@francisca.manuelagomes:

Francisca Manuela Gomes
Francisca Manuela Gomes
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 12 October 2026 12:00:00 GMT
2744
6
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @francisca.manuelagomes, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পর্ব:২৬ মৃত্তিকা চোখ শক্ত করে বন্ধ করে ফেলল। তার কান পর্যন্ত লাল হয়ে গেছে। বুকের ভেতরটা এমন জোরে ধুকপুক করছে যে মনে হচ্ছে পাশের মানুষটাও শুনতে পাবে। মাহির একপাশে তাকিয়ে মুচকি হাসল। — কী হলো? মৃত্তিকা তাড়াতাড়ি বলল, — ক... কই? কিছু না তো। — আবার শুরু হলো তোর। — কীইই? — তোর এই
পর্ব:২৬ মৃত্তিকা চোখ শক্ত করে বন্ধ করে ফেলল। তার কান পর্যন্ত লাল হয়ে গেছে। বুকের ভেতরটা এমন জোরে ধুকপুক করছে যে মনে হচ্ছে পাশের মানুষটাও শুনতে পাবে। মাহির একপাশে তাকিয়ে মুচকি হাসল। — কী হলো? মৃত্তিকা তাড়াতাড়ি বলল, — ক... কই? কিছু না তো। — আবার শুরু হলো তোর। — কীইই? — তোর এই "কিছু না" রোগ। মৃত্তিকা ঠোঁট ফুলিয়ে বলল, — সব সময় আমাকে এত খোঁচান কেন? — কারণ তুই খোঁচা খাওয়ার মতো কাজ করিস। — আমি কিছুই করি না। — হ্যাঁ, তুই তো ফেরেশতা। মৃত্তিকা আবার রাগ করে মুখ ফিরিয়ে নিল। জানালার বাইরে মেঘগুলো ভেসে যাচ্ছে। কিন্তু তার মনটা আটকে আছে পাশের সিটে বসা মানুষটার কাছেই। আর মাহির? সে ঠোঁটের কোণে হাসি নিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে মৃত্তিকার লজ্জা পাওয়াটা তার বেশ উপভোগই হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর বিমান ধীরে ধীরে নিচে নামতে শুরু করেছে। রিয়াদ তখনও আধা ঘুমে। আর রাইনা বিরক্ত মুখে বসে আছে। অবশেষে বিমানটা কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করল। হালকা ঝাঁকুনিতে রিয়াদের ঘুম ভেঙে গেল। — পৌঁছে গেছি? মাহির সিটবেল্ট খুলতে খুলতে বলল, — না, লন্ডন চলে এসেছি। রিয়াদ বিরক্ত হয়ে বলল, — ভাই! মৃত্তিকা হেসে ফেলল। বিমানের ভেতর থেকে বের হতেই সমুদ্রের শহরের বাতাস এসে মুখে লাগল। মৃত্তিকার চোখ চকচক করে উঠল। সে চারপাশে তাকিয়ে বলল, — সত্যি সত্যি চলে এসেছি! রিয়াদ উত্তেজিত হয়ে বলল, — এখনি বিচ এ যা,, রাইনা সঙ্গে সঙ্গে বলল, — আমিও। মাহির সবার ব্যাগপত্র গুছিয়ে নিয়ে বলল, — আগে হোটেলে যাই। — তারপর যা করার করিস। সবাই বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। গাড়িতে উঠেও মৃত্তিকার উত্তেজনা কমল না। সে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে। রাস্তার দুপাশের দৃশ্য দেখছে। আর মনে মনে ভাবছে— এবারের ট্যুরটা হয়তো তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি হতে চলেছে। গাড়ি সোজা গিয়ে থামল সি বিলাস রিসোর্টের সামনে। চারপাশে নারিকেল গাছ, ঝকঝকে পরিবেশ আর দূর থেকে ভেসে আসা সমুদ্রের গর্জন। রিসোর্টটা সত্যিই অনেক সুন্দর। মৃত্তিকা মুগ্ধ হয়ে চারপাশে তাকিয়ে রইল। সবাই নিজেদের লাগেজ নিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। রুমের চাবি বুঝে নিয়ে যে যার রুমে চলে গেল। মাহির সবার দিকে তাকিয়ে বলল, — সবাই আগে শাওয়ার নিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে। — তারপর খেয়ে একটু রেস্ট নিবি। — বিকেলে বিচে যাব। রিয়াদ সঙ্গে সঙ্গে মুখ বাঁকিয়ে বলল, — এখনই যাই না চলো! — এত দূর এসে রুমে বসে থাকব নাকি? মাহির ভ্রু কুঁচকে তাকাল। — এই কাঠফাটা রোদের মধ্যে বিচে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রিয়াদ কিছু বলার আগেই রাইনা বলে উঠল, — তাহলে কক্সবাজার আসলাম কেন? — আজব! মাহির বিরক্ত হয়ে বলল, — বেশি কথা বলবি না। — যা বলছি, সেটাই হবে। রাইনা মুখ গোমড়া করে দাঁড়িয়ে রইল। মাহির আবার বলল, — মৃত্তিকার শরীরটা আগে পুরোপুরি ঠিক হোক। — তারপর যেখানে যেতে চাইবি যাবি। কথাটা শুনে মৃত্তিকা অবাক হয়ে গেল। তার বুকের ভেতরটা কেমন যেন করে উঠল। কেন? কয়েক মাস আগেও যে মানুষটা তাকে দেখতেই পারত না... আজ সেই মানুষটাই তার শরীর খারাপের জন্য এত চিন্তা করছে। মৃত্তিকা ধীরে ধীরে বলল, — মাহির ভাই তো কাজের জন্য এসেছে। — আমরা তো শুধু সেই সুযোগে ঘুরতে এসেছি। — কাজ শেষ হলেই না হয় ঘুরব। রাইনা সঙ্গে সঙ্গে তীক্ষ্ণ গলায় বলে উঠল, — এই মেয়ে! এত কথা বলিস কেন?,বড়দের মাঝে কথা বলতেই হবে?বেয়াদব একটা! একটা চড় দিলে সব ঠিক হয়ে যাবে। মৃত্তিকা চুপ করে গেল। কিন্তু পরের মুহূর্তেই মাহিরের কণ্ঠ ভেসে এলো। ঠান্ডা, কিন্তু ভীষণ কঠিন। — ও তো ঠিকই বলেছে।,,,চড় ওর না...তোর খাওয়া উচিত। রাইনা হতভম্ব হয়ে গেল। মাহির চোখ সরু করে বলল, — ননসেন্স! — এখন সবাই নিজের নিজের রুমে যা। এক ঘণ্টা পর নিচে দেখা হবে। কথাটা বলেই সে ঘুরে চলে গেল। মৃত্তিকা স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার চোখ দুটো অজান্তেই মাহিরের চলে যাওয়া পথের দিকে আটকে গেল। চলবে... #ভাব_আড়ি #10kfollowers❤️ #মাহির_চৌধুরী #মৃত্তিকা_চৌধুরী #followme

About