@nong.avaja: ตุ๊กตาฮาโลวีนมีไฟ เปิดปิดได้ เพิ่มความหลอนให้กับโต๊ะทำงาน #halloween #ฮาโลวีน

มี๊ส้ม ขายไปทั่วรีวิวไปเรื่อย
มี๊ส้ม ขายไปทั่วรีวิวไปเรื่อย
Open In TikTok:
Region: TH
Friday 16 October 2026 01:59:01 GMT
317
13
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @nong.avaja, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আফসোস! যে মেয়েটা বাইরে বের হওয়ার আগে সাজার সময় মনে মনে চিন্তা করে যে, আমার চেহারা, চুল, সৌন্দর্য, সাজগোজ, শরীরের ভাঁজ, কাপড়ের ডিজাইন দেখে পরপুরুষ আকৃষ্ট হবে, সবাই তাকিয়ে থাকবে, প্রশংসা করবে। আবার সেই মেয়েটাকেই রাস্তায় যখন কোনো পুরুষ হা করে তাকিয়ে থাকে আর খারাপ চিন্তা করে তৃপ্তির ঢেকুর গিলে, তখন সে মনে মনে ভাবে, আমি কতই না সুন্দরী! আমার কতই না চাহিদা! কিন্তু যখন কোন ব্যাক্তি ওই মেয়েকে দেখে যেসব জল্পনা-কল্পনা করেছে, তা যদি সামনাসামনি বলে, তাহলে ওই ব্যাক্তি খারাপ। মেয়েটা ওই ব্যক্তির গালে সজোরে থাপ্পড় মারবে— এটাই স্বাভাবিক। হায় আফসোস! আফসোস! আফসোস! কত বড় বুঝের ভুল! আরে, আমার বুঝে আসে না, বোন! তুমি কী দেখাতে চাচ্ছ? তুমি কি জানো, পুরুষ তোমার শরীর দেখে কত বাজে চিন্তা করে? হ্যাঁ, তুমি নিজেও জানো মানুষ তোমাকে দেখে কেন আকৃষ্ট হয়, কী চিন্তা করে। হ্যাঁ, তুমি ভালো করেই জানো। কিন্তু তারপরও তোমার মন চায়, আমার রূপ দেখে সবাই আকৃষ্ট হোক। কিন্তু যখন কেউ তোমাকে মনের কথাটা মুখ ফুটে বলে, তখন তোমার খারাপ লাগে। অথচ মনে মনে সে তোমাকে নিয়ে যা-ই কল্পনা করুক, সেটা খারাপ লাগে না। আরে, আমি একজন পুরুষ হয়ে বলছি। পুরুষের নজর এত খারাপ, এত বাজে— একজন পুরুষ তার চিন্তা-ভাবনায় কোনো নারীকে নিয়ে এমন সব কল্পনা করে, যা কোনো নারী কোনোদিন কল্পনাও করতে পারবে না। অথচ তুমি সারাদিনে হাজারো পুরুষের কল্পনার প্রধান চরিত্র হিসেবে আছো। আর সেটা যদি ভিডিও আকারে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়, তাহলে তো নিত্যনতুন কোটি মানুষের চাহিদার খোরাক! কিন্তু তোমাকে কে বুঝাবে? এটা তুমি জানো, কিন্তু বুঝতে চাও না। না বুঝলে তোমার ভাইকে জিজ্ঞেস করো, আমি যা বলেছি তা সত্য কি না। তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করো, তোমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করো! আর কাকেই-বা জিজ্ঞেস করবে! তাদের তো তোমাকে সাজিয়ে-গুজিয়ে পরপুরুষের সামনে ভোগ্যপণ্য হিসেবে উপস্থাপন করতে ভালো লাগে। তাদের কি কোনো আত্মসম্মান আছে, নাকি? তারা হয়তো ভাবে, আমরা অন্য মেয়েদের দেখে যেমন বাজে চিন্তা করে তৃপ্তির ঢেকুর তুলি, তেমনি আমার মেয়ে/বোন/স্ত্রীকে দেখেও অন্যরা তুলুক! নাকি? এটাই তো! নাহলে তারা কেনই-বা তোমাকে এত বাজেভাবে উপস্থাপন করবে? আমার মাথায় তো আর কোনো কথা আসে না। আরে, সেই সব মেয়ের বাবা/ভাই/স্বামী! আপনারা কি জানেন না যে, অন্য মেয়েদের রাস্তায় বা মোবাইলে দেখে একজন পুরুষের মনে কী চিন্তা আসে? আপনিও তো পুরুষ, তাই না? আপনার থেকে ভালো আর কে বুঝবে? তাহলে আপনি কীভাবে আপনার মেয়ে/বোন/স্ত্রীকে একই পোশাকে রাস্তায় পাঠান? মোবাইল নিয়ে শরীরের ভাঁজ দেখিয়ে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়তে দেন? আপনার কি গায়রাত নেই? আহ! এই আফসোস রাখার জায়গা কোথায়? যদি আমি সেই সব ভাই-বোনদের বুঝাতে পারতাম, গায়রাত কী জিনিস, সম্মান কী জিনিস, ইজ্জত কী জিনিস, আর পর্দা কী জিনিস! হায় আফসোস! একজন মুমিন পুরুষ তার মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যাকে আল্লাহর আমানত হিসেবে দেখে। সে কখনো তাদের
আফসোস! যে মেয়েটা বাইরে বের হওয়ার আগে সাজার সময় মনে মনে চিন্তা করে যে, আমার চেহারা, চুল, সৌন্দর্য, সাজগোজ, শরীরের ভাঁজ, কাপড়ের ডিজাইন দেখে পরপুরুষ আকৃষ্ট হবে, সবাই তাকিয়ে থাকবে, প্রশংসা করবে। আবার সেই মেয়েটাকেই রাস্তায় যখন কোনো পুরুষ হা করে তাকিয়ে থাকে আর খারাপ চিন্তা করে তৃপ্তির ঢেকুর গিলে, তখন সে মনে মনে ভাবে, আমি কতই না সুন্দরী! আমার কতই না চাহিদা! কিন্তু যখন কোন ব্যাক্তি ওই মেয়েকে দেখে যেসব জল্পনা-কল্পনা করেছে, তা যদি সামনাসামনি বলে, তাহলে ওই ব্যাক্তি খারাপ। মেয়েটা ওই ব্যক্তির গালে সজোরে থাপ্পড় মারবে— এটাই স্বাভাবিক। হায় আফসোস! আফসোস! আফসোস! কত বড় বুঝের ভুল! আরে, আমার বুঝে আসে না, বোন! তুমি কী দেখাতে চাচ্ছ? তুমি কি জানো, পুরুষ তোমার শরীর দেখে কত বাজে চিন্তা করে? হ্যাঁ, তুমি নিজেও জানো মানুষ তোমাকে দেখে কেন আকৃষ্ট হয়, কী চিন্তা করে। হ্যাঁ, তুমি ভালো করেই জানো। কিন্তু তারপরও তোমার মন চায়, আমার রূপ দেখে সবাই আকৃষ্ট হোক। কিন্তু যখন কেউ তোমাকে মনের কথাটা মুখ ফুটে বলে, তখন তোমার খারাপ লাগে। অথচ মনে মনে সে তোমাকে নিয়ে যা-ই কল্পনা করুক, সেটা খারাপ লাগে না। আরে, আমি একজন পুরুষ হয়ে বলছি। পুরুষের নজর এত খারাপ, এত বাজে— একজন পুরুষ তার চিন্তা-ভাবনায় কোনো নারীকে নিয়ে এমন সব কল্পনা করে, যা কোনো নারী কোনোদিন কল্পনাও করতে পারবে না। অথচ তুমি সারাদিনে হাজারো পুরুষের কল্পনার প্রধান চরিত্র হিসেবে আছো। আর সেটা যদি ভিডিও আকারে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়, তাহলে তো নিত্যনতুন কোটি মানুষের চাহিদার খোরাক! কিন্তু তোমাকে কে বুঝাবে? এটা তুমি জানো, কিন্তু বুঝতে চাও না। না বুঝলে তোমার ভাইকে জিজ্ঞেস করো, আমি যা বলেছি তা সত্য কি না। তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করো, তোমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করো! আর কাকেই-বা জিজ্ঞেস করবে! তাদের তো তোমাকে সাজিয়ে-গুজিয়ে পরপুরুষের সামনে ভোগ্যপণ্য হিসেবে উপস্থাপন করতে ভালো লাগে। তাদের কি কোনো আত্মসম্মান আছে, নাকি? তারা হয়তো ভাবে, আমরা অন্য মেয়েদের দেখে যেমন বাজে চিন্তা করে তৃপ্তির ঢেকুর তুলি, তেমনি আমার মেয়ে/বোন/স্ত্রীকে দেখেও অন্যরা তুলুক! নাকি? এটাই তো! নাহলে তারা কেনই-বা তোমাকে এত বাজেভাবে উপস্থাপন করবে? আমার মাথায় তো আর কোনো কথা আসে না। আরে, সেই সব মেয়ের বাবা/ভাই/স্বামী! আপনারা কি জানেন না যে, অন্য মেয়েদের রাস্তায় বা মোবাইলে দেখে একজন পুরুষের মনে কী চিন্তা আসে? আপনিও তো পুরুষ, তাই না? আপনার থেকে ভালো আর কে বুঝবে? তাহলে আপনি কীভাবে আপনার মেয়ে/বোন/স্ত্রীকে একই পোশাকে রাস্তায় পাঠান? মোবাইল নিয়ে শরীরের ভাঁজ দেখিয়ে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়তে দেন? আপনার কি গায়রাত নেই? আহ! এই আফসোস রাখার জায়গা কোথায়? যদি আমি সেই সব ভাই-বোনদের বুঝাতে পারতাম, গায়রাত কী জিনিস, সম্মান কী জিনিস, ইজ্জত কী জিনিস, আর পর্দা কী জিনিস! হায় আফসোস! একজন মুমিন পুরুষ তার মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যাকে আল্লাহর আমানত হিসেবে দেখে। সে কখনো তাদের "ভোগের পণ্য" হিসেবে বাজারে উপস্থাপন করবে না, রাস্তায় ছেড়ে দেবে না— বরং তাদের সম্মান রক্ষায় নিজের জীবন পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকবে। তবে সে যদি সত্যিই পুরুষ হয়! হে নারী— তুমি হীরার চেয়েও দামি। তুমি যদি নিজেকে মূল্যহীন মনে করো, মনে রেখো— আল্লাহ তোমাকে এত যত্নে তৈরি করেছেন যে তোমার জন্য পর্দার বিধান দিয়েছেন। হীরাকে যেমন বাক্সে রাখা হয়, মুক্তাকে যেমন খোলের ভেতর ঢেকে রাখা হয়— তেমনি তোমার মর্যাদা রক্ষার জন্যই পর্দা। পর্দা তোমার দুর্বলতা নয়— এটা তোমার শক্তি, তোমার পরিচয়, তোমার মুকুট। সেই পুরুষ, যে একজন নারীকে রাস্তায় দেখে খারাপ দৃষ্টিতে তাকায়— সে ভুলে যায় যে প্রতিটি দৃষ্টির হিসাব আল্লাহ রাখছেন। আর যে নারী নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করে, যাতে পরপুরুষ আকৃষ্ট হয়— তার মনের খবরও আল্লাহ জানেন, এবং তারও হিসাব আছে। শেষে একটি কথা— হয়তো লেখাটিতে অনেক কঠোর শব্দ ব্যবহার করেছি। এই লেখাটি সবার জন্য নয়; বরং নির্দিষ্ট কিছু আচরণ ও মানসিকতার সমালোচনা হিসেবেই লেখা। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত দেওয়া বা কাউকে ছোট করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আমিও ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নই। তাই আমার কথার মধ্যে কোনো অসঙ্গতি বা বাড়াবাড়ি থাকলে আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন এবং সঠিক বুঝ দান করেন। যাদের কাছে লেখার কোনো অংশ কঠিন বা অপ্রিয় মনে হয়েছে, তারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমার উদ্দেশ্য কাউকে হেয় করা নয়; বরং নিজেকে এবং আমার মতো গাফেল মানুষদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে, আমাদের সম্মান, লজ্জাশীলতা ও দ্বীনি মূল্যবোধের গুরুত্ব কত বড়। আল্লাহ আমাকে ও আমাদের সবাইকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন। আমার প্রত্যেকটি পোস্ট সেল্ফ-রিমাইন্ডার। কাউকে নসিহত দেওয়ার মতো যোগ্যতা আমার নেই। আমি নিজেই দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীন! আমাকে দ্বীনদার ভেবে নিজের মস্তিষ্ককে কষ্ট দেবেন না। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান। 🤍 #Islamic_Video #ইসলামিক_ভিডিও #Islamic_Masseges

About