@lylhealth: #zoonenadplus #resveratrol #nadplus #tiktokshopcreatorpicks #TikTokshopBlackFriday

LYL Health - supplements
LYL Health - supplements
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 18 October 2026 16:30:00 GMT
334
1
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @lylhealth, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে সরকার গঠনের পর তার ক্যাবিনেটে বাণিজ্যমন্ত্রী বানান আমির খসরু মাহমুদকে। সরকারের ৩ বছরের মাথায় বাংলাদেশে যখন তাইওয়ানের বাণিজ্যিক কনস্যুল খোলার অনুমোদন দিলো তখন চীনের সঙ্গে বৈরিতা শুরু হয়। এই বৈরিতা এমন পর্যায়ে যায়, দলের ভেতরের প্রভাবশালী একটি গ্রুপ বেগম জিয়াকে বুঝালেন, চীনকে ঠাণ্ডা করতে বাণিজ্যমন্ত্রীকে ক্যাবিনেট থেকে অপসারণ করে দিন।  শেষ পর্যন্ত তাদের কথায় বেগম খালেদা জিয়া বাধ্য হলেন বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে আমির খসরুকে রিজাইন করাতে। তখন সিভিল সোসাইটিতে এরকম একটা হাইপ তোলা হয় আমির খসরুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কবর রচনা হয়ে গেল। আওয়ামাপন্থী মিডিয়াগুলো এটাকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে এমন করে প্রচার করে যেন তিনি বিএনপি ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেন। এবং উনাকে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করে দলের মুখোমুখি করে তুলতে অপচেষ্টা করে। বাট দেখা গেল খসরু সাহেব দলের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের স্টেটমেন্ট তো দিলোই না, বরং পরদিন চট্টগ্রামে গিয়ে প্রেস ব্রিফিং করে তার অবস্থান জানান যে, তিনি যতদিন আছেন বিএনপি ছাড়বার প্রশ্নই আসে না। এটাই তার রাজনৈতিক পরিচয়। মন্ত্রীত্ব ছাড়ার এই সিদ্ধান্তকে তিনি স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন। এরপরের গল্পটা ইন্টারেস্টিং। বেগম জিয়া তাকে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক করলেন এবং পরবর্তীকালে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির মেম্বার বানান। বেগম জিয়ার চ্যাপ্টার শেষে তারেক রহমানের চ্যাপ্টার শুরু হলো। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।  যারা আজকে সমীকরণ কষে ফেলছেন ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটে গেল, তাদের জন্য বলা আমিরু খসরুর স্টোরিটা। প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ-পরবর্তী ইশরাক হোসেন যেভাবে প্রফেশনালি এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেছেন, তাতে পরিষ্কার তার রক্তে দলের প্রতি লয়ালটি কতখানি। কিছু কিছু সাংবাদিক চেষ্টা করেছিলেন তাকে ট্রিগার্ড কইরা দলের এগেইন্সটে বা সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দু—একটা বাক্য মুখ থেকে বের করতে। বাট ইশরাক তাদের ফাঁদে পা দেন নাই। মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ, স্বাভাবিকভাবে নিলেন এবং আজীবন দলের পক্ষে থাকে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় কমিটমেন্ট ঘোষণা করলেন। ইশরাক এই কঠিন সময়টা ধৈর্য ধরে দলের প্রতি লয়ালটি ঠিক রেখে অ্যাক্ট করে যাওয়া উচিত। তার ইন্টিগ্রিটি ঠিক থাকলে জনগণই তাকে চুড়ায় তুলবে।
বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে সরকার গঠনের পর তার ক্যাবিনেটে বাণিজ্যমন্ত্রী বানান আমির খসরু মাহমুদকে। সরকারের ৩ বছরের মাথায় বাংলাদেশে যখন তাইওয়ানের বাণিজ্যিক কনস্যুল খোলার অনুমোদন দিলো তখন চীনের সঙ্গে বৈরিতা শুরু হয়। এই বৈরিতা এমন পর্যায়ে যায়, দলের ভেতরের প্রভাবশালী একটি গ্রুপ বেগম জিয়াকে বুঝালেন, চীনকে ঠাণ্ডা করতে বাণিজ্যমন্ত্রীকে ক্যাবিনেট থেকে অপসারণ করে দিন। শেষ পর্যন্ত তাদের কথায় বেগম খালেদা জিয়া বাধ্য হলেন বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে আমির খসরুকে রিজাইন করাতে। তখন সিভিল সোসাইটিতে এরকম একটা হাইপ তোলা হয় আমির খসরুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কবর রচনা হয়ে গেল। আওয়ামাপন্থী মিডিয়াগুলো এটাকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে এমন করে প্রচার করে যেন তিনি বিএনপি ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেন। এবং উনাকে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করে দলের মুখোমুখি করে তুলতে অপচেষ্টা করে। বাট দেখা গেল খসরু সাহেব দলের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের স্টেটমেন্ট তো দিলোই না, বরং পরদিন চট্টগ্রামে গিয়ে প্রেস ব্রিফিং করে তার অবস্থান জানান যে, তিনি যতদিন আছেন বিএনপি ছাড়বার প্রশ্নই আসে না। এটাই তার রাজনৈতিক পরিচয়। মন্ত্রীত্ব ছাড়ার এই সিদ্ধান্তকে তিনি স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন। এরপরের গল্পটা ইন্টারেস্টিং। বেগম জিয়া তাকে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক করলেন এবং পরবর্তীকালে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির মেম্বার বানান। বেগম জিয়ার চ্যাপ্টার শেষে তারেক রহমানের চ্যাপ্টার শুরু হলো। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যারা আজকে সমীকরণ কষে ফেলছেন ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটে গেল, তাদের জন্য বলা আমিরু খসরুর স্টোরিটা। প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ-পরবর্তী ইশরাক হোসেন যেভাবে প্রফেশনালি এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেছেন, তাতে পরিষ্কার তার রক্তে দলের প্রতি লয়ালটি কতখানি। কিছু কিছু সাংবাদিক চেষ্টা করেছিলেন তাকে ট্রিগার্ড কইরা দলের এগেইন্সটে বা সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দু—একটা বাক্য মুখ থেকে বের করতে। বাট ইশরাক তাদের ফাঁদে পা দেন নাই। মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ, স্বাভাবিকভাবে নিলেন এবং আজীবন দলের পক্ষে থাকে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় কমিটমেন্ট ঘোষণা করলেন। ইশরাক এই কঠিন সময়টা ধৈর্য ধরে দলের প্রতি লয়ালটি ঠিক রেখে অ্যাক্ট করে যাওয়া উচিত। তার ইন্টিগ্রিটি ঠিক থাকলে জনগণই তাকে চুড়ায় তুলবে।

About