@dhsxinn_:

aqswsss
aqswsss
Open In TikTok:
Region: UA
Thursday 08 October 2026 01:05:41 GMT
22
4
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @dhsxinn_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা-বিদায়ের রাত ছিল ঐতিহাসিক—কিন্তু দর্শকসংখ্যার দিক থেকে ৫৫ বছর আগের পেলের রেকর্ড এখনও অক্ষত। ৬ অক্টোবর ২০২৬, বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন ৮৫,০১৮ দর্শক। ম্যাচটিও মেসির জন্য হয়ে উঠেছিল স্মরণীয়। আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে বেনিনকে হারায়। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজের পর শেষ গোলটি করেন মেসি নিজেই। শুধু গোল নয়, বিদায়ী ম্যাচে তিনি দুটি অ্যাসিস্টও করেন। অর্থাৎ জাতীয় দলের শেষ রাতেও ম্যাচের ফলাফলে সরাসরি বড় ভূমিকা রেখেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। কিন্তু ৮৫,০১৮ সংখ্যাটি দেখেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—এটি পেলের ১৯৭১ সালের বিদায়ী ম্যাচের দর্শকসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়নি। ১৯৭১ সালের ১৮ জুলাই রিও ডি জেনেইরোর ঐতিহাসিক মারাকানায় ব্রাজিলের হয়ে শেষবার জাতীয় দলের জার্সি পরেছিলেন পেলে। প্রতিপক্ষ ছিল যুগোস্লাভিয়া। সেই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ১,৩৮,৫৭৫ দর্শক—যা মেসির বিদায়ী ম্যাচের তুলনায় ৫৩,৫৫৭ জন বেশি। ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল এবং পেলে প্রথমার্ধ খেলেই মাঠ ছাড়েন। পেলের বিদায়ের সময় গ্যালারিজুড়ে ছিল তাঁকে থেকে যাওয়ার আকুতি। অন্যদিকে মেসির বিদায়ও হয়েছে আবেগ, করতালি, আতশবাজি ও নানা শ্রদ্ধাঞ্জলিতে। ম্যাচের ১০ মিনিটে খেলা থামিয়ে মেসিকে সম্মান জানানো হয়; পুরো স্টেডিয়াম তখন তাকে বিদায় জানায়। মেসির শেষ ম্যাচের আরেকটি বড় তথ্য হলো—এই ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থেমেছে ২০৮ ম্যাচ, ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্টে। বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফাইনালিসিমাসহ একাধিক শিরোপা জয়ের পর শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠেই জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি। অর্থাৎ, মেসির বিদায় ছিল এক প্রজন্মের সমাপ্তির মুহূর্ত; কিন্তু দর্শকসংখ্যার সেই বিশাল মানদণ্ডে পেলের ১৯৭১ সালের বিদায় এখনও অনেকটা এগিয়ে। পাঁচ দশকের বেশি সময় পরও ১,৩৮,৫৭৫ দর্শকের সেই সংখ্যা ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য স্মৃতি হয়ে আছে। আপনার কাছে কোন বিদায়টি বেশি ঐতিহাসিক—পেলের ১৯৭১ সালের ১,৩৮,৫৭৫ দর্শকের বিদায়, নাকি ২০২৬ সালে মেসির ৮৫,০১৮ দর্শকের সামনে শেষ ম্যাচ? #LionelMessi #Pele #Argentina #Brazil #FootballHistory
লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা-বিদায়ের রাত ছিল ঐতিহাসিক—কিন্তু দর্শকসংখ্যার দিক থেকে ৫৫ বছর আগের পেলের রেকর্ড এখনও অক্ষত। ৬ অক্টোবর ২০২৬, বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন ৮৫,০১৮ দর্শক। ম্যাচটিও মেসির জন্য হয়ে উঠেছিল স্মরণীয়। আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে বেনিনকে হারায়। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজের পর শেষ গোলটি করেন মেসি নিজেই। শুধু গোল নয়, বিদায়ী ম্যাচে তিনি দুটি অ্যাসিস্টও করেন। অর্থাৎ জাতীয় দলের শেষ রাতেও ম্যাচের ফলাফলে সরাসরি বড় ভূমিকা রেখেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। কিন্তু ৮৫,০১৮ সংখ্যাটি দেখেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—এটি পেলের ১৯৭১ সালের বিদায়ী ম্যাচের দর্শকসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়নি। ১৯৭১ সালের ১৮ জুলাই রিও ডি জেনেইরোর ঐতিহাসিক মারাকানায় ব্রাজিলের হয়ে শেষবার জাতীয় দলের জার্সি পরেছিলেন পেলে। প্রতিপক্ষ ছিল যুগোস্লাভিয়া। সেই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ১,৩৮,৫৭৫ দর্শক—যা মেসির বিদায়ী ম্যাচের তুলনায় ৫৩,৫৫৭ জন বেশি। ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল এবং পেলে প্রথমার্ধ খেলেই মাঠ ছাড়েন। পেলের বিদায়ের সময় গ্যালারিজুড়ে ছিল তাঁকে থেকে যাওয়ার আকুতি। অন্যদিকে মেসির বিদায়ও হয়েছে আবেগ, করতালি, আতশবাজি ও নানা শ্রদ্ধাঞ্জলিতে। ম্যাচের ১০ মিনিটে খেলা থামিয়ে মেসিকে সম্মান জানানো হয়; পুরো স্টেডিয়াম তখন তাকে বিদায় জানায়। মেসির শেষ ম্যাচের আরেকটি বড় তথ্য হলো—এই ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থেমেছে ২০৮ ম্যাচ, ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্টে। বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফাইনালিসিমাসহ একাধিক শিরোপা জয়ের পর শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠেই জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি। অর্থাৎ, মেসির বিদায় ছিল এক প্রজন্মের সমাপ্তির মুহূর্ত; কিন্তু দর্শকসংখ্যার সেই বিশাল মানদণ্ডে পেলের ১৯৭১ সালের বিদায় এখনও অনেকটা এগিয়ে। পাঁচ দশকের বেশি সময় পরও ১,৩৮,৫৭৫ দর্শকের সেই সংখ্যা ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য স্মৃতি হয়ে আছে। আপনার কাছে কোন বিদায়টি বেশি ঐতিহাসিক—পেলের ১৯৭১ সালের ১,৩৮,৫৭৫ দর্শকের বিদায়, নাকি ২০২৬ সালে মেসির ৮৫,০১৮ দর্শকের সামনে শেষ ম্যাচ? #LionelMessi #Pele #Argentina #Brazil #FootballHistory

About