@sahahzibjam1:

Sahahzib Jan
Sahahzib Jan
Open In TikTok:
Region: PK
Saturday 03 October 2026 21:23:18 GMT
596
243
5
0

Music

Download

Comments

doctorumair08
♕♡⚘🅖🅤🅜🅝🅐🅐🅜⚘♡♕ :
Subhanallah
2026-10-04 03:21:07
1
rizwankhankarachi
M Rizwan 👑💖👑 :
🥰🥰🥰
2026-10-05 18:25:23
0
wazeerahmed010
wazerahme5400 :
❤️❤️❤️
2026-10-04 14:02:19
0
user4220271148868
Sahahzib :
🥰🥰🥰🥰🥰
2026-10-04 11:10:00
0
ayesha.cute613
Ayesha cute :
🥰🥰🥰
2026-10-03 22:46:03
2
To see more videos from user @sahahzibjam1, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সিস্টেম কেন নওশাদ খানদের মতো ফাটাকেস্টদের সহ্য করতে পারে না?  সিন্ডিকেটের রাজত্বে প্রবাসীরা কি আজ এয়ারপোর্টের হিরো  নওশাদ খানকে মিস করছেন.....?   ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আলোচিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ খান বর্তমানে আর বিমানবন্দরে দায়িত্বে নেই, তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে....🙂 একটা দেশের ফার্স্ট ইম্প্রেশন তৈরি হয় তার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখার পর। কিন্তু আমাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইম্প্রেশন প্রবাসীদের জন্য বরাবরই একটা ট্রমা।  রিসেন্টলি লাগেজ পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওয়েট করা, ট্রলি ক্রাইসিস কিংবা মদিনা থেকে আসা হাজীদের জমজমের পানি নিয়ে যে চরম অব্যবস্থাপনা দেখল দেশ তাতে স্পষ্ট যে এয়ারপোর্টের পুরোনো ভূত আবার ঘাড়ে চেপে বসেছে। এই পুরো ক্রাইসিসের ব্যাকগ্রাউন্ডে একজন মানুষের অভাব এখন সবচেয়ে বেশি ফিল করছে সাধারণ মানুষ।  তিনি হলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ খান। আমলাতান্ত্রিক প্রথা ভেঙে নওশাদ খান নিজেকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়ান-ম্যান আর্মির মতো। সিভিল এভিয়েশন, পুলিশ, আনসার কিংবা আর্মড ব্যাটালিয়নের মতো বড় বড় সংস্থার সমাগমের মাঝেও ওনার কাজের স্টাইল  নাগরিকদের মনে দাগ কেটেছিলো।🖤 সোশ্যাল মিডিয়ায় ওনাকে মানুষ ‘ফাটাকেষ্ট’ ডাকলেও, ওনার কাজের স্টাইল ছিলো পিওর প্রফেশনাল। ট্র্যাডিশনাল আমলাতন্ত্র ভেঙে ওনার একটা ‘ওয়ান-ম্যান আর্মি’ ইমেজ তৈরি করেছিলেন। ওনার অ্যাকশনগুলো ছিলো একদম গ্রাউন্ড লেভেলে। মাইক্রো-লেভেল করাপশন বন্ধ করতে  ১০০ টাকার জুস ৩০ টাকা রাখা, কিংবা এয়ারপোর্টের টয়লেটে টিস্যু অলরেডি ফি দেওয়ার পরও, টিস্যু এগিয়ে দিয়ে বা জোর করে বকশিশ নামের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে ওনার রেইডগুলো ছিল জাস্ট অসাধারণ। বুকে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ঝুলাইয়া লাগেজ কাটা ও মালামাল চু' রির সিন্ডিকেটের পেছনে লেগে থাকা, চোর ধরে ইনস্ট্যান্ট জেল দেওয়া এবং প্রবাসীদের হারানো লাগেজ উদ্ধার করে ওনার টিম প্রুফ করেছিলো সদিচ্ছা থাকলে এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। বিদেশগামী বা বিদেশফেরত নিরীহ মানুষদের ভয় দেখিয়ে যারা অতিরিক্ত টাকা বা ভুল তথ্য দিয়ে হ্যারাস করত, ওনার কারণে তারা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলো। তাহলে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষার এই অ্যাঙ্কর মানুষটাকে কেন বিদায় নিতে হলো?  নেটিজেনদের ইনসাইট বলছে, নওশাদ খানের এই জিরো-টলারেন্স পলিসি এয়ারপোর্টের আড়ালে থাকা রাঘব-বোয়াল আর সিন্ডিকেটের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, পর্দার পেছনের তদবিরে ওনাকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি ওনার বর্তমান কর্মস্থলের সঠিক তথ্যটুকুও ধোঁয়াশায় রাখা হয়েছে। একজন নওশাদ খান হয়তো পুরো বিমানবন্দর একাই বদলে দিতে পারবেন না, কিন্তু ওনার মতো সাহসী অফিসার যখন মাঠে থাকেন, তখন দুর্নীতিবাজদের কাছে একটা শক্ত বার্তা যায় যে, এখানে ইচ্ছেমতো যা খুশি তা করা যাবে না! প্রবাসীরা কোনো বিলাসবহুল টার্মিনাল চায় না, তারা চায় একটু সম্মান, নিরাপদ যাত্রা আর পণ্যের ন্যায্য মূল্য। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন সাধারণ মানুষ ও প্রবাসীদের একটাই জোর দাবি,  ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানকে আবারও শাহজালাল বিমানবন্দরের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হোক!  এয়ারপোর্টের শৃঙ্খলা আর প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় ওনার মতো ড্যাশিং ফাটাকেষ্ট অফিসারের বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, দয়া করে প্রবাসীদের এই দাবিটি আমলে নিন। লেখা~ Diary of She  #diaryofshe
সিস্টেম কেন নওশাদ খানদের মতো ফাটাকেস্টদের সহ্য করতে পারে না? সিন্ডিকেটের রাজত্বে প্রবাসীরা কি আজ এয়ারপোর্টের হিরো নওশাদ খানকে মিস করছেন.....? ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আলোচিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ খান বর্তমানে আর বিমানবন্দরে দায়িত্বে নেই, তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে....🙂 একটা দেশের ফার্স্ট ইম্প্রেশন তৈরি হয় তার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখার পর। কিন্তু আমাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইম্প্রেশন প্রবাসীদের জন্য বরাবরই একটা ট্রমা। রিসেন্টলি লাগেজ পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওয়েট করা, ট্রলি ক্রাইসিস কিংবা মদিনা থেকে আসা হাজীদের জমজমের পানি নিয়ে যে চরম অব্যবস্থাপনা দেখল দেশ তাতে স্পষ্ট যে এয়ারপোর্টের পুরোনো ভূত আবার ঘাড়ে চেপে বসেছে। এই পুরো ক্রাইসিসের ব্যাকগ্রাউন্ডে একজন মানুষের অভাব এখন সবচেয়ে বেশি ফিল করছে সাধারণ মানুষ। তিনি হলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ খান। আমলাতান্ত্রিক প্রথা ভেঙে নওশাদ খান নিজেকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়ান-ম্যান আর্মির মতো। সিভিল এভিয়েশন, পুলিশ, আনসার কিংবা আর্মড ব্যাটালিয়নের মতো বড় বড় সংস্থার সমাগমের মাঝেও ওনার কাজের স্টাইল নাগরিকদের মনে দাগ কেটেছিলো।🖤 সোশ্যাল মিডিয়ায় ওনাকে মানুষ ‘ফাটাকেষ্ট’ ডাকলেও, ওনার কাজের স্টাইল ছিলো পিওর প্রফেশনাল। ট্র্যাডিশনাল আমলাতন্ত্র ভেঙে ওনার একটা ‘ওয়ান-ম্যান আর্মি’ ইমেজ তৈরি করেছিলেন। ওনার অ্যাকশনগুলো ছিলো একদম গ্রাউন্ড লেভেলে। মাইক্রো-লেভেল করাপশন বন্ধ করতে ১০০ টাকার জুস ৩০ টাকা রাখা, কিংবা এয়ারপোর্টের টয়লেটে টিস্যু অলরেডি ফি দেওয়ার পরও, টিস্যু এগিয়ে দিয়ে বা জোর করে বকশিশ নামের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে ওনার রেইডগুলো ছিল জাস্ট অসাধারণ। বুকে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ঝুলাইয়া লাগেজ কাটা ও মালামাল চু' রির সিন্ডিকেটের পেছনে লেগে থাকা, চোর ধরে ইনস্ট্যান্ট জেল দেওয়া এবং প্রবাসীদের হারানো লাগেজ উদ্ধার করে ওনার টিম প্রুফ করেছিলো সদিচ্ছা থাকলে এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। বিদেশগামী বা বিদেশফেরত নিরীহ মানুষদের ভয় দেখিয়ে যারা অতিরিক্ত টাকা বা ভুল তথ্য দিয়ে হ্যারাস করত, ওনার কারণে তারা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলো। তাহলে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষার এই অ্যাঙ্কর মানুষটাকে কেন বিদায় নিতে হলো? নেটিজেনদের ইনসাইট বলছে, নওশাদ খানের এই জিরো-টলারেন্স পলিসি এয়ারপোর্টের আড়ালে থাকা রাঘব-বোয়াল আর সিন্ডিকেটের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, পর্দার পেছনের তদবিরে ওনাকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি ওনার বর্তমান কর্মস্থলের সঠিক তথ্যটুকুও ধোঁয়াশায় রাখা হয়েছে। একজন নওশাদ খান হয়তো পুরো বিমানবন্দর একাই বদলে দিতে পারবেন না, কিন্তু ওনার মতো সাহসী অফিসার যখন মাঠে থাকেন, তখন দুর্নীতিবাজদের কাছে একটা শক্ত বার্তা যায় যে, এখানে ইচ্ছেমতো যা খুশি তা করা যাবে না! প্রবাসীরা কোনো বিলাসবহুল টার্মিনাল চায় না, তারা চায় একটু সম্মান, নিরাপদ যাত্রা আর পণ্যের ন্যায্য মূল্য। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন সাধারণ মানুষ ও প্রবাসীদের একটাই জোর দাবি, ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানকে আবারও শাহজালাল বিমানবন্দরের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হোক! এয়ারপোর্টের শৃঙ্খলা আর প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় ওনার মতো ড্যাশিং ফাটাকেষ্ট অফিসারের বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, দয়া করে প্রবাসীদের এই দাবিটি আমলে নিন। লেখা~ Diary of She #diaryofshe

About