@hu.danh11:

Hữu Danh
Hữu Danh
Open In TikTok:
Region: VN
Sunday 18 October 2026 13:06:32 GMT
100
7
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @hu.danh11, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

يُعد برج المملكة واحداً من أهم وأشهر الصروح المعمارية #fyp  والمعالم الحضارية الهادفة إلى تجسيد الحداثة والتطور العمراني في قلب مدينة الرياض عاصمة المملكة العربية السعودية وقدٍ تم
يُعد برج المملكة واحداً من أهم وأشهر الصروح المعمارية #fyp والمعالم الحضارية الهادفة إلى تجسيد الحداثة والتطور العمراني في قلب مدينة الرياض عاصمة المملكة العربية السعودية وقدٍ تم " افتتاحه رسمياً في عام 2002م ليصبح منذ ذلك الحين رمزاً استثماريا وسياحيا بارزا يعكس النهضة الشاملة التي تشهدها البلاد يرتفع البرج إلى نحو 302 متر فوق سطح الأرض ويتكون من 99 طابقا وهو ما جعِله عند تشييده واحدا من أطول المباني في المنطقة وأكثرها تميزا من حيث التصميم الهندسي الفريد الذي أشرفت عليه شركات عالمية ومحلية مرموقة حيث يتخذ المبنى شكلاً انسيابيا ينتهي بقوس معكوس تعلوه فتحة بيضاوية مفرغة يتوسطها جسر المشاهدة المعلق أو ما يُعرف ( ) والذي يبلغ طوله حوالي 65 متراً ويتيح للزوار وفرصة استثنائية لرؤية مشهد بانورامي ساحر يمتد لجميع أرجاء مدينة الرياض من ارتفاع شاهق يتوزع البرج على مساحة واسعة ليضم مجموعة متكاملة من المرافق والخدمات متعددة الاستخدامات حيث يحتوى على مركز تجاري ضخم يتألف من عدة طوابق تجمع أرقى العلامات التجارية العالمية والمحلية والمتاجر المتخصصة بالإضافة إلى خيارات متعددة من المطاعم والمقاهي وصالات الترفيه العائلي كما يضم البرج فندق فورسيزونز العالمي الذي يقدم خدمات ضيافة فاخرة للزوار ورجال الأعمال إلى جانب صالات احتفالات ومؤتمرات مجهزة بأحدث التقنيات إلى جانب الجانب التجاري والفندقي يحتضن البرج المقر الرئيسي لشركة المملكة القابضة وعدداً كبيراً من المكاتب والشركات المحلية والعالمية فضلاً عن أجنحة وشقق سكنية فاخرة ومراكز رياضية وصحية متكاملة مما جعله مجتمعا رأسيا قائما بحد ذاته يجمع بين العمل والسكر والترفيه في موقع استراتيجي حيوى يربط بين أهم المحاور الرئيسية في العاصمة وهما طريق الملك فهد وطريق العليا#محمد_بن_سلمان #MBS #المملكة_العربية_السعودية
🇧🇩 প্রবাসীরা কি শুধু দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য, নাকি বিপদে পড়লে তাদের পাশে দাঁড়ানোরও কেউ আছে? কয়েক দিন ধরে একটি সংবাদ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে। সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক—নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার—এর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশের দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। বিষয়টি জানার পর বাংলাদেশ সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো—আমাদের দেশের নাগরিক বিদেশের মাটিতে মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির মুখোমুখি হলেন, অথচ আমাদের কূটনৈতিক মিশন আগে থেকে কিছুই জানতে পারল না কেন? অপরাধ করে থাকলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী বিচার হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু একজন নাগরিকের বিচারপ্রক্রিয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, আইনি সহায়তা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব কি নিজ দেশের সরকারের নেই? আমরা প্রবাসীরা পরিবার, মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে হাজার হাজার মাইল দূরে পড়ে থাকি। রোদে পুড়ি, ঘাম ঝরাই, দিনরাত পরিশ্রম করি। আমাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অথচ সেই প্রবাসী কোনো বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত—আজ সেই প্রশ্ন তুলতেই হবে। আমরা অন্য দেশের নাগরিকদের বিদেশে আইনি ও কূটনৈতিক সহায়তা পাওয়ার উদাহরণও দেখেছি। ভারতের কেরালার আবদুল রহিমের কথাই ধরুন। সৌদি আরবে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারাবন্দি থাকার পর রক্তপণ পরিশোধ, ক্ষমা এবং দীর্ঘ আইনি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি ২০২৬ সালের মে মাসে দেশে ফিরেছেন। ভারতীয় দূতাবাসও তাঁর মামলাটি নিয়মিত অনুসরণ করেছে। তাহলে আমাদের দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও কেন এমন কার্যকর কূটনৈতিক তৎপরতা, আইনি সহায়তা এবং স্বচ্ছ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে না? আমি জানতে চাই— 🔹 বিদেশে কোনো বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হলে তাঁর পরিবারকে দ্রুত জানানো এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা কোথায়? 🔹 কোনো বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের মামলা হলে আমাদের দূতাবাস কীভাবে সেই মামলা পর্যবেক্ষণ করবে? 🔹 বিদেশি কর্তৃপক্ষ আমাদের দূতাবাসকে না জানালে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সরকার কী পদক্ষেপ নেবে? 🔹 প্রবাসীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় আমাদের সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কী? আমরা অপরাধকে সমর্থন করি না। আমরা চাই না কোনো অপরাধী বিচারের বাইরে থাকুক। কিন্তু আমরা এটাও চাই না যে একজন বাংলাদেশি বিদেশে বিপদে পড়লে তাঁর দেশের রাষ্ট্রীয় সহায়তা কতটা কার্যকর, তা নিয়ে পরিবারকে অনিশ্চয়তায় থাকতে হোক। সবুজ পাসপোর্ট হাতে নিয়ে বিদেশে আসা কি আমাদের অপরাধ? আমরা তো এই দেশেরই নাগরিক। আমাদেরও অধিকার আছে—বিচার পাওয়ার, আইনি সহায়তা পাওয়ার এবং বিপদের সময় নিজের দেশের দূতাবাসকে পাশে পাওয়ার। আজ সৌদি আরবে এমন ঘটনা ঘটেছে, কাল অন্য কোনো দেশে ঘটবে না—তার নিশ্চয়তা কোথায়? আজ যদি আমরা প্রবাসীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে নীরব থাকি, আগামীকাল আরও কোনো পরিবার এমন অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। সরকারের কাছে আমার দাবি—এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হোক, সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া হোক এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের এমন গুরুতর মামলার বিষয়ে আমাদের কূটনৈতিক মিশন অন্ধকারে না থাকে, তা নিশ্চিত করা হোক। প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর যন্ত্র নয়। প্রবাসীরাও মানুষ, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁদের ঘাম দিয়ে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়—তাই তাঁদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় রাষ্ট্রকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। যে সরকার তার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়, সেই সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইবার অধিকার জনগণের অবশ্যই আছে। 🇧🇩 প্রবাসীদের নিরাপত্তা কোনো দয়া নয়—এটি নাগরিক অধিকার। #প্রবাসীদের_নিরাপত্তা_চাই #প্রবাসীর_অধিকার #বাংলাদেশি_নাগরিক#প্রবাসীদের_নিরাপত্তা_চাইারের_জবাবদিহি
🇧🇩 প্রবাসীরা কি শুধু দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য, নাকি বিপদে পড়লে তাদের পাশে দাঁড়ানোরও কেউ আছে? কয়েক দিন ধরে একটি সংবাদ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে। সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক—নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার—এর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশের দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। বিষয়টি জানার পর বাংলাদেশ সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো—আমাদের দেশের নাগরিক বিদেশের মাটিতে মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির মুখোমুখি হলেন, অথচ আমাদের কূটনৈতিক মিশন আগে থেকে কিছুই জানতে পারল না কেন? অপরাধ করে থাকলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী বিচার হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু একজন নাগরিকের বিচারপ্রক্রিয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, আইনি সহায়তা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব কি নিজ দেশের সরকারের নেই? আমরা প্রবাসীরা পরিবার, মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে হাজার হাজার মাইল দূরে পড়ে থাকি। রোদে পুড়ি, ঘাম ঝরাই, দিনরাত পরিশ্রম করি। আমাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অথচ সেই প্রবাসী কোনো বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত—আজ সেই প্রশ্ন তুলতেই হবে। আমরা অন্য দেশের নাগরিকদের বিদেশে আইনি ও কূটনৈতিক সহায়তা পাওয়ার উদাহরণও দেখেছি। ভারতের কেরালার আবদুল রহিমের কথাই ধরুন। সৌদি আরবে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারাবন্দি থাকার পর রক্তপণ পরিশোধ, ক্ষমা এবং দীর্ঘ আইনি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি ২০২৬ সালের মে মাসে দেশে ফিরেছেন। ভারতীয় দূতাবাসও তাঁর মামলাটি নিয়মিত অনুসরণ করেছে। তাহলে আমাদের দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও কেন এমন কার্যকর কূটনৈতিক তৎপরতা, আইনি সহায়তা এবং স্বচ্ছ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে না? আমি জানতে চাই— 🔹 বিদেশে কোনো বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হলে তাঁর পরিবারকে দ্রুত জানানো এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা কোথায়? 🔹 কোনো বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের মামলা হলে আমাদের দূতাবাস কীভাবে সেই মামলা পর্যবেক্ষণ করবে? 🔹 বিদেশি কর্তৃপক্ষ আমাদের দূতাবাসকে না জানালে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সরকার কী পদক্ষেপ নেবে? 🔹 প্রবাসীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় আমাদের সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কী? আমরা অপরাধকে সমর্থন করি না। আমরা চাই না কোনো অপরাধী বিচারের বাইরে থাকুক। কিন্তু আমরা এটাও চাই না যে একজন বাংলাদেশি বিদেশে বিপদে পড়লে তাঁর দেশের রাষ্ট্রীয় সহায়তা কতটা কার্যকর, তা নিয়ে পরিবারকে অনিশ্চয়তায় থাকতে হোক। সবুজ পাসপোর্ট হাতে নিয়ে বিদেশে আসা কি আমাদের অপরাধ? আমরা তো এই দেশেরই নাগরিক। আমাদেরও অধিকার আছে—বিচার পাওয়ার, আইনি সহায়তা পাওয়ার এবং বিপদের সময় নিজের দেশের দূতাবাসকে পাশে পাওয়ার। আজ সৌদি আরবে এমন ঘটনা ঘটেছে, কাল অন্য কোনো দেশে ঘটবে না—তার নিশ্চয়তা কোথায়? আজ যদি আমরা প্রবাসীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে নীরব থাকি, আগামীকাল আরও কোনো পরিবার এমন অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। সরকারের কাছে আমার দাবি—এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হোক, সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া হোক এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের এমন গুরুতর মামলার বিষয়ে আমাদের কূটনৈতিক মিশন অন্ধকারে না থাকে, তা নিশ্চিত করা হোক। প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর যন্ত্র নয়। প্রবাসীরাও মানুষ, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁদের ঘাম দিয়ে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়—তাই তাঁদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় রাষ্ট্রকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। যে সরকার তার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়, সেই সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইবার অধিকার জনগণের অবশ্যই আছে। 🇧🇩 প্রবাসীদের নিরাপত্তা কোনো দয়া নয়—এটি নাগরিক অধিকার। #প্রবাসীদের_নিরাপত্তা_চাই #প্রবাসীর_অধিকার #বাংলাদেশি_নাগরিক#প্রবাসীদের_নিরাপত্তা_চাইারের_জবাবদিহি

About