পাইলট :
@পাইলট:@পাইলট💞💞💞মায়াবী পরী ও জোনাকির রাজ্য এক ছিল ছোট্ট একটি গ্রাম। গ্রামের পাশে ছিল বিশাল এক জঙ্গল, আর সেই জঙ্গলের মাঝখানে ছিল একটি রহস্যময় নীলপুকুর। সবাই বলত,পূর্ণিমার রাতে সেই পুকুরের ধারে নাকি মায়াবী পরীরা আসে।গ্রামে থাকত কবি হুমায়ুন নামের এক মিষ্টি ছেলে । এক রাতে আকাশভরা চাঁদের আলো দেখে কবি হুমায়ুন। একা একা নীলপুকুরের কাছে গেল।হঠাৎ সে দেখল—পুকুরের পানির ওপর হাজার হাজার জোনাকি জ্বলছে। তাদের আলো একত্র হয়ে তৈরি হলো এক অপূর্ব সুন্দরী পরী। তার ডানা ছিল রুপালি, আর চোখে ছিল তারার মতো ঝিলিক।পরী মৃদু হেসে বলল,— “ভয় পেয়ো না কবি হুমায়ুন। আমি জোনাকির রাজ্যের পরী। তুমি কবি হুমায়ুন। তোমার মনটা খুব ভালো, তাই তোমাকে একটি ইচ্ছা পূরণের সুযোগ দিতে এসেছি।”কবি হুমায়ূন কিছুক্ষণ ভাবল। সে নিজের জন্য কিছু চাইতে পারত। কিন্তু সে বলল,— “আমার গ্রামের মানুষ যেন সবসময় সুখে থাকে, কারও ঘরে যেন অভাব না থাকে।”পরী অবাক হয়ে মায়ার দিকে তাকিয়ে বলল,— “তুমি নিজের জন্য কিছু চাইলে না?”কবি হুমায়ূন হেসে বলল,— “অন্যের হাসিতে যে সুখ, সেটা একা পাওয়া সুখের চেয়েও সুন্দর।”পরী তার জাদুর কাঠি ঘুরিয়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে নীলপুকুর থেকে হাজার রঙের আলো আকাশে উঠে গেল।পরদিন সকালে গ্রামের মানুষ দেখল, শুকিয়ে যাওয়া ক্ষেতগুলো সবুজ হয়ে গেছে, গাছগুলো ফলে ভরে গেছে এবং গ্রামের কুয়োতে আবার স্বচ্ছ পানি এসেছে।সেদিন থেকে গ্রামটির নাম হয়ে গেল জোনাকির গ্রাম।কিন্তু কবি হুমায়ুন জানত, সেই মায়াবী পরী আবার কোনো এক পূর্ণিমার রাতে ফিরে আসবে।আর সত্যিই—অনেক বছর পর এক পূর্ণিমার রাতে নীলপুকুরের ধারে আবার জ্বলে উঠল হাজার জোনাকি।দূর থেকে ভেসে এল সেই পরিচিত কণ্ঠ—“যে হৃদয়ে অন্যের জন্য ভালোবাসা থাকে, কবি হুমায়ুন তার কাছেই থাকে।”তারপর নীল আকাশে মিলিয়ে গেল রুপালি ডানার সেই মায়াবী পরী 💞
2026-10-11 17:05:24