@chuyencuahanoi.official: Hà Nội thay đổi chỉ bằng một việc: bật đèn. Hồ Gươm. Ba Đình. Những con đường. Khi màn đêm về… phố phường Thủ đô rực sáng. #HaNoiDuoiAnhDien #KhiThanhPhoLenDen#HaNoiXua #EVNHANOI

Chuyện của Hà Nội
Chuyện của Hà Nội
Open In TikTok:
Region: VN
Sunday 11 October 2026 13:00:00 GMT
5569
18
0
2

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @chuyencuahanoi.official, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ৩০ জুন, ১৯৪২। তিনি ইডেন কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতিতে সংযুক্ত হন, ১৯৬১-৬২ সালে ইডেন কলেজ ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৪ সালে ডাকসু জিএস নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এর সভাপতি নির্বাচিত হন। মতিয়া চৌধুরী যখন ছাত্র ইউনিয়ন থেকে ডাকসু জিএস এবং ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন তখন ছাত্র ইউনিয়ন ছিল পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ ছাত্র সংগঠন। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবের ৬ দফা সমর্থনে তার জোরালো ভুমিকা ছিল। ষাটের দশকের প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় নেত্রী মতিয়া চৌধুরী, যাঁর আগুন ঝরানো বক্তৃতা স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খানের গদি কাঁপিয়ে দিয়েছিল। সাতষট্টি সালে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর’ বক্তৃতা দেওয়ার অপরাধে মতিয়া চৌধুরী গ্রেফতার হন। ময়মনসিংহের জেলখানায় রাজনৈতিক বন্দী হিসেবে তাঁকে আটকে রাখা হয়। ১৯৬৭ সালে “অগ্নিকন্যা” নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ৭১ এর উত্তাল মার্চে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রুষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। ১৯৭১ এর নয়মাস তিনি ত্রিপুরায় এবং আসামের শরণার্থী শিবির সমুহ পরিদর্শন করে শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে তৎপর ছিলেন। আশির দশকে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং তৎপরবর্তী সকল আন্দোলন সংগ্রামে জোরালো ভুমিকা পালন করেন। ২০২৪ সালের এই দিনে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হন। আমরা বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এই বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদকে।
অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ৩০ জুন, ১৯৪২। তিনি ইডেন কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতিতে সংযুক্ত হন, ১৯৬১-৬২ সালে ইডেন কলেজ ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৪ সালে ডাকসু জিএস নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এর সভাপতি নির্বাচিত হন। মতিয়া চৌধুরী যখন ছাত্র ইউনিয়ন থেকে ডাকসু জিএস এবং ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন তখন ছাত্র ইউনিয়ন ছিল পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ ছাত্র সংগঠন। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবের ৬ দফা সমর্থনে তার জোরালো ভুমিকা ছিল। ষাটের দশকের প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় নেত্রী মতিয়া চৌধুরী, যাঁর আগুন ঝরানো বক্তৃতা স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খানের গদি কাঁপিয়ে দিয়েছিল। সাতষট্টি সালে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর’ বক্তৃতা দেওয়ার অপরাধে মতিয়া চৌধুরী গ্রেফতার হন। ময়মনসিংহের জেলখানায় রাজনৈতিক বন্দী হিসেবে তাঁকে আটকে রাখা হয়। ১৯৬৭ সালে “অগ্নিকন্যা” নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ৭১ এর উত্তাল মার্চে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রুষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। ১৯৭১ এর নয়মাস তিনি ত্রিপুরায় এবং আসামের শরণার্থী শিবির সমুহ পরিদর্শন করে শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে তৎপর ছিলেন। আশির দশকে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং তৎপরবর্তী সকল আন্দোলন সংগ্রামে জোরালো ভুমিকা পালন করেন। ২০২৪ সালের এই দিনে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হন। আমরা বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এই বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদকে।

About