গাছের ক্রন্দন: সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, নবীজী (সা.) মিম্বরে বসলে ওই শুকনো কাণ্ডটি থেকে বাচ্চার মতো কাঁদার আওয়াজ আসতে থাকে। মহানবী (সা.) মিম্বর থেকে নেমে এসে কাণ্ডটিকে জড়িয়ে ধরলে সেটি শান্ত হয়।
গাছটির শেষ পরিণতি: বর্ণনা অনুযায়ী, এটি কোনো জীবিত বা পাতাসহ তাজা গাছ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি শুকনো কাণ্ড/খুঁটি। নবীজী (সা.)-এর নির্দেশে বা ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তীতে এটিকে কেটে মিম্বরের নিচে দাফন করে দেওয়া হয়, অথবা সাহাবি উবাই ইবনে কাব (রা.) এটিকে নিজের বাড়িতে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন যা কালক্রমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে মদিনার মসজিদে নববীর রিয়াজুল জান্নাহ অংশে যে স্থানে ওই খেজুরের কাণ্ডটি ছিল, সেখানে একটি বিশেষ স্তম্ভ বা খুঁটি চিহ্নিত করা আছে। এটিকে ‘উস্তুवाने হান্নানা’ বা ‘রোদনকারী স্তম্ভ’ বলা হয়। সেখানে কোনো জীবিত গাছ নেই, কেবল স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ঐতিহাসিক খুঁটিটি সংরক্ষিত রয়েছে।
2026-10-07 04:05:48
7
Rahat Islam naiem :
Amin Amin Amin
2026-10-06 14:41:32
0
Saba👩❤️👩Sayfa :
মাশাআল্লাহ গাছটা দেখে মনটা ঝুরে গেল🥰
2026-10-06 17:22:55
16
ইসরাত জাহান আফিয়া :
আমি প্রথম দেখলাম আলহামদুলি্লাহ
2026-10-06 17:55:21
5
জীবন পরিবর্তন করুন :
আমি যতটুকু জানি তাকে মানুষের মত দাফন করা হয়েছে সে জান্নাতে খেজুর দেবে সেই খেজুর নবীজি নিজে খাবে আমি তাই জানি