@tahne18_5:

Tahne
Tahne
Open In TikTok:
Region: VN
Tuesday 13 October 2026 04:28:57 GMT
144
6
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @tahne18_5, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

এবার  কুষ্টিয়ার মেয়ের প্রেমে ছুটে আসলেন পাকিস্তানি যুবক। ফেসবুকে পরিচয় থেকে বিয়ে, পাকিস্তানি যুবক এখন কুষ্টিয়ায় ফেসবুকে পরিচয়। এরপর বন্ধুত্ব, ভালো লাগা আর নিয়মিত কথোপকথন। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে, আর শেষ পর্যন্ত বিয়েতে। দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হওয়া কুষ্টিয়ার লাবনী ও পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাসিন্দা ফারহানের সম্পর্ক এখন সংসারে রূপ নিয়েছে। বিয়ের পর পাকিস্তানে প্রায় ছয় মাস কাটিয়ে বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে কুষ্টিয়ায় অবস্থান করছেন ফারহান। ভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও পারিবারিক পরিবেশের এই দম্পতিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার বাসিন্দা লাবনী। প্রায় দুই বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাসিন্দা ফারহানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শুরুতে সাধারণ বন্ধুত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল তাদের যোগাযোগ। তবে নিয়মিত কথা বলতে বলতে একসময় দুজনের মধ্যে তৈরি হয় ভালো লাগা। পরিচয়ের শুরুর দিকে লাবনী একটি ফেক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন। ওই আইডিতে অন্য এক তরুণীর ছবি দেওয়া ছিল। ফারহান যখন তার আসল পরিচয় জানতে চান এবং ছবি দেখতে চান, তখন ভুল করে ওই তরুণীর ছবিই তাকে পাঠিয়ে দেন লাবনী। পরে ভিডিও কলে কথা বলার সময় বিষয়টি পরিষ্কার হয় এবং প্রকাশ পায় লাবনীর আসল পরিচয়। তবে এ ঘটনায় তাদের যোগাযোগ থেমে যায়নি। বরং সত্য জানার পরও নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথাবার্তার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। একপর্যায়ে লাবনীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ফারহান। বিষয়টি দুই পরিবারকে জানানো হলে পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। প্রায় সাত মাস আগে অনলাইনে বিয়ে করেন লাবনী ও ফারহান। এরপর ফারহান পাকিস্তানে নিয়ে গেলে দেশটির আইন অনুযায়ীও তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর প্রায় ছয় মাস পাকিস্তানে একসঙ্গে সংসার করেন তারা। পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন ফারহান। বর্তমানে কুষ্টিয়াতেই বসবাস করছেন এই দম্পতি। দুই দেশের নাগরিক হলেও দাম্পত্য জীবন নিয়ে তাদের রয়েছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। দুজনেরই ১০ বছরের ফ্যামিলি ভিসা রয়েছে বলে জানান তারা। বাংলাদেশে বসবাসের পাশাপাশি পাকিস্তানি পোশাক, বিশেষ করে থ্রি-পিস এনে অনলাইনে ব্যবসা করার পরিকল্পনাও করছেন এই দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া সম্পর্ক যে কখনো কখনো দেশের সীমানাও পেরিয়ে যেতে পারে, লাবনী ও ফারহানের গল্প যেন তারই একটি উদাহরণ। ফেসবুকের পরিচয় থেকে শুরু হওয়া তাদের সম্পর্ক এখন কুষ্টিয়ার মাটিতে নতুন সংসারের পথচলা শুরু করেছে।
এবার কুষ্টিয়ার মেয়ের প্রেমে ছুটে আসলেন পাকিস্তানি যুবক। ফেসবুকে পরিচয় থেকে বিয়ে, পাকিস্তানি যুবক এখন কুষ্টিয়ায় ফেসবুকে পরিচয়। এরপর বন্ধুত্ব, ভালো লাগা আর নিয়মিত কথোপকথন। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে, আর শেষ পর্যন্ত বিয়েতে। দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হওয়া কুষ্টিয়ার লাবনী ও পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাসিন্দা ফারহানের সম্পর্ক এখন সংসারে রূপ নিয়েছে। বিয়ের পর পাকিস্তানে প্রায় ছয় মাস কাটিয়ে বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে কুষ্টিয়ায় অবস্থান করছেন ফারহান। ভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও পারিবারিক পরিবেশের এই দম্পতিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার বাসিন্দা লাবনী। প্রায় দুই বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাসিন্দা ফারহানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শুরুতে সাধারণ বন্ধুত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল তাদের যোগাযোগ। তবে নিয়মিত কথা বলতে বলতে একসময় দুজনের মধ্যে তৈরি হয় ভালো লাগা। পরিচয়ের শুরুর দিকে লাবনী একটি ফেক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন। ওই আইডিতে অন্য এক তরুণীর ছবি দেওয়া ছিল। ফারহান যখন তার আসল পরিচয় জানতে চান এবং ছবি দেখতে চান, তখন ভুল করে ওই তরুণীর ছবিই তাকে পাঠিয়ে দেন লাবনী। পরে ভিডিও কলে কথা বলার সময় বিষয়টি পরিষ্কার হয় এবং প্রকাশ পায় লাবনীর আসল পরিচয়। তবে এ ঘটনায় তাদের যোগাযোগ থেমে যায়নি। বরং সত্য জানার পরও নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথাবার্তার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। একপর্যায়ে লাবনীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ফারহান। বিষয়টি দুই পরিবারকে জানানো হলে পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। প্রায় সাত মাস আগে অনলাইনে বিয়ে করেন লাবনী ও ফারহান। এরপর ফারহান পাকিস্তানে নিয়ে গেলে দেশটির আইন অনুযায়ীও তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর প্রায় ছয় মাস পাকিস্তানে একসঙ্গে সংসার করেন তারা। পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন ফারহান। বর্তমানে কুষ্টিয়াতেই বসবাস করছেন এই দম্পতি। দুই দেশের নাগরিক হলেও দাম্পত্য জীবন নিয়ে তাদের রয়েছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। দুজনেরই ১০ বছরের ফ্যামিলি ভিসা রয়েছে বলে জানান তারা। বাংলাদেশে বসবাসের পাশাপাশি পাকিস্তানি পোশাক, বিশেষ করে থ্রি-পিস এনে অনলাইনে ব্যবসা করার পরিকল্পনাও করছেন এই দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া সম্পর্ক যে কখনো কখনো দেশের সীমানাও পেরিয়ে যেতে পারে, লাবনী ও ফারহানের গল্প যেন তারই একটি উদাহরণ। ফেসবুকের পরিচয় থেকে শুরু হওয়া তাদের সম্পর্ক এখন কুষ্টিয়ার মাটিতে নতুন সংসারের পথচলা শুরু করেছে।

About