@indieelyricss: Farenheit by Faust #faust #altmusic #arcticmonkeys #indiemusic #alternative

indieelyricss
indieelyricss
Open In TikTok:
Region: US
Tuesday 06 October 2026 15:25:30 GMT
527
70
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @indieelyricss, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

তুলসীকাষ্ঠের একটি প্রদীপ দ্বারাই একলক্ষ প্রদীপ নিবেদনের ফল! পদ্মপুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি কেউ শুষ্ক তুলসী কাষ্ঠের মাধ‍্যমে ভগবানকে শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদন করে, তাহলে সাধারণ প্রদীপ নিবেদনের চেয়ে ভগবান এক্ষেত্রে লক্ষগুণ বেশি সন্তুষ্ট হন। সহজভাবে বলা হলে, সাধারণ প্রদীপ ১ লক্ষ বার নিবেদন করা হলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যতটা সন্তুষ্ট হন, একটি তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করা হলে ভগবান তার চেয়েও বেশি সন্তুষ্ট হন। আগত দামোদর  মাসে শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে দামোদরাষ্টকম্ কীর্তনের সাথে সাথে প্রদীপ নিবেদন করা কর্তব‍্য।সেক্ষেত্রে সকলেই তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করতে পরেন। কীভাবে তৈরী করবেন তুলসীকাঠের প্রদীপ:  ১. প্রথমে শুকনো তুলসীবৃক্ষ খোঁজ করতে হবে। অনেকেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেকসময় তুলসীবৃক্ষ শুষ্ক হয়ে যায়, সব পাতা ঝরে যায়, তুলসী দেহত‍্যাগ করেন, সেই শুষ্ক বৃক্ষ জলে ভাসিয়ে বা মাটিতে পুতে দেয়া হয়। প্রদীপের জন‍্য এরকম শুষ্ক তুলসী সংগ্রহ করতে হবে। যদি তাজা বৃক্ষ থেকে কাঠ সংগ্রহ করা হয়, সেটাতে হিতে বিপরীত হবে! ২. শুকনো তুলসীর ডাল ধুয়ে শুঁকিয়ে নিতে পারেন। ৩. শুকনো ডাল গুলো ৬ বা ৭ ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে। (আরো বড় কাটা যেতে পারে, কিন্তু বেশি ছোট কাটা হলে প্রদীপের আগুনের আঁচ হাতে লাগতে পারে) ৪. এবার তুলা নিয়ে একেকটি ডালে সমানভাবে পেচাতে হবে। সবগুলো ডালে তুলো পেচিয়ে এভাবে সলিতা বানিয়ে রেখে দিতে পারেন। ৫. প্রদীপ নিবেদনের আগে তুলা পেচানো তুলসীর ডালের সলিতাগুলো ঘিয়ে ডুবিয়ে তারপর অতিরিক্ত ঘি সরিয়ে দিয়ে সলিতাগুলোর মাথায় কর্পূর লাগাতে হবে। ৬. এরপর কর্পূরে আগুন জ্বালালে আস্তে আস্তে পুরো সলিতাটিয় জ্বলে উঠবে, সেক্ষেত্রে আগুন জ্বালানোর শুরু থেকেই প্রদীপ নিবেদন শুরু করা উচিত। ৭. নতুনদের জন‍্য সতর্কতা হিসেবে দামোদর-প্রদীপ-নিবেদনের আগেই একদিন সলিতা তৈরি করে প্রদীপ নিবেদন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, সলিতার জন‍্য তুলসী কাঠ আরো বড় করে কাটা লাগবে কীনা, বা তুলা আরো বেশি পেচাতে হবে কীনা, ঘি আরো অধিক লাগবে কীনা ইত‍্যাদি। প্রয়োজনে প্রদীপের মধ‍্যেও তুলসীকাঠের সলিতাগুলো নিয়ে নিবেদন করতে পারেন।  ৮. আরতি নিবেদনের জন‍্য, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীনিতাইগৌর, শ্রীনৃসিংহদেব, শ্রীবিষ্ণুকে চরণে চারবার, উদরে দুইবার, মস্তকে তিনবার এবং সর্বাঙ্গে সাতবার  প্রদীপ নিবেদন করতে হয়। আর, শ্রীমতী রাধারাণী, শ্রীলক্ষ্মীদেবী, শ্রীতুলসীদেবীকে সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করা উচিত। শ্রীরাধাকৃষ্ণের পর শ্রীজগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রাকে (প্রত‍্যেককে সাতবার করে), এরপর শ্রীনৃসিংহদেব ও তারপর শ্রীনিতাইগৌরকে প্রদীপ নিবেদন করতে হয়। এরপর তুলসীদেবীকে নিবেদনের পর শ্রীগুরুপরম্পরাকে। গুরুপরম্পরায় প্রত‍্যেককে সাতবার বা পাঁচবার নিবেদন করতে হবে। তবে, যেহেতু প্রদীপ ইতোমধ্যে ভগবানকে নিবেদন করা হয়েছে, তাই এটি গুরুপরম্পরা, যেহেতু জীবতত্ত্ব তাই তাদের কেবল মুখমণ্ডলে প্রদীপ নিবেদনের জন‍্য আচার্যগণ বলে থাকেন। সকল আরতির ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।  সময়স্বল্পতা থাকলে (গৃহে বা মন্দিরে না থাকলে, বা কোনো প্রয়োজন থাকলে) কেবল শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ ও শ্রীগৌরনিতাইকে তথা অন‍্য ভগবৎবিগ্রহকে প্রদীপ নিবেদন করতে পারেন।  নিজে তুলসীকাঠের সলিতার প্রদীপ নিবেদনের মহিমা জেনে ভগবানকে নিবেদন করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রীতিবিধান করুন, অন‍্যকে জানিয়ে উৎসাহিত করে তার ও আপনার নিজের ভগবানকে আরো অধিক সন্তুষ্ট করার সুযোগ গ্রহণ করুন।  হরেকৃষ্ণ‌! © মধুর গৌরকিশোর দাস [হরেকৃষ্ণ‌, অনেকেই প্রশ্ন করেছেন তুলসীকাঠের প্রদীপ গুরুপরম্পরাকে নিবেদন ঠিক হবে কীনা? আসলে, যেকোনো আরতিই ভগবানকে নিবেদনের পর গুরুপরম্পরাকে ভগবানের প্রসাদরূপে দেখানো হয়। ধূপ, দীপ ইত‍্যাদি, পুষ্পব‍্যাতীত সকল আরতিই তুলসীযুক্ত জলে প্রৌক্ষণ করে ভগবানকে নিবেদন করা হয়, ঐ তুলসীযুক্ত আরতিই প্রসাদরূপে গুরুপরম্পরাকে নিবেদন করা হয়। তএমনি তুলসীযুক্ত ভগবৎমহাপ্রসাদও গুরুপরম্পরাকে দেওয়া হয়। এতে কোনো শাস্ত্রবিরুদ্ধ কাজ হয়না। কারণ তা প্রসাদরূপে নিবেদিত হয়। আর আরতিসমুহ এক্ষেত্রে গুরুপরম্পরাকে বক্ষ পর্যন্ত নিবেদিত হয়। তাই এতে সন্দেহের অবকাশ নেই।] [অনেকেই আশ্চর্য হতে পারেন বিশ্বপূজিতা, দেবতাদের থেকেও শ্রেষ্ঠ,  কৃষ্ণপ্রেয়সী তুলসী কীভাবে আগুনে স্পর্শ করা যায়? তাদের লক্ষ্য করা উচিত পদ্মাপুরাণে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং এই নির্দেশ দিয়েছেন।  আবার তুলসী পূর্ণ রূপে কৃষ্ণসেবায় যুক্ত।  তাই, যখন তুলসী বৃক্ষ শুকিয়ে যায়, আমরা তা ফেলে দিই। কিন্তু,  সেটি না করে শুকনো তুলসীও কৃষ্ণসেবায় প্রদান করা উচিত। তুলসীর এমনই মহিমা যে, তুলসী পাতা শুকিয়ে গেলে সেটাও পূজায় ব্যবহার করা যায়।  তেমনি, তুলসী কৃষ্ণের এত প্রিয় যে, তিনি শুকনো তুলসী ফেলে বা জলে ভাসিয়ে না দিয়ে সেটি দিয়ে কৃষ্ণকে প্রদীপ দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন।  আবার, সেজন্য সাধারণ প্রদীপের থেকে ১০০০গুণ বেশি কৃপাও প্রদান করেন।
তুলসীকাষ্ঠের একটি প্রদীপ দ্বারাই একলক্ষ প্রদীপ নিবেদনের ফল! পদ্মপুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি কেউ শুষ্ক তুলসী কাষ্ঠের মাধ‍্যমে ভগবানকে শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদন করে, তাহলে সাধারণ প্রদীপ নিবেদনের চেয়ে ভগবান এক্ষেত্রে লক্ষগুণ বেশি সন্তুষ্ট হন। সহজভাবে বলা হলে, সাধারণ প্রদীপ ১ লক্ষ বার নিবেদন করা হলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যতটা সন্তুষ্ট হন, একটি তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করা হলে ভগবান তার চেয়েও বেশি সন্তুষ্ট হন। আগত দামোদর মাসে শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে দামোদরাষ্টকম্ কীর্তনের সাথে সাথে প্রদীপ নিবেদন করা কর্তব‍্য।সেক্ষেত্রে সকলেই তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করতে পরেন। কীভাবে তৈরী করবেন তুলসীকাঠের প্রদীপ: ১. প্রথমে শুকনো তুলসীবৃক্ষ খোঁজ করতে হবে। অনেকেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেকসময় তুলসীবৃক্ষ শুষ্ক হয়ে যায়, সব পাতা ঝরে যায়, তুলসী দেহত‍্যাগ করেন, সেই শুষ্ক বৃক্ষ জলে ভাসিয়ে বা মাটিতে পুতে দেয়া হয়। প্রদীপের জন‍্য এরকম শুষ্ক তুলসী সংগ্রহ করতে হবে। যদি তাজা বৃক্ষ থেকে কাঠ সংগ্রহ করা হয়, সেটাতে হিতে বিপরীত হবে! ২. শুকনো তুলসীর ডাল ধুয়ে শুঁকিয়ে নিতে পারেন। ৩. শুকনো ডাল গুলো ৬ বা ৭ ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে। (আরো বড় কাটা যেতে পারে, কিন্তু বেশি ছোট কাটা হলে প্রদীপের আগুনের আঁচ হাতে লাগতে পারে) ৪. এবার তুলা নিয়ে একেকটি ডালে সমানভাবে পেচাতে হবে। সবগুলো ডালে তুলো পেচিয়ে এভাবে সলিতা বানিয়ে রেখে দিতে পারেন। ৫. প্রদীপ নিবেদনের আগে তুলা পেচানো তুলসীর ডালের সলিতাগুলো ঘিয়ে ডুবিয়ে তারপর অতিরিক্ত ঘি সরিয়ে দিয়ে সলিতাগুলোর মাথায় কর্পূর লাগাতে হবে। ৬. এরপর কর্পূরে আগুন জ্বালালে আস্তে আস্তে পুরো সলিতাটিয় জ্বলে উঠবে, সেক্ষেত্রে আগুন জ্বালানোর শুরু থেকেই প্রদীপ নিবেদন শুরু করা উচিত। ৭. নতুনদের জন‍্য সতর্কতা হিসেবে দামোদর-প্রদীপ-নিবেদনের আগেই একদিন সলিতা তৈরি করে প্রদীপ নিবেদন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, সলিতার জন‍্য তুলসী কাঠ আরো বড় করে কাটা লাগবে কীনা, বা তুলা আরো বেশি পেচাতে হবে কীনা, ঘি আরো অধিক লাগবে কীনা ইত‍্যাদি। প্রয়োজনে প্রদীপের মধ‍্যেও তুলসীকাঠের সলিতাগুলো নিয়ে নিবেদন করতে পারেন। ৮. আরতি নিবেদনের জন‍্য, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীনিতাইগৌর, শ্রীনৃসিংহদেব, শ্রীবিষ্ণুকে চরণে চারবার, উদরে দুইবার, মস্তকে তিনবার এবং সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করতে হয়। আর, শ্রীমতী রাধারাণী, শ্রীলক্ষ্মীদেবী, শ্রীতুলসীদেবীকে সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করা উচিত। শ্রীরাধাকৃষ্ণের পর শ্রীজগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রাকে (প্রত‍্যেককে সাতবার করে), এরপর শ্রীনৃসিংহদেব ও তারপর শ্রীনিতাইগৌরকে প্রদীপ নিবেদন করতে হয়। এরপর তুলসীদেবীকে নিবেদনের পর শ্রীগুরুপরম্পরাকে। গুরুপরম্পরায় প্রত‍্যেককে সাতবার বা পাঁচবার নিবেদন করতে হবে। তবে, যেহেতু প্রদীপ ইতোমধ্যে ভগবানকে নিবেদন করা হয়েছে, তাই এটি গুরুপরম্পরা, যেহেতু জীবতত্ত্ব তাই তাদের কেবল মুখমণ্ডলে প্রদীপ নিবেদনের জন‍্য আচার্যগণ বলে থাকেন। সকল আরতির ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য। সময়স্বল্পতা থাকলে (গৃহে বা মন্দিরে না থাকলে, বা কোনো প্রয়োজন থাকলে) কেবল শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ ও শ্রীগৌরনিতাইকে তথা অন‍্য ভগবৎবিগ্রহকে প্রদীপ নিবেদন করতে পারেন। নিজে তুলসীকাঠের সলিতার প্রদীপ নিবেদনের মহিমা জেনে ভগবানকে নিবেদন করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রীতিবিধান করুন, অন‍্যকে জানিয়ে উৎসাহিত করে তার ও আপনার নিজের ভগবানকে আরো অধিক সন্তুষ্ট করার সুযোগ গ্রহণ করুন। হরেকৃষ্ণ‌! © মধুর গৌরকিশোর দাস [হরেকৃষ্ণ‌, অনেকেই প্রশ্ন করেছেন তুলসীকাঠের প্রদীপ গুরুপরম্পরাকে নিবেদন ঠিক হবে কীনা? আসলে, যেকোনো আরতিই ভগবানকে নিবেদনের পর গুরুপরম্পরাকে ভগবানের প্রসাদরূপে দেখানো হয়। ধূপ, দীপ ইত‍্যাদি, পুষ্পব‍্যাতীত সকল আরতিই তুলসীযুক্ত জলে প্রৌক্ষণ করে ভগবানকে নিবেদন করা হয়, ঐ তুলসীযুক্ত আরতিই প্রসাদরূপে গুরুপরম্পরাকে নিবেদন করা হয়। তএমনি তুলসীযুক্ত ভগবৎমহাপ্রসাদও গুরুপরম্পরাকে দেওয়া হয়। এতে কোনো শাস্ত্রবিরুদ্ধ কাজ হয়না। কারণ তা প্রসাদরূপে নিবেদিত হয়। আর আরতিসমুহ এক্ষেত্রে গুরুপরম্পরাকে বক্ষ পর্যন্ত নিবেদিত হয়। তাই এতে সন্দেহের অবকাশ নেই।] [অনেকেই আশ্চর্য হতে পারেন বিশ্বপূজিতা, দেবতাদের থেকেও শ্রেষ্ঠ, কৃষ্ণপ্রেয়সী তুলসী কীভাবে আগুনে স্পর্শ করা যায়? তাদের লক্ষ্য করা উচিত পদ্মাপুরাণে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং এই নির্দেশ দিয়েছেন। আবার তুলসী পূর্ণ রূপে কৃষ্ণসেবায় যুক্ত। তাই, যখন তুলসী বৃক্ষ শুকিয়ে যায়, আমরা তা ফেলে দিই। কিন্তু, সেটি না করে শুকনো তুলসীও কৃষ্ণসেবায় প্রদান করা উচিত। তুলসীর এমনই মহিমা যে, তুলসী পাতা শুকিয়ে গেলে সেটাও পূজায় ব্যবহার করা যায়। তেমনি, তুলসী কৃষ্ণের এত প্রিয় যে, তিনি শুকনো তুলসী ফেলে বা জলে ভাসিয়ে না দিয়ে সেটি দিয়ে কৃষ্ণকে প্রদীপ দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আবার, সেজন্য সাধারণ প্রদীপের থেকে ১০০০গুণ বেশি কৃপাও প্রদান করেন।

About