@hray7883: On Thursday,October 16th,when CBS permieres the new season,we’ll have to wait and see whether these risks will pay off!#movie #shorts #tiktok #fyp #foryou

Hray
Hray
Open In TikTok:
Region: US
Saturday 17 October 2026 14:42:19 GMT
1893
93
1
0

Music

Download

Comments

raymond.lee023
Raymond Lee :
😁😁😁
2026-10-17 22:34:31
0
To see more videos from user @hray7883, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

২৫-ত্রিশ তাই কোনো সমাপ্তির নাম নয়। অনেক নারীর জন্য এটি নিজের কাছে ফিরে আসার বয়স। ২৫-ত্রিশের পর একজন নারী আগের মতো সব কথা বলে না। জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়ে দেয়, সব অনুভূতির ভাষা শব্দ নয়। কখনো সে শুধু চুপ করে থাকে। কিন্তু সেই নীরবতা শূন্য নয়। সেখানে জমে থাকে সংসারের ক্লান্তি, অবহেলার অভিমান, নিজের জন্য সময় না পাওয়ার কষ্ট, হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন এবং ভালোবাসার খুব সাধারণ একটি আকাঙ্ক্ষা। হৃদয়ের নদী চায় নিরাপত্তা, বিশ্বাস ও মানসিক আশ্রয়। সে চায় এমন একজন সঙ্গী, যার কাছে নিজের দুর্বলতাগুলোও প্রকাশ করা যায়। যে তার সাফল্যের দিনে যেমন পাশে থাকবে, তেমনি ব্যর্থতার রাতেও হাত ছাড়বে না। মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও দাম্পত্য আকাঙ্ক্ষাও বয়সের সঙ্গে অদৃশ্য হয়ে যায় না। পরিণত বয়সে অনেক অনুভূতিই বরং আরও সচেতন ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। কিন্তু একটি সুস্থ সম্পর্কের সৌন্দর্য শুধু আকর্ষণে নয়। সেখানে প্রয়োজন পারস্পরিক সম্মতি, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ। আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সম্মান ছাড়া কোনো সম্পর্কই পূর্ণতা পায় না। নারীর জীবনের বড় একটি অংশ অনেক সময় অন্যদের জন্য ব্যয় হয়। পরিবার, সন্তান, স্বামী, বাবা-মা, কর্মক্ষেত্র, সামাজিক প্রত্যাশা, সবকিছুর ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যায় তার নিজের জন্য রাখা সময়। ত্রিশের পর অনেক নারী সেই হারিয়ে যাওয়া ‘আমি’কে খুঁজতে শুরু করেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি হয়তো নতুন করে নিজের দিকে তাকান। নিজের পছন্দের পোশাক পরেন। নিজের জন্য সময় রাখেন। পুরোনো কোনো স্বপ্নের কথা মনে করেন। আবার বই পড়েন, গান শোনেন, ঘুরতে যান কিংবা নতুন কোনো কাজ শেখেন। তাই একজন নারীকে ভালোবাসার অর্থ তাকে নিজের সম্পত্তি ভাবা নয়। বরং তার স্বাধীন সত্তাকে সম্মান করা। দাম্পত্য কিংবা প্রেমের সম্পর্ক তখনই সুন্দর হয়, যখন সেখানে দুজন মানুষ একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করার বদলে বুঝতে চেষ্টা করেন। ‘দ্বিতীয় যৌবন’ কথাটি শুনলে অনেকে শুধু শরীরের কথা ভাবেন। কিন্তু নারীর জীবনে এর আরও গভীর একটি অর্থ থাকতে পারে। এটি হতে পারে আত্মপরিচয়ের পুনর্জন্ম। বিশের বয়সে যে নারী হয়তো অন্যের প্রশংসায় নিজের সৌন্দর্য খুঁজেছেন, ত্রিশের পর তিনি নিজের মূল্য নিজেই নির্ধারণ করতে শেখেন। তার সৌন্দর্য তখন শুধু মুখের রেখায় থাকে না। থাকে আত্মবিশ্বাসে, নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার শক্তিতে, ভুল থেকে শেখার ক্ষমতায় এবং ভেঙে পড়ার পরও উঠে দাঁড়ানোর সাহসে। এই সৌন্দর্যের কোনো বয়সসীমা নেই। একজন পরিণত নারীর ভালোবাসা পাওয়া মানে তাকে নিজের করে নেওয়া নয়, বরং তার বিশ্বাসের যোগ্য হয়ে ওঠা। তার হাত ধরার আগে তার সীমারেখাকে সম্মান করতে হয়। তার শরীরের আগে তার মনকে বুঝতে হয়। তার সৌন্দর্যের আগে তার ব্যক্তিত্বকে দেখতে হয়।  কারণ একজন নারী যখন নিজের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন হন, তখন তাকে ভালোবাসার অর্থও বদলে যায়। তখন সম্পর্ক হয় অংশীদারত্বের, মালিকানার নয়। ত্রিশ কোনো নারীর জীবনের সন্ধ্যা নয়। বরং অনেকের জন্য এটি নতুন ভোরের শুরু। এই বয়সে নারী হয়তো আগের মতো সরল নন, কিন্তু আরও গভীর। আগের মতো সহজে বিশ্বাস করেন না, কিন্তু সত্যিকারের বিশ্বাসের মূল্য বোঝেন। আগের মতো সবার মন জয়ের চেষ্টা করেন না, কারণ নিজের মনকে শান্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা বুঝে গেছেন। তাই ত্রিশের পরের নারীকে শুধু বয়স দিয়ে বিচার করা যায় না। তার চোখে জমে থাকা অভিজ্ঞতা পড়তে হয়। তার নীরবতার ভাষা বুঝতে হয়। তার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্লান্তি দেখতে হয়। সে কোনো নিভে যাওয়া প্রদীপ নয়। সে এক প্রবহমান নদী, যে বহু বাঁক পেরিয়ে আরও গভীর হয়েছে। তার স্রোতকে দখল করা যায় না, তার পাশে হাঁটা যায়। তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া যায়। তার ভালোবাসার যোগ্য হয়ে ওঠা যায়। ত্রিশের পরের নারীর সবচেয়ে সুন্দর সত্য হয়তো এখানেই, সে অন্য কারও জীবনে পূর্ণতা খুঁজতে চায় না। সে নিজের ভেতরেই পূর্ণ হয়ে ওঠার পথ খুঁজে নেয়। আর যে নারী একদিন নিজেকে চিনতে শেখে, তাকে আর বয়স দিয়ে মাপা যায় না। কারণ তখন তার সৌন্দর্য মুখে নয়, তার আত্মমর্যাদায়; তার যৌবন শরীরে নয়, তার বেঁচে থাকার সাহসে; আর তার ভালোবাসা চাওয়ার মধ্যে নয়, ভালোবাসার মধ্যেও নিজেকে হারিয়ে না ফেলার শক্তিতে
২৫-ত্রিশ তাই কোনো সমাপ্তির নাম নয়। অনেক নারীর জন্য এটি নিজের কাছে ফিরে আসার বয়স। ২৫-ত্রিশের পর একজন নারী আগের মতো সব কথা বলে না। জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়ে দেয়, সব অনুভূতির ভাষা শব্দ নয়। কখনো সে শুধু চুপ করে থাকে। কিন্তু সেই নীরবতা শূন্য নয়। সেখানে জমে থাকে সংসারের ক্লান্তি, অবহেলার অভিমান, নিজের জন্য সময় না পাওয়ার কষ্ট, হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন এবং ভালোবাসার খুব সাধারণ একটি আকাঙ্ক্ষা। হৃদয়ের নদী চায় নিরাপত্তা, বিশ্বাস ও মানসিক আশ্রয়। সে চায় এমন একজন সঙ্গী, যার কাছে নিজের দুর্বলতাগুলোও প্রকাশ করা যায়। যে তার সাফল্যের দিনে যেমন পাশে থাকবে, তেমনি ব্যর্থতার রাতেও হাত ছাড়বে না। মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও দাম্পত্য আকাঙ্ক্ষাও বয়সের সঙ্গে অদৃশ্য হয়ে যায় না। পরিণত বয়সে অনেক অনুভূতিই বরং আরও সচেতন ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। কিন্তু একটি সুস্থ সম্পর্কের সৌন্দর্য শুধু আকর্ষণে নয়। সেখানে প্রয়োজন পারস্পরিক সম্মতি, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ। আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সম্মান ছাড়া কোনো সম্পর্কই পূর্ণতা পায় না। নারীর জীবনের বড় একটি অংশ অনেক সময় অন্যদের জন্য ব্যয় হয়। পরিবার, সন্তান, স্বামী, বাবা-মা, কর্মক্ষেত্র, সামাজিক প্রত্যাশা, সবকিছুর ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যায় তার নিজের জন্য রাখা সময়। ত্রিশের পর অনেক নারী সেই হারিয়ে যাওয়া ‘আমি’কে খুঁজতে শুরু করেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি হয়তো নতুন করে নিজের দিকে তাকান। নিজের পছন্দের পোশাক পরেন। নিজের জন্য সময় রাখেন। পুরোনো কোনো স্বপ্নের কথা মনে করেন। আবার বই পড়েন, গান শোনেন, ঘুরতে যান কিংবা নতুন কোনো কাজ শেখেন। তাই একজন নারীকে ভালোবাসার অর্থ তাকে নিজের সম্পত্তি ভাবা নয়। বরং তার স্বাধীন সত্তাকে সম্মান করা। দাম্পত্য কিংবা প্রেমের সম্পর্ক তখনই সুন্দর হয়, যখন সেখানে দুজন মানুষ একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করার বদলে বুঝতে চেষ্টা করেন। ‘দ্বিতীয় যৌবন’ কথাটি শুনলে অনেকে শুধু শরীরের কথা ভাবেন। কিন্তু নারীর জীবনে এর আরও গভীর একটি অর্থ থাকতে পারে। এটি হতে পারে আত্মপরিচয়ের পুনর্জন্ম। বিশের বয়সে যে নারী হয়তো অন্যের প্রশংসায় নিজের সৌন্দর্য খুঁজেছেন, ত্রিশের পর তিনি নিজের মূল্য নিজেই নির্ধারণ করতে শেখেন। তার সৌন্দর্য তখন শুধু মুখের রেখায় থাকে না। থাকে আত্মবিশ্বাসে, নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার শক্তিতে, ভুল থেকে শেখার ক্ষমতায় এবং ভেঙে পড়ার পরও উঠে দাঁড়ানোর সাহসে। এই সৌন্দর্যের কোনো বয়সসীমা নেই। একজন পরিণত নারীর ভালোবাসা পাওয়া মানে তাকে নিজের করে নেওয়া নয়, বরং তার বিশ্বাসের যোগ্য হয়ে ওঠা। তার হাত ধরার আগে তার সীমারেখাকে সম্মান করতে হয়। তার শরীরের আগে তার মনকে বুঝতে হয়। তার সৌন্দর্যের আগে তার ব্যক্তিত্বকে দেখতে হয়। কারণ একজন নারী যখন নিজের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন হন, তখন তাকে ভালোবাসার অর্থও বদলে যায়। তখন সম্পর্ক হয় অংশীদারত্বের, মালিকানার নয়। ত্রিশ কোনো নারীর জীবনের সন্ধ্যা নয়। বরং অনেকের জন্য এটি নতুন ভোরের শুরু। এই বয়সে নারী হয়তো আগের মতো সরল নন, কিন্তু আরও গভীর। আগের মতো সহজে বিশ্বাস করেন না, কিন্তু সত্যিকারের বিশ্বাসের মূল্য বোঝেন। আগের মতো সবার মন জয়ের চেষ্টা করেন না, কারণ নিজের মনকে শান্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা বুঝে গেছেন। তাই ত্রিশের পরের নারীকে শুধু বয়স দিয়ে বিচার করা যায় না। তার চোখে জমে থাকা অভিজ্ঞতা পড়তে হয়। তার নীরবতার ভাষা বুঝতে হয়। তার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্লান্তি দেখতে হয়। সে কোনো নিভে যাওয়া প্রদীপ নয়। সে এক প্রবহমান নদী, যে বহু বাঁক পেরিয়ে আরও গভীর হয়েছে। তার স্রোতকে দখল করা যায় না, তার পাশে হাঁটা যায়। তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া যায়। তার ভালোবাসার যোগ্য হয়ে ওঠা যায়। ত্রিশের পরের নারীর সবচেয়ে সুন্দর সত্য হয়তো এখানেই, সে অন্য কারও জীবনে পূর্ণতা খুঁজতে চায় না। সে নিজের ভেতরেই পূর্ণ হয়ে ওঠার পথ খুঁজে নেয়। আর যে নারী একদিন নিজেকে চিনতে শেখে, তাকে আর বয়স দিয়ে মাপা যায় না। কারণ তখন তার সৌন্দর্য মুখে নয়, তার আত্মমর্যাদায়; তার যৌবন শরীরে নয়, তার বেঁচে থাকার সাহসে; আর তার ভালোবাসা চাওয়ার মধ্যে নয়, ভালোবাসার মধ্যেও নিজেকে হারিয়ে না ফেলার শক্তিতে

About