@pphhoooomm: ผีเสื้อราตรี #MiunichCHiLLiZ #CHiLLiZth #OSMusicLab #OnlineStation

PHooM
PHooM
Open In TikTok:
Region: TH
Saturday 17 October 2026 15:46:52 GMT
134
21
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @pphhoooomm, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃ**দণ্ড আন্তর্জাতিক আইন কি মানা হয়েছে?  সৌদি আরবের মক্কায় একটি মসজিদে 'অ--নৈতিক' কাজের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃ*-*দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।  কিন্তু বড় প্রশ্নটা উঠছে অন্য জায়গায়..... বিচার কিংবা শাস্তি কার্যকরের আগে বাংলাদেশ দূতাবাস বা ওই দুইজনের পরিবারকে বিন্দুমাত্রও জানানো হয়নি! মিডিয়া থেকে খবর পাওয়ার পর এখন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কিন্তু আসলেই কি সৌদি আরব এই ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য?  এই ঘটনায় ভিয়েনা কনভেনশন কি লঙ্ঘন হয়েছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৮১ সালে সৌদি আরব 'ভিয়েনা প্রটোকল'-এ স্বাক্ষর করেছে। এই আইনের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক আটক হলে বা তার বিচার চললে, তাকে বারবার জানাতে হবে যে তিনি তার দেশের দূতাবাসের সাহায্য চান কি না। যদি আসামি সাহায্য চান, তবে কোনো বিলম্ব না করে দূতাবাসকে জানাতে হবে। যেহেতু এই বিচার প্রক্রিয়া আপিল পর্যন্ত গেছে মানে হুট করে একদিনে হয়নি,  তাই দূতাবাসকে না জানানোটা আন্তর্জাতিক প্রটোকলের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা। এখন আরেকটা প্রশ্ন, সৌদি আরব কি ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য? এখানে একটা আইনি মারপ্যাঁচ আছে।  সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মতে, বিচারটি যেহেতু সৌদি আরবের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ায় হয়েছে, তাই বাংলাদেশকে অগ্রিম জানাতে তারা আইনত পুরোপুরি বাধ্য নয়।  তবে বাংলাদেশ যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়েছে, তাই কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে তারা একটা জবাব দিতেই পারে। কিন্তু যদি আটকে থাকা ব্যক্তিরা নিজে থেকে দূতাবাসের সাহায্য না চেয়ে থাকেন, তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের ওপর কোনো দায় থাকে না। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ওই দুই বাংলাদেশির ম*দে/ হ কি দেশে আসবে? সাধারণত সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী, মৃ***দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ম*দে* হ তাদের নিজস্ব মাটিতেই দাফন করা হয়, নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয় না। তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম হবে কি না, তা সৌদি কর্তৃপক্ষের জবাব পাওয়ার পরই পরিষ্কার হবে। পুরো ঘটনাটি নিয়ে আপনার মতামত কী?  #viralnews
সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃ**দণ্ড আন্তর্জাতিক আইন কি মানা হয়েছে? সৌদি আরবের মক্কায় একটি মসজিদে 'অ--নৈতিক' কাজের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃ*-*দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু বড় প্রশ্নটা উঠছে অন্য জায়গায়..... বিচার কিংবা শাস্তি কার্যকরের আগে বাংলাদেশ দূতাবাস বা ওই দুইজনের পরিবারকে বিন্দুমাত্রও জানানো হয়নি! মিডিয়া থেকে খবর পাওয়ার পর এখন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কিন্তু আসলেই কি সৌদি আরব এই ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য? এই ঘটনায় ভিয়েনা কনভেনশন কি লঙ্ঘন হয়েছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৮১ সালে সৌদি আরব 'ভিয়েনা প্রটোকল'-এ স্বাক্ষর করেছে। এই আইনের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক আটক হলে বা তার বিচার চললে, তাকে বারবার জানাতে হবে যে তিনি তার দেশের দূতাবাসের সাহায্য চান কি না। যদি আসামি সাহায্য চান, তবে কোনো বিলম্ব না করে দূতাবাসকে জানাতে হবে। যেহেতু এই বিচার প্রক্রিয়া আপিল পর্যন্ত গেছে মানে হুট করে একদিনে হয়নি, তাই দূতাবাসকে না জানানোটা আন্তর্জাতিক প্রটোকলের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা। এখন আরেকটা প্রশ্ন, সৌদি আরব কি ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য? এখানে একটা আইনি মারপ্যাঁচ আছে। সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মতে, বিচারটি যেহেতু সৌদি আরবের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ায় হয়েছে, তাই বাংলাদেশকে অগ্রিম জানাতে তারা আইনত পুরোপুরি বাধ্য নয়। তবে বাংলাদেশ যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়েছে, তাই কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে তারা একটা জবাব দিতেই পারে। কিন্তু যদি আটকে থাকা ব্যক্তিরা নিজে থেকে দূতাবাসের সাহায্য না চেয়ে থাকেন, তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের ওপর কোনো দায় থাকে না। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ওই দুই বাংলাদেশির ম*দে/ হ কি দেশে আসবে? সাধারণত সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী, মৃ***দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ম*দে* হ তাদের নিজস্ব মাটিতেই দাফন করা হয়, নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয় না। তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম হবে কি না, তা সৌদি কর্তৃপক্ষের জবাব পাওয়ার পরই পরিষ্কার হবে। পুরো ঘটনাটি নিয়ে আপনার মতামত কী? #viralnews

About