@cast.iron.cpr: So what’s the deal with a lye bath? Lye is one of my favorite tools for cast iron restoration when I’m dealing with years of baked-on seasoning, grease, and carbon buildup. It doesn’t remove the rust — that’s where electrolysis comes in. The lye bath is doing a completely different job: breaking down all that old organic buildup so I can get back to the actual iron underneath. This one spent 24 hours in the tank, and the difference is pretty damn impressive. No grinding. No sandblasting. No trying to muscle years of carbon off with a wire wheel. Sometimes you just let chemistry do the heavy lifting. 😂 Lye for carbon. Electrolysis for rust. Different tools, different jobs. #CastIronRestoration #LyeBath #CastIronCleaning #RustRevival #CastIronCPR

Cast Iron CPR
Cast Iron CPR
Open In TikTok:
Region: US
Wednesday 07 October 2026 22:38:33 GMT
4756
107
6
6

Music

Download

Comments

farrahbethbata
FarrahBeth :
When are you accepting new work?
2026-10-07 23:11:44
3
drperfectlyfine
Dr Perfectly Fine :
How do you dispose of the lye (dissolved in water) when you’re finished?
2026-10-11 18:51:28
1
hayyyyleyann
Hayley Ann 🤍 :
SICK!
2026-10-08 15:31:19
1
To see more videos from user @cast.iron.cpr, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ছেলে রা''গ করে মায়ের সাথে অনেক বছর ধরে দেখা করেনা। অনেক বছর ধরে মা বলে ডাকে না। অনেক বছর ধরে ছেলের সাথে দেখা নাই।  মায়ের মনটা সব সময় ছেলের জন্য ছট
ছেলে রা''গ করে মায়ের সাথে অনেক বছর ধরে দেখা করেনা। অনেক বছর ধরে মা বলে ডাকে না। অনেক বছর ধরে ছেলের সাথে দেখা নাই। মায়ের মনটা সব সময় ছেলের জন্য ছট"ফট করছিল। পাড়া-প্রতিবেশীদের সাথে সবসময় ছেলেকে নিয়ে গল্প করতো আর কা/ন্না করত মা। (শিরোনাম) আসল সত্য ঘটনা,,,, ছেলের যখন মেট্রিক পাশ করে তখন একটি মেয়েকে পছন্দ করতো। তখন ছেলে মেয়েটাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল মা বাবা রাজি হয়নি বিয়ে দেওয়ার জন্য । কেননা তখন ছেলে ছোট ছিল পরে মেয়েটির অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যায় । সেই দুঃখে কষ্টে ছেলেটি বাবার সাথে বে"য়া*দবি করছিল। হয়তো ছেলেটির বয়স কম অবুঝ ছিলো। যাইহোক চ"রম অপ"*রাধ করেছিলো সেদিন ছেলেটা। তখন মা এগুলো দেখে অনেক জোরে জোরে দুইটা থা"*প্পড় মে*রে বলেছিল বাড়ি থেকে বের হয়ে যা। তুই আমার স"ন্তান না। অনেক ব"*কা*ঝকা করছিল । আর সেই থেকে বাড়ি ছেরে গেলো আর আসলো না ।ছেলে জসিম চলে গেলো দুরে কোথায়। সপ্তাহ যায়, মাস যায় ,ছেলে আর বাড়ি ফিরে না প্রতিদিন ছেলের জন্য মা অপেক্ষা করে থাকে কখন ছেলে বাড়ি আসবে কিন্তু ছেলে আর বাড়ি ফিরে না। এভাবে বছরের পর বছর পার হয়ে যায়। তারপর থেকে জসিম বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢাকা চাকরি করতো বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করতো । এক কথায় নিরুদ্দেশ ছিল। বাড়িতে কোন যোগাযোগ রাখেনি কোন সময় খোঁজ খবর নেয়নি অনেক অভিমান করেছিল। তাদের দুইটা ছেলে ছিল। ওই ছেলেটি ছিল তাদের বড় ছেলে। খুব আদরের ছেলে ছিল। নাম রেখেছিল জসিম। আর ছোট ছেলের নাম অয়ন। ছোট ছেলে বাবা মায়ের সাথে থাকলেও বড় ছেলেকে অনেক মিস করত বাবা-মা। বিশেষ করেও তার মা অনেক মিস করতো। প্রতি রাতে তাহা'জ্জুদ নামাজ পড়ে ছেলের জন্য কা'ন্না করত। এলাকার মসজিদে অনেকবার মানুষকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হয়েছে।যাতে তার ছেলেটি যেখানেই থাকে যেন ভালো থাকে। সেই যে ছেলেটি গেল আজ ৩ বছর হয়ে গেল ছেলেটির সাথে আজও দেখা নেই। একটা সময় ছেলেটির জন্য মা অপেক্ষা করতে থাকে। সব সময় পথ চেয়ে বসে থাকতো কখন তার ছেলেটি চলে আসবে। বাবা ছেলেটার জন্য তেমন একটা দুঃখ না পেলেও মা অনেকটা দুঃখ পেয়েছে। এই সামান্য রা**গের কারণে ছেলেটা এত অভিমান করবে মা-বাবা এটা বুঝতে পারেনি। আর অন্যদিকে জসিম যাকে ভালবাসতো যার জন্য বাবা মায়ের সাথে রা*গ করে বাড়ি ছেড়েছে। সেই মেয়েটি মাঝে মাঝে খোঁজখবর নিতো জসিমের মায়ের কাছে আসে। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ি থেকে যখনই বাপের বাড়ি আসতো তখন ঐ দৌড়ে ছুটে আসত জসিমের বাড়িতে আজও জসিমের কোন খোঁজ পাইলো কিনা। তখন ২০০৬ সাল। তখন চিঠির লেনদেন হইতো বেশিরভাগ সময়। তখন ফোন বের হয়েছে কিন্তু ফোনে মানুষ কম কথা বলতো কেননা ফোনে অনেক টাকা খরচ হতো কথা বলতে। তাছাড়া জসিমের কোন নাম্বার ঠিকানা নাই যে তার মা খোঁজখবর নিবে। জসিম যাকে ভালোবাসতো তার আজ ১ টি মেয়ে সন্তান। ২০০৩ সালে যখন বিয়ে হয়েছিল। ওরে ২০০৪ সালে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। জসিমকে ভুলে সে অন্য জায়গায় সংসার করে এখন তার বা'চ্চা আছে। তারপরও মেয়েটি সময় পেলে জসিমের খবর নেয়। তারা দুজনে সত্যিকারের ভালোবাসা আবদ্ধ ছিল। তখনকার সময় মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যেত। এটাই ছিল মূল সমস্যা। তখন তারা ছিলো সমবয়সী। মেয়েটি যখন শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি বেড়াতে আসতো তখন জসিমের বাড়িতে এসে মাঝে মাঝে খোঁজ নিতো যে জসিমের কোন খোঁজ পাওয়া গেছে নি । যখন শুনতো জসিমের খোঁজ পাওয়া যায়নি মেয়েটি অনেক দুঃখ প্রকাশ করতে এবং কা'ন্না করতো। মেয়েটি নিজেকে দো"*ষারোপ করতো তার কারণেই জসিম বাড়ি ছারা। তখন জসিমের মা মাঝে মাঝে বলতো মেয়েটাকে বলতো যদি জানতাম তাহলে আমার ছেলেকে তোর সাথে বিয়ে দিতাম । আমার ছেলে জসিম এত অভিমানী আমি জানতাম না । আজ তিন বছর হয়ে যাচ্ছে আমার ছেলেটাকে আমি দেখতে পাচ্ছি না। ছেলেটির আশেপাশের বন্ধুদের সাথে খোঁজ-খবর নিয়েছিল তাদের কারো সাথে যোগাযোগ নেই। সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। মা বাবা শুধু জানতো ছেলেটি হয়তো বেঁচে আছে আর কিছু জানতে পারত না। ছেলের একটি চিঠির জন্য মা অনেকদিন যাবত অপেক্ষা করেছিল। ছেলেটি যেখানেই থাকতো যাতে মাকে চিঠি দেয়। কিন্তু ছেলেটির কোন চিঠি আসেনা। মাঝে মাঝে ডাক বিভাগে গিয়ে খবর নিত জসিম নামের কেউ চিঠি পাঠাইছে কিনা কিন্তু ডাক বিভাগ পোস্টমা*স্টার বলতো কেউ চিঠি পাঠায়নি তখন খুব মন খারাপ হতো মায়ের। ২০০৭ সালে একদিন হঠাৎ একটি চিঠি আসে। কে পাঠিয়েছে জসিম পাঠিয়েছে। চিঠিতে কি লেখা ছিল,,,,,,চলবে। সত্য ঘটনা :ব্যর্থ★কবি★আসিক-অভীমান করে বাড়ি ছেড়েছিলেন ২০০৩ সালে। #সবাই_একটু_সাপোর্ট_করবেন_প্লিজ_📖🎀❤️‍ #ইনশাআল্লাহ_যাবে_foryou_তে💔🥀 #foryou #foryou💔🥺🥺_fyp🤒heartbroken💔 #officelifetiktok

About