@amatullahafroj:

Amatullah Afroj
Amatullah Afroj
Open In TikTok:
Region: BD
Monday 12 October 2026 14:14:11 GMT
729
21
16
2

Music

Download

Comments

amatullahafroj
Amatullah Afroj :
নেকির পরিমাণ ৭০০ গুণ বাড়ানো হয় ঠিকই, কিন্তু একটা পাপের ওজন — কোটি নেকির কবর।” আজ যদি তুমি তওবা না করো, তবে সে একটিমাত্র পাপই হবে তোমার আখিরাতের মৃত্যু পরোয়ানা।
2026-10-12 15:05:57
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ ১. হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। ২. আপনার বন্ধু অথবা কাছের আত্নীয়র অনুপস্থিতিতে তাদের নামে ভালো কথাও বলবেন না। কারণ ভালো কথা বলতে গিয়ে শয়তান আপনাকে দিয়ে কখন যে গীবত করিয়ে নিবে আপনি টেরই পাবেন না। ৩. অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবত ও বেশি হয়। ৪.আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম। ৫.অমুক কেমন জানি পোশাক পরে, অমুকের রান্না ভালো না,অমুক মোটা,অমুক কালো, দেখতে একদম ভালো না ইত্যাদি এই ধরনের কথা বলাও এক ধরনের গীবত। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। ৬. এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে ১০০-২০০ বার আস্তাগফিরুল্লহ্ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলুন। মনে রাখবেন গীবত আমাদের সব নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে। হাজার ভালো কাজ করলেও কিয়ামতের দিন আমাদের আমলনামা শূন্য থাকবে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে গীবতের হাত থেকে রক্ষা করুন। ❤️আমিন❤️
2026-10-12 14:59:12
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
যে পাপের কারণে আল্লাহ মানুষের 💌 রিজিক বন্ধ করে দেন...!👇 আমরা প্রায়ই বাহিরের কারণ খুঁজি—সময় খারাপ, ভাগ্য খারাপ, মানুষ খারাপ…কিন্তু খুব কম মানুষই নিজের দিকে তাকায়। রিজিক কমে যাওয়ার আসল কারণ, ইসলাম আমাদের একটি কঠিন কিন্তু সত্য কথা শিখিয়েছে—মানুষের গুনাহ তার রিজিককে প্রভাবিত করে। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন নিশ্চয়ই একজন মানুষ তার গুনাহের কারণে রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়। এই হাদিস আমাদের চোখ খুলে দেয়। কোন পাপগুলো রিজিক বন্ধ করে দেয়? ১,, গোপন গুনাহ, যে পাপ মানুষ লুকিয়ে করে—মানুষ না দেখলেও আল্লাহ দেখেন। এই গোপন গুনাহ ধীরে ধীরে জীবনের বরকত নষ্ট করে দেয়। ২,, হারাম উপার্জন সুদ, ঘুষ, প্রতারণা— যে টাকা হালাল নয়, সেই টাকায় কখনো বরকত থাকে না। বাইরে থেকে বেশি মনে হলেও, ভেতরে ভেতরে তা ক্ষতির কারণ হয়। ৩,, নামাজ অবহেলা করা নামাজ শুধু ইবাদত নয়— এটি আল্লাহর সাথে সম্পর্কের একটি শক্ত বন্ধন। যখন মানুষ নামাজ ছেড়ে দেয়, তখন তার জীবনের বরকতও কমতে শুরু করে। ৪,, অন্যের হক নষ্ট করা কারো টাকা মেরে খাওয়া, কারো অধিকার নষ্ট করা, এইসব পাপ মানুষের জীবনে অদৃশ্য অভিশাপ হয়ে আসে। কিন্তু আশা কি শেষ? না। কখনোই না। আল্লাহ এমন রব— যিনি বান্দার তওবা পছন্দ করেন। যদি কেউ সত্যি সত্যি নিজের ভুল বুঝে ফিরে আসে— তাহলে আল্লাহ তার জন্য রিজিকের দরজা খুলে দেন। কী করবেন? ✔ বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন ✔ হালাল উপার্জনের চেষ্টা করুন ✔ নিয়মিত নামাজ পড়ুন ✔ অন্যের হক আদায় করুন শেষ কথা অনেক সময় আমরা ভাবি—আমার রিজিক কম কেন?কিন্তু হয়তো প্রশ্নটা হওয়া উচিত—আমার জীবনে এমন কি আছে, যা আল্লাহর রহমতকে আটকে দিচ্ছে? আজ যদি আপনি সেই জিনিসটা চিনে ফেলতে পারেন—তাহলেই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন শুরু হয়ে যাবে।
2026-10-12 15:21:35
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
বান্দা উত্তর দিবে , “ইয়া রব্ব! আমি জানতাম , জানতাম ……… আমি জানতাম” । আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন,“ তাহলে কেন তুমি এই কাজ গুলো করেছিলে ? কেন” ? বান্দা উত্তর দিবে , “ইয়া রব্ব! আপানর সামনে এই পাপের বোঝা নিয়ে দাঁড়িয়ে আমার বিচার করার চেয়ে আমাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা আপনার জন্য অনেক সহজ”। আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন,“ পাতা উল্টাও , পরের পৃষ্ঠায় যাও”। বান্দা পরের পাতায় যেয়ে দেখবে পুরোটাই আগের চেয়েও জঘন্য গুনাহ দ্বারা পরিপূর্ণ । এভাবে সে পুরো আমলনামার পাতা উল্টিয়ে ফেলবে । প্রত্যেকটা পাতাতেই আগের পাতার চেয়ে আরো বেশী , আরো জঘন্য গুনাহ দেখতে পাবে সে । বান্দা প্রচন্ড মন খারাপ করে ফেলবে । প্রচন্ড হতাশ হয়ে সে ভাববে – আমাকে আল্লাহ্ (সুবঃ) নিশ্চয়ই এখনো জাহান্নামের আগুনের গর্তে ফেলে দিবেন । আমি তো ভালো আমলও করেছিলাম ,কিন্তু সেগুলো আমার কাজে আসলো কই ? আমার পাপই আমাকে ধ্বংস করে ছাড়লো! আল্লাহ্ (সুবঃ) বান্দাকে বলবেন , “ ইয়া আব্ দি! তুমি কেন তোমার পাপকাজ গুলো গোপন করে রেখেছিলে দুনিয়ার জীবনে”? বান্দ জবাব দেবে , “ ইয়া রব্ব! আমি আমার পাপগুলো নিয়ে লজ্জিত ছিলাম’। আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন ,“ তুমি কি দেখনি পৃথিবীতে আমি তোমার পাপগুল মানুষের নিকট থেকে গোপন করে রেখেছিলাম । এটা ছিল তোমার প্রতি আমার রহমাহ । আজকেও আমি তোমার পাপগুলো মানুষের নিকট থেকে গোপন করে রাখবো” । [ অন্য একটা বর্ণনায় এসেছে – আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন , “দুনিয়াতে তুমি তোমার মুসলিম ভাইয়ের দোষ গোপন করে রাখতে, তাই আজকে আমিও তোমার দোষ গোপন করে রাখব” ।] আল্লাহ্ (সুবঃ) বান্দাকে বলবেন , “এবার আমলনামার পাতা উল্টাও” । আমলনামা খুলতেই বান্দার চোখ কপালে উঠে যাবে । পুরো আমলনামা জুড়েই শুধু ভালো কাজ । পাপকাজ গুলোর টিকিরও খোঁজ নেই । ফেরেশতারাও জানবে না যে আল্লাহ্ (সুবঃ) বান্দার সমস্ত পাপ আমলনামা থেকে মুছে ফেলে ভালো কাজ দিয়ে পূর্ণ করে দিয়েছেন । অতঃপর বান্দাকে মাফ করে দেওয়া হবে । [সহীহ বুখারি] আল্লাহু আকবর
2026-10-12 15:02:45
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
জানিস দোস্ত গতকাল না কঠিন একটা পাপ করে ফেলেছি । গতকাল রুমে কেউ ছিল না , দরজাটা বন্ধ করে , অনলাইনে যেয়ে ……… ভাই থামেন , আর কথা বাড়াইয়েন না । আপনার যে পাপ কাজের কথা আল্লাহ(সুবঃ) ছাড়া আর কোন কাক পক্ষীও টের পায়নি ,আপনার যে পাপ আল্লাহ (সুবঃ) গোপন করে রেখেছিলেন মানুষের কাছ থেকে, সেটা আপনি নিজে সকলের সামনে প্রকাশ করে দিয়ে , নিজের কি সর্বনাশ করছেন জানলে মাথার চুল একটা একটা করে ছিড়ে চান্দু হয়ে যেতেন তারপরেও আক্ষেপ ফুরাতো না । রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন – আমার সকল উম্মত মাফ পাবে, তবে প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এ বড়ই ধৃষ্টতা যে, কোন ব্যক্তি রাতে অপরাধ করল যা আল্লাহ্ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে ভোর হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এমন এমন কর্ম করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত অতিবাহিত করল যে, আল্লাহ্ তার কর্ম গোপন রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহ্ ’র পর্দা খুলে ফেলল। [সহীহ বুখারি] আরেকটা বর্ণনায়[১] এসেছে – আল্লাহ (সুবঃ) হাশরের ময়দানে ফেরেশতাদের বলবেন যাও আমার অমুক অমুক বান্দাকে ডেকে নিয়ে এসো । ফেরেশতাগন বান্দাদেরকে নিয়ে এসে আল্লাহ (সুবঃ) এর সামনে দাঁড় করিয়ে দিবেন । আল্লাহ (সুবঃ) বান্দাদেরকে বলবেন ,“ হে আমার বান্দা! আমার কাছে এসো । বান্দা আল্লাহ’র (সুবঃ) কাছে এসে দাঁড়াবে আল্লাহ (সুবঃ) বান্দাকে আরো কাছে ডাকবেন । বান্দা আল্লাহ’র (সুবঃ) আরো কাছে যেয়ে দাঁড়াবে । এভাবে বান্দা আল্লাহ’র (সুবঃ) এতো কাছে চলে যাবে যে সে নুর দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে যাবে । আল্লাহ্ (সুবঃ) এবং তার মাঝে শুধু একটা পর্দা থাকবে । কোন ফেরেশতা তাকে আর দেখতেও পাবে না , শুনতেও পাবে না আল্লাহ্ (সুবঃ) এবং বান্দার কথোপকথন । শুধু আল্লাহ্ (সুবঃ) আর তাঁর বান্দা । আল্লাহ্ (সুবঃ) তাঁর বান্দাকে বলবেন , “ইয়া আব্ দি , দেখ তোমার আমলনামা ,তুমি নিজেই দেখ পৃথিবীতে কি করে এসেছো তুমি” । বান্দা তার আমলনামায় চোখ বুলাবে – শুধু পাপ আর পাপ , রাশি রাশি পাপ । আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন ,“ ইয়া আব্ দি ,তুমি কি জানতে না তুমি গোপনে যে কাজ কর আমি সেটাও দেখতে পাই ? তুমি কি জানতে না একদিন তোমাকে আমার সামনে দাঁড়াতে হবে ? তুমি কি জানতে না একদিন আমি তোমার সব কাজের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করব ? বান্দা উত্তর দিবে , “ইয়া রব্ব! আমি জানতাম , জানতাম ……… আমি জানতাম” । আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন,“ তাহলে কেন তুমি এই কাজ গুলো করেছিলে ? কেন” ? বান্দা উত্তর দিবে , “ইয়া রব্ব! আপানর সামনে এই পাপের বোঝা নিয়ে দাঁড়িয়ে আমার বিচার করার চেয়ে আমাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা আপনার জন্য অনেক সহজ”। আল্লাহ্ (সুবঃ) বলবেন,“ পাতা উল্টাও , পরের
2026-10-12 15:02:41
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
নিজেই তো কত-শত পাপ করি আমরা সেটা নিয়ে কি ভেবেছি কখনো আমরা?অথচ অন্যে মানুষ কি পাপ করলো সেটা নিয়ে গিবত করতে ব্যাস্ত আমরা!! এমনিতেই তো আমাদের পাপের কমতি নেই। গিবত করে পাপের বোঝাটা আরও বাড়ানোর দরকার টা কি? অন্যের আমলনামা নিয়ে আলোচনা করে,গিবত করে লাভ টা কি? আমরা যদি দিনশেষে যদি নিজের আমলনামা টা নিয়ে একটু ভাবতাম বা যদি একটু দেখতে পারতাম তাহলে হয়ত আমাদের হাসি উঠে যেতো।কান্না করতাম নিজ আমলনামা নিয়ে। একটিবার ভেবে দেখুন না।সে জায়গায় আমরা অন্য মানুষ কি পাপ কাজ করলো সেই আলোচনা নিয়ে পড়ে আছি? নিজেকে নিয়ে ভাবুন।বেশি বেশি আমল করে রবের প্রিয় হবার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিন।কারো ভুল দেখলে সুন্দরভাবে তাকে বুঝান আর ইসলামের পথে আনার চেষ্টা করুন।কিন্তু কারো আমল নিয়ে গিবত-আলোচনা করে নিজের পাপের বোঝাটা বাড়াইয়েন না। হতেও পারে সে রবের নিকট সেই পাপের কারনে তাওবা করেছে। কারন, প্রতিটা মানুষই পাপি এবং শয়তানের ধোঁকায় পড়ে। উত্তম সে যে তাওবা করে।এবং আল্লাহ ক্ষমা চাওয়ার সাথে সাথেই ক্ষমা করে দেন। তাহলে আমরা কে?আমরা কেনো মানুষের পাপ/অতীত নিয়ে টানাটানি করি? এছাড়াও কেউ কারো মনের খবর আমরা জানিনা।সেক্ষেত্রে অনেক সময়ই যার সমালোচনা করা হয় তার সত্যটাও আমরা জানিনা।না জেনেই হুজুগে গা ভাসিয়ে দেই। এটা কি ঠিক? সেম কাজটা যদি আপনার সাথে ঘটতো কেমন লাগতো? অতএব, নিজের আমলনামা নিয়ে ভাবুন।কারো ভুল দেখলে যত্ন সহকারে শুধরিয়ে দিন। না পারলে চুপ থাকুন। কিন্তু ট্রল করা থেকে বা গিবত করা থেকে বিরত থাকুন।
2026-10-12 15:06:28
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
যে পাপে মুহূর্তেই শূন্য হয়ে যেতে পারে পুরো আমলনামা! গীবত— নীরব কিন্তু ভয়ংকর একটি পাপ। মানুষ নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, দান-সদকা করে, তাহাজ্জুদে কাঁদে— তারপরও এমন একটি পাপ আছে, যা নিঃশব্দে তার নেক আমলগুলোকে ধ্বংস করে দিতে পারে। হাশরের ময়দানে যখন মানুষ নিজের আমলনামা হাতে পাবে, তখন কেউ আনন্দে উজ্জ্বল হবে, আবার কেউ হতবাক হয়ে যাবে। কল্পনা করুন, একজন মানুষ দেখছে— তার নামাজ নেই, রোজা নেই, দান নেই, কোনো নেক আমলই অবশিষ্ট নেই সে কাঁদতে কাঁদতে বলবে— ‘ইয়া আল্লাহ! আমি তো ইবাদত করতাম, আমার আমলগুলো কোথায় গেল?’ তখন তাকে বলা হবে— ‘তুমি মানুষের সম্মান নষ্ট করেছিলে, গীবত করেছিলে। তাই আজ তোমার আমলগুলো অন্যদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ এই ভয়ংকর বাস্তবতার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন প্রখ্যাত তাবেঈ সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রহ.)। গীবত— নীরব কিন্তু ভয়ংকর একটি পাপ গীবতকে আল্লাহ এমন ঘৃণ্যভাবে উপস্থাপন করেছেন, যেন মানুষ নিজের মৃত ভাইয়ের গোশত খাচ্ছে। কারণ গীবত মানুষের সম্মানকে হত্যা করে, সম্পর্ক ধ্বংস করে এবং অন্তরকে কালো করে দেয়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন— وَلَا يَغْتَب بّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبّأَحَدُكُمْأَن يَأْكُلَلَحْمَأَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ‘তোমরা একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? নিশ্চয়ই তোমরা তা অপছন্দ করবে।’ (সুরা আল-হুজুরাত: আয়াত ১২) গীবত কী? কারও দোষ, দুর্বলতা বা অপছন্দনীয় বিষয় তার অনুপস্থিতিতে আলোচনা করাই গীবত—তা সত্য হলেও। রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন— أَتَدْرُونَمَا الْغِيبَةُ؟ ‘তোমরা কি জানো গীবত কী?’ সাহাবিরা বললেন, ‘আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন।’ তখন তিনি (সা.) বললেন— ذِكْرُكَأَخَاكَبِمَا يَكْرَهُ‘তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপছন্দ করে।’ (মুসলিম ২৫৮৯) কিয়ামতের দিন নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ভয়ংকর দৃশ্য এটাই সেই ভয়ংকর পরিণতি, যেখানে একটি মানুষের বহু বছরের ইবাদত অন্যদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হবে শুধুমাত্র জিহ্বার গুনাহের কারণে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— إِنّالْمُفْلِسَمِنْأُمّتِي يَأْتِي يَوْمَالْقِيَامَةِ بِصَلَاةٍ وَصِيَامٍ وَزَكَاةٍ، وَيَأْتِي قَدْشَتَمَهَذَا وَقَذَفَهَذَا وَأَكَلَمَالَهَذَا... ‘আমার উম্মতের প্রকৃত নিঃস্ব ব্যক্তি সে, যে কেয়ামতের দিন নামাজ, রোজা ও জাকাত নিয়ে আসবে; কিন্তু সে কাউকে গালি দিয়েছে, কারও ওপর অপবাদ দিয়েছে, কারও সম্পদ ভক্ষণ করেছে…। অতঃপর তার নেক আমলগুলো মজলুমদের দিয়ে দেওয়া হবে। আর নেক আমল শেষ হয়ে গেলে তাদের গুনাহ তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (মুসলিম ২৫৮১)
2026-10-12 15:08:04
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
২১. মজলিস-বৈঠকে দুরূদ পাঠ করা হলে, সেটা হয়ে উঠবে উত্তম সভায়। কেয়ামতের দিন এই সভা আফসোসের কারণ হবে না। ২২. দারিদ্র্য দূর হবে। সচ্ছলতা আসবে জীবনে। ২৩. অন্তর থেকে কৃপণতা দূর হয়ে যাবে। মনটা হবে উদার। ২৪. অন্য কারো বদ দু‘আর অনিষ্ট থেকে বাঁচা যাবে। ২৫. জান্নাতের পথ সুগম হবে। কারণ দুরূদ শরীফ তার পাঠকারীর জন্যে জান্নাতের পথকে আসান করে দেয়। দুরূদ পাঠ না করলে, জান্নাতের পথ ভুল হয়ে যায়। ২৬. যে মজলিসে আল্লাহর যিকির হয় না, সে মজলিস থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। দুরুদ পাঠ করলে, এই দুর্গন্ধ থেকে বাঁচা যাবে। ২৭. কথা-বক্তৃতায় দুরূদ সংযোজন করলে, সেটা পূর্ণতা লাভ করে। বরকতপূর্ণ হয়। ২৮. পূলসিরাতে আলোর প্রাচুর্য থাকবে। পর্যাপ্ত আলোতে সেটা পার হওয়া সহজ হবে। ২৯. মনের রুক্ষতা রূঢ়তা থেকে বের হয়ে আসা যাবে। ৩০. আল্লাহ তা‘আলা দুরূদ পাঠকারী সম্পর্কে আসমানবাসীদের সাথে প্রশংসাসূচক আলোচনা করবেন। ৩১. জীবনের সবক্ষেত্রে বরকত দেখা দেবে। ৩২. আল্লাহর রহমতের ভাগীদার হওয়া যাবে। ৩৩. নবীজির প্রতি মহব্বতের বহিঃপ্রকাশ হবে। দুরূদ পাঠের মাধ্যমে এই মুহব্বত দিনদিন আরো বৃদ্ধি পাবে। ৩৪. দুরুদ পাঠকারীর প্রতিও নবীজির মহব্বত স্থায়ী রূপ নেবে। ৩৫. বান্দা হেদায়াতের উপর থাকবে। তার কলব তাজা থাকবে। ৩৬. দুরূদ পাঠকারীর নাম নবীজির কাছে পেশ করা হবে। এ-এক মহাসৌভাগ্য। ৩৭. সিরাতে মুস্তাকীমের উপর অবস্থান সুদৃঢ় হবে। ৩৮. উম্মতের প্রতি নবীজির অনেক হক আছে। দুরূদ পাঠের মাধ্যমে সামান্য হলেও হক আদায় করা হবে। ৩৯. দুরূদ পাঠের মাধ্যমে শুধু দুরূদ পাঠই হয়, আল্লাহর যিকির ও হামদও পাশাপাশি হয়ে যায়। ৪০. দুরূদ পাঠ মানে? ক. দুরূদ পাঠ আসলে একপ্রকার দু‘আ-ই। খ. আল্লাহ তা‘আলাকে বলা, তিনি যেন তার হাবীব সা.-এর প্রশংসা করেন। গ. পরোক্ষভাবে নিজের প্রয়োজন-চাহিদার কথা আল্লাহর কাছে তুলে ধরা। - (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
2026-10-12 14:58:49
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
যে দোয়া পড়লে আল্লাহ ১০ লক্ষ নেকী (পুণ্য) লিখে দেবেন, তার আমলনামা থেকে ১০ লক্ষ গুনাহ (পাপ) মুছে দেবেন, এবং আল্লাহর দরবারে তার মর্যাদা ১০ লক্ষ গুণ বৃদ্ধি করবেন। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তার জন্য জান্নাতে একটি বিশেষ ঘর নির্মাণ করা হবে।) দোয়াটি হলো. "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ী ওয়া ইয়ুমীতু, ওয়া হুয়া হাইয়্যুন লা ইয়ামূতু, বিয়াদিহিল খাইরু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।"
2026-10-12 14:52:59
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
(সূরা কাসাস: ২৪) তারপর? একসাথে সব – বিয়ে, ঘর, চাকরি, পরিবার, নিরাপত্তা। চাওয়ার চেয়ে বেশি। শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন? সেজদায় গিয়ে বলুন - "রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।" নির্দিষ্ট করে চাইতে হবে না - "যেকোনো খাইর।" আল্লাহ জানেন আপনার কী দরকার। তিনি চাওয়ার চেয়ে বেশি দেন। মুসা (আ.)-কে দিয়েছেন - আপনাকেও দেবেন। দোয়া ৪: একাকীত্ব – যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া শেষ রাত। বাড়িতে একা। বা প্রবাসে একা। বা সংসারে থেকেও একা না। কেউ বোঝে না, কেউ পাশে দাঁড়ায় না, কেউ কষ্টটা অনুভব করে যাকারিয়া (আ.) বৃদ্ধ। সন্তান নেই। কে তাঁর কাজ এগিয়ে নেবে? কে সঙ্গ দেবে? তিনি বললেন - رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَخَيْرُالْوَارِثِينَউচ্চারণ: রাব্বি লা তাযারনি ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন। (সূরা আম্বিয়া: ৮৯) শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন? একা ঘরে। সেজদায়। কাঁদতে কাঁদতে বলুন - "রাব্বি লা তাযারনি ফারদান।" ইয়া আল্লাহ, আমাকে একা রাখবেন না। সঙ্গী দিন। সন্তান দিন। বন্ধু দিন। পরিবার ফিরিয়ে দিন। দোয়া ৫: গুনাহের বোঝা – মুমিনদের দোয়া শেষ রাত। চিন্তা অন্য রকম। রোেগ না, টাকা না, একাকীত্ব না — গুনাহ। অতীতের গুনাহ তাড়া করছে। মনে হচ্ছে — "আমি এত গুনাহ করেছি, আল্লাহ কি মাফ করবেন?" "আমি কি জান্নাতে যেতে পারব?" সূরা আলে ইমরানে মুমিনদের দোয়া رَبّنَا إِنّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ أَنْآمِنُوا بِرَبِّكُمْفَآمَنّا رَبّنَا فَاغْفِرْلَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفّرْعَنّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفّنَا مَعَالْأَبْرَارِ উচ্চারণ: রাব্বানা ইন্নানা সামিনা মুনাদিইয়্যান ইউনাদি লিলঈমানি আন আমিনু বিরাব্বিকুম ফাআমান্না, রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা ওয়া তাওয়াফফানা মাআল আবরার। (সূরা আলে ইমরান: ১৯৩) শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন? সেজদায় গিয়ে কাঁদুন। অতীতের গুনাহ মনে করুন। আল্লাহর কাছে বলুন – "রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনুবানা।" আমার সব গুনাহ ক্ষমা করুন। "ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা।" আমার পাপ মুছে দিন। "ওয়া তাওয়াফফানা মাআল আবরার।" নেককারদের সাথে মৃত্যু দিন। রেফারেন্স: সূরা আম্বিয়া: ৮৩, ৮৭, ৮৯ সূরা কাসাস: ২৪ সূরা আলে ইমরান: ১৯৩, ১৯৫ সূরা মারইয়াম: ৪ সহীহ বুখারী: ১১৪৫ – সহীহ মুসলিম: ৭৫৮ – জামে তিরমিযী ৩৫০৫
2026-10-12 14:55:26
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
✴️“একটিই তো পাপ!” — কিন্তু সেই একটিই ছিল ধ্বংসের ফাঁস তুমি ভাবলে, “আমি তো নামাজ পড়ি, আমি তো রোযা রাখি, আমি তো হজ্জ করেছি… একটা পাপ করেছি, তাও ছোট — আল্লাহ তো গফুরুর রহীম!” তুমি সত্য বলেছো — আল্লাহর রহমত অসীম। তিনি একটি ভালো কাজের বদলে ১০, ৭০, এমনকি ৭০০ গুণ পর্যন্ত সওয়াব দেন। (সূরা আল-আম্বিয়া ৪৭, সহীহ বুখারী: ৭৪৯৩) কিন্তু… তুমি কি জানো, একটি কবীরা গুনাহ — একটি মাত্র পাপ — কোটি কোটি নেক আমলকে আগুনে জ্বালিয়ে ছাই করে দেয়! একটা পাপ, কোটি নেকির কবর! একবার গিবত — একবার রিয়া (লোক দেখানো) — একবার অহংকার — একবার হারাম দৃষ্টিতে তাকানো — একবার সুদে চুক্তি — এই একবারই যথেষ্ট, যদি তওবা না করো, তবে সে পাপ তোমার কোটি কোটি নামাজ, রোযা, হজ্জ, কোরআন তিলাওয়াত, দান — সবকিছুকে ধ্বংস করে দিতে পারে! “তাদের কিছু লোক কিয়ামতের দিন পাহাড়সম নেক আমল নিয়ে আসবে, আর আল্লাহ তা ধূলিকণার মতো উড়িয়ে দেবেন!” — সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস: ৪২৪৫ কারণ? কারণ তারা করেছিল গোপন পাপ, তাদের অন্তর ছিল নাপাক, তারা ভাবত — “আমার আমল তো অনেক! একটা পাপ কিছুই না।” পাপের ওজন বনাম নেকির সংখ্যা “জান্নাতের চাবি হলো ওজনের ভারী আমলনামা — সংখ্যা নয়।” — সূরা আল-আ’রাফ, আয়াত ৮-৯ আজ তুমি সান্ত্বনা নিচ্ছো: “নেকি তো ৭০০ গুণ বাড়ে…” হ্যাঁ, বাড়ে। কিন্তু শুনো: একটি কবীরা গুনাহ — যথেষ্ট, যেন পুরো জীবনভর সঞ্চিত নেকির পাহাড় ধসে পড়ে মুহূর্তেই। যেমন পাহাড়ে আগুন ধরলে তা ধ্বংস হয়ে যায়, তেমনি কবীরা গুনাহ — সুদ, রিয়া, গিবত, অহংকার, কুফর, শিরক, তাওবা ছাড়াই গোপন পাপ — এসবই এক একটি ভেতর থেকে পোড়ানো আগুন, যা বাইরের সুন্দর আমলনামাকে ছাই বানিয়ে দেয়। সেই একবার… সেই একবার হারাম মেসেজ পাঠানো, সেই একবার কারো সম্মানহানিকর পোস্ট, সেই একবার ব্যাংকে সুদের চুক্তি, সেই একবার “দেখি না, কী হয়” ভেবে গুনাহে লিপ্ত হওয়া… সেই একবারই হতে পারে তোমার দোজখের টিকিট। হৃদয় দিয়ে বুঝো: তোমার আমলনামায় হয়তো ৭০০০ রাকাআত নামাজ আছে, কিন্তু তাতে যদি রিয়া মিশে থাকে — তবে ঐ নামাজ তোমার জন্য শাস্তি হবে। তোমার কাঁধে হয়তো ৭০০০ দানের সওয়াব, কিন্তু যদি তা দিয়ে লোক দেখানো হয়, তবে সেসব জাহান্নামের কাঠ হবে। আজই থেমে যাও… কারণ তুমি জানো না — তোমার কোনো একটা পাপ, হয়তো আজ তোমার সমস্ত আমলনামাকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে, আর তুমি ভাবছো — “আল্লাহ তো ক্ষমাকারী!” হ্যাঁ, তিনি ক্ষমাকারী — তবে তিনি সেই বান্দাকেই ক্ষমা করেন, যে সত্যিকারের ভয়ে কাঁদে। “নেকির পরিমাণ ৭০০ গুণ বাড়ানো হয় ঠিকই, কিন্তু একটা পাপের ওজন — কোটি নেকির কবর।”
2026-10-12 15:04:05
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
দরুদ পাঠের ফজিলত ✨ _____________________ রাব্বে কারীম আমাদেরকে হুকুম করেছেন: -তোমরা তার প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটা কেন বলেছেন? আমাদের উপকারের জন্যে। লাভের জন্যে। উন্নতির জন্যে। দুরুদ পড়লে কী লাভ? ০১. আল্লাহ তা‘আলা দুরূদ শরীফ পড়তে বলেছেন। দুরূদ পাঠ করলে, আল্লাহর হুকুম পালন করা হবে। এতে আল্লাহ খুশি হবেন। তিনি খুশি হলে, আমাদের আর কিছুর প্রয়োজন হবে না। ০২. সালাত মানে দুরূদ পাঠ। আল্লাহ তা‘আলাও নবীজির প্রতি দুরূদ পাঠ করেন। আমরা যদি দুরূদ পাঠ করি, তাহলে আমাদের একটা কাজ আল্লাহর কাজের সাথে মিলে যাবে। এ-এক দুর্লভ সৌভাগ্য। তবে নবীজির প্রতি আল্লাহর ‘সালাত’ আর আমাদের সালাতের মাঝে পার্থক্য আছে। আমাদের সালাত মানে, নবীজির জন্যে আল্লাহর কাছে রহমতের দু‘আ করা। আর আল্লাহর সালাত মানে, নবিজীর প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষণ করা। ০৩. ফিরিশতাগণও নবীজির প্রতি দুরূদ করেন। আমরা দুরূদ পাঠ করলে, আমাদের কাজ আর ফিরিশতাগণের কাজ এক হয়ে যাবে। ০৪. আমি নবীজির প্রতি একবার সালাত পাঠ করলে, আল্লাহ তা‘আলা আমার প্রতি দশবার সালাত (রহমত) বর্ষণ করবেন। ০৫. একবার দুরূদ পাঠের মাধ্যমে আমার দশটা দরজা (মর্যাদা) বুলুন্দি হবে। ০৬. একবার দুরূদ পাঠ করলে, দশটা নেকি আমার আমলনামায় লেখা হবে। ০৭. একবার দুরূদ পাঠ করলে, আমলনামা থেকে দশটা গুনাহ মুছে দেয়া হবে। ০৮. দুরূদ শরীফ দু‘আ কবুলের জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এজন্য দু‘আর আগে দুয়েকবার দুরূদ শরীফ পড়ে নেয়া ভাল। ০৯. দুরূদ পাঠের ফযীলত শুধু দুনিয়াতেই নয়, আখেরাতেও পাওয়া যাবে। দুরূদ পাঠ করলে কেয়ামতের দিন নবীজির শাফায়াত নসীব হবে। ১০. অসংখ্য পাপ করলেও, দুরুদের বরকতে মাফ পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনতা তৈরী হবে। ১১. দুঃখ-দুশ্চিন্তায় আল্লাহ তা‘আলা তার পাশে থাকবেন। ১২. দুরুদপাঠের মাধ্যমে কেয়ামতের দিন নবীজির নৈকট্য লাভ করা যাবে। ১৩. একবার দুরূদপাঠ দশবার সাদাকার সমতুল্য। ১৪. আল্লাহ আমার বিভিন্ন হাজত পুরো করে দেবেন। সমস্যা থাকলে সমাধান করে দেবেন। বিপদ থাকলে উদ্ধার করে দেবেন। ১৫. আমি দুরূদ পাঠ করলে, আল্লাহ তা‘আলা ও ফিরিশতাগণও পাঠ করবেন। আমার সাথে সাথে সাথে। ১৬. আমার চিত্ত বিশুদ্ধ হবে। কলব সাফ হবে। ময়লা দূর হবে। ১৭. মৃত্যুর পূর্বের জান্নাতের সুসংবাদ লাভ হবে। ১৮. কেয়ামত দিবসের ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কারণ হবে। ১৯. স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে। কিছু ভুলে গেলে মনে পড়বে। ২০. দুরূদ পাঠ করলে, নবীজি তার উত্তর দেন। সেটা হবে আমার জন্যে বরকতের। ২১. মজলিস-বৈঠকে দুরূদ পাঠ করা হলে, সেটা হয়ে উঠবে উত্তম সভায়। কেয়ামতের দিন এই সভা আফসোসের কারণ হবে না।
2026-10-12 14:58:45
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
সিজদায় মাথা রেখে ২১ বার পড়ুন "ইয়া আর হামার রাহিমীন" মাথা উঠানোর আগে আগেই দোয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ.!'
2026-10-12 14:57:19
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
যে পাপে পুরো আমলনামা শূন্য হয়ে যাবে! হাশরের ময়দানে যখন বান্দার হাতে তার আমলনামা দেওয়া হবে, সে হতবাক হয়ে দেখবে- তার নামাজ নেই, রোজা নেই, দান নেই, কোনো নেক আমলই নেই! সে কাঁদতে কাঁদতে বলবে- "ইয়া আল্লাহ! এটা তো নিশ্চয়ই অন্য কারও আমলনামা! আমার তো ভালো আমল ছিল-এগুলো কোথায় গেল?" ফেরেশতারা তখন বলবে- "তোমার রব ভুল করেন না, ভুলেও যান না। তোমার সব আমল মুছে দেওয়া হয়েছে, কারণ তুমি দুনিয়ায় মানুষকে গীবত করতে।" প্রখ্যাত তাবেয়ী সাইদ ইবনু যুবাইর (রহ.)
2026-10-12 14:51:28
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
আল্লাহুম্মাগ ফিরলি ইয়া রব্বানা রাতে ঘুমানোর আগে ৭ বার পড়ুন আল্লাহ তায়ালা সকল মনের ইচ্ছো পুরন করে দিবেন ইনশাআল্লাহ...!
2026-10-12 14:57:01
0
amatullahafroj
Amatullah Afroj :
কুরআনে ৫টা দোয়া' শেষ রাতে পড়লে, আল্লাহ সরাসরি সাড়া দেন ৫টা সমস্যার ৫টা সমাধান।🤍 - বিস্তারিত নিচে দেওয়া👇 শেষ রাতের ৫টা দোয়া - ৫টা সমস্যা - আল্লাহ নিজে বলেছেন "সাড়া দেবো" রাত ৩টা।🤲 পুরো শহর ঘুমিয়ে। কিন্তু আপনি জেগে আছেন। ঘুম আসছে না। কারণ মাথায় চিন্তা ঘুরছে। রোগের চিন্তা। টাকার চিন্তা। একাকীত্বের চিন্তা। গুনাহের বোঝা। অন্ধকার ভবিষ্যতের ভয়। বালিশে মুখ চেপে কাঁদছেন – কেউ দেখছে না। কিন্তু একজন দেখছেন। দোয়া ১: রোগে পড়েছেন — আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া শেষ রাত। ঘুম নেই। শরীরে ব্যথা। ওষুধ খেয়েছেন – কাজ হচ্ছে না। ডাক্তার বলেছে "কঠিন।" পরিবার চিন্তিত। আপনি অসহায়। আইয়ুব (আ.) ১৮ বছর এই অবস্থায় ছিলেন। ১৮ বছর। সম্পদ গেছে। সন্তান গেছে। শরীরে এমন রোগ যে মানুষ কাছে আসতো না। শুধু স্ত্রী পাশে ছিলেন। কিন্তু তিনি একটিবারও অভিযোগ করেননি। শুধু বলেছেন- أَنِّي مَسّنِي الضّرّوَأَنتَأَرْحَمُالرّاحِمِينَউচ্চারণ: আন্নি মাসসানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন। শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন? ফজরের ৩০-৪০ মিনিট আগে উঠুন। ওযু করুন। ২ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ুন। সেজদায় গিয়ে এই দোয়া পড়ুন - "আন্নি মাসসানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন।" নাম ধরে কাঁদুন - "ইয়া আল্লাহ, আমাকে সুস্থ করুন।" সেই সময় আল্লাহ বলছেন "কে চাইবে? দেবো।" আপনি সুস্থতা চাইছেন। আল্লাহ দেবেন না? ১৮ বছরের রোেগও সারিয়েছেন – আপনারটাও সারাবেন। দোয়া ২: চারদিকে অন্ধকার – ইউনুস (আ.)-এর দোয়া শেষ রাত। অন্ধকার ঘরে বসে আছেন। চাকরি নেই। ব্যবসা ডুবে গেছে। ঋণ বাড়ছে। কোনো পথ দেখছেন না। মনে হচ্ছে সব শেষ। সেখান থেকে ডাকলেন - لّا إِلَهَإِلّا أَنتَسُبْحَانَكَإِنِّي كُنتُمِنَالظّالِمِينَউচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন। (সূরা আম্বিয়া: ৮৭) শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন? সেজদায় গিয়ে বারবার পড়ুন - "লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন।" ৪০ বার। ১০০ বার। কাঁদতে কাঁদতে। আল্লাহ মাছের পেট থেকে বের করেছেন আপনার অন্ধকার থেকেও বের করবেন। দোয়া ৩: রিজিকের সংকট – মুসা (আ.)-এর দোয়া শেষ রাত। চিন্তা ঘুরছে – মাসের ভাড়া কীভাবে দেবো? সন্তানের স্কুলের বেতন? বাবা-মায়ের ওষুধ? মাসের শেষে সবসময় শূন্য। মুসা (আ.) মাদইয়ানে এসেছিলেন – একা, পরদেশি, ক্ষুধার্ত। ঘর নেই, চাকরি নেই, টাকা নেই, খাবার নেই, পরিবার নেই। কিছুই নেই। গাছের ছায়ায় বসে বললেন رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَإِلَيّمِنْخَيْرٍ فَقِيرٌ উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর। (সূরা কাসাস: ২৪)
2026-10-12 14:55:21
0
To see more videos from user @amatullahafroj, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos


About