@kaka_rifat: safa marwa অবশ্যই। সাফা ও মারওয়ার ইতিহাস খুবই হৃদয়স্পর্শী—এটি মূলত হযরত ইবরাহিম (আ.), তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আ.) এবং তাঁদের সন্তান ইসমাইল (আ.)-এর ঘটনার সঙ্গে জড়িত। 🕋 সাফা–মারওয়ার ইতিহাস আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহিম (আ.) তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আ.) ও শিশু ইসমাইল (আ.)-কে মক্কার এক জনমানবহীন, পানিহীন উপত্যকায় রেখে যান। হাজেরা (আ.) জিজ্ঞেস করেছিলেন—আল্লাহ কি আপনাকে এমন করতে বলেছেন? ইবরাহিম (আ.) বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলেছিলেন, আল্লাহ আমাদের নষ্ট হতে দেবেন না। কিছুদিন পর তাঁদের পানি শেষ হয়ে গেল। শিশু ইসমাইল (আ.) তৃষ্ণায় কাঁদতে লাগলেন। তখন হাজেরা (আ.) পানির সন্ধানে প্রথমে সাফা পাহাড়ে উঠলেন এবং চারদিকে তাকালেন—কেউ দেখা গেল না। এরপর তিনি মারওয়া পাহাড়ে গেলেন। এভাবে তিনি সাতবার সাফা ও মারওয়ার মধ্যে চলাফেরা করলেন। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর রহমতে জমজমের পানি প্রকাশিত হলো। ইসলামী বর্ণনায় এটি জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য হিসেবে এসেছে। 🤲 এখান থেকেই সাঈ হাজেরা (আ.)-এর সেই চেষ্টা ও আল্লাহর ওপর ভরসার স্মরণে আজ হজ ও উমরাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত সাঈ করা। * শুরু: সাফা * শেষ: মারওয়া * মোট: ৭ চক্কর * সাফা → মারওয়া = ১ * মারওয়া → সাফা = ২ * এভাবে ৭ম চক্কর মারওয়ায় শেষ হয়। আল্লাহ কুরআনে বলেছেন: إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।” — সূরা আল-বাকারা ২:১৫৮ অর্থাৎ, আজ তুমি যখন সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করো, তখন তুমি হাজার হাজার বছর আগের হাজেরা (আ.)-এর সেই ত্যাগ, চেষ্টা ও আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলকে স্মরণ করছ। ❤️🕋 #Umrah #Makkah #SafaMarwa #IslamicTok #FYP