Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@super.secret5168: #lipsync #fypシ #viral
supa_dupa_secrettt
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 11 October 2026 23:11:07 GMT
167
28
0
0
Music
Download
No Watermark .mp4 (
3.39MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
3.81MB
)
Watermark .mp4 (
3.06MB
)
Music .mp3
Comments
There are no more comments for this video.
To see more videos from user @super.secret5168, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
#capcut #fyp #foryou #ፍቅር➻ብቻ🖇ፍቅር➻ብቻ❤🥀🔐
Baki Hanma • song: MECHANOFOLIA - Super Slowed #bakihanma #baki #hanma #bakithegrappler #bakidou
Ndowoza muwulidde?? #taatakimbowacomedy #taatakimbowa
#المدينه_المنوره #تصويري #المدينة #المسجد_النبوي #قران
Scramble up ur name & I’ll try to guess it😍❤️ #foryoupage #PetsOfTikTok #aesthetic
পর্ব:২৯ মৃত্তিকা এখনও থরথর করে কাঁপছে। সে মাহিরকে এতটাই শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে যে তার নখের আঁচড়ে মাহিরের ঘাড়ে লাল লাল দাগ পড়ে গেছে। তবুও মাহিরের মুখে বিরক্তির কোনো ছাপ নেই। বরং সে ধীরে ধীরে মৃত্তিকার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগল। নরম, আশ্বাসভরা গলায় বলল, — আমি আছি তো... — কিছু হয়নি। — আমি যতক্ষণ আছি, তোকে কেউ ছুঁতেও পারবে না। মৃত্তিকা কান্নার মাঝেই মাথা নাড়ল। তার চোখ দুটো ভয়ে টকটকে লাল হয়ে আছে। সে ফিসফিস করে বলল, — কত... কত বড় বড় ঢেউ ছিল... — আমি... আমি পড়ে যাচ্ছিলাম... — আমি ভেবেছিলাম আমি আর... কথাটা শেষ করার আগেই মাহির আলতো করে মৃত্তিকার মুখ চেপে ধরল। তার চোখের দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত গলায় বলল, — শ্... — আর... আর একটা কথাও না। — এসব কথা আমি আর শুনতে চাই না। — যা হওয়ার ছিল, হয়ে গেছে। — এখন তুই নিরাপদে আছিস। মৃত্তিকা ধীরে ধীরে মাহিরকে ছেড়ে দিল। মাহির তাকে আলতো করে বিছানায় শুইয়ে দিল। বালিশটা ঠিক করে দিয়ে বলল, — এখানে শুয়ে একটু রেস্ট নে। — আমি নিচ থেকে খাবার নিয়ে আসছি। মৃত্তিকা ছোট্ট করে মাথা নাড়ল। — আচ্ছা... মাহির বেরিয়ে গেল। প্রায় পনেরো মিনিট পর দরজা খুলে আবার রুমে ঢুকল সে। হাতে খাবারের ট্রে। ট্রেটা টেবিলের ওপর রাখতেই মৃত্তিকার চোখ গিয়ে আটকে গেল মাহিরের ঘাড়ে। লাল লাল আঁচড়ের দাগ। মৃত্তিকা অবাক হয়ে বলল, — মাহির ভাই... — হুম? — আপনার গলায় কী হয়েছে? মাহির একবার ঘাড়ে হাত দিয়ে দাগটা ছুঁয়ে দেখল। তারপর ঠোঁটের কোণে দুষ্টু একটা হাসি ফুটে উঠল। — ওহ... এটা? — একটা পেত্নী একটু আগে আমাকে এমনভাবে জড়িয়ে ধরেছিল...যে তার নখ দিয়ে আঁচড়ে গেছে। কথাটা শুনেই মৃত্তিকার বুঝতে আর বাকি রইল না। "পেত্নী" বলতে মাহির তাকেই বুঝিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই তার দুই গাল টমেটোর মতো লাল হয়ে উঠল। লজ্জায় মাথাটা নিচু করে ফেলল। মনে পড়ে গেল, কীভাবে ভয়ে সে মাহিরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিল। আস্তে করে বলল, — সরি... — আমি বুঝতে পারিনি... মাহির হালকা হেসে বলল, — সরি বলার কিছু নেই। — তখন তুই ভয় পেয়েছিলি। — ভয় পেলে মানুষ এমন করেই আশ্রয় খোঁজে। মৃত্তিকা আর কিছু বলতে পারল না। লজ্জায় শুধু মাথা নিচু করে রইল। দুজনেই চুপচাপ খাবার খেয়ে নিল। খাওয়া শেষ করে মাহির ট্রেটা হাতে তুলে নিল। দরজার কাছে গিয়ে আবার পেছন ফিরে তাকাল। মৃত্তিকা তখনও তার দিকেই তাকিয়ে আছে। মাহির ভ্রু তুলে মুচকি হেসে বলল, — টেবিলের ওপর ওষুধ রাখা আছে, ম্যাডাম। — সময়মতো খেয়ে নিস। — আর... একটু থেমে বলল, — ওই নিল গাউনটা পরবি,, — সমুদ্রকন্যাকে দেখার অপেক্ষায় রইল মাহির,, কথাটা বলেই সে বেরিয়ে গেল। দরজাটা আস্তে করে বন্ধ হয়ে গেল। মৃত্তিকা একদৃষ্টিতে দরজার দিকে তাকিয়ে রইল। তার বুকের ভেতরটা কেমন যেন করে উঠল। "সমুদ্রকন্যা..." শব্দটা বারবার তার কানে বাজছে। লজ্জায় নিজের গালে হাত দিয়ে সে আস্তে করে বলল, — মাহির ভাই আজ আমাকে এত আদর করে কথা টা বলল... — সমুদ্রকন্যা...! ভাবতেই তার গাল দুটো আবার লাল হয়ে উঠল। খুশিতে সে যেন আত্মহারা হয়ে গেল। অজান্তেই বালিশটা বুকে জড়িয়ে ধরে মিষ্টি করে হেসে ফেলল। এদিকে রুম থেকে বের হতেই মাহিরের ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল— "মেজ কাকাই" মাহির সঙ্গে সঙ্গে কলটা রিসিভ করল। — হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম, মেজ কাকাই। — ওয়ালাইকুমুস সালাম, বাবা। কেমন আছো তুমি? — ভালো আছি, কাকাই। আপনি ভালো আছেন? — হ্যাঁ বাবা, ভালো আছি। কোনে দরকার ছিল?? ফোন করেছিলে যে,, মাহির কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইল। তারপর গভীর একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, — কাকাই... যে কথা বলার জন্য ফোন করেছিলাম, সেটা বলতে বাধ্য হচ্ছি। — এতদিন চুপ ছিলাম। — কেউ কিছু বলেনি, আমিও বলিনি। — কিন্তু আজ আর চুপ থাকতে পারলাম না। ওপাশ থেকে উদ্বিগ্ন গলায় ভেসে এলো, — কী হয়েছে মাহির? মাহিরের কণ্ঠ ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে উঠল। — আপনি কি আদৌ খবর রাখেন, আপনার ছেলে-মেয়ের আর বউ এর কী অবস্থা? — মানে? কী বলছো বাবা? — মেজ কাকিমা দিন-রাত নেশা করে পড়ে থাকেন। — রাইনাও দিন দিন ওনার মতো হয়ে যাচ্ছে,, — আর আপনার ছেলে কী করছে, সেটা তো বাদই দিলাম। — দরকারি কাজে চট্টগ্রাম আসতে হয়েছে। — তাই বাবার কথায় মৃত্তিকা, রাইনা আর রিয়াদকে সঙ্গে এনেছি একটু ঘুরানোর জন্য। মাহির কিছুক্ষণ থেমে আবার বলল, — আজ আপনার মেয়ে রাইনা ইচ্ছে করে মৃত্তিকাকে সমুদ্রে ধাক্কা মেরে ফেলতে চেয়েছিল। ওপাশ থেকে চিৎকার ভেসে এলো, — কীহহ...! মাহির ঠান্ডা কিন্তু কঠিন গলায় বলল, — শুধু "কী" বললে হবে না, কাকাই। — আপনি যদি এখনো ওদের দিকে নজর না দেন... — তাহলে আমার চেয়ে খারাপ আর কেউ হবে না। চলবে,,, #ভাব_আড়ি #10kfollowers❤️ #উপন্যাসপ্রেমি #মৃত্তিকা_চৌধুরী #মাহির_চৌধুরী
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy