@paing.soe9919: #ဘယ်သူ့ကိုမှအနှောက်ယှက်မပေးချင်တော့ဘူး #😌🥀

Paing Soe
Paing Soe
Open In TikTok:
Region: US
Saturday 17 October 2026 08:44:35 GMT
118
9
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @paing.soe9919, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

🇧🇩 আমরা বাংলাদেশি, নাকি পৃথিবীর বুকে এক অবহেলিত পরিচয়? আজ সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। বুকের ভেতর একটা প্রশ্ন বারবার ঘুরছে, আমরা বাংলাদেশিরা বিশ্বের দরবারে এতটা অসহায়, এতটা অবহেলিত কেন? সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের খবর আমাদের শুধু শোকাহত করে না, আমাদের রাষ্ট্র, আমাদের কূটনীতি, আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং প্রবাসীদের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধ নিয়েও গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে আবেগের পাশাপাশি সঠিক তথ্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের নাগরিকদের বিপদের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো শক্তিশালী ব্যবস্থা কি আমরা গড়ে তুলতে পেরেছি? বিদেশের মাটিতে একজন বাংলাদেশি বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য কতটা কার্যকর আমাদের দূতাবাস, কতটা শক্তিশালী আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা, আর কতটা নিশ্চিন্ত আমাদের প্রবাসীদের জীবন? আমরা নিজেরাই কি নিজেদের শক্তি দুর্বল করে ফেলিনি? দেশের ভেতরে যখন অন্যায়, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অব্যবস্থাপনা আর জবাবদিহির অভাবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়, তখন তার মূল্য শুধু দেশের মানুষকে দিতে হয় না। বিদেশের মাটিতে থাকা লাখ লাখ প্রবাসীকেও তার বোঝা বহন করতে হয়। আমরা রেমিট্যান্স পাঠাই, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখি, পরিবারের মুখে হাসি ফোটাই। অথচ বিপদের সময় আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, আমাদের জন্য দাঁড়ানোর মতো শক্তিশালী রাষ্ট্র কি সত্যিই আমাদের আছে? আমরা কি শুধু টাকা পাঠানোর মেশিন? আমাদের কি কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো সম্মান নেই, কোনো অধিকার নেই? না, প্রবাসীরা করুণা চায় না। তারা চায় ন্যায্য অধিকার, আইনি সহায়তা, কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ। আরেকটি নির্মম সত্যও আমাদের স্বীকার করতে হবে। আমরা যখন নিজেরাই নিজেদের মধ্যে বিভক্ত থাকি, অন্যায় দেখেও চুপ থাকি, যোগ্যতার চেয়ে তদবিরকে বড় করি, আর ব্যক্তিস্বার্থের কাছে জাতীয় স্বার্থকে বিকিয়ে দিই, তখন আমাদের সম্মিলিত শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। সেই দুর্বলতার সুযোগ অন্যরা নিতেই পারে। একটি জাতিকে ছোট করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, সেই জাতিকে নিজের চোখেই ছোট করে দেওয়া। তবে আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ ছোট নয়। ছোট আমাদের কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ববোধ, দুর্বল আমাদের কিছু ব্যবস্থাপনা, আর প্রশ্নবিদ্ধ আমাদের জবাবদিহির সংস্কৃতি। এই ব্যর্থতাগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে, সংশোধন করতে হবে। আমরা কারও বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে চাই না। আমরা চাই ন্যায়বিচার। আমরা চাই, বিদেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশি বিপদে পড়লে তার পরিবার যেন অসহায় হয়ে দ্বারে দ্বারে না ঘোরে। আমরা চাই, প্রতিটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট যেন শুধু একটি পরিচয়পত্র না হয়, বরং তার পেছনে একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের কার্যকর উপস্থিতিও থাকে। আজ যারা প্রবাসে আছেন, তারা জানেন, বিদেশের মাটিতে সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই কত কঠিন। নিজের দেশের মানুষ যখন দূরে থাকে, তখন দেশের পতাকা আর পাসপোর্টই হয়ে ওঠে সবচেয়ে আপন আশ্রয়ের প্রতীক। সেই আশ্রয়ের প্রতি বিশ্বাস যেন কখনো ভেঙে না যায়। আমরা ভিক্ষা চাই না, বিচার চাই। করুণা চাই না, অধিকার চাই। ফাঁকা আশ্বাস চাই না, কার্যকর পদক্ষেপ চাই। আমরা চাই, পৃথিবীর যেখানেই একজন বাংলাদেশি বিপদে পড়ুক, তার পাশে দাঁড়ানোর মতো একটি দায়িত্বশীল বাংলাদেশ থাকুক। কারণ দিনশেষে আমাদের পরিচয় একটাই—আমরা বাংলাদেশি। আর এই পরিচয় নিয়ে বাঁচতে চাই মাথা উঁচু করে, মাথা নিচু করে নয়। 🇧🇩 একজন বাংলাদেশি হিসেবে আজ আমার এই প্রশ্ন, আমাদের রাষ্ট্র কি তার প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যথেষ্ট তৎপর? #বাংলাদেশি #প্রবাসীদের_অধিকার #ন্যায়বিচার #রাষ্ট্রের_দায়িত্ব #প্রবাসজীবন
🇧🇩 আমরা বাংলাদেশি, নাকি পৃথিবীর বুকে এক অবহেলিত পরিচয়? আজ সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। বুকের ভেতর একটা প্রশ্ন বারবার ঘুরছে, আমরা বাংলাদেশিরা বিশ্বের দরবারে এতটা অসহায়, এতটা অবহেলিত কেন? সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের খবর আমাদের শুধু শোকাহত করে না, আমাদের রাষ্ট্র, আমাদের কূটনীতি, আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং প্রবাসীদের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধ নিয়েও গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে আবেগের পাশাপাশি সঠিক তথ্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের নাগরিকদের বিপদের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো শক্তিশালী ব্যবস্থা কি আমরা গড়ে তুলতে পেরেছি? বিদেশের মাটিতে একজন বাংলাদেশি বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য কতটা কার্যকর আমাদের দূতাবাস, কতটা শক্তিশালী আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা, আর কতটা নিশ্চিন্ত আমাদের প্রবাসীদের জীবন? আমরা নিজেরাই কি নিজেদের শক্তি দুর্বল করে ফেলিনি? দেশের ভেতরে যখন অন্যায়, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অব্যবস্থাপনা আর জবাবদিহির অভাবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়, তখন তার মূল্য শুধু দেশের মানুষকে দিতে হয় না। বিদেশের মাটিতে থাকা লাখ লাখ প্রবাসীকেও তার বোঝা বহন করতে হয়। আমরা রেমিট্যান্স পাঠাই, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখি, পরিবারের মুখে হাসি ফোটাই। অথচ বিপদের সময় আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, আমাদের জন্য দাঁড়ানোর মতো শক্তিশালী রাষ্ট্র কি সত্যিই আমাদের আছে? আমরা কি শুধু টাকা পাঠানোর মেশিন? আমাদের কি কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো সম্মান নেই, কোনো অধিকার নেই? না, প্রবাসীরা করুণা চায় না। তারা চায় ন্যায্য অধিকার, আইনি সহায়তা, কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ। আরেকটি নির্মম সত্যও আমাদের স্বীকার করতে হবে। আমরা যখন নিজেরাই নিজেদের মধ্যে বিভক্ত থাকি, অন্যায় দেখেও চুপ থাকি, যোগ্যতার চেয়ে তদবিরকে বড় করি, আর ব্যক্তিস্বার্থের কাছে জাতীয় স্বার্থকে বিকিয়ে দিই, তখন আমাদের সম্মিলিত শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। সেই দুর্বলতার সুযোগ অন্যরা নিতেই পারে। একটি জাতিকে ছোট করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, সেই জাতিকে নিজের চোখেই ছোট করে দেওয়া। তবে আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ ছোট নয়। ছোট আমাদের কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ববোধ, দুর্বল আমাদের কিছু ব্যবস্থাপনা, আর প্রশ্নবিদ্ধ আমাদের জবাবদিহির সংস্কৃতি। এই ব্যর্থতাগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে, সংশোধন করতে হবে। আমরা কারও বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে চাই না। আমরা চাই ন্যায়বিচার। আমরা চাই, বিদেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশি বিপদে পড়লে তার পরিবার যেন অসহায় হয়ে দ্বারে দ্বারে না ঘোরে। আমরা চাই, প্রতিটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট যেন শুধু একটি পরিচয়পত্র না হয়, বরং তার পেছনে একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের কার্যকর উপস্থিতিও থাকে। আজ যারা প্রবাসে আছেন, তারা জানেন, বিদেশের মাটিতে সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই কত কঠিন। নিজের দেশের মানুষ যখন দূরে থাকে, তখন দেশের পতাকা আর পাসপোর্টই হয়ে ওঠে সবচেয়ে আপন আশ্রয়ের প্রতীক। সেই আশ্রয়ের প্রতি বিশ্বাস যেন কখনো ভেঙে না যায়। আমরা ভিক্ষা চাই না, বিচার চাই। করুণা চাই না, অধিকার চাই। ফাঁকা আশ্বাস চাই না, কার্যকর পদক্ষেপ চাই। আমরা চাই, পৃথিবীর যেখানেই একজন বাংলাদেশি বিপদে পড়ুক, তার পাশে দাঁড়ানোর মতো একটি দায়িত্বশীল বাংলাদেশ থাকুক। কারণ দিনশেষে আমাদের পরিচয় একটাই—আমরা বাংলাদেশি। আর এই পরিচয় নিয়ে বাঁচতে চাই মাথা উঁচু করে, মাথা নিচু করে নয়। 🇧🇩 একজন বাংলাদেশি হিসেবে আজ আমার এই প্রশ্ন, আমাদের রাষ্ট্র কি তার প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যথেষ্ট তৎপর? #বাংলাদেশি #প্রবাসীদের_অধিকার #ন্যায়বিচার #রাষ্ট্রের_দায়িত্ব #প্রবাসজীবন

About