@ciejoiofrut:

OGGY
OGGY
Open In TikTok:
Region: MY
Sunday 18 October 2026 13:10:22 GMT
819
165
2
1

Music

Download

Comments

kokoguh1
kyawkyaw68800 :
🙏🙏🙏
2026-10-18 13:20:28
0
mgayetun608
💯🇯🇵 💞Mg Aye TUN💞🇯🇵💯 :
🥰🥰🥰
2026-10-18 13:23:36
0
To see more videos from user @ciejoiofrut, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ওভারিয়ান সিস্ট কমাতে এই ১৫টি খাবার অনেক উপকারী: Part 1: ১. তিসির বীজ: তিসিতে থাকা লিগনান অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন শরীর থেকে বের করে দেয় এবং হরমোন ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, তিসি সাপ্লিমেন্ট যৌ*ন হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রতিদিন এক-দুই চামচ তিসি গুঁড়া করে ভাত, টক দই বা স্মুদিতে মিশিয়ে খান। ২. মেথি বীজ: মেথি বীজ PCOS রোগীদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং ফ্রি টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। রাতে আধা থেকে এক চামচ মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করুন এবং বীজগুলো চিবিয়ে খান। ৩. দারুচিনি: দারুচিনি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং PCOS-এ ওভুলেশন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। দারুচিনি রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। প্রতিদিন হাফ চামচ দারুচিনি গুঁড়া চা, ওটস বা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খান। ৪. হলুদ: হলুদের কারকিউমিন শক্তিশালী প্রদাহরোধী উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, কারকিউমিন PCOS রোগীদের অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা কমায়। প্রতিদিন রান্নায় আধা থেকে এক চামচ কাঁচা বা শুকনো হলুদ ব্যবহার করুন। সামান্য গোলমরিচ যোগ করলে শোষণ ২০ গুণ বাড়ে। ৫. আদা: আদায় থাকা জিঞ্জেরল ও শোগাওল রক্ত চলাচল বাড়ায়, জরায়ু ও ওভারির প্রদাহ কমায় এবং পিরিয়ডের ব্যথা উপশম করে। প্রতিদিন এক কাপ আদা চা পান করুন বা রান্নায় তাজা আদা ব্যবহার করুন। ৬. রসুন: রসুনের অ্যালিসিন প্রদাহ কমায়, রক্ত পরিশোধন করে এবং হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন সকালে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে বা পানি দিয়ে গিলে খান। ৭. ব্রকলি ও ফুলকপি: গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রকলির ইন্ডল-থ্রি-কার্বিনল (I3C) অ্যারোমাটেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন উৎপাদন কমায় এবং প্রজনন স্বাস্থ্যে উপকারী প্রভাব ফেলে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন হালকা ভাপে রান্না করে খান, বেশি সেদ্ধ করলে পুষ্টি নষ্ট হয়। ৮. পালংশাক: পালংশাক আয়রন, ফলিক এসিড ও ম্যাগনেশিয়ামে সমৃদ্ধ। এই উপাদানগুলো হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে এবং লিভারকে সক্রিয় রেখে হরমোন নিষ্কাশনে সহায়তা করে। প্রতিদিন এক কাপ পালংশাক রান্না করে বা স্যালাডে কাঁচা খান। Part 2: ৯. বিট: বিটে থাকা বেটেইন লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, ফলে শরীর অতিরিক্ত হরমোন ও টক্সিন দ্রুত ছেঁকে ফেলতে পারে। রক্ত পরিশোধন ও হরমোন ভারসাম্যে এটি কার্যকর। সপ্তাহে ৩-৪ দিন সিদ্ধ বিট সালাদ হিসেবে বা হালকা ভাজি করে খান। ১০. ছোট দেশি মাছ: পুঁটি, মলা, ঢেলা, কাচকি - এই মাছগুলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। ওমেগা-৩ শরীরের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমায় এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ১১. আখরোট ও কাঠবাদাম: আখরোটে ওমেগা-৩ এবং কাঠবাদামে ভিটামিন ই ও ম্যাগনেশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই উপাদানগুলো একসাথে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং ওভারির প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন ৫-৬টি কাঠবাদাম ও ৪-৫টি আখরোট খান, ভেজানো খেলে হজম আরও ভালো হয়। ১২. ডালিম:  ডালিমের এলাজিটেনিন যৌগ অ্যারোমাটেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম এবং PCOS রোগীদের হরমোনের পরিবর্তনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ১৩. গ্রিন টি: গ্রিন টির EGCG PCOS-এ প্রদাহ কমায়, ফ্রি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা হ্রাস করে এবং ওভারির ওজন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১-২ কাপ গ্রিন টি পান করুন, চিনি ছাড়া। ১৪. চিয়া সিড: চিয়া সিডে ওমেগা-৩ ও দ্রবণীয় ফাইবার দুটোই প্রচুর পরিমাণে থাকে। ফাইবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখে এবং হরমোন ভারসাম্যে সাহায্য করে। প্রতিদিন এক চামচ চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে ৩০ মিনিট পর খান। ১৫. টক দই: টক দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, হজম উন্নত করে এবং লিভারের মাধ্যমে হরমোন নিষ্কাশনকে সহজ করে। প্রতিদিন দুপুর বা বিকেলে এক কাপ চিনিমুক্ত টক দই খান। #ইনশাআল্লাহ_যাবে_foryou_তে_যাবে😅 #সিস্ট_রিমুভ #drrahelaaktermim #foryoupageofficiall❤️❤️tiktok
ওভারিয়ান সিস্ট কমাতে এই ১৫টি খাবার অনেক উপকারী: Part 1: ১. তিসির বীজ: তিসিতে থাকা লিগনান অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন শরীর থেকে বের করে দেয় এবং হরমোন ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, তিসি সাপ্লিমেন্ট যৌ*ন হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রতিদিন এক-দুই চামচ তিসি গুঁড়া করে ভাত, টক দই বা স্মুদিতে মিশিয়ে খান। ২. মেথি বীজ: মেথি বীজ PCOS রোগীদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং ফ্রি টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। রাতে আধা থেকে এক চামচ মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করুন এবং বীজগুলো চিবিয়ে খান। ৩. দারুচিনি: দারুচিনি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং PCOS-এ ওভুলেশন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। দারুচিনি রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। প্রতিদিন হাফ চামচ দারুচিনি গুঁড়া চা, ওটস বা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খান। ৪. হলুদ: হলুদের কারকিউমিন শক্তিশালী প্রদাহরোধী উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, কারকিউমিন PCOS রোগীদের অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা কমায়। প্রতিদিন রান্নায় আধা থেকে এক চামচ কাঁচা বা শুকনো হলুদ ব্যবহার করুন। সামান্য গোলমরিচ যোগ করলে শোষণ ২০ গুণ বাড়ে। ৫. আদা: আদায় থাকা জিঞ্জেরল ও শোগাওল রক্ত চলাচল বাড়ায়, জরায়ু ও ওভারির প্রদাহ কমায় এবং পিরিয়ডের ব্যথা উপশম করে। প্রতিদিন এক কাপ আদা চা পান করুন বা রান্নায় তাজা আদা ব্যবহার করুন। ৬. রসুন: রসুনের অ্যালিসিন প্রদাহ কমায়, রক্ত পরিশোধন করে এবং হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন সকালে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে বা পানি দিয়ে গিলে খান। ৭. ব্রকলি ও ফুলকপি: গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রকলির ইন্ডল-থ্রি-কার্বিনল (I3C) অ্যারোমাটেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন উৎপাদন কমায় এবং প্রজনন স্বাস্থ্যে উপকারী প্রভাব ফেলে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন হালকা ভাপে রান্না করে খান, বেশি সেদ্ধ করলে পুষ্টি নষ্ট হয়। ৮. পালংশাক: পালংশাক আয়রন, ফলিক এসিড ও ম্যাগনেশিয়ামে সমৃদ্ধ। এই উপাদানগুলো হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে এবং লিভারকে সক্রিয় রেখে হরমোন নিষ্কাশনে সহায়তা করে। প্রতিদিন এক কাপ পালংশাক রান্না করে বা স্যালাডে কাঁচা খান। Part 2: ৯. বিট: বিটে থাকা বেটেইন লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, ফলে শরীর অতিরিক্ত হরমোন ও টক্সিন দ্রুত ছেঁকে ফেলতে পারে। রক্ত পরিশোধন ও হরমোন ভারসাম্যে এটি কার্যকর। সপ্তাহে ৩-৪ দিন সিদ্ধ বিট সালাদ হিসেবে বা হালকা ভাজি করে খান। ১০. ছোট দেশি মাছ: পুঁটি, মলা, ঢেলা, কাচকি - এই মাছগুলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। ওমেগা-৩ শরীরের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমায় এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ১১. আখরোট ও কাঠবাদাম: আখরোটে ওমেগা-৩ এবং কাঠবাদামে ভিটামিন ই ও ম্যাগনেশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই উপাদানগুলো একসাথে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং ওভারির প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন ৫-৬টি কাঠবাদাম ও ৪-৫টি আখরোট খান, ভেজানো খেলে হজম আরও ভালো হয়। ১২. ডালিম: ডালিমের এলাজিটেনিন যৌগ অ্যারোমাটেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম এবং PCOS রোগীদের হরমোনের পরিবর্তনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ১৩. গ্রিন টি: গ্রিন টির EGCG PCOS-এ প্রদাহ কমায়, ফ্রি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা হ্রাস করে এবং ওভারির ওজন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১-২ কাপ গ্রিন টি পান করুন, চিনি ছাড়া। ১৪. চিয়া সিড: চিয়া সিডে ওমেগা-৩ ও দ্রবণীয় ফাইবার দুটোই প্রচুর পরিমাণে থাকে। ফাইবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখে এবং হরমোন ভারসাম্যে সাহায্য করে। প্রতিদিন এক চামচ চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে ৩০ মিনিট পর খান। ১৫. টক দই: টক দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, হজম উন্নত করে এবং লিভারের মাধ্যমে হরমোন নিষ্কাশনকে সহজ করে। প্রতিদিন দুপুর বা বিকেলে এক কাপ চিনিমুক্ত টক দই খান। #ইনশাআল্লাহ_যাবে_foryou_তে_যাবে😅 #সিস্ট_রিমুভ #drrahelaaktermim #foryoupageofficiall❤️❤️tiktok

About