@perspektif163: Kaçan Askerlerin Karşısına Atatürk Çıktı ve…------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------Atatürk 1881 - 1919 filmin adıdır ve 2023 yapımıdır Çanakkale’de Kaçan Askerler ve Atatürk Atatürk Kaçan Askerlerin Karşısına Çıktı ve Askerler Kaçarken Atatürk Geldı ve… Herkes Kaçarken Atatürk Tek Başına Geldi Atatürk Kaçan Askerlere Cesaret Veriyor Atatürk Cephede Kaçan Askerleri Durdurdu Çanakkale’de Atatürk ve Kaçan Askerler

PERSPEKTİF163
PERSPEKTİF163
Open In TikTok:
Region: TR
Friday 02 October 2026 22:27:50 GMT
216796
6559
81
111

Music

Download

Comments

alpaslan.ravan
Alpaslan Ravan :
uydurma
2026-10-03 06:39:16
137
serdarkirgol
Serdar Kırgöl :
Kendisi niye kaçtı peki 😂
2026-10-03 12:08:10
22
hhuseyingumus2109
ZAZA :
Tam tersidir kral
2026-10-03 07:31:25
41
razinaxflex
razinaxflex :
Film işte [Kahkaha onaylı]
2026-10-03 06:33:02
49
user7553725448369
user7553725448369 :
Bende inandım 😂
2026-10-03 12:36:23
12
usser19212
user9824 :
Ve oda kaçtı hahahahahha
2026-10-03 12:29:21
4
mevlutt48
mevlutt48 :
Çok inandık 😂😂😂😂
2026-10-03 13:14:30
3
ma.tiramisuu
Tiramisu.55 :
yardim gönderirmesini engeliyende o komutandi
2026-10-03 12:26:40
3
h.ibrhimsahin_27
Halil İbrahim Şahin :
Tamamen hayal ürünüdür 😳
2026-10-03 12:19:38
5
bnyamn81
bünyamn :
Kitap okumuyormuydu
2026-10-03 09:57:56
17
user2881929796543
Ali :
yalan
2026-10-03 13:13:33
1
mhakan0626
Hakan Keleş :
flash TV 😂
2026-10-03 09:31:10
13
0burak0
0Burak0 :
Aynen kardeşim
2026-10-03 07:33:20
10
murat_44_1
MURAT AKIN :
yalan hiç birzaman tür askeri düşmandan kaçmadı canı pahasına
2026-10-03 11:16:07
0
yahya52_2
citiktc :
benim bildiğim hep askerler önde gider ama komutanlar geride gider hep piyonlar gider önden şah la vezir hayata kalır Atatürk yatarak öldü gerçek askerler de şehit olarak öldü maalesef masa basindan Emir vermek çok kolay icrat göstermek bedel ödetir
2026-10-03 11:42:48
2
muhammedyanar34
guzel dusun guzel yaşa :
orda değildi ki o zaman o
2026-10-03 11:44:35
0
8n_calalov
𝐊ə𝐧𝐚𝐧✌🏿 :
Film ismi?
2026-10-03 06:21:22
2
aslan5_1
Ronaldo :
Hhhhaaaahaaa tamam
2026-10-03 11:06:09
2
carfaursa1
Ahmetyasinkahraman :
Böyle bir şey olmadı emin olun
2026-10-03 11:46:32
1
abdulkadir.702
𝘼𝘽𝘿𝙐𝙇𝙆𝘼𝘿𝙄̇𝙍 :
2026-10-03 12:17:56
0
danyal5953
🇩🇪Rızgar Danyal 🇫🇷 :
Adamlar koca imparatorluğu ilmik ilmik parçalamış , kalan parçalara da 100 yıl borç ödetmiş , savaşmayı bilmiyorlarmış
2026-10-03 13:22:47
0
kadirx.0l
kadir :
Türkler kaçmaz geri çekilir
2026-10-03 13:58:01
0
ottoman_empire_1453_
hiçkimse :
2026-10-03 13:56:55
0
leventgunduz59
Levent :
😅😅😅😅😅😅😅
2026-10-03 12:39:24
2
ozcanali_33
ÖZCAN :
adam askerleri gönderip kendisi sarayda içiyordu
2026-10-03 06:41:45
10
To see more videos from user @perspektif163, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই? — হৃদয় ভাঙা এক বাস্তব গল্প ‎ ‎◆ বাবা দরজায় দাঁড়িয়ে… ‎দরজার ঘণ্টা বাজতেই খুলে দেখি— ‎আমার জন্মদাতা বাবা দাঁড়িয়ে আছে। ‎মুখে সেই চিরচেনা হাসি, ‎আর হাতে ছোট্ট একটা বক্স। ‎ ‎আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললাম— ‎“বাবা, ভিতরে আসো…” ‎ ‎ভিতরে এসে বক্সটা বাড়িয়ে দিয়ে বাবা বললো— ‎“এই নে মা, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস। তোর মা বানিয়েছে। তোকে না খাইয়ে আমরা কীভাবে খাবো?” ‎ ‎আমি অবাক হয়ে বললাম— ‎“এসব দিতে ৬০ কিলোমিটার পথ আসলে?” ‎বাবা আবারো হাসলো। ‎একটা অদ্ভুত, শান্ত, ক্লান্ত হাসি। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির আচরণ… ‎ঠিক তখনই রুমের ভেতর থেকে শ্বাশুড়ির ডাক— ‎“বউমা, কে এসেছে?” ‎ ‎বাবা এগিয়ে গিয়ে ভদ্রভাবে বললো— ‎“কেমন আছেন বেয়ান সাব?” ‎শ্বাশুড়ি একবার তাকিয়ে কোনো উত্তর না দিয়েই ‎রুমে চলে গেলেন। ‎সেই নীরবতাই ছিল বাবার প্রতি তার প্রথম অপমান। ‎ ‎◆ বাবাকে থাকতে দিতে পারলাম না… ‎বাবা বললো— ‎“মা, আজ থাকি একদিন? তোমাদের সাথে একটু সময় কাটাই।” ‎ ‎আমি কান্না চেপে রাখতে রাখতে বললাম— ‎“না বাবা… দুপুরের পর চলে যাও।” ‎আমার নিজের মুখের কথায় ‎যেন বুকের ভেতর কাঁচ ভেঙে গেলো। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির রাগ—“তোমার বাপের লজ্জা নাই!” ‎আমি শ্বাশুড়ির রুমে গিয়ে বললাম— ‎“মা, খাসির মাংসটা বের করি? বাবা খেয়ে যাবে…” ‎ ‎তিনি রাগী গলায় বললেন— ‎“এত আপ্যায়ন লাগবে না! তোমার বাপ তো রোজ রোজ এসে পড়ে! তার জন্য আবার খাসি রান্না করতে হবে? ‎লোকটার লজ্জা নেই নাকি?” ‎ ‎আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম— ‎“মা, পাশের রুমে বাবা আছে… দয়া করে এসব বলবেন না।” ‎আমি সরে আসলাম। ‎চোখের পানি থামাতে পারলাম না। ‎ ‎◆ জামাইয়ের অপমান—বাজারের ব্যাগ হাতে তুলে দেওয়া… ‎একবার স্বামী বাজারের ব্যাগ দিয়ে বাবাকে বলেছিল— ‎“আপনি তো ফ্রি আছেন, বাজারটা করে নিয়ে আসুন।” ‎একজন শ্বশুরের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কী হতে পারে? ‎ ‎কিন্তু বাবা কিছুই বুঝলো না। ‎হাসিমুখে বাজারে চলে গেলো। ‎ ‎◆ দুপুরের খাবার—মাছের মাথাটাও বাবাকে দিতে পারলাম না… খাওয়া পরিবেশন করতে গিয়ে ‎মাছের মাথাটা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম বাবার প্লেটে। ‎ ‎হঠাৎ শ্বাশুড়ি এসে বললেন— ‎“এটা আমার ছেলের জন্য! নিজের বাপকে মাছের মাথা দিচ্ছো কেন?” ‎বাবা চুপচাপ ঝোল মেখে খেতে লাগলো। ‎বললো— ‎ ‎“তুই এত ভালো রান্না করিস! বাড়ি গিয়ে তোর মাকে শেখাবি একদিন।” ‎বাবার সরল কথাগুলো তখন ছুরি হয়ে বিঁধলো আমার মনে। ‎ ‎◆ অবশেষে বাবাকে নিষেধ করলাম… ‎খাওয়া শেষে বাবা উঠতেই ‎আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম। ‎ ‎বললাম— ‎“বাবা, প্লিজ… আর আসবে না এই বাড়িতে। ‎তোমাকে বারবার অপমান করতে আমার খারাপ লাগে!” ‎ ‎বাবা কিছু বললো না। ‎শুধু আমার মাথায় হাত রেখে ‎হাসিমুখে চলে গেলো। ‎সেই দিনের পর বাবা আর কখনো আমাদের বাড়ি আসেনি। ‎ ‎◆ অথচ বিপদের সময়ে সবার পাশে ছিল বাবা… ‎শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো, ‎স্বামীর ব্যবসা খারাপ হলো— ‎সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল আমার বাবা। ‎কিন্তু তবুও… ‎কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। ‎ ‎◆ দুই বছর পর—আমি মা হলাম ‎মেয়ে হওয়ার পর ‎আমার স্বামী বদলে গেলো। ‎ ‎রাতে ঘুম না হলে ‎ঘন্টার পর ঘন্টা কোলে নিয়ে হাঁটে। ‎মেয়ে আধো গলায় ‎“বাবা…” ‎বলে ডাকলে ‎স্বামী খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ‎ ‎একদিন মেয়েকে বুকে নিয়ে বললো— ‎“আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দেবো না! সারাজীবন রাখবো!” ‎ ‎আমি শান্তভাবে বললাম— ‎“আমার বাবাও আমাকে ঠিক এভাবেই ভালোবাসতো। ‎তবুও আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ‎আর যখন আমি বিয়ার পর তোমার বাসায় এলাম— ‎প্রতিবার অপমানিত হয়েও বাবা আসতো… ‎শুধু আমাকে এক নজর দেখার জন্য।” ‎ ‎স্বামী চুপ করে গেলো। ‎ ‎◆ স্বামীর উপলব্ধি—
মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই? — হৃদয় ভাঙা এক বাস্তব গল্প ‎ ‎◆ বাবা দরজায় দাঁড়িয়ে… ‎দরজার ঘণ্টা বাজতেই খুলে দেখি— ‎আমার জন্মদাতা বাবা দাঁড়িয়ে আছে। ‎মুখে সেই চিরচেনা হাসি, ‎আর হাতে ছোট্ট একটা বক্স। ‎ ‎আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললাম— ‎“বাবা, ভিতরে আসো…” ‎ ‎ভিতরে এসে বক্সটা বাড়িয়ে দিয়ে বাবা বললো— ‎“এই নে মা, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস। তোর মা বানিয়েছে। তোকে না খাইয়ে আমরা কীভাবে খাবো?” ‎ ‎আমি অবাক হয়ে বললাম— ‎“এসব দিতে ৬০ কিলোমিটার পথ আসলে?” ‎বাবা আবারো হাসলো। ‎একটা অদ্ভুত, শান্ত, ক্লান্ত হাসি। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির আচরণ… ‎ঠিক তখনই রুমের ভেতর থেকে শ্বাশুড়ির ডাক— ‎“বউমা, কে এসেছে?” ‎ ‎বাবা এগিয়ে গিয়ে ভদ্রভাবে বললো— ‎“কেমন আছেন বেয়ান সাব?” ‎শ্বাশুড়ি একবার তাকিয়ে কোনো উত্তর না দিয়েই ‎রুমে চলে গেলেন। ‎সেই নীরবতাই ছিল বাবার প্রতি তার প্রথম অপমান। ‎ ‎◆ বাবাকে থাকতে দিতে পারলাম না… ‎বাবা বললো— ‎“মা, আজ থাকি একদিন? তোমাদের সাথে একটু সময় কাটাই।” ‎ ‎আমি কান্না চেপে রাখতে রাখতে বললাম— ‎“না বাবা… দুপুরের পর চলে যাও।” ‎আমার নিজের মুখের কথায় ‎যেন বুকের ভেতর কাঁচ ভেঙে গেলো। ‎ ‎◆ শ্বাশুড়ির রাগ—“তোমার বাপের লজ্জা নাই!” ‎আমি শ্বাশুড়ির রুমে গিয়ে বললাম— ‎“মা, খাসির মাংসটা বের করি? বাবা খেয়ে যাবে…” ‎ ‎তিনি রাগী গলায় বললেন— ‎“এত আপ্যায়ন লাগবে না! তোমার বাপ তো রোজ রোজ এসে পড়ে! তার জন্য আবার খাসি রান্না করতে হবে? ‎লোকটার লজ্জা নেই নাকি?” ‎ ‎আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম— ‎“মা, পাশের রুমে বাবা আছে… দয়া করে এসব বলবেন না।” ‎আমি সরে আসলাম। ‎চোখের পানি থামাতে পারলাম না। ‎ ‎◆ জামাইয়ের অপমান—বাজারের ব্যাগ হাতে তুলে দেওয়া… ‎একবার স্বামী বাজারের ব্যাগ দিয়ে বাবাকে বলেছিল— ‎“আপনি তো ফ্রি আছেন, বাজারটা করে নিয়ে আসুন।” ‎একজন শ্বশুরের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কী হতে পারে? ‎ ‎কিন্তু বাবা কিছুই বুঝলো না। ‎হাসিমুখে বাজারে চলে গেলো। ‎ ‎◆ দুপুরের খাবার—মাছের মাথাটাও বাবাকে দিতে পারলাম না… খাওয়া পরিবেশন করতে গিয়ে ‎মাছের মাথাটা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম বাবার প্লেটে। ‎ ‎হঠাৎ শ্বাশুড়ি এসে বললেন— ‎“এটা আমার ছেলের জন্য! নিজের বাপকে মাছের মাথা দিচ্ছো কেন?” ‎বাবা চুপচাপ ঝোল মেখে খেতে লাগলো। ‎বললো— ‎ ‎“তুই এত ভালো রান্না করিস! বাড়ি গিয়ে তোর মাকে শেখাবি একদিন।” ‎বাবার সরল কথাগুলো তখন ছুরি হয়ে বিঁধলো আমার মনে। ‎ ‎◆ অবশেষে বাবাকে নিষেধ করলাম… ‎খাওয়া শেষে বাবা উঠতেই ‎আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম। ‎ ‎বললাম— ‎“বাবা, প্লিজ… আর আসবে না এই বাড়িতে। ‎তোমাকে বারবার অপমান করতে আমার খারাপ লাগে!” ‎ ‎বাবা কিছু বললো না। ‎শুধু আমার মাথায় হাত রেখে ‎হাসিমুখে চলে গেলো। ‎সেই দিনের পর বাবা আর কখনো আমাদের বাড়ি আসেনি। ‎ ‎◆ অথচ বিপদের সময়ে সবার পাশে ছিল বাবা… ‎শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো, ‎স্বামীর ব্যবসা খারাপ হলো— ‎সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল আমার বাবা। ‎কিন্তু তবুও… ‎কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। ‎ ‎◆ দুই বছর পর—আমি মা হলাম ‎মেয়ে হওয়ার পর ‎আমার স্বামী বদলে গেলো। ‎ ‎রাতে ঘুম না হলে ‎ঘন্টার পর ঘন্টা কোলে নিয়ে হাঁটে। ‎মেয়ে আধো গলায় ‎“বাবা…” ‎বলে ডাকলে ‎স্বামী খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ‎ ‎একদিন মেয়েকে বুকে নিয়ে বললো— ‎“আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দেবো না! সারাজীবন রাখবো!” ‎ ‎আমি শান্তভাবে বললাম— ‎“আমার বাবাও আমাকে ঠিক এভাবেই ভালোবাসতো। ‎তবুও আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছিল। ‎আর যখন আমি বিয়ার পর তোমার বাসায় এলাম— ‎প্রতিবার অপমানিত হয়েও বাবা আসতো… ‎শুধু আমাকে এক নজর দেখার জন্য।” ‎ ‎স্বামী চুপ করে গেলো। ‎ ‎◆ স্বামীর উপলব্ধি—"মেয়ের বাবা হলে লজ্জা থাকতে নেই" ‎পরদিন সকালে দেখি স্বামী ল্যাগেজ গুছিয়ে বসে আছে। ‎ ‎বললাম— ‎“কোথায় যাবে?” ‎স্বামী মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললো— ‎ ‎“মেয়ের বাবা হিসেবে দায়িত্ব শিখতে… ‎তোমার বাবার কাছে যাচ্ছি। ‎কারণ ওনার মতো সহ্যশক্তি আমার নেই। ‎আমিও শিখতে চাই— ‎মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই কেন।” ‎ ‎আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম। ‎একজন ত্রিশোর্ধ মানুষ ‎নিজের ভুলের জন্য ‎এতোটা অনুতপ্ত হতে পারে— ‎সেটা প্রথমবার দেখলাম। ‎ ‎সেদিনের পর স্বামীর প্রতি ‎আমার কোনো অভিযোগই আর রইলো না। ‎ ‎◆ কারণ সত্যিটা শুধু একটাই… ‎একজন বাবা যতটা ভালোবাসে মেয়েকে, ‎তার তুলনা পৃথিবীর কোনো বন্ধনেই নেই। ‎ ‎মেয়ের জন্য বাবারা ‎নির্লজ্জ হয়, ‎অপমান সহ্য করে, ‎দূরত্ব পাড়ি দেয়, ‎আর বারবার ভেঙে পড়ে— ‎শুধু মেয়ের হাসিটা দেখার জন্য

About