@dyndynreview:

Dyn Dyn dịu dàng
Dyn Dyn dịu dàng
Open In TikTok:
Region: VN
Tuesday 29 September 2026 23:59:13 GMT
233
1
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @dyndynreview, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পর্ব: ১৩৪ আইরিন চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। রুমের সব লাইট অফ। শুধু বেডসাইড টেবিলের ল্যাম্পশেডটা জ্বলছে। সেটার হলুদাভ আলোয় পুরো রুমটাকে অচেনা লাগছে আইরিনের কাছে। তার উপর বুকের ভেতর কেমন   হাহাকার লাগছে। মনে হচ্ছে কেউ ওর বুকের উপর ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিচ্ছে। তাতে ভেঙেচুরে যাচ্ছে ভেতরের সবকিছু। আজ সারাদিন ও বাইরে বের হয়নি। পরীও ওর কাছে আসেনি। পরীকে না দেখতে পেয়ে ও গলা কাটা মুরগীর মত ছটফট করেছে সারাদিন  পরী কি ওকে ভুলে যাচ্ছে? ভাবনাটা মাথায় আসতে দীর্ঘক্ষণ ধরে চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রুগুলো আর আটকে রাখতে পারলোনা। কয়েক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পরে গাল বেয়ে। না চাইতেও কাঁদছে ও। খুব কান্না পাচ্ছে। একটা মেয়ের জন্য আর কত কাঁদবে ও? জীবনে কেউ কোনোদিন ওকে এত কষ্ট দিতে পারেনি। কেউ ওকে কাঁদাতেও পারেনি। কিন্তু ওই নারী কিনা ওকে জ্বালিয়ে-  পুড়িয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে~ আইরিন উঠে বসে ফোন থেকে পরীর ছবি বের করে কান্নাভেজা কন্ঠে বলে, আইরিন: আমি যে আজ সারাদিন তোমার সামনে গেলাম না,আমাকে কি একবারও দেখতে ইচ্ছে হয়নি তোমার? আমার কথা একবারের জন্যও মনে পড়েনি তোমার? এভাবে ভুলে গেছো আমাকে? ওর গলা ভারী হয়ে আসে,তাও বলা থামায় না, আইরিন: কাল রাত থেকে অদৃশ্য বিষের যন্ত্রণায় মরে যাচ্ছি আমি। তুমি তো জানো,তুমি ছাড়া আমার সব কিছু কেমন অন্ধকার লাগে। প্রচুর কষ্ট হয়। সহ্য করতে পারিনা আমি। দহনে পুড়ে যায় আমার হৃদপিন্ড। তাও তোমার সাথে আমার এত দুরত্ব কেন? আমি হীনা কিভাবে থাকো তুমি?এতটা পাষান হলে কিভাবে? নাকি ভুলে গেছো তোমার জন্য কেউ একজন যে উন্মাদ ছিল? আমাকে ভুলে যাওয়া এত সহজ?  ও জোরে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে,হাঁটুর উপর মাথা রেখে চোখ বন্ধ করে ফুঁপিয়ে ওঠে আইরিন: একবার আমার বুকে আয় না পাখি। আমি যে আর পারছিনা,ভীষন কষ্ট হচ্ছে। আর সইতে পারিনা ও নিস্তব্ধ হয়ে বসলো কয়েক মিনিট। কিন্তু ওর নিস্তব্ধ হয়ে   বসে থাকা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না। দরজায় কেউ নক করে। আইরিন মাথা তুলে দরজার দিকে তাকায়। ভেজা চোখ দুটো হাতের পিঠ দিয়ে মুছে গলা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করে বলে, আইরিন: কে? বাইরে থেকে কোনো উত্তর আসেনা। শুধু নক করে যাচ্ছে। আইরিন বিরক্ত হয়ে বলে, আইরিন: কে নক করছে এত রাতে? কথা বলছো না কেন? তবুও কোনো উত্তর আসেনা। আইরিন বিছানা থেকে নেমে দাঁড়ায়। যেই হোক,এত রাতে নক করে ডিস্টার্ব করার জন্য আচ্ছা মত বকবে। মনে মনে ভাবতে ভাবতে দরজার কাছে গিয়ে দরজার লক খুলে ও। খোলার পর সামনের মানুষটাকে ঠিকমতো না দেখে কিছু বলতে যাবে। তার আগে বাজপাখির মতো ছুটে এসে কেউ ওর বুকের মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলে  আকস্মিক ধাক্কায় আইরিনকে কয়েক পা পিছিয়ে যেতে হলো। এক সেকেন্ডও সময় লাগলোনা ওর,কে ওকে জড়িয়ে ধরেছে তা চিনতে। এই স্পর্শ যে ওর শত যুগের চেনা। ওর বউ,ওর পরীজানের স্পর্শ। যে ওর হৃদয়ের উপর রাজত্ব করে। যার অভাবে ও পুড়ে মরে পরী আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে ধরে আছে আইরিনকে। শক্ত করে জড়িয়ে ধরাতে বরফের ন্যায় জমে গেছে আইরিন।সাথে কথা বলার শক্তিও হারায়। হৃদপিন্ড দপদপ শব্দ করছে। ওভাবে খানিকক্ষণ জড়িয়ে রাখলো আইরিনকে পরী। আইরিনের অনুভব হয়,ওর বুক ভিজে যাচ্ছে। পরী কি কাঁদছে?কেন কাঁদছে পরী? ওর জন্য? আইরিন নিজেকে সামলে আস্তে করে ডাকলো, আইরিন: পরী? কোনো জবাব দেয়না পরী। আইরিন পুনরায় ডাকলো, আইরিন: পরী? তুমি কাঁদছো? পরী আইরিনের বুকের মাঝে মুখ লুকিয়ে হেঁচকি তুলে কাঁদতে কাঁদতে বললো, পরী: আমি আপনার ভাগ দুনিয়ার কাউকে দিবোনা। আপনি আমার,শুধুমাত্র আমার আইরিন: কি বলছো এসব? পরী বুক থেকে মাথা তুলে আইরিনের দিকে তাকায়। ওর চোখ দুটো অশ্রুতে টইটম্বুর করছে। ও আদুরে স্বরে বলে, পরী: যা বলছি,ঠিক বলছি। আপনার ০.১% ভাগও আমি কাউকে দিতে রাজি নই। আপনি পুরোটাই আমার,একান্ত আমার আইরিন আর কিছু বলার সুযোগ পেলোনা। তার আগে পরী ধাক্কা দিয়ে ওকে বেডের ওপর ফেলে দেয়। আচমকা ধাক্কায় আইরিন তাল সামলাতে না পেরে বেডের ওপর পড়ে যায়। আইরিন উঠতে নিলে পরী ফের ধাক্কা দিয়ে ওকে শুইয়ে দেয়। পরী ওর চোখে চোখ রাখে আইরিন: কি করছো পরী? পরী: একদম উঠবি না,ওভাবে শুয়ে থাক আইরিন: কেন? পরী: আমি বলছি তাই পরী পেছন ফিরে দরজার দিকে যায়। আইরিন কিছু বুঝতে পারছে না। পরীর এমন আচরণের কারণ কি? পরী দরজা বন্ধ করে বেডের কাছে ফিরে আসে। ও আইরিনের কাছে যেতে যেতে বলে, পরী: শকুনের নজর পড়েছে আমার নিঃশ্বাসের সঙ্গীর উপর,সে নজর কাটাবো আজকে আমি আইরিন: শকুনের নজর মানে। কোন শকুন? আমি কিছু বুঝতে পারছিনা পরী পরী আইরিনের কাছে এসে ওর শার্টের কলার শক্ত করে চেপে ধরে,ওকে খানিক টেনে তুলে খুব কাছে যেয়ে চোখে চোখ রাখে। পরীর চোখের তীব্র দৃষ্টি দেখে আইরিন শুকনো ঢুক গিলে গলা ভিজায়। পরীর চোখ দুটো এমন ঘোলাটে লাগছে কেন? পরীর অবাধ্য নিঃশ্বাস গুলো এসে পড়ছে আইরিনের ঠোঁটের উপর,তাতে আইরিনের হার্টবিট বেড়ে যায়। পরী সামান্য রেগে বলে, পরী: তুই তো বাচ্চা,এখনো ফিডার খাস। কিছু বুঝতে পারিসনা😡 আইরিন: আমি ফিডার খাই?😑
পর্ব: ১৩৪ আইরিন চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। রুমের সব লাইট অফ। শুধু বেডসাইড টেবিলের ল্যাম্পশেডটা জ্বলছে। সেটার হলুদাভ আলোয় পুরো রুমটাকে অচেনা লাগছে আইরিনের কাছে। তার উপর বুকের ভেতর কেমন হাহাকার লাগছে। মনে হচ্ছে কেউ ওর বুকের উপর ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিচ্ছে। তাতে ভেঙেচুরে যাচ্ছে ভেতরের সবকিছু। আজ সারাদিন ও বাইরে বের হয়নি। পরীও ওর কাছে আসেনি। পরীকে না দেখতে পেয়ে ও গলা কাটা মুরগীর মত ছটফট করেছে সারাদিন পরী কি ওকে ভুলে যাচ্ছে? ভাবনাটা মাথায় আসতে দীর্ঘক্ষণ ধরে চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রুগুলো আর আটকে রাখতে পারলোনা। কয়েক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পরে গাল বেয়ে। না চাইতেও কাঁদছে ও। খুব কান্না পাচ্ছে। একটা মেয়ের জন্য আর কত কাঁদবে ও? জীবনে কেউ কোনোদিন ওকে এত কষ্ট দিতে পারেনি। কেউ ওকে কাঁদাতেও পারেনি। কিন্তু ওই নারী কিনা ওকে জ্বালিয়ে- পুড়িয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে~ আইরিন উঠে বসে ফোন থেকে পরীর ছবি বের করে কান্নাভেজা কন্ঠে বলে, আইরিন: আমি যে আজ সারাদিন তোমার সামনে গেলাম না,আমাকে কি একবারও দেখতে ইচ্ছে হয়নি তোমার? আমার কথা একবারের জন্যও মনে পড়েনি তোমার? এভাবে ভুলে গেছো আমাকে? ওর গলা ভারী হয়ে আসে,তাও বলা থামায় না, আইরিন: কাল রাত থেকে অদৃশ্য বিষের যন্ত্রণায় মরে যাচ্ছি আমি। তুমি তো জানো,তুমি ছাড়া আমার সব কিছু কেমন অন্ধকার লাগে। প্রচুর কষ্ট হয়। সহ্য করতে পারিনা আমি। দহনে পুড়ে যায় আমার হৃদপিন্ড। তাও তোমার সাথে আমার এত দুরত্ব কেন? আমি হীনা কিভাবে থাকো তুমি?এতটা পাষান হলে কিভাবে? নাকি ভুলে গেছো তোমার জন্য কেউ একজন যে উন্মাদ ছিল? আমাকে ভুলে যাওয়া এত সহজ? ও জোরে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে,হাঁটুর উপর মাথা রেখে চোখ বন্ধ করে ফুঁপিয়ে ওঠে আইরিন: একবার আমার বুকে আয় না পাখি। আমি যে আর পারছিনা,ভীষন কষ্ট হচ্ছে। আর সইতে পারিনা ও নিস্তব্ধ হয়ে বসলো কয়েক মিনিট। কিন্তু ওর নিস্তব্ধ হয়ে বসে থাকা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না। দরজায় কেউ নক করে। আইরিন মাথা তুলে দরজার দিকে তাকায়। ভেজা চোখ দুটো হাতের পিঠ দিয়ে মুছে গলা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করে বলে, আইরিন: কে? বাইরে থেকে কোনো উত্তর আসেনা। শুধু নক করে যাচ্ছে। আইরিন বিরক্ত হয়ে বলে, আইরিন: কে নক করছে এত রাতে? কথা বলছো না কেন? তবুও কোনো উত্তর আসেনা। আইরিন বিছানা থেকে নেমে দাঁড়ায়। যেই হোক,এত রাতে নক করে ডিস্টার্ব করার জন্য আচ্ছা মত বকবে। মনে মনে ভাবতে ভাবতে দরজার কাছে গিয়ে দরজার লক খুলে ও। খোলার পর সামনের মানুষটাকে ঠিকমতো না দেখে কিছু বলতে যাবে। তার আগে বাজপাখির মতো ছুটে এসে কেউ ওর বুকের মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলে আকস্মিক ধাক্কায় আইরিনকে কয়েক পা পিছিয়ে যেতে হলো। এক সেকেন্ডও সময় লাগলোনা ওর,কে ওকে জড়িয়ে ধরেছে তা চিনতে। এই স্পর্শ যে ওর শত যুগের চেনা। ওর বউ,ওর পরীজানের স্পর্শ। যে ওর হৃদয়ের উপর রাজত্ব করে। যার অভাবে ও পুড়ে মরে পরী আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে ধরে আছে আইরিনকে। শক্ত করে জড়িয়ে ধরাতে বরফের ন্যায় জমে গেছে আইরিন।সাথে কথা বলার শক্তিও হারায়। হৃদপিন্ড দপদপ শব্দ করছে। ওভাবে খানিকক্ষণ জড়িয়ে রাখলো আইরিনকে পরী। আইরিনের অনুভব হয়,ওর বুক ভিজে যাচ্ছে। পরী কি কাঁদছে?কেন কাঁদছে পরী? ওর জন্য? আইরিন নিজেকে সামলে আস্তে করে ডাকলো, আইরিন: পরী? কোনো জবাব দেয়না পরী। আইরিন পুনরায় ডাকলো, আইরিন: পরী? তুমি কাঁদছো? পরী আইরিনের বুকের মাঝে মুখ লুকিয়ে হেঁচকি তুলে কাঁদতে কাঁদতে বললো, পরী: আমি আপনার ভাগ দুনিয়ার কাউকে দিবোনা। আপনি আমার,শুধুমাত্র আমার আইরিন: কি বলছো এসব? পরী বুক থেকে মাথা তুলে আইরিনের দিকে তাকায়। ওর চোখ দুটো অশ্রুতে টইটম্বুর করছে। ও আদুরে স্বরে বলে, পরী: যা বলছি,ঠিক বলছি। আপনার ০.১% ভাগও আমি কাউকে দিতে রাজি নই। আপনি পুরোটাই আমার,একান্ত আমার আইরিন আর কিছু বলার সুযোগ পেলোনা। তার আগে পরী ধাক্কা দিয়ে ওকে বেডের ওপর ফেলে দেয়। আচমকা ধাক্কায় আইরিন তাল সামলাতে না পেরে বেডের ওপর পড়ে যায়। আইরিন উঠতে নিলে পরী ফের ধাক্কা দিয়ে ওকে শুইয়ে দেয়। পরী ওর চোখে চোখ রাখে আইরিন: কি করছো পরী? পরী: একদম উঠবি না,ওভাবে শুয়ে থাক আইরিন: কেন? পরী: আমি বলছি তাই পরী পেছন ফিরে দরজার দিকে যায়। আইরিন কিছু বুঝতে পারছে না। পরীর এমন আচরণের কারণ কি? পরী দরজা বন্ধ করে বেডের কাছে ফিরে আসে। ও আইরিনের কাছে যেতে যেতে বলে, পরী: শকুনের নজর পড়েছে আমার নিঃশ্বাসের সঙ্গীর উপর,সে নজর কাটাবো আজকে আমি আইরিন: শকুনের নজর মানে। কোন শকুন? আমি কিছু বুঝতে পারছিনা পরী পরী আইরিনের কাছে এসে ওর শার্টের কলার শক্ত করে চেপে ধরে,ওকে খানিক টেনে তুলে খুব কাছে যেয়ে চোখে চোখ রাখে। পরীর চোখের তীব্র দৃষ্টি দেখে আইরিন শুকনো ঢুক গিলে গলা ভিজায়। পরীর চোখ দুটো এমন ঘোলাটে লাগছে কেন? পরীর অবাধ্য নিঃশ্বাস গুলো এসে পড়ছে আইরিনের ঠোঁটের উপর,তাতে আইরিনের হার্টবিট বেড়ে যায়। পরী সামান্য রেগে বলে, পরী: তুই তো বাচ্চা,এখনো ফিডার খাস। কিছু বুঝতে পারিসনা😡 আইরিন: আমি ফিডার খাই?😑

About