফোঁটা জল ছিটিয়ে দিয়েছে। মাহি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল! তার আর নিজেকে ঘরের মধ্যে আটকে রাখতে ইচ্ছে করছে না। বাইরের প্রাকৃতিক যেন তাকে টানছে! সে বিছানা থেকে ওঠে ধীরে ধীরে দরজা খুলে ব্যালকনিতে গিয়ে দাড়ায়। ব্যালকনিতে দাড়াতেই এক ঝলক ঠান্ডা বাতাস এসে মাহির মুখ ছুঁয়ে যায়। মাহি চোখ বন্ধ করে ফেলল সাথে সাথে। বৃষ্টিভেজা বাতাসের এই মিষ্টি গন্ধটা বুক ভরে টেনে নিল সে। কী যে ভালো লাগছে! মাহি চোখ খুলে তাকালো সামনে,,, বাগানের প্রতিটি গাছ যেন বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে আরও সতেজ হয়ে উঠেছে। পাতাগুলোতে জমে থাকা জলকণাগুলো সকালের ম্লান আলোয় চিকচিক করছে। ছোট ছোট ফুলগুলোও যেন বৃষ্টির স্পর্শে আরও বেশি সজীব হয়ে ফুটে আছে। মাহি ধীরে ধীরে চারপাশে চোখ বোলাল। তার চোখে আজ পৃথিবীটাকে অন্যরকম সুন্দর লাগছে। হঠাৎ তার দৃষ্টি গিয়ে থামল বাগানের হাসনাহেনা ফুলগাছটার দিকে। সেখানে পাশাপাশি বসে আছে একজোড়া পাখি। মাহি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। পাখি দুটো যেন নিজেদের ছোট্ট একটা পৃথিবী বানিয়ে বসে আছে। একজন আরেকজনের একদম কাছে। মাঝেমধ্যে একজন তার মাথাটা অন্যজনের দিকে বাড়িয়ে দিচ্ছে, আর অন্যজনও যেন মিষ্টি অভিমানে মাথা দিয়ে তাকে আলতো করে গুঁতো দিচ্ছে। সেই দৃশ্যটা দেখে মাহির ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠে। কী অদ্ভুত সুন্দর! মাহি বেশ কিছুক্ষণ পাখি দুটির দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর হঠাৎ মনে হলো—এই দৃশ্যটা যদি ক্যামেরাবন্দি করা যায়! ভাবনাটা মাথায় আসতেই আর এক মুহূর্ত দেরি করল না মাহি। দ্রুত রুমের ভেতর চলে গেল সে। কিছুক্ষণ পর হাতে ফোন নিয়ে আবার ফিরে এলো ব্যালকনিতে। ফোনের ক্যামেরা অন করার জন্য স্ক্রিনে হাত রাখতেই—একটি নোটিফিকেশন ভেসে উঠল! মাহির আঙুল থেমে গেল। কৌতূহলী চোখে স্ক্রিনের দিকে তাকাল সে। তাকাতেই তার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। মাহির চোখের সামনে থেকে মুহূর্তেই হারিয়ে গেল বাগানের পাখি দুটো। কয়েক সেকেন্ড আগেও যে মেয়েটার মুখে হাসি ছিল, সেই মুখের হাসিটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল। কী ছবি আপলোড করেছে আবির ভাই? কেন জানি ছবিটা দেখার আগেই মাহির বুকের ভেতরটা অস্বস্তিতে ভরে উঠছে। তবুও কাঁপা কাঁপা আঙুলে নোটিফিকেশনটায় চাপ দিল সে। চাপ দিতেই স্ক্রিনে ছবিটা ভেসে উঠল। মাহি তাকিয়ে রইল। একটা মেয়ে। তবে মেয়েটার মুখ দেখা যাচ্ছে না। পেছন দিক থেকে ছবিটা তোলা। মনে হচ্ছে, মেয়েটা রাস্তার পাশে কোনো একজন মানুষকে সাহায্য করছে। ছবিটা আবার কার্টুন অ্যানিমেশন করা। মাহি কিছুই বুঝতে পারছে না। কে এই মেয়েটা? কেন আবির ভাই এই মেয়েটার ছবি পোস্ট করেছে? ভাবনার মাঝেই ছবির উপরের ক্যাপশনের দিকে চোখ গেল মাহির। সে পড়তে শুরু করে। এক লাইন,দুই লাইন, পড়া শেষে তার চোখ আটকে গেল একটি নামের ওপর। মেঘের পরী,,, মাহির বুকের ভেতরটা ধক করে ওঠে। মনে হচ্ছে কেউ যেন আচমকা তার বুকের ভেতর একটা পাথর ছুড়ে মেরেছে। মেঘের পরী,,, এই নামটা তো সে চেনে! এই নামের সম্মুখীন এর আগেও কয়েকবার হয়ছে সে! মাহির চোখের সামনে মুহূর্তেই ভেসে উঠে সেই ডায়েরির পাতায় লেখা গুলো। আবির ভাইয়ের ডায়েরি, আর এই নামটা ডায়েরি তেই লেখা ছিলো। মাহির ঠোঁট শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেল। তার মাথার ভেতরটা কেমন শূন্য হয়ে আসছে। চারপাশের পৃথিবীটা যেন হঠাৎ দুলে উঠল। মাহি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা করল, পারল না। সে দু পা পিছিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে ঠেস দিয়ে দাড়াল। #উপন্যাস_আমৃত্যু_তুই_শুধু_আমার #uponnash_lover #লেখিকা_জেনিফা_মাহি #foryo

About