@nhacutin86: Hộp đựng hành tỏi tủ lạnh #nhakutin #xh #hopdunghanhtoi

Nhà Ku Tin 86
Nhà Ku Tin 86
Open In TikTok:
Region: VN
Saturday 10 October 2026 15:00:00 GMT
436
2
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @nhacutin86, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

দীর্ঘ পাঁচ বছরের আইনি লড়াই, সম্পর্কের তিক্ততা আর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত বদলে দিল একটি মানবিক ঘটনা। দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের শুনানি চলাকালেই ডিভোর্সের কাগজ ছিঁড়ে স্বামীকে জড়িয়ে ধরেন স্ত্রী শিখা। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২০ সালে বিয়ে হয় শিখা ও সৌরভের। তবে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। পারিবারিক অশান্তি ও নানা অভিযোগের কারণে একসময় তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন দুজন। এরপর প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলে মামলা। একের পর এক শুনানি, আইনি প্রক্রিয়া ও পারিবারিক টানাপড়েনে দুই পক্ষই মানসিক চাপে পড়ে। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে মামলার পেছনে নিজের সঞ্চয়ের বড় অংশ ব্যয় করেন শিখার বাবা। বিচ্ছেদের মামলা চলার মধ্যেই হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন শিখার বাবা। আর্থিক সংকটের কারণে তাকে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শ্বশুরের অসুস্থতার খবর পেয়ে পুরনো বিরোধ ভুলে এগিয়ে আসেন সৌরভ। নিজ দায়িত্বে শ্বশুরকে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন তিনি। সময়মতো চিকিৎসা পাওয়ায় সুস্থ হয়ে ওঠেন শিখার বাবা। বিচ্ছেদের মামলা চলার সময়েও সৌরভের এমন ভূমিকা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে শিখাকে। এর পরদিনই ছিল তাদের ডিভোর্স মামলার শুনানি। আদালতে দুই পক্ষের আইনজীবীরা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছিলেন। এ সময় বিচারক সৌরভের কাছে জানতে চান, তিনি সত্যিই বিচ্ছেদ চান কি না। প্রশ্নের উত্তরে কিছু না বলে স্ত্রী শিখার দিকে তাকিয়ে হাসেন সৌরভ। সেই মুহূর্তেই স্বামীর প্রতি জমে থাকা অভিমান ভুলে যান শিখা। এরপর বিচারকের সামনেই হাতে থাকা ডিভোর্সের কাগজ ছিঁড়ে ফেলেন তিনি এবং সৌরভকে জড়িয়ে ধরেন। আদালত কক্ষে উপস্থিত সবাই এই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন। যে দিনটি তাদের বিচ্ছেদের দিন হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে পুনর্মিলনের দিন।  ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ইমোশনাল প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। - ইতিহাসের  গল্প
দীর্ঘ পাঁচ বছরের আইনি লড়াই, সম্পর্কের তিক্ততা আর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত বদলে দিল একটি মানবিক ঘটনা। দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের শুনানি চলাকালেই ডিভোর্সের কাগজ ছিঁড়ে স্বামীকে জড়িয়ে ধরেন স্ত্রী শিখা। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২০ সালে বিয়ে হয় শিখা ও সৌরভের। তবে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। পারিবারিক অশান্তি ও নানা অভিযোগের কারণে একসময় তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন দুজন। এরপর প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলে মামলা। একের পর এক শুনানি, আইনি প্রক্রিয়া ও পারিবারিক টানাপড়েনে দুই পক্ষই মানসিক চাপে পড়ে। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে মামলার পেছনে নিজের সঞ্চয়ের বড় অংশ ব্যয় করেন শিখার বাবা। বিচ্ছেদের মামলা চলার মধ্যেই হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন শিখার বাবা। আর্থিক সংকটের কারণে তাকে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শ্বশুরের অসুস্থতার খবর পেয়ে পুরনো বিরোধ ভুলে এগিয়ে আসেন সৌরভ। নিজ দায়িত্বে শ্বশুরকে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন তিনি। সময়মতো চিকিৎসা পাওয়ায় সুস্থ হয়ে ওঠেন শিখার বাবা। বিচ্ছেদের মামলা চলার সময়েও সৌরভের এমন ভূমিকা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে শিখাকে। এর পরদিনই ছিল তাদের ডিভোর্স মামলার শুনানি। আদালতে দুই পক্ষের আইনজীবীরা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছিলেন। এ সময় বিচারক সৌরভের কাছে জানতে চান, তিনি সত্যিই বিচ্ছেদ চান কি না। প্রশ্নের উত্তরে কিছু না বলে স্ত্রী শিখার দিকে তাকিয়ে হাসেন সৌরভ। সেই মুহূর্তেই স্বামীর প্রতি জমে থাকা অভিমান ভুলে যান শিখা। এরপর বিচারকের সামনেই হাতে থাকা ডিভোর্সের কাগজ ছিঁড়ে ফেলেন তিনি এবং সৌরভকে জড়িয়ে ধরেন। আদালত কক্ষে উপস্থিত সবাই এই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন। যে দিনটি তাদের বিচ্ছেদের দিন হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে পুনর্মিলনের দিন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ইমোশনাল প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। - ইতিহাসের গল্প

About