@2.ge5:

ليلو كيتار ✌️😜
ليلو كيتار ✌️😜
Open In TikTok:
Region: IQ
Sunday 11 October 2026 23:27:41 GMT
102499
2711
39
1047

Music

Download

Comments

ai_90i
ai_90i :
الله يرزقني نفسهن ويرزق كل شخص محتاج
2026-10-12 11:00:56
10
amaed21
ابو تغريد 1965 :
والله العظيم عندي نفس هاي العلاكه اول وحده
2026-10-12 11:59:50
5
dwdsdq3
داود صادق :
يأبه شلون نوصل هيج مرحله مو موتنه
2026-10-12 11:55:41
3
a_____laa18
علاء السراي :
من تطلعلك سلفه😂
2026-10-12 07:29:41
4
0wi.8
19 :
قرض قروض 😂
2026-10-12 10:10:07
1
ffgghhoouuwq7
~ عٌبًوٌدٍ~ :
منين شتريتهن بشرفك
2026-10-12 10:40:27
0
user4746820356152
علي 🌿 :
لو عندي گبل حبيبتي هسه ابيتنه 🥹
2026-10-12 09:04:46
0
hs.ss17
حـسـيـن الــ ســالـم🖤 :
ما تشغلني وياك 😅
2026-10-12 12:26:19
0
0rii.26
ࢪسوِلّ🇮🇶🧢 :
بابه نائب بابه يصرف
2026-10-12 11:46:26
0
1.x_x.51
𝔸 , 𝕋 :
شكد تقريباً
2026-10-12 11:58:05
0
chucking67
سيد حيدر :
نشاء الله بل واحد اكض اكثر منهن ب2
2026-10-12 10:34:15
0
pl.11k
مؤمل 💔💔 :
بعتو البيت💞
2026-10-12 11:42:05
0
tk75ji
علي رحيم :
حلال حرام ?
2026-10-12 10:28:51
0
mmoo_a12
OMAR(TT)! :
لوعندي
2026-10-12 10:53:16
0
h6__n3
حسين ال هيثم 🦅☪ :
2026-10-12 12:15:45
0
chjx700
chjx700 :
صديق
2026-10-12 11:00:19
0
1mx_7gi2
1mx_7gi2 :
بطل بكلشي
2026-10-12 05:59:51
0
o__yup
ابو فلاح 🩵 :
2026-10-12 09:25:27
0
mustafaalmalik50
M_&zo :
هاي 20,000,000 افكر لو اتزوج لو اشتري دراجه
2026-10-12 12:47:24
0
fjvvvdhbffvgcbbbc
مقتدى 💔 :
[قلب أحمر][قلب أحمر]
2026-10-12 07:30:00
0
o.b_w
أ ٻًنٍ عہُوٌضً “̯💣🦅 :
اخيك بس شوية اريد اشتري دراجة 😅👎🏼
2026-10-12 12:34:53
0
ms_.6i
چوقي :
شكد السلفة
2026-10-12 12:08:30
0
o__yup
ابو فلاح 🩵 :
2026-10-12 09:25:16
0
zh__vo
حـيـدَر 💎 :
شراح يصفطهن
2026-10-12 11:17:24
0
cxk589
سَُٕٖـرٍُسٍَٓـرـِي...ّ! :
بيهن كم محرك نامة😂
2026-10-12 11:54:14
0
To see more videos from user @2.ge5, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

দীর্ঘদিন কিছু খেলে খাবারটি চেনা যায়, কিন্তু কোনো খাবার জিহ্বা তে টেস্ট লাগলেই, বুঝতে পারবেন জিনিস টি ড্যাম নাকি ভালো,  অথচ দীর্ঘদিন একসাথে থেকেও, ঐ মার্বেল আকৃতির চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে মানুষ চেনা যায় না। 🤣 আমি কখনো চাই না, আমার জন্য একটা মানুষের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হোক, যতটুকু পারি মানুষের উপকার করি, উপকার করতে না পারি, কিন্তু ক্ষতি হোক এমন কিছু করি না। তবে...... কেউ যদি আমাকে বাধ্য করে তার দিকে আঙ্গুল তুলতে, তখন আমি তার অস্তিত্ব বিলিন না করা অব্দি থামি না। আমি প্রচুর সাধারণ এবং নম্র, এর মাঝে আমি বেইমানদের মানুষ বানাতে, আমার ভূমিকা থাকে অসাধারণ। আমি সব সহ্য করতে পারি কিন্তু..... মিথ্যাবাদী, বাটপারি, চিটারি, প্রতারণা সহ্য করতে পারি না। আমি মানুষকে বুঝি,  বুঝতে চাই, কিন্তু মনুষ্যত্বহীন,বিবেকহীন মানুষের সাথে খাতির করি না। আমরা এখন আর ভুল করতে ভয় পাই না… আমরা ভয় পাই, মানুষ কী বলবে। এই একটা ভয় কত স্বপ্ন থামিয়ে দেয় জানেন? কেউ ব্যবসা শুরু করতে পারে না। কেউ ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারে না। কেউ নিজের পছন্দের পোশাক পরতে পারে না। কেউ নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে না। মজার বিষয় হলো… যাদের কথা ভেবে আমরা এত সিদ্ধান্ত বদলাই, তাদের বেশিরভাগই কয়েকদিন পর, সেই ঘটনাটাই ভুলে যায়। শুধু আমরা ভুলতে পারি না… কারণ আমরা নিজের জীবনটা নিজের চোখে নয়, অন্যের চোখে বাঁচতে শুরু করি। হয়তো স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হলো, যেদিন অন্যের মতামতের চেয়ে, নিজের বিবেককে বেশি গুরুত্ব দিতে শিখব, সেদিনই সত্যিকারের নিজের মতো করে বাঁচা শুরু হবে। সময় যাচ্ছে তার নিয়ম করে......  মানুষ অদলবদল হচ্ছে.....  তিনি সে হবে, সে তিনি হবে!  এভাবেই বদলাবে মানুষ, সময়, পরিস্থিতি। মাঝ পথে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি!  একদল হাসবে, একদল কষ্ট পাবে, কেউ রাত জেগে আকাশ এর সাথে কথা বলবে, কেউই না গড়বে টাকার পাহাড়, আবার হয়তো কেউ হাসতে ভুলে যাবে, কেউ ঘৃণার দাবানলে পুড়বে.. ওই যে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি 🙂🙂 অথচ তবুও মেনে নিতেই হয়,  তোমাকে ভালোবাসার আজন্মকাল কলঙ্কিত শব্দ।  আমি দেখি কে জানি আমার পবিত্র কা'বারে স্পর্শ করে।  স্পর্শ করে আমার মন মন্দিরে মক্কারে, নমরুদের মতো করে। অথচ সে জানে না,  বিভোর রাইত কত অসহায় যন্ত্রারে লইয়া।  আমার ভোর ভাঙা ঘুমের মৃত্যু হয়,  সে জানে না,  তার স্পর্শের কথারে ভাইবা, আমি জীবন্ত পুষা পাখির মতোই,  ডানা ভাইঙ্গা ছটফট কইরা পরি,  এই বন, বৃক্ষ সমতলে।  অথচ তবুও তোমার দেওয়া নির্মল মৃত্যুরে, আমি বুক পকেটে নিয়া বাঁচি, তোমার লগে দেহা সপ্নরে,  খোদার আরসে হাত পাইতা পূর্ণজন্ম বইলা বাঁচি।  অথচ আমি এসব নরগ বুকে লইয়াও,  তোমার সুখে সরর্গ বইলা হাসি, তোমার হারিয়ে ফেলা দুঃখরে,  আমি আজও সরর্গ বলেই বাঁচি।  অথচ এই শহরের যেই নোমরুদ,  বেবাক জাই'নাও।  আমাদের জীবন্ত মৃত্যুরে চাইলো,  যারা আমাদের বাঁইচা থাকে সর্বসুখে, কাফেরের মত পাষাণ হইয়া আইলো,  তাঁদের জানি আমার ওই খোদা,  এমন জীবন্ত মৃত্যুরে একবার ভাবায়। তোমাকে আজ দিব্যই মানিয়ে নিতে শিখেছি,  মানিয়ে নিতে শিখেছি কলঙ্কিত সেই শব্দ,  পূর্ণজন্ম সরর্গ সুখ বইলা।  মানুষ যত্ন পেলেই  বাঁচতে শিখে,  দুঃখ পেলেই....... মৃত্যু লেখে বুক ভরে..।  একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করি আপনাদের সঙ্গে,  -------------- বন্যা তো এর আগেও হয়েছে, এর চেয়ে বড় বন্যাও আমরা দেখেছি। কিন্তু ঢাকা শহরে ফ্লাইওভার পর্যন্ত ডুবে যাওয়ার মতো, এমন ভয়ংকর জলাবদ্ধতা তো আগে কখনো দেখি নাই! রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু করে ধানমন্ডি, কেরানীগঞ্জ টু আব্দুল্লাহপুর, বসিলা টু রামপুরা, সবকিছুই এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি কেন নিষ্কাশন হচ্ছে না, এর পেছনের আসল কারণটা কী জানেন? গণভবনের চুরির দৃশ্য তো আমরা সবাই দেখেছি, কিন্তু নগরীর জমাট পানি নিষ্কাশনের সকল পাম্পগুলো খুলে, পাইপ আর যন্ত্রাংশসহ সবকিছু যে চুরি করে, বেচে দেওয়া হয়েছে, সেটা তো এখন টের পাচ্ছি! ভাবা যায়?...... প্রায় সাত হাজার পাম্প এবং তার পাইপ, মেশিন, যন্ত্রাংশ, সবকিছুই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে! আর গত দুই বছরে সেগুলো একবারের জন্যও  সেটা আর পুনস্থাপন করা হয়নি। ঠিক এই কারণেই জলাবদ্ধতার পানি এত দ্রুত সরছে না, এখন বিপদে পড়ে তাড়াহুড়ো করে, নতুন করে সব লাগাতে হচ্ছে। আর এই তাড়াহুড়ো করে কাজ সারার কারণে, অন্তত আরও দু-চার দিন ঢাকা শহর, এভাবেই পানির নিচে তলিয়ে থাকবে। সবাইকে মহান সৃষ্টিকর্তা হেফাজতে রাখুক।  বন্যার্তদের জন্য যে যেভাবে পারেন এগিয়ে আসুন,  ওনাদের অবস্থা শোচনীয়।  আসুন আমরা সব্বাই যে যার মতো করে, বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে পাশে দাঁড়াই।
দীর্ঘদিন কিছু খেলে খাবারটি চেনা যায়, কিন্তু কোনো খাবার জিহ্বা তে টেস্ট লাগলেই, বুঝতে পারবেন জিনিস টি ড্যাম নাকি ভালো, অথচ দীর্ঘদিন একসাথে থেকেও, ঐ মার্বেল আকৃতির চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে মানুষ চেনা যায় না। 🤣 আমি কখনো চাই না, আমার জন্য একটা মানুষের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হোক, যতটুকু পারি মানুষের উপকার করি, উপকার করতে না পারি, কিন্তু ক্ষতি হোক এমন কিছু করি না। তবে...... কেউ যদি আমাকে বাধ্য করে তার দিকে আঙ্গুল তুলতে, তখন আমি তার অস্তিত্ব বিলিন না করা অব্দি থামি না। আমি প্রচুর সাধারণ এবং নম্র, এর মাঝে আমি বেইমানদের মানুষ বানাতে, আমার ভূমিকা থাকে অসাধারণ। আমি সব সহ্য করতে পারি কিন্তু..... মিথ্যাবাদী, বাটপারি, চিটারি, প্রতারণা সহ্য করতে পারি না। আমি মানুষকে বুঝি, বুঝতে চাই, কিন্তু মনুষ্যত্বহীন,বিবেকহীন মানুষের সাথে খাতির করি না। আমরা এখন আর ভুল করতে ভয় পাই না… আমরা ভয় পাই, মানুষ কী বলবে। এই একটা ভয় কত স্বপ্ন থামিয়ে দেয় জানেন? কেউ ব্যবসা শুরু করতে পারে না। কেউ ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারে না। কেউ নিজের পছন্দের পোশাক পরতে পারে না। কেউ নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে না। মজার বিষয় হলো… যাদের কথা ভেবে আমরা এত সিদ্ধান্ত বদলাই, তাদের বেশিরভাগই কয়েকদিন পর, সেই ঘটনাটাই ভুলে যায়। শুধু আমরা ভুলতে পারি না… কারণ আমরা নিজের জীবনটা নিজের চোখে নয়, অন্যের চোখে বাঁচতে শুরু করি। হয়তো স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হলো, যেদিন অন্যের মতামতের চেয়ে, নিজের বিবেককে বেশি গুরুত্ব দিতে শিখব, সেদিনই সত্যিকারের নিজের মতো করে বাঁচা শুরু হবে। সময় যাচ্ছে তার নিয়ম করে...... মানুষ অদলবদল হচ্ছে..... তিনি সে হবে, সে তিনি হবে! এভাবেই বদলাবে মানুষ, সময়, পরিস্থিতি। মাঝ পথে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি! একদল হাসবে, একদল কষ্ট পাবে, কেউ রাত জেগে আকাশ এর সাথে কথা বলবে, কেউই না গড়বে টাকার পাহাড়, আবার হয়তো কেউ হাসতে ভুলে যাবে, কেউ ঘৃণার দাবানলে পুড়বে.. ওই যে থেকে যাবে স্মৃতির জোনাকি 🙂🙂 অথচ তবুও মেনে নিতেই হয়, তোমাকে ভালোবাসার আজন্মকাল কলঙ্কিত শব্দ। আমি দেখি কে জানি আমার পবিত্র কা'বারে স্পর্শ করে। স্পর্শ করে আমার মন মন্দিরে মক্কারে, নমরুদের মতো করে। অথচ সে জানে না, বিভোর রাইত কত অসহায় যন্ত্রারে লইয়া। আমার ভোর ভাঙা ঘুমের মৃত্যু হয়, সে জানে না, তার স্পর্শের কথারে ভাইবা, আমি জীবন্ত পুষা পাখির মতোই, ডানা ভাইঙ্গা ছটফট কইরা পরি, এই বন, বৃক্ষ সমতলে। অথচ তবুও তোমার দেওয়া নির্মল মৃত্যুরে, আমি বুক পকেটে নিয়া বাঁচি, তোমার লগে দেহা সপ্নরে, খোদার আরসে হাত পাইতা পূর্ণজন্ম বইলা বাঁচি। অথচ আমি এসব নরগ বুকে লইয়াও, তোমার সুখে সরর্গ বইলা হাসি, তোমার হারিয়ে ফেলা দুঃখরে, আমি আজও সরর্গ বলেই বাঁচি। অথচ এই শহরের যেই নোমরুদ, বেবাক জাই'নাও। আমাদের জীবন্ত মৃত্যুরে চাইলো, যারা আমাদের বাঁইচা থাকে সর্বসুখে, কাফেরের মত পাষাণ হইয়া আইলো, তাঁদের জানি আমার ওই খোদা, এমন জীবন্ত মৃত্যুরে একবার ভাবায়। তোমাকে আজ দিব্যই মানিয়ে নিতে শিখেছি, মানিয়ে নিতে শিখেছি কলঙ্কিত সেই শব্দ, পূর্ণজন্ম সরর্গ সুখ বইলা। মানুষ যত্ন পেলেই বাঁচতে শিখে, দুঃখ পেলেই....... মৃত্যু লেখে বুক ভরে..। একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করি আপনাদের সঙ্গে, -------------- বন্যা তো এর আগেও হয়েছে, এর চেয়ে বড় বন্যাও আমরা দেখেছি। কিন্তু ঢাকা শহরে ফ্লাইওভার পর্যন্ত ডুবে যাওয়ার মতো, এমন ভয়ংকর জলাবদ্ধতা তো আগে কখনো দেখি নাই! রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু করে ধানমন্ডি, কেরানীগঞ্জ টু আব্দুল্লাহপুর, বসিলা টু রামপুরা, সবকিছুই এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি কেন নিষ্কাশন হচ্ছে না, এর পেছনের আসল কারণটা কী জানেন? গণভবনের চুরির দৃশ্য তো আমরা সবাই দেখেছি, কিন্তু নগরীর জমাট পানি নিষ্কাশনের সকল পাম্পগুলো খুলে, পাইপ আর যন্ত্রাংশসহ সবকিছু যে চুরি করে, বেচে দেওয়া হয়েছে, সেটা তো এখন টের পাচ্ছি! ভাবা যায়?...... প্রায় সাত হাজার পাম্প এবং তার পাইপ, মেশিন, যন্ত্রাংশ, সবকিছুই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে! আর গত দুই বছরে সেগুলো একবারের জন্যও সেটা আর পুনস্থাপন করা হয়নি। ঠিক এই কারণেই জলাবদ্ধতার পানি এত দ্রুত সরছে না, এখন বিপদে পড়ে তাড়াহুড়ো করে, নতুন করে সব লাগাতে হচ্ছে। আর এই তাড়াহুড়ো করে কাজ সারার কারণে, অন্তত আরও দু-চার দিন ঢাকা শহর, এভাবেই পানির নিচে তলিয়ে থাকবে। সবাইকে মহান সৃষ্টিকর্তা হেফাজতে রাখুক। বন্যার্তদের জন্য যে যেভাবে পারেন এগিয়ে আসুন, ওনাদের অবস্থা শোচনীয়। আসুন আমরা সব্বাই যে যার মতো করে, বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে পাশে দাঁড়াই।

About