@niss_stan: bismillah nilai semester ini ga anjlok #4upage #xbcyza #pelajar #rangking #foyoupage

⋆𐙚Chen Mei (陈美).ೃ࿔
⋆𐙚Chen Mei (陈美).ೃ࿔
Open In TikTok:
Region: ID
Saturday 03 October 2026 09:00:02 GMT
250062
47236
222
3679

Music

Download

Comments

always.pittii
_23pitt :
bismillahirrahmanirrahim semoga masuk 3 besar lagi
2026-10-03 11:34:08
818
accciiilaaaa
sylz_xzz🙇🏻‍♀️✌🏻 :
sebenernya ortu ga seobsesi itu sama rank 1,but..AKU YANG OBSESSED
2026-10-04 08:37:10
683
fratinaa_12
fleur.fatinaa :
aku ga repost tapi aku di sini😝
2026-10-04 08:59:57
103
0.a.1.b.2.c.6
ha.gril. :
aku ga masuk 3 besar?buehhh habis uang jajan ku and ga bisa aku pegang hp😭
2026-10-04 01:37:44
145
adel_luheng
˖ ݁♬⋆𝙁𝙚𝙡𝙞𝙖✰🕷️ :
tutor masuk 3 besar😭
2026-10-03 11:24:09
33
florents_tin
its_fa :
tapi,lawan nya susah susah
2026-10-04 03:32:58
47
milkt986
M!lktea_ :
lebih mentingin ranking, dripada mentingin orang yg ga penting
2026-10-06 14:24:23
3
helsa_jr
Hi, I'm Helsa :
gw yang dulu pas SD selalu rengking ke 2 dari belakang dan sekarang rengking 2 dari depan ingat belajar dari kesalahan sebelum nya jangan biarkan orang menghina mu biarkan mereka memakan hinaan mereka sebelum nya padamu
2026-10-04 01:49:37
18
princessss_0512
𝓐𝓶𝓪𝓷𝓭𝓪𝓪𝓪🕊️🍷 :
allhamdulilah dari TK sampe kelas 5 juara 1
2026-10-04 22:45:50
6
.ayudiainararabbani
αყ. :
bahaya klo direpost
2026-10-04 13:52:03
5
mmyy_aaa
mya🐜🏴 :
BUKAN PENGEJAR, TAPI PELANGGAL😝✌
2026-10-04 03:47:54
5
faizaafansnadin
Faiza🫧 :
di PTS ini emang nilai nya jelek tapi engga pas semesteran🤭
2026-10-04 13:17:44
4
nattajaa00
tasyaa🕸️🕷️ :
ya Tuhan berkati la aku supaya dapat juara 1 lagi di semester 1 dan 2 ini dan dapat nilai bagus aminnn
2026-10-04 04:50:00
12
_clevergirl2
cipa :
"bahaya untuk direpost",tapi this is relate jadi gw repost
2026-10-04 14:20:58
7
rrmdhnnp
Æ :
1-6 rank 1 trus😹 gtau kelas 7 ini
2026-10-06 06:37:04
2
fina_cyh05
𝐂𝐳𝐘_𝒳. 𝖋𝖙'𝖝𝖈 🇧🇲 :
gw obses sama rank1 itu
2026-10-05 12:07:38
3
sonicviw
izzcool 🫧🍒✌️ :
takut bgt gk masuk 3 besarr 😵‍💫🫵 #myprinsip🙏
2026-10-03 15:37:43
7
anaaa_fiaa
anaa :
guys doain aku juara aku ga mau dimarahin terus terusan..
2026-10-04 04:15:03
4
adyla_5b_sdn_ku4
hy🌷🌸 :
bismillah masuk 3 besar
2026-10-05 07:45:50
1
caaa60037
caa?😝 :
lh prhan gua sangking ambisnya gua sampe dapet nilai 90 aja kecewa✌🏻💜
2026-10-05 15:03:45
1
adeeva.shndryy24
adeevaaa_ :
takut kluar dri top 2 🙏🏻
2026-10-06 12:44:59
1
zulfaauranajwa
zulll_.. :
bahaya untuk di repost
2026-10-04 10:41:37
4
zara_yap
zara_yap^~^ :
tk:semester1 rank2 semester 2rank 3 kls 1:semester 1&2rank 1 kls2:semester 1&2rank 1 kls3:semester 1&2rank1 kls4:semeater 1 rank 7,,semester 2 rank 4 kls 5:?(semoga masuk 3 besar) dll?
2026-10-05 13:19:42
1
nanatttcntippp
@pr33ty. _sya⭒๋𐙚 💗 :
Ga takut dimusuhin apalagi di gosip in, p SV anak baik+rajin cuman takut nilai anjlok+keluar dari 3 besar.
2026-10-05 10:25:52
1
bvtery
⋆˚𝜗𝜚˚⋆𝓉𝒶𝓈𝓎𝒶𝒶 ⋆ :
gw wakilin kalian semua buat REPOST
2026-10-05 06:31:00
1
To see more videos from user @niss_stan, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

রংপুরের সেই বিখ্যাত জমিদার বাড়ি 🏯 তাজহাট জমিদার বাড়ি (Tajhat Palace) অবস্থান: তাজহাট, রংপুর সদর, রংপুর, বাংলাদেশ। নির্মাতা: মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় (Gopal Lal Roy)। তিনি তাজহাট জমিদার পরিবারের অন্যতম প্রধান জমিদার এবং পেশায় একজন স্বর্ণকার/জুয়েলার ছিলেন। বর্তমান তাজহাট প্রাসাদটি তাঁর সময়েই নির্মিত হয়। নামের ইতিহাস: ‘তাজহাট’ নামটির উৎপত্তি নিয়ে প্রচলিত একটি মত হলো, গোপাল লাল রায়ের অলংকৃত মুকুট বা ‘তাজ’-এর সঙ্গে ‘হাট’ শব্দটি যুক্ত হয়ে এলাকার নাম ‘তাজহাট’ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা রয়েছে, তাই এটিকে নিশ্চিত তথ্যের বদলে প্রচলিত মত হিসেবে উল্লেখ করাই ভালো। নির্মাণকাল: বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রাসাদটি নির্মিত হয়। বিভিন্ন সূত্রে ১৯১৭ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার কথা উল্লেখ আছে; তবে নির্দিষ্টভাবে ১৯০১–১৯১৭ সময়কালকে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করে না। নির্মাণে শ্রমিক: প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, প্রাসাদটি নির্মাণে প্রায় ২,০০০ শ্রমিক/কারিগর কাজ করেছিলেন। স্থাপত্য: প্রাসাদটি দুইতলা এবং এর স্থাপত্যে ইউরোপীয়, উত্তর ভারতীয় ও স্থানীয় স্থাপত্যরীতির প্রভাব দেখা যায়। সম্মুখভাগে বিশাল সিঁড়ি, করিন্থীয় স্তম্ভ, অলংকৃত গম্বুজ ও সমমিত বিন্যাস এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। ভবনটির পরিকল্পনা মূলত U-আকৃতির এবং এতে প্রায় ২২টি কক্ষ রয়েছে। বিশেষ আকর্ষণ: প্রাসাদের সম্মুখের প্রশস্ত সিঁড়িটি সাদা মার্বেল পাথরে নির্মিত। প্রাসাদের জাদুঘরে প্রাচীন পাথরের মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, অলংকৃত ইট, শিলালিপি, প্রাচীন পুঁথি, মুদ্রা ও বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। হাইকোর্ট হিসেবে ব্যবহার: ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তাজহাট প্রাসাদে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংরক্ষণ ও জাদুঘর: ১৯৯৫ সালে প্রাসাদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়। ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরের কার্যক্রম প্রাসাদটির দ্বিতীয় তলায় স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এটি তাজহাট প্যালেস মিউজিয়াম/রংপুর জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। #Rangpurcity
রংপুরের সেই বিখ্যাত জমিদার বাড়ি 🏯 তাজহাট জমিদার বাড়ি (Tajhat Palace) অবস্থান: তাজহাট, রংপুর সদর, রংপুর, বাংলাদেশ। নির্মাতা: মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় (Gopal Lal Roy)। তিনি তাজহাট জমিদার পরিবারের অন্যতম প্রধান জমিদার এবং পেশায় একজন স্বর্ণকার/জুয়েলার ছিলেন। বর্তমান তাজহাট প্রাসাদটি তাঁর সময়েই নির্মিত হয়। নামের ইতিহাস: ‘তাজহাট’ নামটির উৎপত্তি নিয়ে প্রচলিত একটি মত হলো, গোপাল লাল রায়ের অলংকৃত মুকুট বা ‘তাজ’-এর সঙ্গে ‘হাট’ শব্দটি যুক্ত হয়ে এলাকার নাম ‘তাজহাট’ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা রয়েছে, তাই এটিকে নিশ্চিত তথ্যের বদলে প্রচলিত মত হিসেবে উল্লেখ করাই ভালো। নির্মাণকাল: বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রাসাদটি নির্মিত হয়। বিভিন্ন সূত্রে ১৯১৭ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার কথা উল্লেখ আছে; তবে নির্দিষ্টভাবে ১৯০১–১৯১৭ সময়কালকে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করে না। নির্মাণে শ্রমিক: প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, প্রাসাদটি নির্মাণে প্রায় ২,০০০ শ্রমিক/কারিগর কাজ করেছিলেন। স্থাপত্য: প্রাসাদটি দুইতলা এবং এর স্থাপত্যে ইউরোপীয়, উত্তর ভারতীয় ও স্থানীয় স্থাপত্যরীতির প্রভাব দেখা যায়। সম্মুখভাগে বিশাল সিঁড়ি, করিন্থীয় স্তম্ভ, অলংকৃত গম্বুজ ও সমমিত বিন্যাস এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। ভবনটির পরিকল্পনা মূলত U-আকৃতির এবং এতে প্রায় ২২টি কক্ষ রয়েছে। বিশেষ আকর্ষণ: প্রাসাদের সম্মুখের প্রশস্ত সিঁড়িটি সাদা মার্বেল পাথরে নির্মিত। প্রাসাদের জাদুঘরে প্রাচীন পাথরের মূর্তি, পোড়ামাটির ফলক, অলংকৃত ইট, শিলালিপি, প্রাচীন পুঁথি, মুদ্রা ও বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। হাইকোর্ট হিসেবে ব্যবহার: ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তাজহাট প্রাসাদে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংরক্ষণ ও জাদুঘর: ১৯৯৫ সালে প্রাসাদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়। ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরের কার্যক্রম প্রাসাদটির দ্বিতীয় তলায় স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এটি তাজহাট প্যালেস মিউজিয়াম/রংপুর জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। #Rangpurcity

About