@el_kessala: #creatorsearchinsights شفتو دارو ليهم فيديو صوت و صورة داكشي ديال الاكشن 🚨 هو حكمو عليه ب ثلاث سنوات و هوما خمس سنين حيت هوما العقل المدبر و هو كان غ مساعد ✍🏻 #الكسالة_خبار_السوق #الشعب_الصيني_ماله_حل😂😂

el_kessala
el_kessala
Open In TikTok:
Region: MA
Saturday 17 October 2026 22:04:18 GMT
66329
841
12
312

Music

Download

Comments

simo.rbati
peacelove419 :
واش هوما بصح
2026-10-17 23:32:07
1
zakariae.korchi
Zakariae Korchi :
Bach t3rfou li tgha fiha kays3a fiha
2026-10-18 00:18:21
7
rihabrihab435
🦋 R ♡ B Y🦋 :
ach kidiro bjoj bihom fe lbit
2026-10-17 23:55:59
2
elpuentetravel
el puente Travel :
تيقناكم 😂😂😂
2026-10-18 00:59:21
0
simorajaaa
simo :
😳😳😳
2026-10-17 23:58:39
1
666666666re
₩☆RIDA☆₩ :
[مؤثر][مؤثر][مؤثر]
2026-10-18 01:36:02
0
To see more videos from user @el_kessala, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাস বুঝতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে। সেই সময় আনাতোলিয়া ছিল বিভিন্ন তুর্কি ও মুসলিম শক্তির প্রভাবাধীন একটি অঞ্চল। রুমের সেলজুক সালতানাত তখন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছিল, আর মঙ্গোলদের অগ্রযাত্রার কারণে মধ্য এশিয়া ও ইরানের বিভিন্ন তুর্কি জনগোষ্ঠী পশ্চিম দিকে সরে এসে আনাতোলিয়ায় বসতি স্থাপন করছিল। এই বৃহত্তর তুর্কি অভিবাসনের ধারার মধ্যেই সেই গোষ্ঠীগুলোর একটি উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ায় এসে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তী উসমানীয় ঐতিহ্যে এই গোষ্ঠীকে কায়ি গোত্রের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। তবে কায়ি গোত্রের সঙ্গে উসমানীয়দের সম্পর্কের বিস্তারিত বর্ণনা পরবর্তী যুগের উসমানীয় ইতিহাসগ্রন্থে বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে; তাই এ বিষয়ে সব তথ্যকে সমানভাবে নিশ্চিত ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে দেখা হয় না। এই সময়ে এরতুঘরুল নামের এক তুর্কমেন নেতা তাঁর অনুসারীদের নিয়ে উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থান করেন। পরবর্তী ঐতিহ্য অনুযায়ী, তিনি সেলজুক শাসকদের কাছ থেকে বাইজেন্টাইন সীমান্তের কাছে সোগুত (Söğüt) অঞ্চলে বসতি স্থাপনের সুযোগ পান। সোগুত পরবর্তীতে উসমানীয় রাষ্ট্রের প্রাথমিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এরতুঘরুলের পর তাঁর পুত্র উসমান গাজী নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তখন তাঁর হাতে কোনো বিশাল সাম্রাজ্য ছিল না—ছিল উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার একটি ছোট সীমান্তভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তি। কিন্তু উসমান ধীরে ধীরে নিজের প্রভাব ও ভূখণ্ড বাড়াতে শুরু করেন। তাঁর অবস্থান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাঁর ছোট রাজ্যটি বাইজেন্টাইন সীমান্তের কাছাকাছি ছিল। ফলে বাইজেন্টাইন ভূখণ্ডের দিকে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়। একই সময়ে আনাতোলিয়ায় সেলজুক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ায় বিভিন্ন ছোট ছোট তুর্কি বেইলিক বা রাজ্য গড়ে উঠছিল। উসমানের বেইলিকও এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। উসমানের নাম থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তির নাম হয় উসমানীয় বা Osmanlı। ইউরোপীয় ভাষায় এই নামটি পরে Ottoman নামে পরিচিত হয়। অর্থাৎ “Ottoman” নামটির মূলেই রয়েছে Osman বা উসমান-এর নাম। উসমানের নেতৃত্বে এই ছোট বেইলিক ধীরে ধীরে বাইজেন্টাইন সীমান্তে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। তাঁর অনুসারীদের সংখ্যা ও রাজনৈতিক প্রভাবও বাড়তে থাকে। পরবর্তী সময়ে উসমানের উত্তরসূরিরা এই ছোট রাষ্ট্রকে আরও বিস্তৃত করে আনাতোলিয়ার বাইরে বলকান অঞ্চলেও নিয়ে যায়। এভাবেই উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার একটি ছোট সীমান্ত বেইলিক থেকে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে শুরু করে উসমানীয় রাষ্ট্র, যা পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সাম্রাজ্যে পরিণত হবে। সংক্ষেপে পুরো ধারাটি মধ্য এশিয়া → তুর্কি অভিবাসন → আনাতোলিয়া → সেলজুকদের যুগ → উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার সীমান্ত → এরতুঘরুল → সোগুত → উসমান গাজী → উসমানীয় বেইলিক → উসমানীয় রাষ্ট্র। এটাই ছিল সেই ছোট সূচনা, যার পরবর্তী বিস্তার ইতিহাসে উসমানীয় সাম্রাজ্য নামে পরিচিত হয়। অনেক দিন পর আবারও ফিরে আসলাম ইসমানিয়দের সম্পর্কে সেই রোমাঞ্চকর ঘটনা নিয়ে। সবাই পাশে থাকবেন এবং দোয়া করবেন। আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। একটা ফলো,কমেন্ট, লাইক এবং শেয়ার অবশ্যই করবেন। আল্লাহ হাফিজ। #foryoupage  #freezmyaccaunt😥😥😟  #fry #foryou #views
উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাস বুঝতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে। সেই সময় আনাতোলিয়া ছিল বিভিন্ন তুর্কি ও মুসলিম শক্তির প্রভাবাধীন একটি অঞ্চল। রুমের সেলজুক সালতানাত তখন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছিল, আর মঙ্গোলদের অগ্রযাত্রার কারণে মধ্য এশিয়া ও ইরানের বিভিন্ন তুর্কি জনগোষ্ঠী পশ্চিম দিকে সরে এসে আনাতোলিয়ায় বসতি স্থাপন করছিল। এই বৃহত্তর তুর্কি অভিবাসনের ধারার মধ্যেই সেই গোষ্ঠীগুলোর একটি উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ায় এসে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তী উসমানীয় ঐতিহ্যে এই গোষ্ঠীকে কায়ি গোত্রের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। তবে কায়ি গোত্রের সঙ্গে উসমানীয়দের সম্পর্কের বিস্তারিত বর্ণনা পরবর্তী যুগের উসমানীয় ইতিহাসগ্রন্থে বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে; তাই এ বিষয়ে সব তথ্যকে সমানভাবে নিশ্চিত ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে দেখা হয় না। এই সময়ে এরতুঘরুল নামের এক তুর্কমেন নেতা তাঁর অনুসারীদের নিয়ে উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থান করেন। পরবর্তী ঐতিহ্য অনুযায়ী, তিনি সেলজুক শাসকদের কাছ থেকে বাইজেন্টাইন সীমান্তের কাছে সোগুত (Söğüt) অঞ্চলে বসতি স্থাপনের সুযোগ পান। সোগুত পরবর্তীতে উসমানীয় রাষ্ট্রের প্রাথমিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এরতুঘরুলের পর তাঁর পুত্র উসমান গাজী নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তখন তাঁর হাতে কোনো বিশাল সাম্রাজ্য ছিল না—ছিল উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার একটি ছোট সীমান্তভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তি। কিন্তু উসমান ধীরে ধীরে নিজের প্রভাব ও ভূখণ্ড বাড়াতে শুরু করেন। তাঁর অবস্থান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাঁর ছোট রাজ্যটি বাইজেন্টাইন সীমান্তের কাছাকাছি ছিল। ফলে বাইজেন্টাইন ভূখণ্ডের দিকে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়। একই সময়ে আনাতোলিয়ায় সেলজুক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ায় বিভিন্ন ছোট ছোট তুর্কি বেইলিক বা রাজ্য গড়ে উঠছিল। উসমানের বেইলিকও এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। উসমানের নাম থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তির নাম হয় উসমানীয় বা Osmanlı। ইউরোপীয় ভাষায় এই নামটি পরে Ottoman নামে পরিচিত হয়। অর্থাৎ “Ottoman” নামটির মূলেই রয়েছে Osman বা উসমান-এর নাম। উসমানের নেতৃত্বে এই ছোট বেইলিক ধীরে ধীরে বাইজেন্টাইন সীমান্তে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। তাঁর অনুসারীদের সংখ্যা ও রাজনৈতিক প্রভাবও বাড়তে থাকে। পরবর্তী সময়ে উসমানের উত্তরসূরিরা এই ছোট রাষ্ট্রকে আরও বিস্তৃত করে আনাতোলিয়ার বাইরে বলকান অঞ্চলেও নিয়ে যায়। এভাবেই উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার একটি ছোট সীমান্ত বেইলিক থেকে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে শুরু করে উসমানীয় রাষ্ট্র, যা পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সাম্রাজ্যে পরিণত হবে। সংক্ষেপে পুরো ধারাটি মধ্য এশিয়া → তুর্কি অভিবাসন → আনাতোলিয়া → সেলজুকদের যুগ → উত্তর-পশ্চিম আনাতোলিয়ার সীমান্ত → এরতুঘরুল → সোগুত → উসমান গাজী → উসমানীয় বেইলিক → উসমানীয় রাষ্ট্র। এটাই ছিল সেই ছোট সূচনা, যার পরবর্তী বিস্তার ইতিহাসে উসমানীয় সাম্রাজ্য নামে পরিচিত হয়। অনেক দিন পর আবারও ফিরে আসলাম ইসমানিয়দের সম্পর্কে সেই রোমাঞ্চকর ঘটনা নিয়ে। সবাই পাশে থাকবেন এবং দোয়া করবেন। আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। একটা ফলো,কমেন্ট, লাইক এবং শেয়ার অবশ্যই করবেন। আল্লাহ হাফিজ। #foryoupage #freezmyaccaunt😥😥😟 #fry #foryou #views

About